বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিশাল বড় বাড়ি

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Belal Hosan (৫ পয়েন্ট)



X রমিজা খালা একা বাড়িতে থাকেন । বিশাল বড় বাড়ি । বাড়ির সামনে বড় একটি পুকুর । বাড়ির পিছনে দুটি পুরনো বট গাছ । বট গাছে অনেক বাদুড়ের বাস । দিনের বেলায় এই বাড়িটায় হাটাহাটি করতে গা ছমছম করে ।রাতের বেলায় হাটা তো দূরের কথা ঘর থেকে বের হতেই ভয় করে ।আমি অনেকদিন পর রমিজা খালাকে দেখতে যাচ্ছিলাম । টিপটিপ করে বৃষ্টি হচ্ছে । আমার কাছে কোন ছাতা নেই তাই একদম কাক ভেজা হয়ে গেছি । গাড়ি থেকে নেমে কিছুটা পথ হেটে যেতে হয় । গাড়ি থেকে নামার পরইসন্ধ্যার আজান হয়ে গেছে । ভয়কে দূরে রেখে সাহস করে হাটছি । দুপাশে খেত । মাঝ দিয়ে আমি হাঁটছি । খালার বাড়ির পুকুর পাড় পর্যন্ত আসতে কোন রকম অসুবিধা হয়নি । পুকুরে এসে হাত পা ধুব বলে ঠিক করলাম কারণ পায়ে কাঁদা লেগেগেছিল । হটাত্ আমি শুনতে পেলাম কে যেন গোঙ্গাচ্ছে । ভীষণ রকম ব্যাথা পেলে বুড়ো মানুষরা যেরকম করে গোঙ্গায় ঠিক সে রকম । আমি চোখ বড় বড় করে কৌতুহল নিয়ি তাকালাম । দেখি পুকুরের শান বাঁধানো ঘাটে কে একজন বসে আছে । বসার ভঙ্গিটা ভয়ংকর । পা দুটো উপরের দিকে আর মাথা নিচে । এবং জিহ্বা বের করে পাথর চাটঁছে । চাটার শব্দও হচ্ছে চুক চুক করে । আমি ভীষণ ভয় পেয়ে গেলাম । ভাবলাম পা ধুব না । বাসায় গিয়ে ধুয়া যাবে । আমি খুব জোরে পা চালাতে লাগলাম । আমি বুঝতে পারছি আমার পিছনে কেউ একজন আসছে । চতুষ্পদ জন্তুর মত কিছু একটা আসছে আন্দাজ করলাম । আমি জানতাম রাতের বেলা পিছনে ফিরে তাকানো ঠিক নয় তাই তাকালাম না । হটাত্ বুঝতে পারলাম আমার পাশ দিয়েকেউ একজন খুব জোরে দৌড় দিয়ে আমাকে অতিক্রম করে চলে গেছে । আমি জায়গায় দাড়িয়ে পড়লাম । পায়ে কোন শক্তি পাচ্ছিনা ।অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে আবার হাঁটা শুরু করলাম । খালার ঘর বেশি দূরে নয় মাত্র বিশ বা পচিশ হাত হবে । হটাত্ শুনতে পেলাম কেউ একজন খিল খিল করে হাসছে । আমি সামনের দিকে তাকালাম । কিছুই দেখলাম না । আবার হাসির শব্দ শুনতে পেলাম । এবার সামনের দিকে তাকিয়ে যা দেখলাম তা দেখার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না । একটি মেয়ে পরণে সাদা শাড়ি গাছের মগডালে বসে আছে আর তার পা মাটির উপর ঝুলছে । আমি কি করব বুঝতে পারছিনা । কি ঘটছে এসব আমার সাথে ? আমি গলা ছেড়ে খালাকে ডাকার চেষ্টা করলাম। কিন্তু গলা দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছেনা । আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম সেই শাদা শাড়ি পরা মেয়েটি গাছথেকে নেমে হেটে আমার দিকে আসছে । আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিনা । আমার সামনে মেয়েটি একটি বাদুড় ছিড়ে খাচ্ছে । বাদুড়ের রক্ত মেয়েটির ঠোঁটে এবং গালে লেগেছে । আমি এটা দেখে নিজেকে ঠিক রাখতে পারিনি সেখানেই ফেন্ট হয়ে যাই ।পরদিন যখন জ্ঞান ফিরে তখন আমি খালার বিছানায় শুয়ে । খালা এবং একজন ডাক্তার আমার পাশে । খালা আমাকে অনেক কিছু জিজ্ঞেস করলেন কিন্তু আমি কিছুই বলতে পারিনি ।এই ঘটনার পর আর কোন দিন রমিজা খালার বাড়িতে যাইনি ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮০২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...