বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কুহক

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Saniat Ahmed (০ পয়েন্ট)



X কুহক প্রথম_পর্ব সানিয়াত আহমেদ আবির বাইরে কিসের একটা আওয়াজে ধড়মড়িয়ে উঠে পড়ল দীপক । খানিকটা দূর থেকে আসছে শব্দটা। একে তো মশার কামড়ের চোটে ঘুম আসছিলোই না তারপর এই আওয়াজের জ্বালা, ঘুমের ধফারফা করে দিলো । দেওয়াল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো প্রায় রাত তিনটে। দীপক - "ব্যাপারটা কি? এত রাত্রে মাটি কোপায় কে?" টর্চটা হাতে নিয়ে ঘুমজোড়া চোখে চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়ল দীপক । টর্চটা জ্বালিয়ে আওয়াজটা লক্ষ করে ধীর পদক্ষেপে এগোতে থাকল সে। প্রায় ছয় বছর হতে চলল গোরস্থানে পাহারাদারির কাজ করছে। আজ পর্যন্ত কোনও রাত্রেই কোনও অস্বাভাবিক কিছু ঘটনা হয়নি। আর কি ভাবেই হবে এতো শহরের গোরস্থান নয় ,পাড়াগাঁয়ের গোরস্থান, তাই রাতপাহারাটা নিছকই নিয়ম রক্ষার্থে। একের পর এক গোর গুলোকে পেছনে ফেলে , আওয়াজটার প্রায় কাছে চলে এলো দীপকের । ঠিক তখনই ঘটল ঘটনাটা, খুব সাবধানে পা ফেললেও ঝামেলা পাকালো শুকনো পাতাগুলো। পায়ের চাপে তারা খস খস শব্দে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করল। সেই মুহুর্তেই বেইমানি করল টর্চের ব্যাটারিটা। খানিকক্ষণ দপ দপ করে হঠাত কাজে বন্ধ হল টর্চটা। ঠিক সেই তখনই আওয়াজটা বন্ধ হয়ে গেল। তাও দীপক কিন্তু থামল না পা টিপে টিপে এগোতে থাকল সে। এমন সময় আরেকটা তীব্র আলো উল্টোদিক থেকে এসে চোখ ধাঁধিয়ে দিল তার। মুহূর্তের মধ্যে একটা দীর্ঘাঙ্গ ছায়ামুর্তি একটা ভারী কিছু ধাতব জিনিষের সাহাজ্যে আঘাত করল দীপকের মাথায়। যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল সে । জ্ঞান হারানোর আগের মুহুর্তে সে অনুভব করল কিছু লোক গোরস্থান ছেড়ে দ্রুত গতিতে ছুটছে। ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে তাদের পায়ের শব্দ। পাচিল টপকে তারা লাফিয়ে পালালো বাইরে ,স্টার্ট দিলো মোটরগাড়িতে আর আস্তে আস্তে মোটরগাড়ির শব্দটা মিলিয়ে গেল নিঝুম রাতের অন্ধকারে। পুরোটা বুঝতে পারলেও দীপক অসহায় ধীরে ধীরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো । জ্ঞান ফিরল ভোর হওয়ার খানিকটা আগে। পাখির কলতান ঘুমন্ত পৃথিবীটার দেহে ঘটাচ্ছে প্রাণের সঞ্চার। মাথার যন্ত্রণাটা খানিকটা কম কিন্তু দেহের দুর্বলতা রয়েছে পুরোদস্তুর। ভাগ্যিস আঘাতটা ব্রহ্মতালুতে লাগেনি! তাহলে আর ........... । শরীরে খানিকটা বল সঞ্চয় করে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ল দীপক। কিন্তু সামনে যা দেখল তাতে তাজ্জব বনে গেলো সে । পর্বতের মত ভিজে মাটির একটা স্তূপ। বেশ বোঝা যাচ্ছে একটা গোর খোঁড়া হয়েছে। কিন্তু তার ভেতর কফিন সমেত শায়িত দেহটি উধাও! দুদিন আগেই তো এই মানুষটিকে এখানে গোর দেওয়া হয়। পাথরের ফলকে মৃতের নাম লেখা রয়েছে! “TO THE SACRED MEMORY OF MICHEL NARAYAN BISWAS,, OBT 29TH FEBUARY, 2016 ,Age 69” আর কবরের ভেতর থেকে দেহ উধাও !!! মহিমতলার গোরস্থানের ইতিহাসে এই প্রথম এরকম কোনও ঘটনা ঘটে গেলো। চলবে...?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ স্নো হোয়াইট ও কুহক
→ কুহক-৩
→ কুহক-২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...