বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভয়ংকর সব মারাত্মক ভূতের গল্প

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Belal Hosan (৫ পয়েন্ট)



X এইটা ৫বছর আগের ঘটনা। তখন আমি ক্লাস ৭ এ পড়ি। সুযোগ পেলেই ছোট ফুফুর বাসায় বেরাতে যেতাম। তাই সেই বার গ্রীষ্মকালীন ছুটি পেয়েই ফুফুর বাসায় চলে যাই। শহরে থাকতাম বলে ফুফুর বাসার গ্রাম্য পরিবেশ আমার ভালোই লাগত। ফুফুর বাসায় প্রথম দিন আমার ভালোই কাটল। সমস্যা শুরু হলো পরের দিন থেকে। আমি রাতে খেয়ে শুয়ে পরেছি। তখন শুনতে পাই আমি যেই রুমে ছিলাম তার বাইরেই কে যেনো নুপুর পড়ে পায়চারী করছে। প্রথমে মনে হলো মনের ভুল। কিন্তু যখন দেখলাম শব্দ টা বন্ধ হচ্ছে না তখন একটু ভয় পেয়ে গেলাম। ফুফুকে ডকে তুলে বললাম সব কিছু। ফুফু আমার রুমে আসার পরও আমি ওই শব্দ টা শুনতে পারছিলাম। ফুফুকে জিজ্ঞাস করলাম শুনেছে কি না। ফুফু বলল কিছুই শুনতে পায় নি। উনি আরও বললেন আমি ঝিঝিপোকার ডাক শুনেছি হয়ত। আমি ঝিঝিপোকার শব্দ ও শুনছিলাম সাথে সাথে নুপুর পায়ে দিয়ে হাটছে এমন শব্দও শুনছিলাম। ফুফু আমাকে বুঝিয়ে চলে গেলো আর আমিও ভুল শুনছি এমন ভেবে ঘুমিয়ে পরলাম। তারপরের দিনও ভালোই কাটল কিন্তু সন্ধা হতে না হতেই আমি ওই শব্দটা কানে আসতে শুরু করল। তাই ফুফুকে বললাম ফুফুর সাথে ঘুমাব। ফুফুদের বিছানার সাথেই জানালা ছিল। গরমের দিন তাই জানালা খুলেই ঘুমাতে গেলাম সবাই। রাত কয়টা হবে তখন জানি না হঠাৎ আমার ঘুম ভেংগে গেল। শুনতে পেলাম বাইরে কেউ উঠান ঝারু দিচ্ছে। একই সাথে নুপুরের শব্দটা ও পাচ্ছিলাম। ভাবলাম সকাল হয়ে গেছে হয়ত। ফুফুরা ডিম লাইট জালিয়ে ঘুমাত। ডিম লাইটের আলোতে পায়ের দিকের ঘড়িটা দেখা যাচ্ছিল। দেখলাম রাত ৩:০০ টা বাজে। অনেক ভয় পেয়ে গেলাম। ফুফুকে না জাগিয়ে জানালা দিয়ে ধিরে ধিরে বাইরে তাকালাম। দেখলাম একজন সাদা শাড়ি পরা মহিলা উঠান ঝারু দিচ্ছে। মাথায় কাপড় দেয়া ছিল তাই মুখ দেখতে পারি নি প্রথমে। মহিলার পায়ে নুপুর পরা ছিল। হঠাৎ মহিলাটা আমার দিকে তাকাল। মহিলার মুখ দেখে ভয়ের ১টা শীতল স্রোত বয়ে গেল পুরো শরীরে। মহিলার সমপূর্ণ মুখ ঝলসানো ছিল। অহ্মিকোটরে কোনো চোখ ছিল না। মহিলাটি আমাকে দেখে হাসতে লাগল। মহিলার হাসি দেখে ভয়ে চিৎকার দিয়ে অচেতন হয়ে পড়ি। জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর জানতে পারলাম আমি ৪ দিন ধরে অচেতন ছিলাম। ফুফু মসজিদের ১ হুজুরকে বাসায় নিয়ে এসেছিলেন ওই দিন সকালেই। হুজুর নাকি বলেছিল ফুফুদের বাসার পাশে যেই বাশ ঝাড় ছিল ওই খানে খারাপ জিন আছে। ওই জিনের আমাকে ভালো লেগেছে তাই আমাকে নিয়ে যেতে চাইছে। তারপর হুজুর আমাকে ১টা তাবিজ দিয়ে ছিল আর ফুফুকে বলেছিল কোনো দিন যেনো তাবিজ না খুলি। তাহলে অনেক সমস্যা হবে। আমি এই সব কিছুতে বিশ্বাস করতাম না তাই তাবিজ খুলে ফেলে দিয়েছিলাম। এখনো মাঝে মাঝে ওই নুপুর পায়ে দিয়ে হাটার শব্দ পাই। কিন্তু ওই মহিলাকে আর দেখি নি। হয়ত ভালভাবে গুছিয়ে লিখতে পারি নি কিন্তু সব কিছুই সত্য।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৫৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভয়ংকর সব মারাত্মক ভূতের গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...