বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্যা হাইস্যকর কিছুমিছু লিমিটেড!!ধামাকা পর্ব-০২

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান [তা-নি-ম] (০ পয়েন্ট)



X প্রথম পর্বের পর.......................... টিভি স্ক্রিনে যা দেখলাম ও মাগো টুরু দুরুম দুরুম! স্টার জলসার সিরিয়াল চলছে, যেই চ্যানেলের সিরিয়ালগুলোতে কিছুক্ষন পর পর শুধু দুরুম দুরুম করে ঠাডা পড়ে!মুরুব্বিরা সেইটা অধীর আগ্রহ নিয়ে দেখছে,আমি এইসব দেখে কিছুক্ষনের জন্য থ হয়ে গেলাম,কি হচ্ছেরে ভাভা!মুরুব্বীরা এসব ও দেখে! যাইহোক,মানুষের ভিড় গলিয়ে কোন মতে ভিতরে ঢুকলাম! সিরিয়ালে চলছে বউ-শ্বাশ্বড়ি-ননদ,সবার সংসারের যাবতীয় সমস্যা! এক মুরুব্বী ঘটনাপ্রবাহ আমাদের বুঝিয়ে বলছেন আর পান চিবোচ্ছেন! ওনার জর্দার বিকট গন্ধে আমার প্রাণ যায় যায় অবস্থা!!ঘটনাপ্রবাহ বর্ননা করার সময় কথার ধাক্কায় ওনার মুখের ভিতর থেকে পানের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনা বাইরে ছিটকে এসে আমার মুখে পড়লো!এতে আমার বিরক্তি বোধ হওয়ার কথা, অথচ আমি হাত দিয়ে মুখ মুছে ও অতি উৎসাহী হয়ে উনার কথা শুনছি আর টিভি দেখছি,কতোটা মগ্ন হয়ে গেলাম তা একটু পর জানতে পারবেন! সবাই সিরিয়াল গুলো এমন ভাবে এবং এতোটা গুরুত্ব সহকারে দেখছে, তাতে মনে কোন দেশের গোপন নথি ফাঁস করা হচ্ছে, যে না দেখলে চরম মিস! একটু পর সিরিয়ালে বউ তার শ্বাশুড়ি কে খোচা মেরে কথা বল্লো আর তখনি যেন টিভির ভিতর ঠাডা পড়লো, দুরুম দুরুম!! সবাই খুব এক্সাইটেড, শ্বাশ্বড়ির প্রতিক্রিয়া কি হয়,দেখার জন্য!!এই ফাঁকে আমি আমার সামনে থাকা সবুজ রঙের বোতল থেকে একটা নোনতা গন্ধ যুক্ত পানীয় গ্রোগ্রাসে গিলে ফেল্লাম,যে তিয়াস পেয়েছেরে ভাভা! আর সিরিয়াল তখন শেষের পথে, উঠতে যাবো, তখনি দোকানি খেকিয়ে উঠলো,ওই মিয়া কেরোসিন তেলের দাম দিয়া যান!! আমি আধা শোনার ভঙিতে বললাম! আমিঃ কি ভাই, হারিকেন কে ভাঙছে? দোকানিঃ হারিকেন না, কেরোসিন তেলের দাম দেন, এখন যে খাইলেন! আমি তো ধপাস!তিয়াসের চোটে পানি ভেবে কেরোসিন খেলাম,ওয়াক তু, ওয়াক থু! যাইহোক,সে কান্ডকারখানা সমাপ্তি দিয়ে বাসার উদ্দেশ্য রওনা,ওখানে আরো কাহিনী ঘটেছে, সেগুলো বললাম নাহ,তবে সেটা আরো হাস্যকর ছিলো--[CESNSORED] বাসার কাছাকাছি আসতে বিপরীত গলি থেকে সম্পর্কে ভাবী,হাতে তার শ্বশুর এর লাঠি নিয়ে দরজার বাইরে মুখ বাড়িয়ে কাকে যেন খুজছেন,আমি যেতেই... ভাবীঃ আরে দেবর,ওয়াজ্জাপ? আমিঃ ইও ইও ফাইন এন্ড ইউ? ভাবীঃ আম কুল,আম কুল,ব্রো টয়লেট টা এদিকে! আমিঃ ওকি,টয়লেট দিয়ে কি হবে, আমাকে টয়লেট দেখাচ্ছেন কেন! ভাবীঃ আব্বে দেবু,কও কি!তুমি না আমার মুখমন্ডল পুস্তিকায়(ফেসবুক) লিখলা, 'আপু টয়লেট কোনদিকে,তাই দেখালাম! আমিঃ ওয়েট, হোয়াট-তাহলে অবুঝ বালিকা, আইডি তোমার? ভাবীঃ ওয়েহ,ইন্টেলিজেন্স গাই, দ্যাটস মি,ইও ইও ইট'স ইওর ভাভী! আমিঃ ওকি,তুমি অবুঝ বালিকা??তুমি তো ৩ সন্তানের জননী!ইয়া খোদা! ভাবীঃ ইয়াহ, তো কি হইছে!! আমি অবুঝ বালিকা হতে পারি নাহ? আমিঃ ৩ সন্তানের জননীর ফেসবুক আইডির নাম অবুঝ বালিকা,??ভাবী, ঠাডা পড়বো ঠাডা! ভাবীঃ কি কইলি,আজকে রে... ভাবীর দৌড়ানি খেয়ে এক দৌড়ে বাসায়! বাসায় কলিংবেল চাপতেই,নানু দরজা খুলে দাঁড়িয়ে, পিছনে হাত লুকানো,নিশ্চয়ই মারনাস্ত্র কিছু একটা আছে! চেনা মুখটাও সুবিধার মনে হচ্ছে নাহ! আমিঃ স্লামালেকুম,নানু! নানূঃ .................. আমিঃ কেমন আছেন? নানুঃ ............... আমিঃ আরে নানু,হোয়াট'স আপ! নানুঃ আসলে তুই কি শুরু করছোস, হ্যাঁ? আমিঃ আ আ আমি কি করছী? ভ্যা ভ্যা ভ্যা! নানুঃ এই চুপ,তুই আমার সব মিষ্টি জর্দা খেয়ে খেয়ে মুরভূমি বানিয়ে দিস,পান খেতে গেলে দেখি স্বাদের জর্দা নাই,এসব কি? আমিঃ আমি জীবনেও খাই নি!সব খেয়েছে তোমার নাতি! নানুঃ দাড়া আজকে রে উল্লুক! নানুর দৌড়ানি খেয়ে রুমে ঢুকলাম!!রুমে ঢুকেই আমার চোখ কানাবড়া!আমার রুমের একি বেহাল অবস্থা!এইটা দেখার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম নাহ! আচ্ছা,পাঠক,আপনার রুমটা কতোটা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও ছিমছাম! আর আমার রুমের দশাটা একটু নজর দেই,বেডের উপর রেক্সিন বিছানো,সেখানে বাচ্চাদের কাথা,বালিশ,বাবুর প্যান্ট,ডায়াপার,কেক,বিস্কিট, খেলনা,নানুর পানের বাটা,নানুর তাসবীহ,এলোমেলো চাদর,কেক বিস্কিটের গুড়া,বিভিন্ন চকলেটের প্যাকেট,খালি বোতল,বাচ্চা মশারি,ফিডার,নিপল,ব্রাশ,ঝুনঝুনি,রিমোট, গাড়ি,লাইট,ম্যাজিক কার্ড,ব্রেসলেট, গাড়ির ভাঙা চাকা,ভাঙা রোবট খেলনার ভাঙা হাত,চিরুনী আর নাম না জানা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি! সব আমার রুমে এসে জমা হয়েছে! কারণ,একটাই,আমার রুমে টিভি! সবার আড্ডাখানা আমার রুমে,তাই আমার রুমটারে এই রকম বস্তি বানিয়ে রাখেন আমাদের পরিবারের জুনিয়র মেম্বারগণ,বকা ঝকা দিলেও লাভ নাই,মুখ বুঝে টলারেট করতে হয়!!আম্মুকে ডেকে বললাম,রুমটা যেন আগের মত দেখি,এই বলে বারান্দার দিকে পা বাড়াতেই দেখি পায়ের মধ্যে কিছু একটা এটে গেলো,পা উঠিয়ে দেখি এতো সুইংগামের আঠা,কেমন্ডা লাগে!! পা টা ধূয়ে বারান্দায় গিয়ে বসলাম! ইতোমধ্যে মা এসে সব ক্লিয়ার করে দিয়ে পড়তে বসার ইঙ্গিত দিলেন! টেবিলে চা বিস্কিট এসে হাজির,জাস্ট ডাকামাত্র ইয়েস স্যার বলার জন্য প্রস্তুত, আই মিন খাওয়ার জন্য!ভেবেছিলাম চায়ের মধ্যে বিস্কিট চুবিয়ে চুবিয়ে খাবো,যেই না চুবালাম, ওমা উঠিয়ে দেখি চা অর্ধেক কমে গেছে, দ্যাটস মিন,বিস্কিট চা টাই খেয়ে নিলো,একীরে ভাভা! নাস্তাটা সেরে কোমল বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম,কিছুক্ষন পর কানে কিছু উচ্চস্বরে আওয়াজ এসে লাগলো!বাহিরে কেউ ঝগড়াঝাঁটি করছে,দৌড়ে গেলাম সেখানে,আমরা বাঙালির এমনই,কোথাও যদি মারামারি বা ঝগড়া লাগে,আমরা সেখানেই যাবই,,যতোই বিজি থাকি না কেন,এইটা আমাদের ব্লাডে বিশে গেছে!! গিয়ে দেখি, অর্ধশিক্ষিত চা দোকানি আবদুল চাচা ও তার নব সহধর্মিণী তুমুল ঝগড়ায় লিপ্ত!বউকে একদফা উত্তম মাধ্যম মার বোনাস দেওয়া হয়েছে ইতোমধ্যে !আমাকে দেখে এগিয়ে এসে বউয়ের বিরুদ্ধে নালিশ দিতে এলেন ভাবলেন হয়তো বালিশ পাবেন,বউ ও তখন ঘোমটা টেনে এনে দরজার আড়ালে দাড়ালেন!আশেপাশের কিছু মানুষ চলার পথে হালকা থেমে আবার পথ ধরলো! চাচাঃ দেখো বাজান,আমি বিয়ে করেছি তাকে,শুক্কুরে শুক্কুরে আট দিন হয়েছে,এর মধ্যে সে অন্যর সাথে ইটিশ পিটিশ করে,আমি তাকে ভালোবাইসে ফোন দিলাম নকিয়া,আর সে করে পরকীয়া!বেডায় তারে লেহে বিউটিফুল, এইক আমার বউ বিউটিফুল হোক বা শাপলা ফুল হোক , তাতে ওই বেডার কি??এই দেহো!! বলেই চাচা একটু দম নিলেন,অতঃপর ফোনটা আমার দিকে চার্জিত অবস্থায় বাড়িয়ে নিলেন,আমি সেখানে দেখলাম, সেখানে লেখা "ব্যাটারি ফুল'!রিমুভ ইওর চার্জার! দেখেই আমি কিঞ্চিৎ হাসি দিলাম,চাচা আমার দিকে ভ্রু কুচকে তাকালো,হচ্ছেটা কি! চাচাঃ কী ব্যাপার, হাসছো ক্যা! আমিঃ চাচা, মোবাইলের ব্যাটারি ফুল, বিউটিফুল নয়! চাচা এইবার থ বনে গেলেন,একবার বউয়ের দিকে তাকায়,আরেকবার আমার দিকে! চাচাঃ স্বরে অ,স্বারে আ , পর্যন্ত লেহাপড়া করছি,তাই সব পড়তে পারি নাহ! যাইহোক,আমার বউ যদি আগামীতে কারো লগে কথা কয়,আমি ছেড়ে দিমু নাহ!! আমিঃ হইছে, থামেন,যান গিয়া, বউয়ের অভিমান ভাঙান!যে মাইর দিছেন,ব্যাথায় তো বউ শেষ,মলম লাগাইয়া দেন! চাচা পুরাই বাকরুদ্ধ! আমি বাহিরে কিছুক্ষন হাটাহাটি করে,ঘরে ঢুকলাম! রুমের দিকে যেতেই একটা ঘোৎ ঘোৎ আওয়াজ ভেসে এলো কানে,ভালো করে শুনে দেখি ব্লেন্ডারের আওয়াজ! ভয় ও পাইছিলাম,তো যথারীতি পড়তে বসলাম,কিন্তু পড়াতে আর মন বসে না,সারাদিনের কার্যক্রম গুলো চোখের সামনে ভেসে আসছে!বই খুলে বইয়ের ভিতর মোবাইল রেখে বিচরণ করতে লাগলাম অনলাইনে! কিছুক্ষণ পর- আম্মু-এইইই,, কী করছিস, পড়িস নাহ? আমিঃ- হু পড়তাছি ধূমায়া! আম্মুঃ- ভালো,তা তোর বইয়ের ভিতর ওইটা কীসের আলো? আমিঃ- ওইটা শিক্ষার আলো! আম্মু এসে কান ধরে বসালো,শিক্ষার আলো??বই খুলে মোবাইল টেপা! আম্মু--শোন,জোরে জোরে পড়বি আমি যেন রান্না ঘর থেকে শুনতে পাই,(বিশ্ববিখ্যাত উক্তি) আমার পড়ায় কি আর মন বসে!! তাই আমি চিল্লায়া বলতে লাগলাম-- আমিঃ দেলোয়ার ভাই, আনোয়ারকে জানোয়ার বলায় সরোয়ার ক্ষিপ্ত হয়ে তার তলোয়ার দিয়ে দেলোয়ারের সালোয়ার কেটে দিলো! আম্মু এইটা শুনে দৌড়ে এলো,রান্নাঘর থেকে! আম্মুঃ এইইইইই তুই কার সালোয়ার কাটার কথা বলছিস,কে কার সালোয়ার কাটছে,এগ্লা পড়া?? আমিঃ তার আগে আমারে কও,এই খুন্তি আনছো কেন?? আম্মুঃ কেন আবার?জানিস নাহ,তোকে আবুল থেরাপি দেওয়ার জন্য! আমিঃ আচ্ছা,আমারে একটা কথা বলো,হ্যাঙ্গার হচ্ছে জামাকাপড় ঝূলানোর জন্য,সেইটা দিয়া আমারে মারো,তারপর খুন্তি হইলো, সবজি বা তরকারি নাড়ানোর জন্য সেইটা দিয়াও আমারে মারো,তারপর জুতা হইলো পায়ে দেওয়ার জন্য, সেইটা দিয়াও থেরাপি দেও,বেলোন হলো,রুটি বেলানোর জন্য,আর সেইটার উচিত ব্যবহার হয় আমার পিঠে,মানে আম্মু,এমন বৈচিত্র্যময় শাসন আমার বাপ-দাদার চৌদ্দ গুষ্টি কেউইই দেখেনি!কইত্তে আহে এসব ট্যালেন্ট, হ্যা??? আম্মুঃ তোর বাপ দাদার চৌদ্দ গুষ্টি দেখা লাগবো নাহ,তুই দেখলেই হবে,এখন পড়ড়ড়ড়ড়ড়!! ২ ঘন্টার তান্দুরী পড়া শেষ করে উঠে গেলাম,বন্ধু রিজভী এসে বল্লো 'যাবি নাকি ছাদে" ওর সাথে ছাদে চলে গেলাম!!ছাদের উপর দুজনেই নিরিবিলি বসে আছি,আকাশে কিছুটা মেঘ করেছে,বৃষ্টি হইতেও পারে,,,অদূরে একটা বিল্ডিং এর আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাল/নীল লাইটিং, হয়তো কোন বিয়ের অনুষ্ঠান! আমাদের তীক্ষ্ম নজর সেইদিকে!হঠাৎ রিজভী কেমন যেন আড়মোড়া ভাঙতে লাগলো!!ব্যাপারটা ভালো ঠেকছে না! আমিঃ কিসসে তোর!এমন করতেছিস কেন? রিজভীঃ ধরছে আমার! আমিঃ কী ধরছে তোর? সে আমাকে হাতের ৫ নম্বর আঙুল উচিয়ে দেখালো, বলল বাথরুম ধরেছে! আমিঃ ওও ছোট ভাই নাকি বড় ভাই? রিজভীঃ ছোট ভাই!! আমিঃ ঘর থেকে বেরনোর সময় মনে থাকে না এসব সেরে আসতে!এখন এখানে কোথায় সারবি!? রিজভীঃ কিছু একটা কর,খুব বেগ পেয়েছে! আমিঃ নিচে যা,বাসা থেকে সেরে আয়,আমি আছি এখানে! রিজভীঃ মাথা খারাপ?নিচে যেতে যেতে সব ভিজে আমার গোসল হয়ে যাবে,একটা কাজ করি,এইখানে ছাদের রেলিং ধরে নিচের দিকে কাজটা সেরে দেইই,কি বলিস! আমিঃ ওয়েল সেইড,কিন্তু বলা যায় নাহ,নিচ থেকে কোন মেয়ে আবার বৃষ্টির পানি মনে করে বারান্দা থেকে রোমান্টিক ভাবে হাত বাড়িয়ে দেয় নাকি! রিজভীঃ হা হা হা, বৃষ্টির পানি! রোমান্টিকতা,,,,,,,,,,, তাতে কি,যাই আমি ওদিকটায়! চলবে..........নাকি...........দৌড়াবে, আপাতত, এইটুকুই! পরের পর্ব শীঘ্রই আসছে, ইনশাআল্লাহ! ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন,ধন্যবাদ ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য!!!!! গল্পটা সম্পুর্ন কাল্পনিক, সিরিয়াসলি না নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলোgj #TaNeem


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দ্যা অ্যাডভেঞ্চার অফ দ্য ব্লু কারবাঙ্কল
→ সভাপতি হিসেবে বিদ্যালয়ের কাজ তদারকি করা
→ "প্রথম-ফুল" পর্ব-০২
→ কিছুমিছু::ঈদ করলাম কোরবানি দিলাম গোশত খাইলাম না
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
→ দ্যা কুসুম ফ্রম ডিসুম ডিসুম!!! ধুমডাড়াক্কা পর্ব-০৩/শেষ পর্ব!!!!
→ প্রাথমিক বিদ্যালয় চিন্তা ভাবনাহীন সুখীজীবন।
→ দ্যা কুসুম ফ্রম ডিসুম ডিসুম!ধূমডাড়াক্কা পর্ব -০২!!
→ দ্যা কুসুম ফ্রম ডিসুম ডিসুম!!ধূমডাড়াক্কা পর্ব-০১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...