বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জিজেসরা যখন নীল সাগরের দেশ মালদ্বীপে।(পর্ব ০১)

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☯পিচ্চি হুজুরッ (৩০ পয়েন্ট)



X বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। loveআল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন আদাদা মাফি ঈলমিল্লাহ সলাতান্ দাঈমাতান বিদাওয়ামি মুলকিল্লাহlove হেল্লু কাছের মানুষজন ব্রেন্ড নিউ মালদ্বীপ ভ্রমণ গল্পে আপনাকে স্বাগতম।wow মিশুপুদের গ্রামের বাড়ি তে বেড়াতে যাবার পর জিজেসরা আর কোথাও ঘুরতে যায় নাই।ঘরে বসে থাকতে থাকতে সবাই কেমন যেনো মনমরা হয়ে গেছে।ব্যাপারটি লক্ষ্য করে জিজের এডমিন রা একটি রেস্টুরেন্টে বিশাল মিটিং এর আয়োজন করেন।সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয় সকল জিজেসদের। গুরুত্বপূর্ণ মিটিং শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো এবারের ভ্রমণে ১২০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত নীল সাগরের দেশ মালদ্বীপে যাবে।সবাই এতে রাজি হয়। এতদূরে ভ্রমণে মেয়েরা কিভাবে যাবে?তাদেরকে তো আর ফ্যামিলি থেকে এতো দূরে যেতে দিবে না,তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মেয়েরা গেলে অবশ্যই তাদের সাথে একজন অভিভাবক যেতে হবে না হলে এই ভ্রমণের জন্য তারা অনুপযুক্ত হিসেবে ঘোষিত হবে। মিশুপুর সাথে রিয়াদা আন্টি,রিদাপুর সাথে তার বড় বোন আরিজাপু,ইসরাত আপু আর তারিন আপুর খালামনিরা তাদের সাথে,আমার সাথে(বিজয়) বন্যা,নাতাশা,লিমা,সরুপা আন্টি যাবে যার ফলে আর কোন সমস্যাই রইলো না। ছেলেদের নিয়ে তো আর সমস্যা নেই এইবারের ভ্রমণে ও যারা যাচ্ছে তারা হলো দুষ্টুর দলের অন্যতম সদস্য বিয়ে পাগলা তানিম,হারিয়ে যাওয়া মুস্তাফিজ,MH2 হৃদয়,ফ্রি ফায়ারের অন্যতম যোদ্ধা তানভীর,অপু,রবিন,ফয়েজ,লুমি ভাইয়া,জাইম,ফারহান ভাইয়া,ইকবাল মাহমুদ ভাইয়াসহ আরও অনেকেই। জিজের admin রা ঢাকা থেকে মালদ্বীপের এয়ার লাইনসে মালদ্বীপ যাওয়ার টিকিটের বন্দোবস্ত করে ফেলেন। বিমান টিকিট কেটে মেসেজ পাঠায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। মালদ্বীপ এয়ার লাইনসের একটি বিমানযোগে চেন্নাই হয়ে মালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত পাকাপাকি হয়ে যায়। ভ্রমণসূচি অনুযায়ী ঢাকা থেকে বিকেল সাড়ে চারটায় বিমান ছেড়ে চেন্নাই হয়ে যাব মালদ্বীপের বিমানবন্দর মালে ভ্যালেনাতে। চার ঘণ্টায় মালেতে। যথাসময়ে সবাই হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌছলাম।বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে ফ্লাই করি আমরা। বিমানের খাবার গুণগতভাবে উত্তম ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর চেন্নাই বিমানবন্দরে নামি। চেন্নাইগামী যাত্রীরা নেমে গেলেন। চেন্নাই থেকে মালদ্বীপগামী যাত্রী বিমানে উঠলেন। চেন্নাই থেকে ছাড়ার প্রায় দেড় ঘণ্টা পর মালে বিমানবন্দরে পৌঁছালাম আমরা। মাঝপথে রাতের পরিবেশিত খাবারও যথেষ্ট ভালো মানের ছিল। ফলে মালেতে নেমে রাতের খাবার নিয়ে কোনো চিন্তা ছিল না। মালে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন শেষ করতে মাত্র ৫ মিনিট সময় লাগে। ইমিগ্রেশন অফিসার শুধু জানতে চান কেন এসেছি? কত দিন থাকব? ব্যস, পাসপোর্টে সিল মেরে বিদায়। ইমিগ্রেশন পার হয়ে গাড়িতে করে সরাসরি হোটেলে। হোটেলে যেতে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি গাড়ি দিয়ে বিশেষভাবে সাহায্য করেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। সে জন্য তাঁদের অনেক ধন্যবাদ। মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মাথায় মালে বিমানবন্দর থেকে হুলহুলমালে নামক স্থানে আমাদের আগেই বুকিং করা হোটেলে পৌঁছে যাই। হোটেলের কর্মচারী জহির আমাদের অভ্যর্থনা জানান। সবাই সবার রুমের চাবি নিয়ে নিজ নিজ রুমে চলে গেলাম ফ্রেশ হতে।লিমা আবার দূরে ভ্রমণ করতে চাইতো তাই এই ভ্রমনে তাকেও নিয়ে নিই।বেচারী ভ্রমন সহ্য করতে পারে না বিমানেও বমি করে ভরাইছে।পরে মিশুপু, বন্যা আর সরুপা আন্টি মিলে তাকে ধরে ধরে নিয়ে যায় তার রুমে। দুষ্টুর দল(বিজয়,তানিম,হৃদয়,তানভীর,মুস্তাফিজ) এর জন্য বিশাল একরুম। যেখানে ইয়া বড় বড় ৩ টা বিছানা ছিলো।ওরা যে পুচকু আর শুটকু চাইলে ৫ জনই এক খাটে ঘুমাতে পারেlaugh প্রতি রুমে ৫ জন ৫ জন করে দেওয়া হল।রাতের খাবার শেষ করতে করতে ১০ঃ৩০ টা বেজে গেলো।সবাই একটু রেস্ট নিয়ে সী বিচের দিকে হাটতে গেলাম। পূর্ণ চাঁদের আলো নীল পানিতে পড়ে সে এক স্বর্গীয় রূপ ধারণ করেছে। দৃষ্টিসীমানার বাইরে যত দূর চোখ যায় সাগরের পানির ওপর চাঁদের আলো আর পানির তরঙ্গের যে রূপবৈচিত্র্য, ঢেউয়ের মূর্ছনা হৃদয়ে এক অব্যক্ত আনন্দের হিল্লোল যেন বয়ে দিল। কথা না বলে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে চোখের সবটা তৃষ্ণা, হৃদয়ের সবটা উচ্ছ্বাস নিয়ে চুপচাপ উপভোগ করলাম সে আনন্দ। বিচের কিনারায় অজস্র কাঁকড়া দৌড়াদৌড়ি করছে আর সে কাঁকড়া শিকারের জন্য ছোট-বড় মাছ সাগরের কিনারায় এসে ভিড় করছে। মাঝেমধ্যে কাঁকড়া শিকার করতে বেশ বড় আকারের মাছও একদম বিচের পানির শেষ সীমানায় উঠে আসছে—এ দৃশ্যও ছিল অবাক করা। ঘণ্টা খানেক সময় কাটিয়ে শরীর-মন যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেল। কিন্তু দুষ্টুর দল ওই মাছগুলোকে ধরে ধরে পানিতে আবার ছূড়ে মারছিলো।তানিম কাঁকড়া দেখেই বারবার তাদের কে লাথি দিয়ে পানিতে ফেলে গোল বলে লাফাচ্ছিলো।একটু পর দেখি তানিম ব্যাথায় গোঙ্গাচ্ছে,রিয়াদা আন্টি,মিশুপু,আরিজাপু জিজ্ঞেস করতেছে কিরে তানিম কি হয়েছে তোর?কিন্তু ও ইশারায় আমাকে ডাক দিয়ে বললো সবাইকে সামনের দিকে হেঁটে যেতে।আমি সবাইকে বললাম কিছু হয় নাই আপনারা সামনে যান। চাঁদের আলোয় তেমন স্পষ্ট না দেখায় মুস্তাফিজকে বললাম মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালাতে।আলো জ্বলতেই আমি,হৃদয় ভাই আর তানভীর গা শিউরে উঠলাম। দেখলাম বিয়ে পাগলা তানিমের প্যান্ট এর ঠিক মাঝখান বরাবর তার টুনটুনিতে একটা কাঁকড়া চিমটি দিয়ে ঝুলে আছেlaugh পরে লুমি ভাইয়া টান দিয়ে কাঁকড়াটাকে ছুটিয়ে নিয়ে ছূড়ে ফেলে দেয়।laugh এরপর সবাই মিলে এবার সাগরপাড়ের সীমানা ধরে হাঁটতে শুরু করলাম। এত রাতে মালদ্বীপের সাগরপাড়ের সীমানা ধরে হাঁটতে কিছুটা শঙ্কাও লাগছিল। কারণ মাথায় লম্বা লম্বা চুলের অধিকারী যুবকেরা দলে দলে হোন্ডা নিয়ে সাগরপাড়ে ঘুরছে। কারও কারও হোন্ডার পিছে আবার যুবতী দেখা যাচ্ছিল। রাত ১২টা থেকে ১২টা ৩০ মিনিটে এ রকম দৃশ্য দেখে অবাক হওয়ার পাশাপাশি কিছুটা হলেও ভীতিও কাজ করছিল। সাগরপাড় হেঁটে প্রায় রাত দেড়টার সময় সবাই ফিরে এলাম হোটেলে। হোটেল গিয়ে দেখলাম, বেচারা জহির ঘুমে ঢুলু ঢুলু চোখ নিয়ে বসে আছে আমাদের প্রতীক্ষায়। আমরা লজ্জিত হলাম, তাঁর কাছে জেনে নিলাম হোটেলে ফেরার সর্বশেষ সময় রাত ১২টা। আমাদের মালদ্বীপে আসা এবং প্রথম দিনের অভিযান এভাবে সম্পন্ন করে আমরা ঘুমাতে গেলাম। চলবে,,,,,,,,,,,,,,gj লেখকের কথাঃ- জিজেসদের অনুরোধে এবার সবাইকে নিয়ে চলে গেলাম মালদ্বীপে।গল্পটি অনেক বড় হওয়ায় এটিকে ৫ টি পর্বে ভাগ করেছি।আশা করি ইনশাআল্লাহ সকল পর্বই তোমরা পড়বে।আর ভালো লাগলে অবশ্যই সুন্দর মন্তব্য উপহার দিবা আমাকে।ইনশাআল্লাহ তোমাদের সুন্দর সুন্দর মন্তব্যে আমার মতো সাধারণ,অধম,পুচকু লেখককে নতুন গল্প লিখার প্রেরণা জোগাবে।পরের পর্ব পড়ার আমন্ত্রণ রইলোgj ভুল ত্রুটির কাফফারা স্বরুপঃ- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিকা আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়াতুবু ইলাইক আলহামদুলিল্লাহ loveভালোবাসা অবিরামlove


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...