বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নীল সাগরের দেশ মালদ্বীপে জিজেসগণ। পর্ব(০৩)

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☯পিচ্চি হুজুরッ (৩০ পয়েন্ট)



X বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। loveআল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন আদাদা মাফি ঈলমিল্লাহ সলাতান্ দাঈমাতান বিদাওয়ামি মুলকিল্লাহlove হেল্লু কাছের মানুষজন ব্রেন্ড নিউ মালদ্বীপ ভ্রমণ গল্পের ৩য় পর্বে আপনাকে স্বাগতম।wow মালদ্বীপবাসীর দায়িত্ববোধে মুগ্ধ আমরা দ্বীপে ডুবসাঁতার আর ছবি তোলা শেষে মাঝিদের ডাকে জাহাজে ফিরতে হলো। এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো তা হলো দ্বীপে নামার আগে জাহাজের লোকজন সবার মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট সংগ্রহ করে একটি ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগে করে দ্বীপে রাখে। দ্বীপে নেমে সবাই যার যার মোবাইল ট্যাব ব্যবহার করে ছবি তোলা শেষে আবার ব্যাগে রেখে দেয় এবং জাহাজে ওঠার পর জাহাজের মাঝিরা প্রত্যেক যাত্রীকে নিজ নিজ মোবাইল-ট্যাব ফেরত দেয়। এ কাজটা করার ক্ষেত্রেও কোনোরূপ হইচই বা ন্যূনতম বিশৃঙ্খলা হলো না। এ বিষয়টির মধ্যে দিয়ে পর্যটকদের প্রতি, তাদের জিনিসের প্রতি জাহাজের লোকজনের সার্বিক যত্ন আর ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতার বিষয়টির দেখা মিলল। এখানে আরও একটি ঘটনা আমাদের নজর কাড়ে। একজন ভারতীয় পর্যটক একটি জীবন্ত কোরাল হাতে নিয়ে ছবি তুলছিলেন। এ সময় জাহাজের একজন কর্মচারী এগিয়ে এসে কোরালটি পর্যটকের কাছ থেকে নিয়ে সাঁতরে গিয়ে অনেক দূরে সেটি ছেড়ে দিলেন। দেশের প্রতি, দেশের সম্পদের প্রতি এ রকম দায়িত্ববোধ অতুলনীয়। সেন্ট মার্টিন দ্বীপে এ রকম হলে হয়তো কোনো পর্যটক টাকা দিয়ে জীবন্ত কোরালটি কিনে নিতেন। যে সাগরের সম্পদে মালদ্বীপের মানুষের রুটি রুজির ব্যবস্থা হয়, সেই সাগরের সম্পদের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধ দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম সবাই। সবাই ওঠার পর জাহাজ আবার চলতে শুরু করল আরেকটি দ্বীপের দিকে। ওই জাহাজে আমাদের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রায় ৪০ মিনিট জাহাজ চলার পর আমরা পৌঁছালাম হিমাফুজি দ্বীপে। এটা একটা স্থানীয় দ্বীপ অর্থাৎ এ দ্বীপে মালদ্বীপের স্থানীয় লোকদের বাস। এখানে তুলনামূলকভাবে কম দামের হোটেল আছে। স্কুল, স্থানীয় প্রশাসন সবই আছে। এখানে আমাদের ফ্রাইড রাইস, চিকেন, সামুদ্রিক মাছ, ফলের রস এবং সালাত দিয়ে আপ্যায়ন করা হলো। খাবারের পর ৩০ মিনিট ইচ্ছামতো ঘোরাঘুরি করার সময় দেওয়া হলো। এ সময়ে যে যার যার ইচ্ছামতো দ্বীপের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘোরাঘুরি করা, ছবি তোলা, রৌদ্রস্নান করা আর কেউ কেউ দোলনায় দুলে বা গাছের ছায়ায় বেতের চেয়ার বা বেঞ্চে বসে গা এলিয়ে দিয়ে দুপুরের উজ্জ্বল রোদে কম্পমান নীল পানির রূপ দেখে সময় কাটালাম। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর সবাই নির্দিষ্ট পয়েন্টে একত্র হয়ে দ্বীপের ডলফিন শপে কেনাকাটার জন্য গেলাম। জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি। দামাদামি করলেও দু-একজন ব্যতীত অধিকাংশ পর্যটক কিছুই কিনলেন না।আমরাও কিছু কিনি নাই।শুধু মিশুপু একটি শামুকের মালা কিনলেন। দোকানের পাশে গাছে ঢাউস সাইজের জামরুল থোকায় থোকায় ঝুলতে দেখে অনেকেই তা পেড়ে খেতে শুরু করলেন। আমরাও দু-চারটি পেড়ে মুখে দিলাম। সে এক অপূর্ব স্বাদ, গন্ধ আর রসালো জামরুল। তানিম আর মুস্তাফিজকে দেখলাম জামরুল পকেটে ঢুকাইতে।রিয়াদা আন্টি আর সরুপা আন্টি মানা করছিলেন পকেটে না রেখে একটা পলি ব্যাগে রাখতে।কিন্তু কে শুনে কার কথা ওরা পকেটেই রাখতে লাগলো।ওরা যদি জানতো জামরুলের মুখের ওখানে পিপড়া থাকে তাহলে আর এই ভুল করতো না।বেচারারা পিপড়ার কামড় খেয়ে অতিষ্ঠ হয়ে গেছে না পারছে লজ্জায় প্যান্ট খুলতে আর না পাচ্ছে চুলকাতে অবস্থা ব্যাগতিক দেখে কাছের একটা ফার্মেসিতে নিয়ে যাওয়া হয় ওদের।পরে ওইখানে ট্রিটমেন্ট শেষে আবার আসলাম সবাই জামরুল খেতে। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই জামরুল গাছ দেখলাম। এ সময় কয়েকজন বাঙালির সঙ্গে আমাদের দেখা হলো। আলাপ-আলোচনায় জানলাম, তারা বেশ ভালো আছেন। তারা এও জানালেন, মালদ্বীপের ফল খুব মিষ্টি। আবার সবাই জাহাজে করে রওনা হলাম ডলফিন ক্রুজের উদ্দেশে। আমাদের ভাগ্য প্রসন্ন বলতে হবে, কিছুক্ষণ চলার পরই আমরা একঝাঁক ডলফিনের দেখা পেলাম। অনেকক্ষণ ধরে ডলফিনের দলকে তাড়া করলাম আর ওরাও যেন আমাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পানির ওপর ক্ষণে ক্ষণে ডিগবাজি দিয়ে আমাদের আনন্দ দিচ্ছিল। ছোট-বড় মিলে একসঙ্গে ১৫ থেকে ২০টি ডলফিনের ঝাঁক এর আগে কখনো দেখিনি। ডলফিন ক্রুজ দেখে আমরা এতই আনন্দিত যে মনে করলাম ট্যুরের টাকা উশুল হয়েছে। এরপর রওনা হলাম জলকেলি করার জন্য। এই শব্দটি জীবনে বহুবার শুনেছি, কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতার সুযোগ হয়নি আমাদের। জাহাজের একজন স্টাফের সাহায্য নিয়ে মুখে মাস্ক ও শরীরে লাইফ বেল্ট পরে নিলাম সবাই। বুঝে নিলাম পানির নিচে কীভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে হয়। দ্বিধাদ্বন্দ্ব নিয়ে পানিতে দিলাম ঝাঁপ। প্রথম ধাক্কায় সাগরের লোনা পানি খেলাম বেশ খানিকটা। প্রথম ধাক্কা কাটানোর পর অন্যদের দেখাদেখি ডুব দিয়ে সাগরের তলদেশে তাকাতেই হাজারো বিচিত্র রঙের মাছের কলোনি দেখে আনন্দের প্রাথমিক ধাক্কা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ল। বিভিন্ন পয়েন্টে ডুব দিয়ে দিয়ে সাগরতলের অজানা-অচেনা জগতের বর্ণিল মাছ ও অন্যান্য প্রাণীর জগৎ দেখতে থাকলাম আনন্দিত চিত্তে। সাগরতলের বিচিত্র বৈচিত্র্যময় জগৎ আর বর্ণিল মাছের জগতে বিচরণ করে ঘণ্টাখানেক কাটালাম। শেষের দিকে কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম সবাই। স্রোতের টানে অনেকটা পিছে চলে এসেছিলাম সামনে এগোতে পারছিলাম না। হাত উঁচিয়ে সাহায্য চাইলে জাহাজের লোকজন যারা আমাদের পানিতে দেখ ভালো করছিল, তাদের একজন দ্রুত এসে জাহাজে তুলে নিল। জাহাজে ওঠার পর দেখলাম লুমি ভাইয়া বসার বেঞ্চে গা এলিয়ে শুয়ে আছে। অবস্থাদৃষ্টে বুঝলাম কিছুটা পানি খেয়েই আর অনভ্যাসের কারণে এমন কাহিল হয়ে পড়েছে। জাহাজে ওঠার পর দ্বিতীয় ব্যাচ মানে সকল মেয়েরা সাগরে নামল। কিন্তু দ্বিতীয় ব্যাচের পর্যটকেরা স্রোতের তীব্রতার কারণে ২৩ থেকে ২৫ মিনিটের বেশি টিকতে পারল না।মেয়ে মানুষ তুলার মতো ফু দিলে উড়ে যাবে তাই উনাদের সবাইকে পরে জাহাজে তুলে আনা হয় আবার। সবাই জাহাজে ওঠার পর জাহাজ চলতে শুরু করল। আমাদের গন্তব্য হুলহুলমালে দ্বীপ যেখানে আমাদের হোটেল। আমাদের আরও দুটি স্থানে যাওয়ার কথা থাকলেও সময়স্বল্পতার কারণে যাওয়া সম্ভব হলো না। ৪০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যেই আমরা গন্তব্যে পৌঁছলাম। গন্তব্যে পৌঁছাতে পৌঁছাতে অস্তগামী সূর্যের সোনালি আভায় দিগন্তবিস্তৃত সাগরের রূপ দেখতে দেখতে মনকে শুধালাম আবার কি হবে দেখা এমন রূপে তোমার সনে? হয়তো হবে হয়তো বা হবে না। তবু তোমার এরূপ বহু দিন জাগরূক থাকবে এ মনে, এ হৃদয়ের কোনো এক গহিন প্রকোষ্ঠে। চিন্তা মগ্ন হয়ে ভাবতে ভাবতেই জাহাজ পাড়ে ভিড়ল। কে কোনো হোটেলের যাত্রী, সে অনুযায়ী আগে থেকেই ঠিক করা গাড়িতে উঠতে বলা হলো। জেটিঘাট থেকে মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিটে আমরা পৌঁছে গেলাম হোটেলে। স্টাফ জানতে চাইল ট্যুর কেমন ছিল? এক কথায় উত্তর দিলাম লা-জবাব। এ ট্যুরের জন্য আমাদের জনপ্রতি খরচ হলো ৬৫ মার্কিন ডলার। হোটেলে ফিরে ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে রাতের খাবার খেলাম একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে। এরপর যথারীতি সবাই মিলে সাগর পাড়ে গিয়ে বসলাম চাঁদের আলোয় সাগরের সৌন্দর্য দেখতে। রাতের বেলায় সাগরপাড়ে লোকজনের সমাগম অত্যন্ত কম। দু–তিন ঘণ্টা সাগরপাড়ে সময় কাটিয়ে ফিরে এলাম হোটেলে। জহির, একটা ফাইভ স্টার হোটেলে যাওয়া-আসা, কিছু সময় অবস্থান করা ও দুপুরের খাবারসহ জন প্রতি ১৬০ মার্কিন ডলারের একটি ট্যুর প্যাকেজ অফার করে। এটি ব্যয়বহুল এবং মনঃপূত না হওয়ায় জিজেসদের এডমিনগণ তা গ্রহণ না করে বিকল্প ট্যুর প্রোগ্রাম নিজেরাই তৈরি করে। উদ্দেশ্য এক দ্বীপে রাত্রিযাপন।উনারা একটা হোটেল বুকিং দেয় ১৩০ ডলার ভাড়ায়। যাতায়াত খরচ জনপ্রতি ৩৫ মার্কিন ডলার। ফোনে হোটেলে যোগাযোগ করে জেনে নেন কয়টার সময় জেটিঘাটে পৌঁছাতে হবে। সকাল ১০টায় জেটিঘাটে জাহাজ ধরার উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত জাহাজ খুঁজে না পেয়ে হোটেলে ফোন দিয়ে জাহাজের বিষয়ে জানতে চাইলে হোটেল থেকে জানানো হয় যে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় তাদের কোনো জাহাজ নেই। রাত সাড়ে ১০টায় তাদের জাহাজ আছে। অথচ সকাল সাড়ে ৮টার সময় জানানো হয় যে ৬ নম্বর জেটিঘাটে তাদের জাহাজ থাকবে। হোটেলের স্টাফ আমাদের স্পিডবোটে করে দ্বীপে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়। কিন্তু স্পিডবোটে জনপ্রতি ভাড়া ২৫০ মার্কিন ডলার, যা আমাদের সাধ্যের বাইরে এবং কল্পনাতীত ব্যাপার। এ যেন বারো টাকার গরু তেরো টাকার খড় খায় এমন অবস্থা। । সৌভাগ্যবশত মোবাইলে ইন্টারনেট থাকায় জেটিঘাটে দাঁড়িয়েই সঙ্গে সঙ্গে হোটেল বুকিং বাতিল করে ১৩০ মার্কিন ডলার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেলাম সবাই। আমরা মনে মনে ভাবলাম, হুলহুলমালের যে হোটেল লাগেজ রেখে এসেছি, নিজেদের ব্যবস্থাপনায় ট্যুর না করে সেখানে ফিরে যাওয়া সম্মানজনক হবে না। অথচ জেটিঘাটেও তো কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না। অগত্যা এয়ারপোর্টে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। কারণ বিমানবন্দরে বড় হোটেলগুলোর এজেন্ট বা প্রতিনিধি ছোট ছোট ডেস্ক নিয়ে বসে আছে যাত্রীদের ট্রান্সফার হতে সহায়তা করার জন্য। অতএব ৩ টা মাইক্রোবাস ভাড়া করে রাজধানী মালের জেটিঘাট থেকে মালের এয়ারপোর্টে পৌঁছে মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করে নিলাম সবাই। এরপর বুকিং ডটকমে গিয়ে হোটেল খোঁজা শুরু করলাম। সমস্যা হলো হোটেলের ভাড়া ১৫০ থেকে ২০০ ডলার হলেও ট্রান্সফার কস্ট ৪০০ থেকে ৭০০ বা আরও অধিক। খুঁজতে খুঁজতে শেষ পর্যন্ত ২২০ ডলারের একটা ফাইভ স্টার হোটেল পাওয়া গেল যাতে ট্রান্সফার ফ্রি। এয়ারপোর্টের সংশ্লিষ্ট হোটেলে ডেস্কে গিয়ে হোটেল এজেন্টের নম্বর থেকে ফোন দিয়ে বিনা খরচায় যাতায়াতের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে হোটেল বুকিং কনফার্ম করলাম। এজেন্ট জানাল সাড়ে ১২টায় আমাদের স্পিডবোটে উঠতে হবে এবং ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যে হোটেলে পৌঁছতে পারব। নির্ধারিত সময়েই ফাইভ স্টার মানের স্পিডবোটে আমরা রওনা হলাম। নীল সাগরের উত্তাল ঢেউ ভেঙে, শহর ছেড়ে, ছোট বড় দ্বীপ অতিক্রম করে এগিয়ে চলল স্পিডবোট। কখন ২০ থেকে ২৫ মিনিট কেটে গেল, তা বোঝার আগেই চলে এলাম হোটেলে। ওয়েলকাম ড্রিংকস পান করতে করতে চেকিংয়ের কাজ শেষ হলো। মাথার ওপরে হুটওয়ালা চারদিকে খোলা এক ধরনের গাড়ি এসে হাজির আমাদের হোটেল কক্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গাড়িতে বসার পর চালক যেতে যেতে দ্বীপের কোন দিকে কী আছে, তা আমাদের জানিয়ে এবং দেখিয়ে দিল। আমরা রুমে পৌঁছালাম অল্প সময়ের মধ্যেই। কিন্তু রুম দেখে আনন্দ হলেও রুমের অবস্থান দেখে একটু মন খারাপ হলো। কারণ আমাদের রুমে সি ভিউ নেই। দুপাশে সাগর কিন্তু রুম থেকে সাগর দেখা যায় না। খোঁজ নিয়ে জানলাম সি ভিউ রুমের ভাড়া ৩৫০ থেকে ৫০০ ডলার, যা আমাদের জন্য অনেক বেশি। আর ওয়াটার ভিলার ভাড়া ৭০০ থেকে ৮০০ ডলার। অতএব মনকে সান্ত্বনা দিলাম যত গুড় তত মিঠা। গুড় যেহেতু কম দিয়েছি, মিঠাও একটু কমই খেতে হবে। তবে দমার পাত্র নই আমরা। বাঙালি যদি দমার পাত্রই হতো, তাহলে ইংরেজি না জানা, আধা শিক্ষিত কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রাইমারি পাস ও কোনোরূপ ইংরেজি জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও এই হাজার দ্বীপের দেশে লক্ষাধিক বাঙালি রুটিরুজি করতে পারত না। আর আমরা সামান্য বেড়াতে এসে কম টাকায় (যদিও আমাদের কাছে কম না) বেশি আনন্দ লুটতে পারব না, তা তো হয় না। অতএব হ্যান্ড লাগেজ রেখে বেরিয়ে পড়লাম দ্বীপের রহস্য উন্মোচনে। চলবে,,,,,,,,, ভুল ত্রুটির কাফফারা স্বরুপঃ- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিকা আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়াতুবু ইলাইক আলহামদুলিল্লাহ loveভালোবাসা অবিরামlove


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...