বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হিউম্যানয়েড

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Radiyah Ridhi (৩০ পয়েন্ট)



X লেখক মোহাম্মদ আসাদ উজ জামান ববকে কেইটের খুব পছন্দ। বেশ দাম দিয়েই ওকে কিনতে হয়েছে। ওর সার্ভিস অসাধারণ। নিরাপত্তার জন্যে ডেনডেন রোবট কোম্পানি বিশ্বখ্যাত! এলেক্সও ববকে পছন্দ করে। এলেক্স এখন খুবই কম আসে। সরকারের খুব গোপন একটি কাজের সঙ্গে এলেক্স জড়িত। ও যে কি কাজ করে তা কেইটকেও জানায়নি। প্রথম দিকে কেইটের খুব খারাপ লেগেছিল। কিন্তু এখন ব্যাপারটা ও নিজে থেকেই মেনে নিয়েছে। তবে সব কিছুতেই এলেক্স একজন সৎ মানুষ। ওর সঙ্গে কথা বলতেও খুব মজা। বিশেষ করে উইকেন্ডের দিনগুলো। তখন এলেক্সকে দুর্দান্ত লাগে। কোনো কাজের কথা নেই, শুধু আনন্দ। একদিন এলেক্সর সঙ্গে কথা বলতে বলতেই কেইট দেখে জানালার খুব কাছে বব দাঁড়িয়ে আছে। জানালার এত কাছে ওর আসার কথা নয়। ওর দিকে চোখ পড়তেই বব মাথা নিচু করে ফেলে। কেইট একটু পর আবার দেখে বব জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আছে। ব্যাপারটা কেইটের একেবারেই ভালো লাগে না। জানালার পর্দাটা টানতে গিয়েও কেইট থেমে যায়। ততক্ষণে বব চলে গেছে একটু দূরে! কেইটের কাছে ববের এই আচরণ একেবারেই নতুন।এলেক্স চলে গেলে ববের ঘটনা পুরোপুরি ভুলে যায় কেইট। কিন্তু ধাক্কাটা খায় পরদিন সকালে। কেইটের ঘুম ভাঙতেই দেখে বব সরে যাচ্ছে ওর জানালা থেকে। কেইট আশ্চর্য হয়, তার মানে বব ওর জানালার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল! নাস্তা না করেই ও চলে আসে বাইরে। তখন গেটের কাছে বব, অন্য দিকে তাকিয়ে আছে। তুমি আমার জানালার পাশে কি করছিলে, কেইটের এই প্রশ্নে বব একেবারেই চমকাল না। সহজ ভাবেই উত্তর দিল, তোমার নিরাপত্তার জন্যেই আমি জানালার কাছে ছিলাম। আমার নিরাপত্তার জন্যে তোমাকে এতটা কাছে যেতে হবে না, ঠিক আছে? বব এর উত্তর না দিয়ে বরং বলে বসে, আমি কিন্তু অন্য কাজেও তোমাকে সহায়তা করতে পারি! মানে? আমি আরো অনেক কাজই পারি, তোমার নিরাপত্তার জন্যে আমাকে তেমন কিছুই করতে হয় না, চাইলে তোমার ঘরের অনেক ... আমার নিরাপত্তার বাইরে আপাতত তোমার কিছু করার দরকার নেই! তারপরেও, আমি তো বসেই থাকি! প্রয়োজন হলে আমি তোমাকে জানাব, আর তুমি আমার জানালার বেশি কাছে আসবে না।কেইট আর ববের উত্তরের অপেক্ষা করে না। ফিরে আসে ঘরে। ওর কেমন যেন অস্বস্তি লাগতে শুরু করে। ডেনডেন কোম্পানির রোবটের রিভিউ খুবই ভালো, এখন পর্যন্ত ওদের নামে তেমন কোন বাজে রিপোর্ট চোখে পড়েনি। ববকে নিয়েও অভিযোগ করার মতো এতদিন কিছুই পায়নি কেইট। পরের কিছু দিন ববকে বেশ দূরেই দেখতে পায়। তবে কেইট খেয়াল করেছে ওর চোখ সব সময় জানালাগুলোর দিকেই থাকে। হয়ত নিরাপত্তার কারণেই বব এদিকে তাকিয়ে থাকে, কেইট এই নিয়ে আর ভাবতে চায় না। কিন্তু সমস্যাটা দেখা যায় কেইটের জন্মদিনে। এলেক্স চলে এসেছে বিকেলেই। আর কাউকে ডাকা হয়নি। দুজনের জন্যে ডিনার আর ছোট্ট একটা কেক। পুরো আয়োজন করেছে এলেক্স। কেকটাও ওর নিজের হাতে বানানো। চকোলেটের উপর কয়েকটি ফ্রেস চেরি! দেখতে অদ্ভুত সুন্দর লাগছে। কেইটের মন সত্যিই বলছে এলেক্সকে আর যেতে দেবে না। ওদের দুজনের যেটুকু টাকা আছে তাতে দিব্যি ওদের জীবন চলে যাবে! কিন্তু এই চিন্তাটা কেইট বেশি দূর টেনে নিতে পারে না। হঠাৎ চোখ পড়ে যায় জানালার দিকে। ওপাশে বব খুবই অস্থির ভাবে পায়চারি করছে। একবার জানালার দিকে আসছে, আবার ফিরে যাচ্ছে, ভীষণ এলোমেলো পা ফেলছে! কেইট কিছুই বুঝতে পারছে না। ডেনডেন কোম্পানি প্রতি সপ্তাহে ববকে একবার করে সার্ভিসিং করে দিয়ে যায়, ওর চার্জও ঠিকঠাক আছে, তাহলে! কেইট কিছুই ভাবতে পারছে না, কিন্তু ওর মনটা হঠাৎ দমে যায়। এটা এলেক্সের চোখ এড়ায় না। এলেক্সের চোখে কেইটকে এতক্ষণ উড়ন্ত লাল মেঘের মতো মনে হচ্ছিল। লাল গাউনে কেইট যেন মেঘের দেশের পরি। কিন্তু এই পরির মুখে কেমন একটি কাল আভা! কাছে এসে কেইটের হাত দুটো এলেক্স নিজের হাতে তুলে নেয়। কিন্তু তখনও দেখে কেইটের চোখ দুটো বিষণ্ণ! তোমার কি কেক পছন্দ হয়নি, এলেক্স জানতে চায়! কেইট চমকে উঠে, এতক্ষণ কোথায় ছিল ও নিজেই জানে না। এলেক্সের প্রশ্নটা ধরতে একটু সময় লাগে। বুঝতে পারার পর উত্তর দেয়, তুমি তো জান চকোলেটের উপর চেরি আমার কতটা প্রিয়! কেইটের কথা শুনে এলেক্স ওকে জড়িয়ে ধরে বলে, তোমার পছন্দ জানি বলেই আমি নিজে বানিয়েছি।এলেক্সের কাঁধে মাথা রাখতে গিয়েও কেইটের চোখ পড়ে জানালায়। বাইরে বব রীতিমত পাগলের মতো আচরণ করছে। একবার জানালার দিকে তীরের মতও ছুটে আসছে, আরেকবার ফিরে যাচ্ছে গেটের দিকে। এই দেখে কেইট কেমন শক্ত হয়ে যায়। পুরো জন্মদিনের আনন্দ ওর ভেতর থেকে উধাও! মনে মনে ঠিক করে ফেলে কাল সকালেই ফোন করে অন্য একটি রোবটের কথা বলবে। ববকে নিয়ে আর চলা ঠিক হবে না। এলেক্স চলে যাওয়ার পর কেইটের রাতটা কিছুতেই ভালো যায় না। একদিকে এলেক্সকে পেয়েও খুশি হতে না পারার যন্ত্রণা, অন্যদিকে ববের পাগলাটে আচরণ! অথচ এটা ছিল কেইটের জন্মদিন! সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে বব আগের মতোই স্বাভাবিক। কেইট কি করবে বুঝতে পারে না। কয়েকবার ফোন হাতে নিয়েও ডেনডেন রোবট কোম্পানিকে ফোন করে না। জানালা দিয়ে ওর চোখ পড়ে আছে ববের দিকে। আজ ওর আচরণ পুরোপুরি স্বাভাবিক! তারপরেও নিশ্চিত হওয়ার জন্যে কেইট বাইরে চলে আসে। কেইটকে দেখে বব নিজেই এগিয়ে আসে, ওর মুখে খুব সুন্দর হাসি। একটি রোবট এত সুন্দর করে হাসতে পারে কেইটের ধারণা ছিল না। কেইটের চোখের দিকে তাকিয়ে বব বলে, আমি কি তোমার ঘরের কোনো কাজে লাগতে পারি! এই প্রশ্নে কেইট একটু থতমত খেয়ে যায়। একটু সামলে নিয়ে বলে, দরকার পড়লে আমি তোমাকে জানাব। আমি কিন্তু অনেক ধরণের কাজ পারি, তোমার যে কোন ... আচ্ছা বব, তোমার কি কোনো সমস্যা হচ্ছে? না তো! গত সপ্তাহে তোমার সার্ভিসিং হওয়ার কথা ছিল, সার্ভিসিং হয়েছে? তুমি তো জানই ডেনডেন রোবট কোম্পানি কতটা প্রফেশনাল, ওরা কখনোই এসব কাজে ফাঁকি দেবে না। প্রশ্নটা করার পর কেইট বুঝতে পারে, এই প্রশ্নটা করা ঠিক হয়নি। শুধু আচ্ছা বলেই কেইট ফিরে আসে ঘরে। ঘরে ফিরেও অনেকবার ববের দিকে খেয়াল করে দেখে বব খুবই স্বাভাবিক। পরের কয়েকদিন ববকে নিয়ে কেইটের আর কোন ভাবনা ছিল না। আসলে ভাবার মতো অবস্থা ওর ছিল না। এলেক্সের একটা ইমেইল ওকে বেশ চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। সরকারের কোন এক গোপন কাজে ওকে দূরে কোথাও যেতে হবে। যেখান থেকে ওর আগের ইমেইল থেকে ইমেইল পর্যন্ত করতে পারবে না। অন্য একটি ইমেইল থেকে ইমেইল করতে হবে ওকে, যেন অন্যরা বুঝতে না পারে ও কোথায় আছে। চিন্তাটা এই নিয়ে নয়, কারণ এলেক্সের সঙ্গে কখনোই ভিডিও কলে কেইটের কথা হয়নি, সরকারের গোপন কাজ করে বলে এটা এলেক্সের পক্ষে সম্ভব ছিল না। শুধু ইমেইলেই যোগাযোগ হত। তবে এলক্সের এই ইমেইলটা কেইটের বুকে কেমন একটা ধাক্কা দেয়। কয়েকদিন পরে কেইট তাও সামলে উঠে। নতুন ইমেইল একাউন্ট থেকে এলেক্স ইমেইল পাঠিয়েছে! ইমেইল পড়ে কেইট রীতিমত মুগ্ধ। আগের ইমেইলগুলোর মত সাদামাটা কোন ইমেইল না। এখানে সব কিছুই কেইট সম্পর্কে লেখা। কেইট কীভাবে হাঁটে, কেইট কীভাবে হাত নাড়ে, কথা বলতে গেলে কেইটের মুখের ভাব, কেইটের চোখের বর্ণনা, ... এত কিছু পড়ে কেইট ভীষণ মুগ্ধ। এলেক্সের চোখে নিজেকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করার আনন্দে কেইট আনন্দে কাঁপতে থাকে। এবং এর পরের প্রতিটি ইমেইলেই শুধু কেইটের বর্ণনা! কেইট ঘোরের মধ্যে পড়ে যায়। প্রতিদিন রাতে এলেক্সের কাছ থেকে একটি করে ইমেইল পায়। যেখানে কেইট খুঁজে পায় নিজেকে। ইমেইলের প্রতিটি শব্দ ওর হৃদয় ছুঁয়ে যায়। একটি ইমেইলে এলেক্স লিখেছে, ঘুমন্ত কেইটের মুখে পর্দার ফাঁক গলে এক ফালি সকালের আলোতে কেইটকে কেমন লাগে। বর্ণনাটা অনেক বারই চোখ বন্ধ করে কেইট ভাবতে থাকে, এলেক্সের চোখে ও এত সুন্দর! এলেক্সের ইমেইলের কথাগুলোই যেন কেইট, এই কথাগুলো না পড়তে পারলে কেইট যেন অপূর্ণ থেকে যেত। কী স্বর্গীয় ওর বর্ণনা। এই বর্ণনা থেকেই কেইট আবিষ্কার করে, নারী বলেই যেন ও স্বর্গীয়। তবে একটা চিন্তাও ওকে ধরে বসে, এলেক্স তো সকালের আলোতে ওকে দেখার কথা না! তাহলে এটা কি পুরোটাই এলেক্সের কল্পনা, কিন্তু কল্পনা হলেও যেন একেবারে বাস্তব! কেইটকে নিয়ে এলেক্সের কল্পনা এত প্রখর আর প্রবল, ভাবতেও কেইটের গা অবশ হয়ে আসে। কেইট ঠিক করে ফেলে, এবার এলেক্স ফিরে এলে ওকে বিয়ে করবে। এদিকে ববের আচরণ প্রায় স্বাভাবিক। জানালার খুব কাছে চলে আসা ছাড়া ববেরও কোন অদ্ভুত আচরণ নেই। কেইট এটা মেনে নিয়েছে, হয়ত নিরাপত্তার কথা ভেবেই এতটা কাছে আসে। এমনও হতে পারে ওকে একটু বেশি সাহায্য করতে চায়, কথাটা বব বেশ কয়েকবারই ওকে বলেছে। কিন্তু কেইট চায় না বব বাড়ির ভেতরে আসুক! কিন্তু এর মাঝেই ছোট্ট একটি ঘটনা ঘটে যায়। ডেনডেন রোবট কোম্পানি বিনা নোটিশে ববকে ফিরিয়ে নেয়। কেইট কিছুই বুঝতে পারে না, বব ওর যথেষ্ট পছন্দের, ও তো কোন অভিযোগও করেনি। ডেনডেন রোবট কোম্পানিকেও ফোন করে কোন উত্তর পাচ্ছে না, ওরা বারবারই বলছে, এটা অন্য একটা কারণে, এবং কেইটের নিরাপত্তার জন্যে কাল থেকেই নতুন রোবট চলে আসবে। কেইট নতুন রোবট চায় না বললেও ওরা শুনছে না। কেইট বারবারই বলছে ববকে কে নিয়ে ওর কোন সমস্যা হচ্ছে না, ওরা তার পরেও ববকে দিতে চাইছে না। বিরক্তিতে কেইট টিভি খুলে বসে। এলেক্সের ইমেইলে এতটাই ঘোরের মধ্যে ছিল যে এই কয়েকদিন ওর টিভি দেখা হয়নি! খবর দেখা ছাড়া ওর দেখার মতো টিভিতে কিছু দেখায়ও না! কিন্তু টিভি খোলার পর ওর চোখ ছানাবড়া! টিভিতে দেখাচ্ছে পুলিশের হাতে বব। ভালো করে শুনে দেখে বব কাউকে দিয়ে একটি খুন করিয়েছে, খুনটা হয়েছে স্বয়ং এলেক্স! বেশ কয়েকটি নিউজ চ্যানেল দেখে কেইট বুঝতে পারে ঘটনা ঘটেছে প্রায় দেড় সপ্তাহ আগে, ঠিক ওর জন্মদিনের রাতে। পুলিশ ঘটনাটা ধরতে পেরেছে আজ! কেইটের মাথা ঘুরতে থাকে! কিভাবে সম্ভব, এলেক্স না বলেছে সরকারের গোপন কাজে ও চলে যাচ্ছে দূরে! তাহলে! পরের কয়েকদিন কেইট কিছুই করতে পারে না। এই খুনের পেছনে কী কারণ থাকতে পারে। বব কেন এলেক্সকে খুন করতে যাবে! এলেক্সকে বিয়ে করার স্বপ্নটা বিষের মত কেইটের মাথায় পাক খেতে থাকে!ববের বিচার হচ্ছে। একটি রোবট অকারণে একজন মানুষ মেরেছে, এটা সহজে মেনে নেয়া যায় না। ঘটনাটা সাড়া ফেলে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। কিন্তু দুই দুইবার রিমান্ডে নিয়েও ববের কাছ থেকে পুলিশ কোনো কথাই বের করতে পারেনি। বব দাঁড়িয়ে আছে কাঠগড়ায়, উকিলের হাজার প্রশ্নেও বব নিশ্চুপ, মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ওর কারণে পুরো ডেনডেন রোবট কোম্পানি প্রশ্নের সম্মুখীন, এমন হতে পারে, ওদের কোম্পানিও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই অনেকেই ডেনডেন রোবট কোম্পানির রোবট ফিরিয়ে দিতে শুরু করেছে। ওদের শেয়ারের দাম চলে গেছে একেবারে তলানিতে! কিন্তু ববের মুখ থেকে কিছুই বের করা যাচ্ছে না। জুরি সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে, বব কিছু বলুক, আর নাই বলুক, ওর থাকা চলবে না, এমনকি ওর মতো অন্য সব রোবটকেও নতুনভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি সমস্যা পাওয়া যায়, এই ধরনের কোন রোবট আর বাজারে রাখা যাবে না। জুরির সিদ্ধান্তটা বিচারক পড়ার আগে একটি বিরতি নিয়েছেন। তিনি নিজেও জুরির মতের পক্ষে। কিন্তু তার পরেও তার মাথা থেকে চিন্তাটা যাচ্ছে না, একটা রোবট কেন একজন নিরিহ মানুষকে খুন করতে যাবে! বেশ খানিকক্ষণ ভাবার পর তিনি বুঝে ফেলেছেন, এই নিয়ে আর ভেবে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দেয়ার জন্য তিনি চলে আসেন এজলাসে। ববের মাথা তখনও নিচু করা। ঠিক তখনই দরজা খোলে ঘরের মধ্যে একজন ঢুকে পড়ে। দরজা খোলার সামান্য শব্দে বব ওদিকে তাকিয়ে দেখে, কেইট! মুহূর্তে ববের চোখ দুটো ঝলমল করে উঠে!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...