বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নীল সাগরের দেশ মালদ্বীপে জিজেসগণ।পর্বঃ(০৪)

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☯পিচ্চি হুজুরッ (১৩৮ পয়েন্ট)



X বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। loveআল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন আদাদা মাফি ঈলমিল্লাহ সলাতান্ দাঈমাতান বিদাওয়ামি মুলকিল্লাহlove হেল্লু কাছের মানুষজন ব্রেন্ড নিউ মালদ্বীপ ভ্রমণ গল্পের ৪র্থ পর্বে আপনাকে স্বাগতম।wow সমগ্র দ্বীপের চারদিকে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। প্রথমেই গেলাম রুম থেকে সামান্য দূরে সি বিচে। যেখানে সারি সারি ওয়াটার ভিলা। সি বিচে বসে ভাবতে থাকলাম, কারা থাকে এই ওয়াটার ভিলাগুলোতে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ ডলার খরচ করে করে? তাদের মাসিক আয় কত? হঠাৎ মনে পড়ল আমাদের স্পিডবোট ছাড়ার আগে মধ্যপ্রাচ্যের এক যুগল নিয়ে একটি স্পিডবোট ছেড়ে এল। টাকায় কী না হয়! আমাদের সঙ্গে এল কিছু ইন্ডিয়ান, কিছু ইউরোপীয় এবং অন্যান্য দেশের লোক। ওয়াটার ভিলাগুলো থেকে দ্বীপে যাতায়াতের জন্য ব্রিজ দেওয়া আছে। প্রতিটি ওয়াটার ভিলা থেকে পানিতে নামার জন্য আলাদা আলাদা সিঁড়ি দেওয়া আছে। স্যানিটারি ব্যবস্থা এরকমভাবে করা তাতে কোনো ময়লা–আবর্জনা পানিতে মিশবে না। পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কতটা সচেতন হলে এটা করা সম্ভব। সি বিচে কোথাও কোনো ময়লা দেখতে পেলাম না। হাঁটতে হাঁটতে বেইলি ব্রিজ দিয়ে সংযোগ করা পাশের ছোট দ্বীপে গিয়ে দেখলাম ওখানে স্পা সেন্টারে সমুদ্রের গর্জন শোনা, নীল সাগর দেখা আর অনতিদূরে রাজধানী মালে শহরের ভিউ দেখতে দেখতে আনন্দময় সময় কাটানোর মনোরম এক ব্যবস্থাপনা। ব্রিজের নিচে বিচিত্র বর্ণের রঙিন মাছ সাঁতার কাটছে মনের আনন্দে। মাছ ধরার কোনো রকম ব্যবস্থা কোথাও দেখলাম না। হয়তো মাছ ধরা নিষেধ। পুরো দ্বীপ ঘুরে দেখতে ৬০ থেকে ৭০ মিনিট সময় লাগল। আর বিচিত্র বর্ণের ফুল, চেনা-অচেনা ফুল-ফলের গাছ, প্রজাপতি, বড় বড় ঝুরিওয়ালা বটবৃক্ষ, আর পাখির কলকাকলিতে মুখরিত এই দ্বীপ যেন কল্পনার স্বর্গরাজ্য। বুঝলাম মানুষ কেন এত টাকা খরচ করে আসে এখানে। ইউরোপীয়রা আসে বেশুমার। কারণ তাদের কাজ প্রযুক্তিভিত্তিক। দুনিয়ার যেকোনো প্রান্তে বসে তারা তাদের দাপ্তরিক কাজ করতে পারে। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ এখনো বহুদূরের পথ। সমস্ত কাজ ডিজিটালাইজ করে এমন উচ্চতায় যেতে আমাদের আরও অনেক সময় লাগবে। দ্বীপ ভ্রমণ করে আমরা রুমে ফিরে শাওয়ার নিয়ে হালকা খাওয়াদাওয়া করে দেহ–মনে ভরপুর আনন্দ নিয়ে দিলাম এক ঘুম। চারদিকে পিনপতন নিস্তব্ধতা, মাঝেমধ্যে ভেসে আসা পাখির কলরব, চোখে লেপে থাকা নীল সাগরের ছবি আর সাগরের তলদেশের রঙিন জগতের আবেশে প্রশান্ত মন নিয়ে হারিয়ে গেলাম সবাই ঘুমের রাজ্যে। সাগরপাড়ে টেবিলে ডিনারের ব্যবস্থা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ঘুম ভেঙে যায় দূর থেকে ভেসে আসা কোলাহলের আওয়াজে। দ্রুত তৈরি হয়ে নেই ডিনারের জন্য। ডিনারে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গেল। সাগরের পাড়েই টেবিল–চেয়ার পেতে ডিনারের ব্যবস্থা সঙ্গে স্থানীয় সংগীত দলের সুর মূর্ছনা আর দল বেঁধে নৃত্যানুষ্ঠান চলছে। সঙ্গে অতিথিদের কেউ কেউ নাচে অংশ নিয়ে স্থানীয় ভাষায় গানের সঙ্গে তাল মিলাচ্ছে। চলবে,,,,,,,,, ভুল ত্রুটির কাফফারা স্বরুপঃ- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিকা আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়াতুবু ইলাইক। আলহামদুলিল্লাহ loveভালোবাসা অবিরামlove


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নিরুদ্দেশের কাহিনী
→ বাংলাদেশের প্রাচীন ঈদগাহ
→ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা
→ উপদেশ গ্রহনের সুন্দর ঘটনা
→ কূটকচালির দেশে
→ বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী সংখ্যা আর করোনা ভাইরাসের ডাক্তার সংখ্যা কী সমান?
→ ঢাকের দেশে ঢাকির বেশ
→ করোনার প্রথম ডেউয়ে বাংলাদেশে যেসব বিশিষ্ট, গুণী ও খ্যাতনামা ব্যক্তিদের হারিয়েছি
→ নীল দ্বীপ (পর্ব২)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...