বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জিজেসদের জাফলং ভ্রমণ ৩য় এবং শেষ পর্ব

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sᕼᗩᕼᗩᖇᓰᗩᖇ (৬৫ পয়েন্ট)



X এসে গেল সেপ্টেম্বর স্পেশাল ট্র্যাভেল স্টোরির ৩য় এবং শেষ পর্ব । স্বাগতম আমার গপ্পে । ওহ কংগ্রাচুলেশন আমার গল্প পড়ার জন্য । সো লেটস বিগেন দা স্টোরি । সবাইকে আসসালামু আলাইকুম । আশাকরি আল্লাহর রহমতে আপনারা ভাল আছেন । এই করোনাকালীন পরিস্থিতে আপনাদের আনন্দ দেয়ার জন্য এটি আমার একটি ছোট্ট প্রয়াস মাত্র । তো এখন শুরু করা যাক ; বাট তার আগে লেখকের একটি কথাঃ “এই কাহিনীতে ব্যক্তি , কাল , কর্ম ও মহল সব কিছুই কাল্পনিক শুধু জায়গা ছাড়া ; আর এখানে কোন ধর্ম , জাতি ,মানুষ বা বিশেষ কোন মহলকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়নি । যদি এখানে কোনো মিল থাকে তাহলে তা একটি কাকতালীয় ব্যপার ছাড়া কিছুই নয় ” । >“বি ওয়্যার ফ্রম কপি-পেস্ট”< তানিম ভাইয়া নিজের লোভ সামলাতে না পেরে অর্ডার করল গ্রিল উইথ হট চিলি সস , সাতকড়ার আচার উইথ সাতকড়ার ডাল । সবাই নিজের নিজের স্থানে বসে খাবার অর্ডার করল । সব মেয়েরা মুগডাল আর পরটা আর সোহান,ইস্কান্দার ভাইয়া ,মাহিন , আমি খেলাম সাতকড়া আর গরুর মাংসর সাথে বাঙালির প্রিয় খাবার ভাত । বাকিরা মোগলাই আর ডিম পোচ খেল । আমাদের অজান্তেই লুকিয়ে হাসছিল হৃদয় ভাইয়া আর ফারহান কেননা , তারা সবার খাবারে ঘি মিশিয়ে দেয়ার প্রি-পরিকল্পনা করে এসেছিল যাতে সবার অম্বল হয় আর তাদের আনন্দ । পরিকল্পনাটা সফল করার জন্য সবার মনযোগ পেতে হবে ; তাই ফারহান গেল বাহিরে আর চিৎকার করে বলল>সবাই দেখ কি এটা?? একথা শুনে সবাই হুরমুর করে উঠে গেল ফারহানের কাছে । সুযোগ পেয়ে হৃদয় ভাইয়া যেই কিছু দিতে গেল তানিম ভাইয়ার খাবারে ; খাদ্যরসিক তানিম ভাই দেখল তার খাবারে হৃদয় ভাই কি জান একটা ঢালছিল । (ফারহানের দিকে দৃশ্য পরিবর্তন ) রেহনুমা আপি > কি হল , ডেকেছিস কেন ? ফারহান > কিছু না এমনি । ইভা আপু > এমনি মানে আমরা খাওয়া ছেড়ে কি ঢং করতে এসেছি । ফারহান > আমি জানি না । সারাফ > সো হুয়াই ইউ কল আস দেয়ার , দিব থা...(ভায়লেন্স কন্টেন্ট ব্লকেড) ফারহান দৌড় দিয়ে আসল আর হৃদয় ভাইকে বলল , ‘কাম খতম’ এদিকে তানিম ভাই সব শুনে যাচ্ছিল ; যেহেতু তার পেট পাতলা তাই তাড়াতাড়ি সবাইকে জড় করে বলল হৃদয় তুমি আমার খাবারে কি মিশাইচলা । না কিছু মিশাই নাই > হৃদয় না, আমি স্পষ্ট শুনেছি ফারহান বলল “কাম খতম” > তানিম্বাই তারপর, সবাই ( সব ছেলেরা ) হৃদয় ভাই ও ফারহানকে চ্যাংদোলা করে পিটাল । খাওয়া শেষে তানিম্বাই আর আকিল দেখল তাদের ট্যাক ফাঁকা । তানিম্বাই যেহেতু সবাইকে অম্বল থেকে বাঁচিয়েছে তাই সবার কাছ থেকে চাঁদা তুলে তানিম্বাইকে টাকা দেয়া হল । কিন্ত , আকিলকে দিল না তাই তাকে সেখানের প্লেট-বাটি , থালা ইত্যাদি ধুয়ে দিতে হল । সে নাকি ভুলে বেশি ধুয়ে ফেলেছে দাবি করল তাই টাকা দেয়ার কথা বলল রেস্তেরা কতৃকপক্ষকে ( ভুলের জন্য সরি ) । কে শুনে কার কথা ; তাকে বলল আরও প্লেট ধুয়ে দিতে হবে । আকিল তাদের শিশুশ্রমের ভয় ও পুলিশের ভয় ( আনিস ভাইয়ার দিকে ইশারা করে ) দেখাল । শেষ পর্যন্ত তারা আকিলকে টাকা দিতে বাধ্য করল ও কিছু ভাল কথা বলে তাকে বিদায় করল । আমরা যেখানে ছিলাম সেটা ছিল পাহাড় । এই জায়গা থেকে নিচের ভিউ ছিল মাশাল্লাহ অনেক সুন্দর । এখান থেকে নিচে নামার জন্য আছে সিড়ি বলতে গেলে বেশ বড় বড় সিড়ি । এমনি বৃষ্টির সিজন সেজন্য প্রত্যেকটা সিড়ি ভেজা ; একটু পা পিছলে গেলেই কাম শেষ । আমরা সবাই নিচে নামছি । হঠাৎ , জাইমকে সারাফ ধাক্কা মারল । ধাক্কা সাম্লাতে না পেরে নিচে গড়িয়ে পড়ল সে । আমরা তাড়াতাড়ি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করি । বিজয় ভাই নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এক বড় লাফ দিয়ে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করল । জাইমকে তো সে ঠিক বাঁচালই ( জাইম গড়িয়ে যাওয়ার সময় এক বড় সিড়ি আসে আর বিজয় ভাই তাকে ধরে রাখে জামা টেনে আর সিচুয়েশন বুঝে জাইম কোন মতে দাড়িয়ে যায় ) কিন্তু বিজয় ভাই লাফের টাল সামলাতে না পেরে পাহাড় থেকে পরে যাবেন তখন তানিম্বাই নিজের রশি দিয়ে তার পায়ে রশি বেঁধে ( ওয়েস্টার্ন সিনেমার মত ) তাকে বাঁচান । মহান আল্লাহর রহমতে কারোর তেমন কোনো ক্ষতিই হয়নি । তারপর , সারাফকে ধরে আমরা পিটাতে যাব তখন জাইম বলল , “তাকে মের না , গোবেচারা মানুষ তো কিছু না বুঝেই ভুলে ধাক্কা মেরেছে বোধ হয়” । তার এই মহানুবতা দেখে সবাই মুগ্ধ হয়ে গেল । আর , আর মুগ্ধ হল বিজয় ভাইয়ের মহানুবতা দেখে যে তার জীবনের পরোয়া না করে কিভাবে অন্যের প্রাণ বাঁচান যায় । আমাদের সিড়ি থেকে নামতে ৩০ মিনিট লাগল । রিদাঃ ইসু আপি দেখ কি সুন্দর কসমেটিক্স ! ইভাঃ চল ! গুলুগুলু দেখিতো কি আছে !! নাহারঃ ওয়াও জিএফ( >রিদা < কেননা আমি কমেন্টে দেখেছি দ্বীনের চাঁদ তাকে জিএফ বলে ডাকে ) এইটা ......................( মেয়েদের গল্প ) >দৃশ্য পরিবর্তন< আমিঃ মাহিন আমার ছবি তোলে দিবে মাহিনঃ ওকে ক্রিচিক ক্রিচিক ক্রিচিক ( ক্যামেরার শব্দ ) তানিমঃ মাহিন আমারেও মাহিনঃ কি আমারেও তানিমঃ ছবি মাহিনঃ ওকে ভাই । সবাই একসাথে চিৎকার শুরু করল, “মাহিন আমারে আমারে না আমারে আগে” অতিষ্ট হয়ে সে নৌকায় উঠে যাত্রা শুরু করল মায়াবতী ঝর্ণার দিকে । নৌকায় উঠে ঠান্ডা পানিতে হাত দিয়ে মজা উপভোগ করছে । পানি একদম স্বচ্ছ হওয়ায় নিচের সবকিছু দেখা যাচ্ছে । এমন সময় মাহিন নদীর মাঝে উপনীত হয়ে চিৎকার করা শুরু করল । মাহিনঃ স্টিংরে! স্টিংরে! বাঁচাও ? চিৎকার শুনে বেশ বড় ভিড় জমা হল আর মাহিনতো হুরমুড়িয়ে পরে গেল মারি নদীতে । এমনিই বেচারা সাঁতার জানে না তার ওপর ডুবি ডুবি কান্ড । কয়েকজন মিলে উদ্ধার করল তাকে । পরে জানা গেল এটা নাকি প্লাস্টিকের স্টিংরে ছিল প্রেঙ্ক করার জন্য । সবাই(জিজেস) রীতিমত রেডি মায়াবতী ঝর্ণায় যাওয়ার জন্য । আমরা সবাই বটবটি নৌকায় উঠে নদীর ওইপারে যাই । কত রকম দোকান আছে সেখানে । আমি সাতকড়ার টক ,মিষ্টি ও ঝাল আচার খেলাম । একটু দূরে গিয়ে উপনীত হইয়া দেখি তানিম্বাই ঝর্ণার পাথর বাহিয়া উপরে উঠিতাছেন । আমিও পাথর ধরে উঠলাম উপরে একটুর জন্য মরিনি । উপরে উঠে দেখি আমি বিনা পাসপোর্টে ইন্ডিয়া থুক্কু ভারত এসে গেছি । সেখানে রাস্তার পাশে গাড়ি ( পিট বাঁকানো ছিল গাড়ির আর আমাদের দেশের মত ছিল না ) । উড়ি বাবা , ৯ নাম্বার বিপদ সংকেত দেখি । চারপাশে মেঘ আর ঝড়ো হাওয়া তার ওপর বৃষ্টি এতো লবণ আর চিনি মধ্যে মরিচ । উক্ত সংকেতের জন্য নিচে নামার সময় দেখলাম বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ পাচার হচ্ছে ওপর থেকে ঢিল মেরে । ইও ডুড চিন্তা কর না কারো কিছু হয়নি । মেয়েরা আর পাহাড়ের পাশে না থাকা বাকিজনেরা তো ভিজে একাকার । তাড়াতাড়ি করে গেলাম নদীর ওইপারে একটা নৌকা পর্যন্ত নেই আশেপাশে আমারা সবাই সাঁতরে চলে গেলাম ( যারা পারে না তাদের পিঠে চরিয়ে ) আর সিড়ি বেয়ে আশেপাশের দোকান থেকে কিছু জিনিস পত্র কিনে আমাদের বাসে । সোহানঃ এখানে মাত্র ৭ ঘণ্টা থাকলাম ইস , যদি আমি… ইস্কান্দারঃ আর ক্ত থাকবা যদি বল তাহলে এখানেই বাসা বানিয়ে দেই রিদাঃ আর অবসর সময় এখানে বোতল বিক্রি হবে ফেরিওয়ালার মত নাকিরে বোতল বাবা না টুক্কু গাজা বাবা । শাহজামানঃ এখন সবাই ঘুম দেও বাসায় ফিরে জিজেতে দেখা হবে । [ আমরা যেভাবে আসলাম সেভাবে গেলাম ] লেখকের কিছু কথাঃ এই গল্প আমার নিজের লেখা তাই কেউ কপি করবেন না প্লিজ । পরের বার কোথায় যাব তা কমেন্টে জানাতে পারেন । আর এই গল্প কি ভাল লাগল নাকি তা অব্যশই জানাবেন কারণ তা জান আমার জন্য আলবাদ জরুরী । আল্লাহ হাফেজ । প্রত্যেক চরিত্রঃ হ্রদয় ভাইয়া , বিজয় ভাইয়া , তানিম ভাইয়া ,শাহারিয়ার , সোহান, জাইম , দোয়া আপু , মেহেদি ভাই , মুস্তাফিজ , মাহিন , আকিল , সাইমন ভাইয়া , ইকবাল , আনান , লুমি ভাইয়া , শাহজামান বেশি বড় ভাইয়া , ইস্কান্দার ভাইয়া , ফারহান , রিধি , রিদা , তারিন , ইভা আপু (ইসরাত) , রেহনুমা আপু, নামইকা আপু , নাহার আপু , আনিস ভাইয়া , সামিয়া আপু , আরিজা আপু । লেখকঃ শাহারিয়ার শেষ করার সময়ঃ সন্ধ্যা ৭টা ৬মিনিট ১০সেকেন্ড শেষ করার তারিখঃ ৩০আগস্ট ২০২১ইং বাংলা ভার্সনঃ রবিবার ১৭ই ভাদ্র ১৪২৮ বঙ্গাব্দ স্থানঃ বাংলাদেশের কোনো এককোনায় জাকারুল্লাহ খাইরান গল্প বোরিং লাগলে দুঃখিত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজেসদের জাফলং ভ্রমণ পর্ব ২
→ জিজেসদের জাফলং ভ্রমণ পর্ব ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...