বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৮

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Radiyah Ridhi (৪৬০ পয়েন্ট)



X হয় নাই । আমি দেখেছি এই ঘরের ভেতরে আরেকটা তিতুনি আছে ।তিতুনি মুখ গম্ভীর করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল, বলল, “ভাইয়া পাগল হয়ে যাচ্ছে।" আব্বু বললেন, “আমার কী মনে হচ্ছে জানো?” আম্মু আর তিতুনি একসাথে জিজ্ঞেস করল, “কী?” “টোটন যেহেতু একেবারে জোর দিয়ে বলছে ঘরের ভেতরে আরেকটা তিতুনি আছে আমাদের তিতুনির ঘরে গিয়ে টোটনকে দেখানো উচিত যে আসলে সেখানে কিছু নাই। তখন টোটন বিশ্বাস করবে।” তিতুনির মুখটা হাঁ হয়ে গেল। তোতলাতে তোতলাতে বলল, “আ-আ-আমার ঘরে?" “হ্যা তোর ঘরের দরজাটা খোল দেখি।" তিতুনি আঁতকে উঠল, “দরজা খুলব?” “হ্যা। টোটনকে দেখাই তোর ঘর ফাঁকা। আর কেউ নাই।” তিতুনি জানে তার ঘর মোটেও ফাঁকা নয়, তার ঘরে এলিয়েন তিতুনি বসে আছে। ঘরে ঢুকলেই তাকে পেয়ে যাবে। তখন কী ভয়ানক একটা কাণ্ড ঘটবে! বোঝা যাবে টোটনের কথাটাই সত্যি, আসলেই তিতুনি দুইজন। কোনটা খাঁটি কোনটা ভেজাল? কেমন করে কী বোঝাবে? যদি এলিয়েন তিতুনিকে মনে করে তাকে বিদায় করে দেয় তখন কী হবে? ভয়ে আতঙ্কে তিতুনির হাত-পা কাঁপতে থাকে৷ সে দুর্বলভাবে তার আব্বুকে থামানোর চেষ্টা করল, বলল, “আব্বু আমার ঘরে তোমাদের যাওয়া মনে হয় ঠিক হবে না।” আব্বু ভুরু কুঁচকে বললেন, “কেন?” “মানে ইয়ে তাহলে—", তিতুনি কী বলবে বুঝতে পারছিল না, একটু ইতস্তত করে বলল, “তাহলে ভাইয়ার কথাকে বিশ্বাস করা হলো। ভাইয়াকে বোঝানো হলো উল্টাপাল্টা জিনিস বলা যায়-ভাইয়া আরো বেশি উল্টাপাল্টা জিনিস বলবে। কোনোদিন হয়তো বলবে-” “কী বলবে?” “বলবে আমি একটা এলিয়েন।” “এলিয়েন?” আব্বু চোখ কপালে তুলে বললেন, তোকে এলিয়েন কেন বলবে?” “এলিয়েন?আঁম্মু বললেন, “এত সব কথা না বলে টোটনকে নিয়ে তিতুনির বরে ঢুকে তাকে দেখাও, তাহলে টোটন শান্ত হবে।” টোটন কাঁপা গলায় বলল, “আমি ঢুকতে চাই না। আমার ভয় করে।” আব্বু অবাক হয়ে বললেন, “ভয় করে? কিসের ভয়?” টোটন কাঁদো কাঁদো হয়ে বলল, “জানি না।” আম্মু বললেন, “কোনো ভয় নাই। আয় আমার সাথে।” তারপর টোটনের হাত ধরে তিতুনির ঘরের দিকে এগিয়ে গেলেন। প্রথমে আম্মু, তারপর আব্বু, সবার শেষে টোটন। তিতুনি নিঃশ্বাস বন্ধ করে বাইরে দাঁড়িয়ে রইল, যেকোনো মুহূর্তে তার ঘরের ভেতর থেকে ভয়ংকর একটা চিৎকার শোনা যাবে। সবাই আতঙ্কে ঘর থেকে ছুটে বের হয়ে আসবে। তখন সে কী করবে? তিতুনি তার ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে একটা ভয়ংকর চিৎকারের জন্যে অপেক্ষা করতে থাকে। এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড, তিন সেকেন্ড-কোনো চিৎকার নেই। দশ সেকেন্ড, বিশ সেকেন্ড, তিরিশ সেকেন্ড-তবু কোনো চিৎকার নেই, বরং খুবই নিরীহ কথা শোনা গেল । আব্বু বললেন, “দেখলি টোটন, এখানে কোনো তিতুনি নেই।” আম্মু বললেন, “কেমন করে থাকবে? এটা কি সম্ভব?” টোটন বিড়বিড় করে কিছু একটা বলল, তিতুনি সেই কথাটা ঠিক বুঝতে পারল না। আব্বু বললেন, “আর কত দেখবি? সব তো দেখা হলো।” আম্মু বললেন, “এখন বিশ্বাস হলো?” টোটন আবার বিড়বিড় করে কিছু একটা বলল। তিতুনি এই কথাটাও বুঝতে পারল না। কিন্তু এতক্ষণে তার ভেতরে সাহস ফিরে এসেছে, সে তখন তার ঘরে ঢুকল। ঘরের ভেতর টোটন তখন নিচু হয়ে তার খাটের তলাটা দেখছে। তিতুনি বলল, “ভাইয়া, পেয়েছ আরেকজন তিতুনি?” টোটন গরগর করে কিছু একটা বলল, যার অর্থ যা কিছু হতে পারে। তিতুনি এবং তিতুনিআঁম্মু বললেন, “এত সব কথা না বলে টোটনকে নিয়ে তিতুনির বরে ঢুকে তাকে দেখাও, তাহলে টোটন শান্ত হবে।” টোটন কাঁপা গলায় বলল, “আমি ঢুকতে চাই না। আমার ভয় করে।” আব্বু অবাক হয়ে বললেন, “ভয় করে? কিসের ভয়?” টোটন কাঁদো কাঁদো হয়ে বলল, “জানি না।” আম্মু বললেন, “কোনো ভয় নাই। আয় আমার সাথে।” তারপর টোটনের হাত ধরে তিতুনির ঘরের দিকে এগিয়ে গেলেন। প্রথমে আম্মু, তারপর আব্বু, সবার শেষে টোটন। তিতুনি নিঃশ্বাস বন্ধ করে বাইরে দাঁড়িয়ে রইল, যেকোনো মুহূর্তে তার ঘরের ভেতর থেকে ভয়ংকর একটা চিৎকার শোনা যাবে। সবাই আতঙ্কে ঘর থেকে ছুটে বের হয়ে আসবে। তখন সে কী করবে? তিতুনি তার ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে একটা ভয়ংকর চিৎকারের জন্যে অপেক্ষা করতে থাকে। এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড, তিন সেকেন্ড-কোনো চিৎকার নেই। দশ সেকেন্ড, বিশ সেকেন্ড, তিরিশ সেকেন্ড-তবু কোনো চিৎকার নেই, বরং খুবই নিরীহ কথা শোনা গেল । আব্বু বললেন, “দেখলি টোটন, এখানে কোনো তিতুনি নেই।” আম্মু বললেন, “কেমন করে থাকবে? এটা কি সম্ভব?” টোটন বিড়বিড় করে কিছু একটা বলল, তিতুনি সেই কথাটা ঠিক বুঝতে পারল না। আব্বু বললেন, “আর কত দেখবি? সব তো দেখা হলো।” আম্মু বললেন, “এখন বিশ্বাস হলো?” টোটন আবার বিড়বিড় করে কিছু একটা বলল। তিতুনি এই কথাটাও বুঝতে পারল না। কিন্তু এতক্ষণে তার ভেতরে সাহস ফিরে এসেছে, সে তখন তার ঘরে ঢুকল। ঘরের ভেতর টোটন তখন নিচু হয়ে তার খাটের তলাটা দেখছে। তিতুনি বলল, “ভাইয়া, পেয়েছ আরেকজন তিতুনি?” টোটন গরগর করে কিছু একটা বলল, যার অর্থ যা কিছু হতে পারে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৭৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ১০০(শেষ পার্ট)
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৯
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৮
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৭
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৬
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৫
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৪
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৩
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৭০
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৯
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৮
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৭
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৬
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯২
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...