বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জিজেসরা যখন নেপালে (পর্ব ৩)

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ★ রোদেলা রিদা ‎★ (০ পয়েন্ট)



X জিজেসরা যখন নেপালে (পর্ব ৩) লেখকঃ রোদেলা রিদা আগের অংশের পর...... নেপালের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পোখারা যা কাঠমুন্ডু উপত্যকার পশ্চিমে এবং নেপালের কেন্দ্রে অবস্থিত।gj সাত হ্রদের শহর নামে পরিচিত পোখারা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে সাথে এই শহর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেও সমৃদ্ধ। পৃথিবীর মধ্যে যেন এক টুকরো স্বর্গ এই পোখারা শহর।gj নেপালের সব থেকে সুন্দর জায়গা হলো পোখারা। gj আমরা থামেল থেকে পোখারা বাসে করে যাবো। বাস ভাড়া করতে সমস্যা হলো না। আমরা থামেলের যেই হোটেলে ছিলাম সেই হোটেলই আমাদের বাসের ব্যবস্থা করে দিল।gj পরেরদিন আমরা বাসে করে পোখারার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। বাসে আমরা খুব মজা করলাম। বেচারা সিয়াম ভাইয়ারই একটু মন খারাপ ছিলো। gj তার সামিরাকে ছাড়ে আসতে হলো! বেচারার মনের কষ্ট কে দেখে। gj বাসে আমরা পোখারায় কি কি করবো সে নিয়ে অনেক কথা বললাম। আমিঃ আমরা কিন্তু পোখারায় অবশ্যই প্যারা গ্লাইডিং করব!strong আরিজাঃ কিহ!!gj প্যারা গ্লাইডিং!!gj না না ওসব কিছু করবো না!pirate ফারহান ভাইয়াঃ কেন??unsure প্যারা গ্লাইডিং করতে কতো মজা তুমি জানো?sly আরিজাঃ তুমি আগে কখনো প্যারা গ্লাইডিং করছো ফারহান?? sly ফারহান ভাইয়াঃ না করিনিunsure! তো কি হইছে এখন করবো!strong আমিঃ সেটাই এখন করবো! আরিজাঃ না না কোনো প্যারা গ্লাইডিং ট্যারা গ্লাইডিং হবে নাgjgj! বিজয় ভাইয়াঃ ও মা!!!gj কিল্লায় হবে না?? sly আমিঃ অবশ্যই হবে! sly তোমার ভয় করতেছে তুমি করিও না! ras আমরা করব! strong ফারহান ভাইয়াঃ হুমম..yes হৃদয় ভাইয়াঃ ঠিকই তো তোমার ভয় করতেছে তুমি করিও না! ওরা করতে চাচ্ছে ওরা করুক! : তুশার ভাইয়াঃ হৃদয় ভাইয়া আপনি প্যারা গ্লাইডিং করবেন না??sly হৃদয় ভাইয়াঃ ইয়ে মানে.. আমার তো মাথায় ব্যাথা! তো আমি ওসব করবো না! grin আমিঃ হৃদয় মিয়া sneaky হৃদয় ভাইয়াঃ grin আমিঃ জান্নাতপি, ইসুপি, তানিম ভাইয়া , জিএফ, রিফাত, ইকবাল, ফড়িং আরও যারা যারা আছো, তোমরা প্যারা গ্লাইডিং করবে তো?? সবাইঃ হ্যাঁ....। আমিঃ ইয়াহু... wowখুব মজা হবে! strong আমাদের বাস আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তায় ছুটে চলছে! আমরা এতে অবশ্য বেশ আনন্দ পাচ্ছি! এর মধ্যেই ইসুপি বলল, :- আমারে এনা কেউ চা দেও! gj ফড়িংঃ এখন চা কই পাবো? ইসুপি? huh জান্নাতপিঃ হু এখন চা কই পাবে ইসু? আমরা তো এখন বাসে! unsure ইসুপিঃ জানি না! কিন্তু আমি চা খাবো! কেউ আনে দেও!ninja ফারহান ভাইয়াঃ চা তো নাই!unsure কিন্তু আমার কাছে জুস আছে! খাবে?gj ইকবালঃ আমার কাছে চিপসও আছে! খাবে নাকি ইসুপি?gj ইসুপিঃ না আমি চা খাবোninja!! জিএফঃ এক কাজ করো ইসু! তুমি চোখ বন্ধ কর! করে ভাবো তুমি চা খাচ্ছো! আর ভাবতে ভাবতে ঘুমের দেশে চলে যাও আর যখন উঠবা তখন আমরা পৌঁছে যাবো! তখন তুমি যতো কাপ চা খাওয়ার খেয়ে নিও!!gj ইসুপিঃ নাহারপিgj রেনুপিঃ কিরে ইসু! তোকে এখনি চা খেতে হবে?? ইসুপিঃ হ্যাঁ! gj আমার খুব চা খেতে ইচ্ছে করছে! gj ফড়িংঃ আমারও খুব খিদা লাগছে! ফারহান ভাইয়া: হুমম আমারও অবশ্য খিদা পাইছে! রিধিঃ আমারও! মাহিন ভাইয়াঃ সমস্যা নাই! সাইমন ভাইয়া বলল সামনেই একটা রেস্তোরাঁ আছে! ওখানে আমরা খাওয়া দাওয়া করে নিবো! gj তারপর আমাদের বাস সেই রোস্তোরায় থামলো। আমরা খাওয়া দাওয়া করে আবার বাসে চড়ে বসলাম। বাসে আমরা গানের কলি খেললাম, শব্দের খেলা খেললাম, চোর পুলিশ খেললাম! খেলতে খেলতে আমরা পোখারায় পৌঁছে গেলাম! gj পোখারা শহরটা অনেক গুছানো! বাসের জানালা দিয়েই উপভোগ করছিলাম অতিসুন্দর এই শহরটিকে!gj পোখারায় আমরা আমাদের হোটেলে আসলাম। হোটেলে কিছুক্ষণ রেস্ট নিয়ে আমরা ঘুরতে বের হলাম পোখারা শহর দেখতে। ঢালিউড/ বলিউডের অনেক ছবির গানের শুটিং এই পোখারা শহরে হয়ে থাকে। আমরা অনেজ ফটোগ্রাফি করলাম। তানিম ভাইয়া বলল, :- আজ বউ থাকলে, বউকে সাথে করে নিয়ে আসতাম! বলিউড / ঢালিউড নায়ক-নায়িকাগুলোর মতো করে আমরাও ছবি তুলতাম! gj আজ বউ নাই বলে!weep আমরা সবাইঃ laughlaughlaugh মেহেদি ভাইয়াঃ ভাবি নাই তো কি হইছে ভাইয়া! আসো আমরা ছবি তুলি! গানের শুটিংও করবো নেgjgj তানিম ভাইয়াঃ মজা হচ্ছে?? -_- ফিজ ভাইয়াঃ আরে! ভাই মজা হবে কেন! আসোতো ছবি তুলি! camera তারপর আমরা অনেক ছবি তুললাম! তারপর ডেভি'স ফলস, ভারাহি মন্দির ও বেশ কিছু জাদুঘরও ঘুরলাম! ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা নেমে এলো! আমরা হোটেলে ফিরলাম। হোটেলে সব ব্যাগ বোঁচকা রেখে চলে গেলাম লেকের ধারে! লেকের ধারে বসে আমরা সবাই পাহাড়ের আড়ালে সূর্যাস্ত দেখলাম! কি অসাধারণ সৌন্দর্য! সত্যিই অপরূপ লাগছিল দেখতে gjgj তারপর আমরা হোটেলে ফিরে আসি। এবার আমরা রাতের পোখারা শহর দেখতে বেরুলাম। সন্ধ্যায় ক্যাফে আর পাবগুলো সরব হয়ে ওঠে পোখারার লেক রোডে। আমরা অনেক দোকান ঘুরে ঘুরে দেখলাম। আমরা মেয়েরা অনেক ধরনের কসমেটিকস কিনলামgj। ফারহান ভাইয়া আর তুশার ভাইয়া নেপালি টুপি কিনল। রিফাত আর ইকবাল টি-শার্ট ও জুতা কিনল! রনি ভাইয়া একটা ওয়ালম্যাট কিনল, ফিজ ভাইয়া হাতের ঘড়ি কিনল! বাকিরা কি কিনল জানি না!gj বোতলবাবা দোকানে কি যেন দেখছিল! তানহা বলল, :- কি বোতলবাবা কি দেখো? :- কিছু না! ভাবতেছি এখানে বোতল বিক্রি করতে বসে পরি!sleep আমি :- হ্যাঁ হ্যাঁ! তুই তোর বোতলগুলো নিয়ে এখানপ বসে পড়! বোতল বিক্রি করিস!sly :- তোর কি রে??ras :- আমার কিছু না! sleep ওহ না থাক!unsure আমাদের যদি আবার তোর বাচ্চাগুলোর মানে পানির বোতল এর প্রয়োজন হয় তখন কি করবো! থাক! আমাদের দেশে রেখে তুই এখানে বোতল বিক্রি করতে বসিস! কেমন??gj :- রিদা.... :- কি??ras :- ভাগ!ras :- ras সোহানপাগলা আমাকে ভাগতে বলে নিজেই রিফাতের সাথে অন্য দোকানে চলে গেল!laugh আমি, আতিয়াপি, জিএফ, ফড়িং, ইসুপি, রিধি, তানহা আর জান্নাতপি অন্য একটি দোকানে গেলাম! ওখানে আমরা নেপালি পোশাক ট্রায়েল করলাম! ওগুলো পড়ে ছবি তুললাম! camera তারপর আমরা সবাই এখানকার একটা রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার সেরে হোটেলে ফিরে ঘুম দিলাম! আমাদের ভোরের আগে উঠতে হবে কারণ আমরা পরেরদিন সারাংকোট থেকে সূর্যোদয় দেখবো! gj তাই সবাই একটু তাড়াতাড়িই ঘুমায় পড়লাম।....... চলবে......... ( ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন প্লিজ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৭১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজেসরা যখন নেপালে শেষ পর্ব
→ জিজেসরা যখন নেপালে (পর্ব ২)
→ জিজেসরা যখন নেপালে (পর্ব - ১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...