বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সমাপ্তিটা অন্যরকম হলেও পারতো

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উড়ন্ত পায়রা (৯০ পয়েন্ট)



X বিগত ৭ দিন ধরে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে মহুয়া,তেমন কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছেনা গতকাল থেকে,শরীর়ের অবস্থার ধীরেধীরে অবনতি হচ্ছে!ডাক্তার বলে দিয়েছে বেঁচে থাকার সম্ভবনা খুবই কম!কিন্তু এই কথাটা মানতে অসুবিধা হচ্ছে মহুয়ার পরিবারের,মানতে পারার কথাও নয়,মৃত্যু চূড়ান্ত সত্যি হলেও এই সত্যিকে সহজভাবে মেনে নেয়ার ক্ষমতা স্রষ্টা খুব মানুষকেই দিয়েছেন! বর্তমানে মহুয়ার বোন,আর মা আছে হাসপাতালে,দিনে কিছু সময় পরপরই বাবার দেখা মিলছে,! বাবারা সংযমী হয়,খুব সহজে তারা ভেঙ্গে পরেনা,তবে এইমূহূর্তে সেই ধৈর্য পরিলক্ষিত হচ্ছেনা মহুয়ার বাবার মধ্য! জীবন মৃত্যুর এই খেলায় সবাই বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে! একমাত্র স্রষ্টা ছাড়া আর কোনো সহায় নেই,! মহুয়ার এই পরিনতির কথা আত্নীয় স্বজন সবার কানেই পৌছে গেলেও একজন এখনো কিছু জানেনা,বিগত ৭দিন ধরে চলমান সবই তার অজানা,তবে বেশিদিন আড়াল করা ঠিক হবেনা ভেবে তাকে জানানোর প্র্সঙ্গ উঠলো দুপুরের দিকে! দুপুর দুটো,হাসপাতালে এসে উপস্থিত হলো অনু,অনু মহুয়ার মামাতো বোন,প্রায় সমবয়সী হওয়ার সুবাদে দারূণ বন্ধুত্ব আর বোঝাপড়া দুজনের! অনু মহুয়ার এক্সিডেন্টের খবর পেয়েছে ২দিন হলো,তাকে কেউ কিচ্ছু জানায়নি প্রথমেই.আসলে সেভাবে কাউকেই জানায়নি প্রথমে,কারণ অবস্থা যে এতোটা গুরুতর হয়ে যাবে,তা প্রথমে উপলব্ধি করতে পারেনি,এমনকি মহুয়ার এক্সিডেন্টের কথা প্রথম দুদিন কেউ ই জানতো না শুধু মহুয়ার কিছু বন্ধুবান্ধব ছাড়া,যারা হাসপাতালে ছিলো !প্রথম দুদিন পর যখন অবস্থা আরোগুরুতর হতে লাগলো,সেইসময় মহুয়ার বান্ধবীরা তার বাসায় জানিয়ে দেয়,! সেদিন ছিলো বৃহস্পতিবার , ক্লাস ছিলোনা হঠৎ,দিনটা ছিলো শুক্রবারের মতো,হঠাৎ এমন শুক্রবার পেলে মন্দ হতোনা বৈকি!সকালে ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হেয়ে গিয়েছিলো,সকাল ১১টার দিকে মহুয়ার ঘুম ভাঙ্গে,ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে দেখল রুমমেটদের কেউ রুমে নেই,সে কি যেন ভেবে সেদিন হোস্টেলের পাশের বাজারে গিয়ে মাংস আর পোলাওয়ের চাল নিয়ে এলো! দুপুরের দিকে রুমমেটের জন্য পোলাও আর মাংস ভুনা করলো,দুপুর ২টার দিকে রুমমেটরা ফিরে এসেই সুবাস পেলো খাবারের,সবাইকে অবাক করে দিয়ে পরিবেশন করলো মহুয়া,সবাই তৃপ্তি সহকারে খাওয়া দাওয়া করলো,মহুয়ার হঠাৎ এই আপ্যায়নের কারণ কেউ না বুঝলেও অখুশি হলোনা কেউ! মহুয়ার হাতের রান্নার কদর রুমমেটরা বরাবরই করে আসছে,আজকে যেন আরেকটু বেশি করে করতে হলো স্বাদ আর ঘ্রাণের জন্য! দুপুরের খাওয়া শেষে মহুয়া বাড়িতে কল করলো কথা বলার জন্য,দুইবার রিং হয়ে কেটে গেল,কিন্তু কেউ রিসিভ করলোনা,ব্যস্ত আছে ভেবে মহুয়াও আর বিরক্ত করতে চাইলো না| মহুয়া গোসল সেরে নীল রংয়ের সালোয়ার কামিজ পরলো,নীল রংটা অনেকদিন পরা হয়নি-হঠাৎই মনে পরে গেল তার! দুপুরে সচরাচর ঘুমিয়েই কাটায় মহুয়া,তবে সেদিন আর ঘুম আসলোই না,! মহুয়া হঠাৎ দুপুরের কড়া রোদে নিচে নেমে এলো রেডি হয়ে,বেরোনোর আগে অবশ্য নীলাম্বরি(রুমমেট) জিগ্যেস করেছিলো একবার এই ভরদুপুরে কোথায় যাচ্ছে সেটা জানতে| তবে মহুয়া তেমন কোনো উত্তর না দিয়েই বেরিয়ে আসলো,,মাঝেমাঝে এইরকম করতে মহুয়ার ভীষণ ভালো লাগে.কেউ জিগ্যেস করবে,কিন্তু উত্তর দিবেনা,দরজায় কেউ নক করলে খুলবেনা,এইরকম কাজে কি যে তৃপ্তি পায় সেই জানে!মহুয়া সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে এসে তার স্কুটার টা বের করলো, এই স্কুটার দিয়েছে তার বাবা,উচ্চমাধ্যমিকের পরে তার এই আবদার ছিলো,''আমার একটা স্কুটার চাই,মোবাইল ল্যাপটপ এসব কিচ্ছু না'"" মহুয়ার আবদার রক্ষা হয়েছে,উচ্চমাধ্যমিকের পরে পছন্দমতো জায়গায় চান্স পাওয়ায় স্কুটারও পেয়ে গিয়েছিলো সে! সেই স্কুটার নিয়েই সেইদিন বৃহস্পতিবারে বেরিয়েছিলো সে,!! আর ফেরা হয়নি হোস্টেলে বা ঘরে ,,,এরপর তো ৭ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি... মহুয়া সেদিন বেরোনোর পরে গিয়েছিলো শিশুনিকেতনে,মহুয়ার ভীষন পছন্দের জায়গা,আরসাদের জন্মদিন ছিলো সেদিন,আরসাদ এখানকার সবচেয়ে পুচকে ! আরসাদের জন্য চকলেট,কেক,খেলনা নিয়ে আরসাদকে চমকে দিয়েছিলো মহুয়া!আরসাদের খুশি সেদিন দেখার মতো ছিলো,আরসাদের জন্মদিন উপলক্ষে তাকে চমক দিয়ে ফেরার সময় মহুয়ার হঠাৎ চোখ পরে ফুসকার দোকানের ওপর,না মহুয়ার পছন্দ বলে নয়, থেমেছিলো রানার কথা মনে পরাতে,রানার ভীষণ পছন্দের একটা জিনিস এইটা! রানার সাথে মহুয়ার সম্পর্কটা পারিবারিকভাবে হয়ে যাবে আর কিছুদিন পরেই,,এখনকার এই সময়টুকু শুধুই অপেক্ষার,অনেক অপেক্ষার অবসানের পরে পারিবারিকভাবে সম্পর্কের ভিত তৈরির পথ মিলেছে.আরেকটু অপেক্ষার পরেই চিরদিনের জন্য ধরা যাবে হাত! মহুয়া আর বেশি কিছু ভাবতে পারছেনা,তখনি স্ক্রিনে ভেসে উঠলো ছোটবোনের নাম্বার,ও হ্যা দুপুরে তো কল দিয়েছিলো রিসিভ হয়নি,কল কেটে দিয়ে ব্যাক করতেই ছোটবোন বলে উঠলো,''''আপু পাশের বাড়িতে বিয়ে হচ্ছে ,সাউন্ডবক্সে সেই গান বাজনা করতেছে,কিচ্ছু শোনা যাচ্ছেনা,কালকে ফোন দিয়ো"'' মহুয়া এতটুকু শুনে কেটে দিলো,,আর তখনি আবার একজনের নাম্বার ভেসে উঠলো,,হ্যা এটা রানার নাম্বার,,মহুয়া কল রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে বললো,,'''ফোন বিজি পাওয়া যায় আজকাল'''' মহুয়ার হঠাৎই খুব হাসি পেল রানার কথার ধরন শুনে,,হাসি নিয়ন্ত্রণ করে মহুয়া বললো,,'''''হ্যা নতুন একজনকে পেয়ে গেছি তো ,বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসছে,তার সাথেই কথা বলছিলাম"| রানা আর কথা বাড়ালো না,সে জানে এসব কথা পুরোটাই ভিত্তিহীন,,কিছুক্ষণ খুনসুটিময় আলাপ চলতে লাগলো,কেটে দেয়ার একটু আগে মহুয়া বললো,,,"""আমার জন্য হলুদ গোলাপ রেখে দেয়া হয় যেন,""" এটাই ছিলো মহুয়ার নাম্বারে আসা শেষ কল,এরপর থেকেই মহুয়ার নাম্বার বন্ধ,সেদিন সন্ধ্যায় হোস্টেলে ফেরার পথে ট্রাকের সাথে মহুয়ার স্কুটারের সংঘর্ষে স্কুটার এখানেই ভেঙ্গে তছনছ হয়ে যায়, হায় সাধের স্কুটার!আর মহুয়া ছিটকে পরে রাস্তার পাশে,ভাগ্যক্রমে ট্রাকের চাপায় তখনি শেষ হয়ে যায়নি,রাস্তায় ভিড় জমে যায়, রক্তে সারাদেহ রন্জিত হয়ে যাচ্ছে মহুয়ার- চেতনাশক্তি হ্রাস পাচ্ছে,শেষবার চোখ বোজার আগে মহুয়ার সমস্ত ইন্দ্রিয় যেন অনুভব করতে পারছে,সে শেষবার তার প্রিয়মুখগুলোকে দেখতে চাইছে,কত স্বপ্ন দুচোখে,স্বপ্নচারিনীর চোখবেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পরলো,সাথে চেতনাশক্তিও দমে গেল! রাস্তায় ভিড় জমানো মানুষগুলোর মধ্য চৈতন্য আসলো,তড়ঘড়ি করে মহুয়াকে হাসপাতালে নিয়ে আসলো,আর সেখানেই ভাগ্যক্রমে এক বান্ধবী তাকে চিনে ফেলে,কোনোরকম ব্যবস্থা করে মহুয়ার ট্রিটমেন্ট শুরু হয়, কিন্তু পরিবারের কাউকে জানানোর উপায় পায়না কেউ,কারণ মহুয়ার হাতের ব্যাগে মোবাইল ছিলো,সেই মোবাইল আর অক্ষত নেই,আর কারেো কাছেই মহুয়ার পরিবারের সাথে যোগাযোগের কোনো উপায় নেই, দুদিন পরে কেয়ার দেখা পেতেই নাম্বার জোগাড় হলো এরপর পরিবার জানলো,তারা আসলো,এরপর তো ৭ দিন চলে যাচ্ছে,,,, হাসপাতালে আজ ৭ নম্বর দিন অনু এসেছে দুপুর দুটোয়,অনু আসার একটু পরেই মহুয়ার ছোটবোন অনুর কাছে এসে বললো,'''অনু আপু,৭ দিন ধরে আপুর ফোন বন্ধ, ভেঙ্গে গেছে তো,ভাইয়া ফোন দিচ্ছে আমার নাম্বারে ৪ দিন ধরে,আপুর ফোন বন্ধ এর জন্য, আমি তো কল ধরিনি,মাকে বললাম,মা ও কিছু বলেনি,মা তো শুধু কাঁদে,আপু আর ভাইয়ার বিয়ের তো আর ১৯দিন বাকি,,আমি কি করব? ভাইয়া এখনো কিচ্ছু জানেনা!"" অনু কি একটা ভেবে বললো,"""নাম্বারটা দে তো,আমার কাছে নতুন নাম্বারটা নেই',আর মহুয়া আপুর কিচ্ছু হবেনা দেখিস,তবুও ভাইয়াকে জানিয়ে দেয়া ভালো হবে'''' অরিত্রীর থেকে নাম্বার নিয়ে অনু ফোন করতে যাবে,এমন সময় একজন এসে বললো,,"""মহুয়ার বাড়ির লোক কে আছে?""" অনু আর অরিত্রী এগিয়ে গিয়ে ভয়যুক্ত দৃ্ষ্টিতে তাকালো,পেছন থেকে হঠাৎ মহুয়ার বাবা কোথুকে এসে বললো,""কি হয়েছে মহুয়ার?""".তখন সাবলীল কন্ঠে বলা হলো,'''পেশেন্টকে আইসিইউতে নিতে হবে ,কান্ডিশন ডেটরিয়েট করেছে"" আইসিইউতে নিয়ে যাবার আগমুহুর্তে মহুয়ার সামনে তার বাবা মা বোনেরা দাঁড়ানে,মহুয়ার চেতনা আছে কিনা বোঝা গেলনা সেভাবে,তবে অশ্রু গড়িয়ে পরলো কয়েকফোটা,এই অশ্রুর রহস্য দূর্ভেদ্য,শেষমূহূর্তে যেন সকল শক্তি সন্চয় করে মহুয়া আধোবুলিতে বলে গেলো,,,""""ওকে ডাকো তোমরা,শেষবার দেখতে চাই তোমাদের একসাথে'''' এরপর আর মহুয়ার কোনো কথা কেউ শোনেনি,,তবে ঠোঁট নাড়ানো দেখে সবাই বুঝে নিয়েছে,কত না বলা কথা বলে দেয়ার চেষ্টা করছে সে! মহুয়াকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার পরে অনু দ্রুত নাম্বার ডায়াল করলো,,সাথে সাথেই রিসিভ হয়ে গেলো অনু::''হ্যালো,আমি অনু বলছি,মহুয়া আপুর বোন"" রানা::""ও চিনতে পেরেছি,হঠাৎ তুমি ফোন দিলে!মহুয়া কোথায় ?"" অনু:"""ভাইয়া,আসলে ,,,,(((অনুর কথা আটকে যাচ্ছে,জানেনা সে কি বলবে )))) রানা::''হুম বলো,কি আসলে,আর তোমার কন্ঠ এত অস্থির কেন'' অনু::''ভাইয়া,আপু হাসপাতালে,৭ দিন আগে এক্সিডেন্ট হইছে,অবস্থা ভালোনা,আইসিইউতে নিয়ে গেছে আজ,ডাক্তার বলছে বাঁচবে না((একনাগাড়ে কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙ্গে পরলো অনু))) অনুর কথা শুনে রানার হঠাৎ যেন সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেল,সে বিশ্বাসই করতে পারছেনা,এটা কি করে সম্ভব!রানা মনে সাহস সন্চয় করে অনুর থেকে ঠিকানা নিলো হাসপাতালের,তার বিশ্বাস ,ওখানে গিয়ে দেখবে মহুয়া সুস্থ স্বাভাবিক আছে! এই বিশ্বাসে ভর করে রানা তৎক্ষনাৎ রওনা হলো,পথিমধ্য একজোড়া হলুদ গোলাপ নিয়ে নিলো,রানার দৃঢ় বিশ্বাস এটা দেখলে মহুয়া ভীষণ খুশি হবে,আর বিয়ের ডেটটা আরো ১ সপ্তাহ এগিয়ে আনতে হবে,মেয়েটা ভীষণ কষ্ট দেয় হঠাৎ মজা করে,এসবের শোধ তো নিতেই হবে,রানা ভাবছে,এটা বুঝি মহুয়ার দুষ্টুমি,ইচ্ছে করেই এমনটা বলালো অনুকে দিয়ে,আজকে একবার দেখা হোক,প্রচুর ঝারি দিতে হবে মহুয়াকে! রানা হাসপাতালে পৌছালো রাত ৮ টায়,আগেই ফ্লোর নান্বার জেনে নিয়েছে,হাটতে হাটতে অনুকে সামনে পেয়ে গেল,অনুকে কিছু জিগ্যেস করবে এমন সময় দেখলো ডাক্তার নার্স ছোটাছুটি করে একটা রুমের দিকে যাচ্ছে, অনুর সেদিকে চোখ পরতেই মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল,অনু রানাকে হাতের ইশারায় বললো ওদিকে আপু আছে.রানা আর অনুর সাথে কোনো কথা না বলে দ্রুত সেদিকে গেলো,রানা আর মহুয়া মুখোমুখি এখন ,মাঝে কাচনির্মিত দরজা হওয়ায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে.ভিতরে ডাক্তাররা ঘিরে আছে মহুয়াকে,রানা অপলক তাকিয়ে আছে,শেষবার শ্বাস পরার আগে মহুয়া দেখতে পেল রানাকে, রানার পিছনে বাবা মা অনু অরিত্রীরা ছুটে এসেছে দাঁড়িয়ে মহুয়াকে লক্ষ করছে,কি শান্তির এর দৃশ্য মহুয়ার চোখজুড়ে,শেষবার চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে একফোটা আনন্দের অশ্রু গড়িয়ে পরলো ,প্রিয় মানুষগুলোকে শেষবারের মতো একসাথে দেখার আনন্দ,,শেষবার কাপুনি দিয়ে মহুয়ার সব সাড়া চিরতরে বন্ধ হয়ে গেলো,,এপারে থেকে গেলো মহুয়ার হাজারো স্বপ্ন,না হওয়া এক সংসার,,রানার হাত থেকে গোলাপ লুটিয়ে পরলো মাটিতে,এরপর...... কেটে যাবে বছরের পর বছর, মহুয়া থেকে যাবে স্মৃতি হয়ে, ৯ বছর পরে, অনুর সাথে রানার কোনো একভাবে বিয়ে হয়ে গেছে কিছুদিন আগে,তবে মহুয়ার স্মৃতি কোথায় গেল? আছে...রানাও জানে মহুয়াকে ভুলতে একজন্ম যথেষ্ট নয়, অনুও জানে,মহুয়ার জায়গা পেতে এই জীবনটা ভীষণ কম সময়,তবে মহুয়ার জায়গা নেয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে কারো নেই,অনু ঐর রানার সম্পর্কটা হয়তো চলবে প্রকৃতির নিয়মে.তবে এক আক্ষেপ থেকে যাবে,যা কোনোদিনও মিটবেনা,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১২১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...