বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

#অন্তরালেও_তুমি_আমার

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান RaNa jojo (০ পয়েন্ট)



X পর্ব : 2 লেখিকা : jojo(Rana) তারপর আমি ফ্রেস হয়ে ব্রেকফাস্ট করে কলেজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লাম। কলেজে যাওয়ার পর দেখি মিরাজ আর মিতু গেটের সামনে দাড়িয়ে আছে।গাড়ি পার্ক করে ওদের সামনে এসে দেখি ওদের কেমন মনমরা লাগছে। কি হয়েছেরে এখানে এমন মন খারাপ করে দাড়িয়ে আছিস কেন ?(চুইংগাম চাবাতে চাবাতে ওদের সামনে দাড়িয়ে তিথি) আর বলিস না রিংকি রকি কে নিয়ে এই মাএ হসপিটাল এ গেল। (মিতু হতাশাজনক ভাবে) কিইই?কেন?কি কারণ এ?(চিৎকার করে তিথি) আগে এই দিকে বস আমি বলছি।(মিরাজ সামনের বেঞ্চে ইশারা করে) হ্যা বল কি হয়েছিল যে ওর হসপিটাল এ যেতে হল?(রাগি কন্ঠে তিথি) আসলে কিছুক্ষণ আগে (মিরাজ ফ্লাসব্যাক) দোস্ত আজকে থেকে তো ফাস্ট ইয়ার এর ক্লাস শুরু। আজকে নতুন নতুন মেয়েদের দেখতে পারব।আর ছেলেদের বারোটা বাজাতে পারব হাহাহা (হাসতে হাসতে রকি) হ্যা দোস্ত এক বছর পর নতুন কয়েকটা জিনিস দেখার সুযোগ হবে(মিরাজ অনেক খুশি হয়ে) তিথি বেবি না আসলে ছেলেদের রেগিং করবো কিভাবে?(ঢং করে রিংকি) এসে পরবে জলদি টেনশন নিসনা চিল কর।ঐ দেখ একটা ছেলে আসছে ।সেই দেখতে ওরে ডাক তো মিরাজ (মিতু) এই হাবলা কে পছন্দ হলো তোর। বাট রেগিং এর জন্য পারফেক্ট। হাহা (রকির সাথে হাইফাইভ করে মিরাজ) হ্যা ডাকি ওয়েট। এই ব্লু শার্ট এদিকে আয়। (রকি ঐ ছেলেকে উদ্দেশ্য করে) জ্বি আমাকে বলছেন?(এদিক ওদিক তাকিয়ে ছেলেটা) হ্যা তোকেই বলছি ।(মিরাজ) তারপর শুরু হয়ে যায় অনেকের সাথে রেগিং করা। নানা রকম অপমান করা।হঠাৎই একটা মেয়ে আসে বোরখা পরা হাত ও পা মোজা অবস্থায় । আর ঐ মেয়েকে আমরা দার করিয়ে নানা রকম প্রশ্ন করি ।রকি তো ওর বোরখা বারবার খুলতে বলছিল ও খুলছিল না আর চিৎকার করছিল।তাই রকি ওর হিজাব এ হাত দেয় আর সাথে সাথেই ঐ মেয়ে রকি কে বেদরম পেটাতে শুরু করে। আমি ভয়ের জন্য সামনে যাইনি।মিতু আর রিংকি গিয়ে আটকাতে গেলে ওদের কষে থাপ্পর মারে।আর ওদের অনেক অপমান করে।এই বলে যে ওরা এতো ছোট কাপড় পরে ছেলেদের আকর্ষণ বাড়ায় এতে ও ওদের লজ্জা হয় না। আর একজন পরেজগার মেয়ের অপমান করছে তা ওরা চুপচাপ দেখেছে ।তারপর ব্যাগ থেকে দশহাজার টাকার বানডিল রিংকির হাতে দিয়ে রকিকে হসপিটাল নিয়ে যেতে বলে কলেজের ভেতর চলে যায়। রকির অবস্থা একটু খারাপ হয়ে গেছে তাই ওকে হসপিটাল পাঠিয়েছি। আর তোর জন্য অপেক্ষা করছি।(চিন্তিত অবস্থায় মিরাজ) চল দেখি কোন পাখির এমন পাখনা গজিয়েছে। আমার ভাইয়ের উপর হাত তুলছে কত্ত বড় সাহস ওর।(রাগে ফুসতে ফুসতে তিথি) হ্যা চল বেবি ওর আজকে বারোটা বাজাবো(ঢং করে মিতু) তারপর আমরা ঐ মেয়ের খবর দাড়োয়ান এর থেকে নিয়ে ওর ক্লাসে গেলাম।গিয়ে দেখি স্যার ক্লাস করাইতেছে। হ্যালো স্যার তা কেমন আছেন?(তিথি ক্লাস রুমে ডুকতে ডুকতে) তোমাদের এখানে কি চাই?( ভয়ঙ্কর রেগে গিয়ে স্যার) আমার ক্লাস টা খালি চাই এখনি।তাই সবাই প্লিজ বের হয়ে যাও ।শুধু ঐ মেয়েটা বাদে।(কটকট করে তাকিয়ে তিথি) মগের মল্লুক নাকি আমি ক্লাস করাই দেখতে পাও না(চিৎকার করে স্যার) ওকে ক্লাস করান তবে ঐ মেয়েকে আমার সাথে যেতে দিতে হবে,আর নাহলে আপনাদের সবার যেতে হবে(ভাব নিয়ে তিথি) না আমরা যাব না ও কোথাও যাবে।তোমরা যাবে নাকি প্রিন্সিপাল কে ডাকব?(কর্কট কন্ঠে স্যার) ডাকেন স্যার ও ভয় পাওয়ার মেয়ে না ।তবে ডাকার পরে আপনার সাথে ভবিষ্যত এ খারাপ কিছু হলে আমরা দায়ি না।(মিরাজ স্যার কে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে) আমি আসছি চলুন ক্লাস রুমে আমি কোনরকম গন্ডগোল চাইনা।(দাড়িয়ে গিয়ে ) আনায়া তোমার যেতে হবে না ওরা এমনেই যাবে(স্যার চিৎকার করে) ঠিক আছে আমার কোন সমস্যা হবে না স্যার। চলুন আপনারা বাইরে দাড়ান আমি ব্যাগ গুছিয়ে আসছি ।(আনায়া তিথি দের উদ্দেশ্য) জলদি আস।(বলেই তিথি বাইরে চলে আসল) আমি ব্যাগ গুছিয়ে বাইরে আসলাম স্যার মানা করা সত্ত্বেও। জ্বি বলুন কি হয়েছে?(আনায়া তিথির সামনে এসে) আমার ভাইকে মেরেছ কেন তুমি ?(চিৎকার করে তিথি) আস্তে কথা বলুন ক্লাস চলছে।আপনাদের কেন্টিন কোথায় সেখানে চলুন। এখন সবার ক্লাস চলছে আমাদের ঝামেলার জন্য অন্যের ক্লাস নষ্ট করার অধিকার নেই আমার বা আপনাদের কারো।(হালকা চিৎকার করে আনায়া) তুমি আমাকে ওরডার করছ?তোমার সাহস তো অনেক দেখছি।এই মেয়ে এই কথা না বলে হাঁটা দিলা কেন ?(চিৎকার করে তিথি) আপনাদের বুদ্ধি কম বারবার এক কথা আনায়া খান বলে না ।যা বলেছি সেই মত কথা বলতে কেন্টিন এ আসুন না হলে আমি ক্লাস করতে চলে আসব।(বলেই আবার হাঁটা দিলাম আনায়া) চল তাহলে কেন্টিন এই যাই এই মেয়ে অনেক জেদি(মিরাজ নিরাশ কন্ঠে) তারপর আমরাও সেখানে গিয়ে বসলাম। পুরো কেন্টিন মোটামুটি খালি।আমাদের দেখে পুরো খালি হয়ে গেছে।কারণ সবাই আমাদের ভয় পায়।বড্ড সাহস তোমার একতো সিনিয়র দের পিটিয়েছ,আবার আমাদের তোমার কথায় এখানে নিয়ে এসেছ?(চিৎকার করে তিথি) আস্তে চিৎকার করুন। আপনার জন্য এই ভাল। নাহলে গলা ভেঙ্গে যাবেযে।(মজা নিয়ে আনায়া) এই মেয়ে তোমার এত্ত সাহস আমার সাথে মজা নেও।এমন অবস্হা করব না জীবনেও আমাদের সাথে লাগতে আসবে না। (দাড়িয়ে চিৎকার করে তিথি) উফ অসয্য একতো এই গরমে বোরখা, হাত-পা মোজা পরে মাথা গরম হয়ে গেছে তার উপর আপনার এই চিৎকার চেঁচামেচি আর সহ্য হচ্ছে না।(মুখের নাকাব টেনে খুলে আনায়া) দোস্ত এটা সত্য মানুষ নাকি কোন পরী দেখছি?আমাকে একটা চিমটি দেতো মিতু(মিরাজ হা করে আনায়ার দিকে তাকিয়ে) মিতু ও হা করেই তাকিয়ে আছে। তিথি তাকিয়ে থেকে মুচকি হাসল। তারপর জোরেই হাসতে লাগল। ও বুঝেছি তুমি এতো সুন্দর তাই নিজেকে ডেকে রাখ যাতে কেউ না ঝালায়।কিন্ত এখন নিকাব খুললে কেন?(অবাক চোখে তিথি)(মেয়েটাকে দেখে সব রাগ উবে গেল।এত্ত সুন্দর ও এত্ত কিউট যা বলার বাইরে) আসলে হয়েছে কি আমার মাথা গরম ছিল এমনেই তার উপর আপনার ভাই আমার সাথে রেগিং করছিল তাই ওনাকে মেরেছি।আর এখন ও মেজাজ গরম আছে তবে তার আগেই বলে নেই আমি পুরো পর্দা করি এমন না। তবে নিজেকে পর্দা দিয়ে সুরক্ষিত রাখি যাতে করে এই সমাজের নোংরা কিট গুলোর থেকে বাজতে পারি।তবে আপু আপনারা দুই জন এবং আপনাদের আর একটা ফ্রেন্ড এই যে ফাটা জিন্স আর পেট দেখানো জামা পরেছেন এতে আপনার গুনাহ হচ্ছে সাথে যারা আপনাদের দেখে চোখের খিদা মিটায় তারা ও গুনার সমান অধিকারি।পুরোপুরি পর্দা না করুন তবে একটু শালিন ড্রেস আপ করলে ক্ষতি কি?আর এই যে মেয়ে হয়েও আপনারা এই রেগিং এর সাথে যুক্ত এটা তো খুবই খারাপ। যাইহোক আমি খুব দুঃখিত আমার ভাইয়া টাকে মারা উচিত হয়নি। এখন আমি আসি।(বলেই দাড়িয়ে গেল আনায়া) এই ওয়েট ওয়েট আমাদের এতোক্ষণ বুঝানোর জন্য ধন্যবাদ। একটু দাড়াও বলেই কয়েকটা ডিম এনে আনায়াকে মারতে শুরু করলাম। লেকচার দেওয়ার মানুষ পাওনি আমার সাথে জোড় গলায় কথা বলার সাহস কারো হয়নি তোমার সাহস কতো।এই আর ও ডিম আন।মিরাজ গিয়ে আরো ডিম নিয়ে আসল।কিন্ত ডিম গুলো মারব এমন সময় একজন এসে আমাদের উপর ডিমের বৃষ্টি শুরু করলো।আমরা হঠাৎই আক্রমনে বেকুব হয়ে গেলাম। কিছুক্ষণ পরে চোখ খুলে দেখি একটা ছেলে ডিমের খাচি নিয়ে বসে আছে।আনায়া মেয়েটা মিটমিট করে হাসছে।আমি মিরাজ ও মিতুর দিকে তাকালাম ওদের গায়ে ও আমার মত অবস্হা। আমি চিৎকার করতে গিয়ে ও থেমে গেলাম কারণ ডিমের গন্ধ আসছিল আর কাচা ডিম মুখে যাচ্ছিল। হাত দিয়ে চোখ মুখ থেকে ডিম কেচে নামিয়ে ছেলেটার দিকে খেয়াল করলাম কালকে রাতের ঐ ছেলেটা বসা।তবে আজকে কালকের মতো পাঞ্জাবি পরে নেই।সুট পরা তবে এই মেয়ের সাথে এর কি সম্পর্ক?আমার হঠাৎই মাথা ঘুরিয়ে আসলো এই গন্ধের জন্য আমি দৌরে ওয়াশরুম গেলাম আর বমি করে দিলাম। আমার অবস্হা খুব বাজে হয়ে গেছে।আমি কিছুই না ভেবে কলের মধ্যেই পাইপ দিয়ে মাথায় পানি দিতে লাগলাম। এতে ডিম ধোয়া হলেও গন্ধ ছিল। মিরাজ কে দিয়ে কলেজের বাইরে থেকে শেম্পু আনালাম। আর মিতু এবং মিরাজকে বাসায় যেতে বলে পুরো শেম্পু শেষ করলাম কলেজের ওয়াশরুম এই গোসল এর জন্য।মেজাজ এত্ত গরম যা বলার বাইরে।আমার এক সুট জামা গাড়ি তে ছিল ঐটা মিরাজ কে দিয়ে আনিয়ে ছিলাম। ঐটা পরে প্রায় দুই ঘন্টার পর বাইরে আসলাম। বাইরে এসে দেখি কলেজ করিডোর এর দেয়ালে হেলান দিয়ে ঐ ছেলেটা দাড়িয়ে আছে।মেজাজ এত্ত খারাপ ছিল যে কোন কিছুই না ভেবেই দৌড়ে গিয়ে ঐ ছেলের কলার চেপে চিৎকার করে উঠলাম। তোর সাহস কি করে হলো আমার সাথে এমনটা করার আজকে তোর একদিন কি আমার যতদিন লাগে(তিথি চিৎকার করে) আমি প্রথম এ একটু অবাক এই হলাম। একটা মেয়ে পিংক কালার একটা টপস,ব্লাক জিন্স পরে, ভেজা চুলে এসে আমার কলার চেপে চিৎকার করছে।প্রথম বুঝতে না পারলেও পরে বুঝলাম এটা ও ডিম মারা মেয়েটা।ওর এই মায়াবী চেহারার মায়ায় পরেও রাগের বশিবত হলাম। একতো আমার প্রান প্রিয় ছোট বোনের উপর হামলা করেছে আর এখন আমার কলার ধরে আছে ।তাই আমি দূরত্ব ওকে আমার থেকে ছাড়িয়ে ওর দুই হাত আমার হাতের মুঠোতে নিয়ে ওকে দেওয়াল এর সাথে চেপে ধরলাম। (মনে মনে আসফি) তোমার সাহস হয় কি করে আসফি খানের কলার ধরার।ফালতু মেয়ে কোথাকার। যা করেছি বেশ করেছি দরকার পরলে আবার করব।তোমার মত মেয়ে কে আমি গনায় ধরি না।যাও তো এখান থেকে ফের আমার সামনে আসলে খবর আছে।(এক হাতে তিথির গালে চেপে ধরে আসফি) তোর সাহস হয় কি করে আমাকে এভাবে ধরার।নিজেকে ছাড়িয়ে আসফিকে কিল দিতে দিতে।((তিথি চিৎকার করছে আর মারামারি করছে) এতে অনেক মানুষ জড়ো হতে শুরু করে।ওদের পাগলামি তামাশা দেখার জন্য। হঠাৎই দুইজনে ব্যালেন্স ঠিক রাখতে না পেরে পরে যায়।আর তিথির উপর আসফি এমন ভাবে পরে যাতে করে ওদের মধ্যে আকর্ষিক ভাবে লিপ টু লিপ কিস হয়ে যায়।আর ভিরের মধ্যেই থেকে কেউ এটাকে ক্যামেরা বন্ধি করে নেয়।ওরা পুরো অবাক হয়ে যায়।আসফি তাড়াতাড়ি উঠে হাঁটা দেয়।তিথি সবার হাসির রোল এর শব্দ পাচ্ছিল। সবাই ওদের নিয়ে হাসি তামাশা করছিল।তিথি সবার দিকে একবার কঠোর ভাবে তাকিয়ে ভিরকে ঠেলে দৌড়ে গাড়ির কাছে গেল দীর্ঘশ্বাস ফেলে রাগ কন্ট্রোল করে গাড়ি ড্রাইব করে বাসার উদ্দেশ্য রওনা হলো। আসলে আসফি আর আনায়া চলে গেছিল তখন এই।কিন্ত আসফির মনে একটু খটকা ছিল আবার যদি আনায়ার সাথে এমন হয় তাই ও এসেছিল প্রিন্সিপাল কে ওদের ব্যাপার এ বলতে।বলার পর ও করিডোর এর দাড়িয়ে ফোনে কথা বলছিল। কথা বলা শেষ হতেই তিথির আক্রমণ হয়।তিথি বাসায় গিয়ে রুমে চলে যায়।ওর কিছুই ভাল লাগছেনা।অনেকক্ষন গোসল করার কারণ এ মাথা ভার হয়ে আছে।তার উপর আবার ঐ কান্ড ও এখন ও শকড। বিছানায় শুয়ে এসব ভাবছিল তিথি হঠাৎই প্রচুর মাথা ব্যাথা তে ও ঘুমিয়ে পড়ল।যখন ওর ঘুম ভাঙল তখন ও একটা হসপিটাল এর বেডে।.....(তিথি) ***************(চলবে)*****************


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৩২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ #অন্তরালেও_তুমি_আমার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...