বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জিজেসদের জাফলং ভ্রমণ পর্ব ২

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sᕼᗩᕼᗩᖇᓰᗩᖇ (৬৫ পয়েন্ট)



X এসে গেল সেপ্টেম্বর স্পেশাল ট্র্যাভেল স্টোরির ২য় পর্ব । স্বাগতম আমার গপ্পে । ওহ কংগ্রাচুলেশন আমার গল্প পড়ার জন্য । সো লেটস বিগেন দা স্টোরি । সবাইকে আসসালামু আলাইকুম । আশাকরি আল্লাহর রহমতে আপনারা ভাল আছেন । এই করোনাকালীন পরিস্থিতে আপনাদের আনন্দ দেয়ার জন্য এটি আমার একটি ছোট্ট প্রয়াস মাত্র । তো এখন শুরু করা যাক ; বাট তার আগে লেখকের একটি কথাঃ “এই কাহিনীতে ব্যক্তি , কাল , কর্ম ও মহল সব কিছুই কাল্পনিক শুধু জায়গা ছাড়া ; আর এখানে কোন ধর্ম , জাতি ,মানুষ বা বিশেষ কোন মহলকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়নি । যদি এখানে কোনো মিল থাকে তাহলে তা একটি কাকতালীয় ব্যপার ছাড়া কিছুই নয় ” । >“বি ওয়্যার ফ্রম কপি-পেস্ট”< ১ঘন্টা পর বাস আসল । সাথে সাথে তো আর গেলাম না । সব গোছিয়ে আমি বাহিরে গেলাম ; আমিতো লক্ষই করিনি যে পুঁচকে বাবু (সিফাত) আমার পিছে ধাওয়া করছে আমিও কম যাইনা দিলাম হাল্লাবল আর পাঠিয়ে দিলাম বাসায়। আমি এনেছি সবার জন্য … ভাবুন কি হবে?? = পিনাট বার । তো বাসে উঠেই দেখি এডমিন বলছে মাহিন,লুমি ভাই এবং মুস্তাফিজ এখন আসেনি । সবার তো মুড অফ । কিন্তু , সবাইকে চমকিয়ে তাদের দেখা বাসের মালামালের বাক্সে । তারা নাকি জিনিসপত্র সেখনে রাখার সময় কে জান লাথি মেরে তাদের ঢুকিয়ে দিয়েছিল ; বেচরারা তার মুখও দেখতে পারেনি । এটা শুনে হৃদয় ভাইয়া হাসিতে গড়াগড়ি খাচ্ছিল । আর , তারা এখন কিইবা করবে তারা নিজেও হাসছিল । কিন্তু , কেউ জানেই না যে লাথি মেরেছে কে ??? আপনি কি ভাবছিলেন নিচে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না । আসলে লাথি মারছিল তানিম ভাইয়া ;দাঁড়ান কার জান কল ?আরে এত তানিম ভাইয়া – জি আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া জি! জি!... সরি, দুষ্টুমির সরদার তানিম ভাই হবে । এখন বেচারারা কি করবে কে লাথি মেরেছে তাদের তাও জানেনা তাই মেটার ক্লোজ । তাদের মালামালের বাক্স থেকে বের করার পর যা অবস্থাই না হল তাদের । ১০মিনিট বাসে বিশ্রাম নিয়ে । বাস রওনা দিল । বাসের মধ্যে অনেক সিট ফাঁকা কেননা , কয়েকজন উঠেছে বাসের ছাদে । আমরা পার হলাম সিলেট সেনানিবাস ও এস.সি.পি.এস.সি । বাইপাস পয়েন্টে বাস টার্ন নেয়ার সময় ছাদে থাকা মুস্তাফিজ তো একটুর জন্য পড়েই যেত রাস্তায় । পীরের বাজার , পীরের চক নামক জায়গা পার হওয়ার সময় সবাই ভেবেছিল এখানে পীর পাওয়া যায় । আকিলঃ আমি ২ বার এখানে এসেছি পীর কিনতে ; তাদের যা রেট কিনতে পারলাম না । মাহিনঃ তা কত ছিল শুনি ? আকিলঃ বেশি না ৩০ লাখ । মাহিনঃ তোমার পীর আছে ? আকিলঃ২টা ছিল চিকনা পীর । সেজন্য দাম ছিল ১ লাখ । দুজনেই ইন্তেকাল ফর্মাইছেন । মাহিনঃ ও , তাহলে আমারও কিনতে হবে । এগুলো কথো-পকোথন শুনে ড্রাইবার সাহেব বললেন > কিতা কইরায়রে ব!!! আমি নিজেই সিলটি ,আর আমি জানিরাম নায় ; মিছা মাত মাতিরায় কেনে ?? আকিল একথা শুনে খানিকটা লজ্জা পেল এবং মুখ গুজে বসে রইল । ভ্রমণযাত্রা শুরুর আধঘন্টা পর আমরা জালালাবাদ সেনানিবাস , ইংলিশ মিডিয়াম , জে.এস.সি.পি.এস.সি ও বটেশ্বর বাজার পার হলাম এবং জৈন্তাপুর পৌছালাম । তারপর , চিকনাগুল , হরিপুর ও সিলেট গ্যাসফিল্ড পার হলাম । আমরা দরবস্ত যেতে না যেতেই দেখি এক লরি উল্টে পড়ে আছে রাস্তার এক পাশে । আমরা বাস থামিয়ে বিষয়টি দেখি । ২ মিনিট পড়েই পুলিশ এসে হাজির । অবস্থা সামাল দিতে লোকাল জনগণকে সরিয়ে দেয়া হল । আমরা আশা করতে থাকি যেন ড্রাইবার বেঁচে যাক । তাই হয় আল্লাহর রহমতে । আমরা আরেকটু সামনে যেতেই বাসের জ্বালানি যায় যায় ভাব ; একটু পরেই ফুঁস । ভাগ্য ভাল সামনেই বাসের পাম্প স্টেশন । জ্বালানি ভরিয়ে আমারা আবার রওনা দিলাম । ঠুস-টাস ঠুস-টাস শব্দে সবার প্রাণ থমকে দাঁড়ায় সবাই ভাবে জংঙ্গি হামলা । ফারহানঃ শেষ পর্যন্ত জঙ্গি হামলায় মরতে হল ; এইকি ছিল আমার শেষ পরিণতি এর চেয়ে ভাল ছিল মিঃ ওটিনোর হাতে মরা । ইভাঃ ধুর বোকা!!! সামনে সেনাবাহিনীর ফায়ার চলছে । ইস্কান্দারঃ তাইতো ! আমি ভেবেছিলাম আমার প্রথম কাব্য লেখার আগেই মরে যাব জাফলং এর আগে দুই রাস্তা থাকে সেজন্য আমরা ঠিক রাস্তায় যাচ্ছি কিনা তা নিশ্চিত হলাম । প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা যাত্রার পর পৌছালাম জাফলং । সবাই একসাথে অবাক বিস্ময় নিয়ে বললাম , “সুবাহানাল্লাহ” আমরা খুঁজতে লাগলাম এক ভাল রেস্তেরা । সেই রেস্তেরায় ঢোকা পর মেন্যুতে প্রাইসিং দেখে সবাই টাস্কি খেয়ে গেলাম । যা মজার খাবার(সেই খাবারের নাম কেউ কেউ শুনেও নাই আবার কেউ নিজেই খেয়েছে) আবার দাম বেশিও না কমও না । বেশির ভাগই এখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবার । যথাঃ ১ / সাতকরা আর গরুর মাংসের তরকারি; ২ / সাতকরার ডাল; ৩ / মুগডাল ও পরটা; ৪ / মুরগির গ্রিল উইথ হট চিলি সস । ইত্যাদি আর অনেক খাবার । এইগুলি দেখেই অনেকর মুখে পানি এসে গেছে । তানিম ভাইয়া .... টু বি ≡[>_


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৪৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজেসদের জাফলং ভ্রমণ ৩য় এবং শেষ পর্ব
→ জিজেসদের জাফলং ভ্রমণ পর্ব ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...