বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্যা কুসুম ফ্রম ডিসুম ডিসুম!!! ধুমডাড়াক্কা পর্ব-০৩/শেষ পর্ব!!!!

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তানিম... (০ পয়েন্ট)



X শেষ পর্ব.......... দীর্ঘ ১ বছর পর! সবাই আবার একত্রিত হ্নদয়দের বাড়িতে!!! কোন এক সকালবেলা!মেহেদী বেশ ধড়মড়িয়ে লাফিয়ে চীৎকার করে রুমে প্রবেশ করলো!!ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠলো রনি ভাই আর তানিম! চেয়ারে বসে মেহেদী খুব হাফাতে লাগলো,সিরিয়াস কিছু ঘটছে মেবি! রনি ভাই আর তানিম চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে মেহেদী পেটের উঠানামার দিকে!! তানিমঃ কিসসে তোমার?? মেহেদীঃ দিছে আমারে! রনি ভাইঃ কি দিছে তোমারে,কে দিছে? মেহেদীঃ ঠোকর দিছে ঠোকর,মাইগো মাই! তানিমঃ কে দিছে ঠোকর তোমারে! মেহেদিঃ হৃদয়দের বাচ্চাওয়ালা মুরগীটা দিছে আমারে! তানিমঃ তুমি তার কাছে গেছো কেন? মেহেদীঃ আমি গেছি তার একটা বাচ্চার গায়ে হাত বুলাতে, আদর করতে! কিন্তু মা মুরগীটা দিছে আমারে দিছে ঠোকর ও দৌড়ানি! রনি ভাইঃ আদর না ছাই,,মুরগীর কাছে গেছে কোন অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে, তাই মুরগীও দিছে কাম সেরে! মেহেদীঃ অ্যাহ,অসৎ উদ্দেশ্য না, আপনার মাথা! তানিমঃ আহারে,এই কাহিনী? এইটা কোন খবর হইল?,আজ যদি বাঘ ভাল্লুক কামড় দিতো,তাইলে একটা ব্যাপার ছিলো,বাচ্চাওয়ালা মুরগীর দৌড়ানি!!হা হা হা! মেহেদীঃ জীবনে তো খান নাই,খাইলে বুঝতেন,হাউ মেনি পেডি,হাউ মেনি রাইছ! ঠিক এইসময় হৃদয় ও রুমে ঢুকলো,উদ্দেশ্য ঘুমন্ত মেহমানদের জাগানো,সে এসে দেখে তারা আগে উঠেই মিষ্টি তর্কে জড়িয়ে গেছে সবাই,,,,জানতে পারলো,মেহেদীকে মুরগী কামড় দিছে! হৃদয় আসাতে বিচার দিয়ে বস্লো মেহেদী! মেহেদীঃ ভাইয়া,আপনাদের মুরগী আমাকে ইয়ে করেছে! হৃদয়ঃ হ শুনছি,এই কচুর কাহিনী শুনার লাইজ্ঞা আহি নাই,উঠেন সবাই!নাস্তার টাইম হইছে,নাস্তা সেরে বাগানে আর রাস্তায় হাটতে যাবো!!! মেহেদীঃ মোর দুঃখ কেহ বোঝে না!কী কষ্ট!আহারে! তানিমঃ আমরা তোমার ভাই,বউ নয় যে,তোমাকে কোলে তুলে শান্তনা দিবো! রনি ভাইঃ ওকে ফ্রেশ হয়ে আসো সবাই!! নাস্তা পর্ব শেষ করে বাগানের উদ্দেশ্য যাত্রা,একটা মিষ্টি দমকা হাওয়া বইতেছে,বেশ ফুরফুরেই ফিলিংস্টা! হৃদয় এই বাগানের সুখ্যাতি /কুখ্যাতি বর্ননা করতে লাগলো! সেইটা বেশিক্ষণ টিকলো না!!!কি এক দরকারে বাজারে যেতে হলো তাকে,আমরা দিগবিদিক হারিয়ে বাগানে এলোপাতাড়ি ঘুরতে লাগলাম! মেহেদী কিছু একটা ভেবে প্রশ্ন করলো, মেহেদীঃ আচ্ছা বলেন তো,আই লাভ ইউ,এর মানে কি?? তানিমঃ এর মানে হলো 'তোমাকে সুখে থাকতে ভূতে কিলায়' রনি ভাইঃ তাইলে,আই লাভ ইউ টু মানে কি!? তানিমঃ এর মানে, হ সাথে আমাকেও কিলায়! মেহেদীঃ সুখে থাকতে ভূতে কিলায়,জিনিসটা কেমন, জীবনেও স্বচক্ষে দেখিও নি!ভূতে কেমনে কিলায়! তানিমঃ বেচে থাকলে দেখবাই!হা হা হা, রনি ভাই বাগানের একদিকে বেশ সাবধানে হাটতে লাগলেন,বেশ সন্তপর্ণে এগিয়ে যাচ্ছেন,এবং উপরের দিকে উনার তীক্ষ্ম নজর,বাকিরাও উপরের দিকে কৌতুহলবশত তাকালো,ওরেএ সেখানে একটা মৌমাছির চাক!রনি ভাই হাতে একটা ঢিল নিলেন!মেহেদীর চোখ ছানাবড়া, মেহেদীঃ ওমাগো,কি করবেন ঢিল দিয়া?? রনি ভাইঃ মৌচাকে ঢিল মারুম! তানিমঃ আপনারে কিন্তু সত্যি সত্যিই সুখে থাকতে ভূতে কিলায়!দরকার আছে কোন হুদাই মৌমাছির কামড় খাওয়া! বলতে না বলতেই রনি ভাই ঢিল ছুড়ে মারলো,মৌমাছি ও ভন ভন করে ছুটে এলো,আমরা সবাই এক জন আরেকজনের ঘাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে এক দৌড়ে বাসায়,রুমে ঢুকে সবাই হাফাতে লাগলো!! চেক করা চলছে, কেউ কামড় খেলো কিনা! তানিমঃ মেহেদী,এইবার প্রমান পেলা তো, মেহেদীঃ কিসের প্রমান! তানিমঃ এইযে রনি ভাইয়ের মৌচাকে ঢিল মারা,এইটাকেই বলে "সুখে থাকতে ভূতে কিলায়!দরকার আছে কোন এসবের,হুদাই পেরেশানি!! রনি ভাইঃ হা হা হা, আক্ষিওসে গুল্লি মারে! তানিমঃ রনি ভাই আসলেই একটা 'শয়তানের খাড়াঝিলকি" **** বিকেল ৫ টা ছুই ছুই! আসরের নামাজ পড়ে নরসুন্দা নদীর দিকে যাত্রা আমাদের! যদিও নদীটা মরা,তারপরেও একটা শান্তির পরশ বিলিয়ে বেড়াচ্ছে,হাটতে হাটতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা, বিভিন্ন স্মৃতিচারণ!তীরে আসতেই হৃদয় সবাইর পথরোধ করে দাড়ালো! হৃদয়ঃ বলেন তো আজকে কি একটা বিশেষ দিন? তানিমঃ কিসের বিশেষ দিন! হৃদয়ঃ মনে করতে থাকেন!! মেহেদী মাথা চুলকে বল্লো মনে করতে পারলাম নাহ! হৃদয়ঃ এই দিনটায় আমরা ১ বছর আগে গিয়েছিলাম উল্লাসপুরে,বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে! রনি ভাইঃ ওরেএএএএএ সাংঘাতিক, সেই ঘটনা মনে আছে!সেই মধুর ছিলো সময়টা! তানিমঃ কচুর মধুর ছিলো,আজাইরা,অপমান করে ছাড়ছে আমাদের,আর আপনি আছেন মধু নিয়া! রনি ভাইঃ আরে ভাই,চ্যাতেন ক্যা?পেটে কিড়মিড় আছে? মেহেদীঃ তা হঠাৎ, ওই টপিক আসলো কেনো! পাস্ট ইজ পাস্ট.... হৃদয়ঃকিছু ঘটনা আছে বলেই তো এটা মেনশন করলাম! মেহেদীঃ কি ঘটনা বলেন তো! রনি ভাইঃ আরে আগে বসি কোথাও! হৃদয়ঃ সেই ঘটনা কি পুরোপুরি মনে আছে?? ওইযে আংকেলের মেয়েকে বড়লোকের সাথে বিয়ে দেবার বড্ড শখ ছিলো,আর আমাদের অবজ্ঞা করলো! তানিমঃ কী যে কও,হলকে হলকে মনে আছে! রনি ভাইঃ পরের কাহিনি কি, সেইটা বলো!! হৃদয়ঃ শেষ পর্যন্ত মেয়েটার বিয়ে হয়, আমেরিকান প্রবাসী এক ছেলের সাথে!অঢেল টাকা পয়সা,গাড়ি-বাড়ি সবই ছিলো!আংকেলের চয়েজনুযায়ী, একেবারে পারফেক্ট!!!বিয়ের পর বউ নিয়া বিদেশে চলে যায় ছেলেটা! সব কিছু ঠিকই চলছিলো,কিন্তু কিছু বছর পর মেয়েটা দেশে ফিরে আসে,তবে নিথর লাশ হয়ে!!!! মারা যায় মেয়েটা! তানিমঃ কিন্তু,মারা গেলো কীভাবে!! হৃদয়ঃ যতদূর শুনেছি,মেয়েটার সাথে ছেলেটার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হতো!এই যেমন ছেলেটা ডান্স ক্লাবে যায়,বারে যায়,এই সব মেয়েটা পছন্দ করতো না!তাই নিয়ে ঝগড়া হতো!! মেহেদীঃ শুধু এই কারনেই তাকে প্রাণ দিতে হলো! হৃদয়ঃ না,ছেলেটার সাথে এক মার্কিন তরুনীর অ্যাফেয়ার ছিলো,সেই সুত্র থেকে এই ভয়ংকর ঘটনার জন্ম! এবং এক রাতে নাকি ছেলেটা মদ্যপ অবস্থায় বাসায় আসে,এবং ওই মার্কিন তরুনী সম্পর্কে কথা উঠে, এক পর্যায়ে এই দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়!এবং মেয়েটাকে ব্যালকনি থেকে ধাক্কা দিয়ে একটা নির্মানাধীন ভবনে ফেলে দেয়!ভবনের খাড়া রড তার পেট ও মগজে ঢুকে স্পটেই মারা যায়!!! মেহেদীঃ মাই গড,হাউ টেরিবল! তানিমঃ তুমি এত্তো কিছু জানলা কীভাবে হৃদয়?? হৃদয়ঃ উল্লাসপুরে থেকে হয়তো আমরা চলে এসেছি,কিন্তু আসার সময় কিছু লিংক রেখে আসছিলাম,সেই লিংক থেকেই এইসব খবর পাওয়া!!!! রনি ভাইঃ টাকা, অর্থ,প্রাচুর্যের কাছে হেরে গেলো মেয়েটার ভালবাসা!! হৃদয়ের চোখ কিছুটা ভিজে উঠলো!তার ঠোট কাপছে,আকাশের দিকে তাকিয়ে আনমনে বলতে লাগলো! আমরা মানুষরা বড়ই অদ্ভুত, তারচেয়ে বড় অদ্ভুত আমাদের চাওয়া-পাওয়াটা,আরো চাই,আরো চাই,চাওয়ার যেন শেষ নাই আমাদের!!!টাকাই কি সব সুখের মুল,মানুষের মানসিক শান্তির কি কোন দাম নেই!! এইযে এই মেয়েটাকে বিয়ে দিলো একটা বিত্তশালীর কাছে,দিয়েছে ভালো কথা,একবার ও যাচাই করলো না,ছেলেটা মানুষ কিনা!টাকা পয়সা দিয়া মানুষের স্ট্যাটাস নির্নয় করা বোকামি,মানুষ হতে হলে মনুষ্যত্ব এর প্রয়োজন হয়!!!মায়ের পেট থেকে পড়লেই সে মানুষ হয়ে যায় নাহ,তাকে মানুষ বানাতে হয়!!!এই নোংরা সমাজ আর কি কি শিক্ষা দিলে আমরা সংশোধন হবো,কেন আমরা অর্থ-সম্পত্তি, প্রাচুর্যের পিছনে ছুটছি! টাকা পয়সা ওয়ালা মানুষেরই কি প্রকৃত সুখী???একটা মেয়ে কি ধনী পরিবারের বউ হয়েই কি সুখী হয়?? সমাজের পরতে পরতে কিছু মানুষরূপী জানোয়ারের বসবাস,আর সেই জানোয়ারের লেবাস ঢাকা দিয়ে রাখে টাকা/পয়সা দিয়ে!!যা উপর দিয়ে একটা মানুষের প্রকৃত আচরণ জানার প্রধান প্রতিবন্ধকতা! অধিকাংশ পরিবারেই চেয়ে দেখেন,একটা নববধূ কখনো ভাতের অভাবে মরে না,পোষাকের অভাবে মরে না,মরে তার পাষন্ড অমানুষ স্বামীর অত্যাচারে,যাচাই করুন, যার কাছে বিয়ে দিচ্ছেন,তাকে যাচাই করুন,সে কি মনুষ্যত্ব ধারী মানুষ নাকি মানুষরূপী প্রানী!!একটা মেয়ে বিয়ের পর অর্থসম্পদ সবই পেলো,কিন্তু ভালো স্বামী পেলো না,তার মানে সে কিছুই পেলো নাহ,দুমুঠো ডালভাত খেয়ে স্বামী স্ত্রী শান্তির একটা ঘুম দেয়,নেই হা-হুতোশ,নেই কোন আতংক,আর আর অন্যদিকে বিত্তশালী স্বামী বার থেকে ফিরে এসে স্ত্রীর সাথে ঝগড়াঝাঁটি, যা দেখে তাদের কোমলমতি শিশুদের মানসিক ভাবে বিকার গ্রস্ত হয়! হয়ে যায় তারা অসামাজিক! নিজ স্ত্রীর সাথে ১০ টাকার বাদাম খেয়ে গল্প গুজব করার মাঝে যে শান্তি, সেই শান্তি হাজার কোটি টাকা দিয়েও কেউ কিনতে পারবে নাহ! ,এইযে এই মেয়েটার সুখ বাবা নিজ হাতেই গলা টিপে হত্যা করেছেন! হ্যাঁ, এইটা ঠিক যে,সব পিতামাতাই সন্তানের ভালো চান,কিন্তু,অনেক সময় সন্তানের ভাল করতে যেয়ে,তা মাত্রাতিরিক্ত পর্যায়ে গিয়ে সন্তানের জন্য অমঙ্গল হয়ে যায়,যা সারাজীবন ধরে সেই সন্তানকে সেটার প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়!! এইযে এই দুনিয়ার মানুষের এত্তো কর্মব্যাস্ততা, এতো দৌড়ঝাপ,এত্তো কসরত,এত্তো মেহনত,এত্তো উন্মাদনা, এগুলো কীসের জন্য!শুধুমাত্র দুমুঠো খেয়ে একটু সুখ /শান্তি পাবার জন্য! আমরা সবাই সুখের পুজারী,এক্টুখানি সুখ পাবার জন্য প্রতিনিয়ত ছুটে বেড়াই,আর যখন আমরা সেই সুখ খুজে পাই,আর তখন যদি কেউ এসে আমাদের সেই সুখে হস্তক্ষেপ করে,সেই সুখের মৃত্যু ঘটায়,তখনি আমরা নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি নাহ,হয়ে উঠি বেপরোয়া! ভালোবাসার সাথে অর্থ-সম্পত্তির নুন্যতম কোন সংযোগ নেই,হ্যাঁ, কোন সংযোগ নেই! ভালোবাসা তার জায়গায়,অর্থসম্পত্তি তার জায়গায়,একে অপরের পরিপূরক কখনোই নয়!অর্থসম্পদ না হয় আপনাকে ক্ষনিক সময়ের জন্য শারীরিক তৃপ্তি দিলো,কিন্তু মানসিক তৃপ্তি কে দিবে,ওই অর্থসম্পদ??? হা হা হা হা হা হা হা!!! সমাজের কিছু হঠাৎ শিক্ষিত মানুষরা ভালোবাসা আর সুখের সাথে অর্থ-সম্পত্তি এর বিষয়টা এক করে ফেলছেন,এমনভাবে একটাকে আরেকটার সাথে এক করে ফেলছে,যে এইসব বিষয়কে আলাদা করার আর কোন উপায় নেই!!!!মানলাম, ছেলেটা টাকা-পয়সা,ধনসম্পদ এইসব দিক দিয়ে ভালো,কিন্তু সব ভালোতে কি আর ভালোবাসা হয়?? টাকা পয়সা ধন দৌলত,কখনো সুখের উপমা হতে পারে নাহ,এইসব মেকি!!হ্যাঁ এইসব মেকি(দীর্ঘশ্বাস) হৃদয়ের কথা শেষ হতেই রনি ভাইয়ের বাহুতে হাল্কা ধাক্কা দিয়ে তানিম বেশ নিচু স্বরে বল্লো!! তানিমঃ রনি ভাই,শুনলাম,,, ছ্যাকা খাইলে নাকি মানুষ ব্যাকা হয়!!কিন্তু,হৃদয় দেখি ছ্যাকা খেয়ে উল্টো দার্শনিক দার্শনিক বক্তব্য ছুড়ছে, মানে তো কিছুই বুঝলাম নাহ!! রনি ভাইঃ আপনি জীবনে কিছু বুঝবেন ও নাহ,আপনি তো এখনো বাচ্চাদের মতো দুধু খান!! তানিমঃ অ্যাহ,কি খাই, কি খাই?? রনি ভাইঃ আরে মিয়া,দুধু(গরুর) খান আর কি!! তানিমঃ তা বুঝলাম,কিন্তু দুধের পাশে ব্রাকেটে গরুর লেখা কেন!?? রনি ভাইঃ এইটাও বুঝলেন নাহ,দুধ তো অনেক কিছুরই হয়,গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়া,মানু..... তানিমঃ ভাইগো ভাইগো ভাইইই,আল্লাহর ওয়াস্তে থামেন,বহুত হইছে,ভাভাগো ভাভা! মেহেদীঃ থাক হৃদয় ভাইয়া,সন্ধ্যা হতে চল্লো! এসব চুনোপুঁটি ব্যাপার নিয়ে পড়ে থাকলে হবে নাহ,আমাদের এগোতে হবে!! রনি ভাইঃ হ্যাঁ, হ্যা,, বাদ দেও এসব, যা হবার তাই হইছে,কি নিদারুণ গল্প!আহা!!!! সবাই উঠে দাড়ালো,বাড়ির পথ ধরে! হৃদয়ঃ আচ্ছা,এই গল্পের নাম কী দেওয়া যায়!? তানিমঃ আমি নাম দেব,গল্পের নাম হচ্ছে 'মুড়ী খাবি না যখন, মাখালি কেন?? মেহেদীঃ এইটার মানে কি আবার? তানিমঃ ওইই আংকেল মেয়ে বিয়ে দিবে না যখন,আমাদের ডেকে নিয়েছে কেন!!! রনি ভাইঃ এইযেএএ আপনি আছেন খালি চুদুরবুদুর নিয়া,গল্পের নাম হবে দ্যা কুসুম ফ্রম ডিসুম ডিসুম!! হা হা হা! মেহেদীঃ ভাইয়া,যাবার আগে আমিও একটা কথা বলিবার চাই!! তানিমঃকি কথা! মেহেদীঃ দামে কম মানে ভালো,কাকলি ফার্নিচার! রনি ভাইঃ অ্যাহ? মেহেদীঃ অ্যাহ নয় ভাইয়া, হ্যাঁ!! আল্লাহ হাফেজ! গল্পের ভিতর একটা ম্যাসেজ দেওয়ার প্রানপন চেষ্টা করেছি,হয়তো ধরতে পেরেছেন,কিন্তু শেষ দিকে এসে সব আউলায় গেলাম,গুছিয়ে লিখতে পারলাম নাহ,ক্ষমা করবেন!!! BONUS BOOM BLAST BELOW..... ১...... প্রেমিকা: ওও মাই সুইট হার্ট, রিয়েলি আর ইউ লাভ মি? প্রেমিক: আই লাভ ইউ সো মাচ বেবি! প্রেমিকা: তুমি আমার জন্য কী কী করতে পারবে? প্রেমিক: অনেক কিছু করতে পারবো! প্রেমিকা: তাহলে আমাকে ওই আকাশের চাঁদটা এনে দাও! প্রেমিক: ঢঙ একটু কমাইয়া কর, বুঝেছিস? ঈদ কি তোর বাপের চেহারা দেইখা করমু? ২..... প্রেমিকার সঙ্গে চিকিৎসক প্রেমিকের তর্ক চলছে- প্রেমিকা : তুমি তো কখনো আমার ফিলিংস বোঝার চেষ্টা করনি! প্রেমিক : কেন, কী হয়েছে? প্রেমিকা : আমি কী চাই, কিসে আনন্দিত হই, কিছুই বোঝ না তুমি। প্রেমিক : রাখ তোমার ফিলিংস! আমি চিকিৎসক হয়ে নিজের হাতের লেখাই আজ পর্যন্ত বুঝতে পারিনি, আর তুমি আসছো ফিলিংস নিয়ে। ৩.... বন্ধুর গায়ে হলুদে গিয়ে চেয়ারে চুপচাপ বসে আছে রিমন,,, ব্যাপক আনন্দ-স্ফূর্তি চলছে,, কেউ কেউ নাচছেও মিউজিকের তালে তালে,, এমন সময় এক সুন্দরী মেয়ে এসে বলল- মেয়ে : ভাইয়া নাচবেন নাকি? রিমন : হ্যাঁ, হ্যাঁ, কেন নয়! মেয়ে : তাহলে নাচতে থাকুন এখন,,চেয়ারটা একজন মুরুব্বির জন্য দরকার! রিমনঃ কেমন্ডা লাগে!!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫০৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...