বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্যা কুসুম ফ্রম ডিসুম ডিসুম!ধূমডাড়াক্কা পর্ব -০২!!

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান [তা-নি-ম] (০ পয়েন্ট)



X ১ম পর্বের পর.......... যদিও হৃদয় বাড়ির ভিতরটায় উঁকি মারায় ব্যাস্ত ছিলো,তথাপি তার কান ছিলো এই মজলিসে!বাকি তিনজনের সব কনভার্সেশন সে শুনেছিলো!সেই তিনজনের ফটর ফটর শেষ হওয়া মাত্রই সে বলে উঠলো! হৃদয়- এই কোম্পানির মাল ই এইরকম,সহ্য হলে থাকো নইলে এলাকাছাড়ো, নয়তো ভাগোহহ!! হৃদয়ের কথা শুনে বাকি ৩ জন খানিকক্ষণ এর জন্য চুপ মেরে গেলো!! বাড়ির একদম ভিতর থেকে কিছু চাপা শোরগোল শোনা গেলো,বুঝা গেলো বাড়িতে লোকজন আছে বেশ!পথিমধ্যে, একটা মেয়েঢকা ছেলে এসে ঢং করে গালে হাত দিয়ে বল্লো! --আহারি আল্লাহ,আপনারা এসেছেন,উফ,আপনাদের নিয়ে কত্তো টেনশনে আমি, জানেন? মেহেদী- তাই নাকি?তোমার নাম কি? সে- হ্যা গো হ্যা,আমার কুদ্দুস মিয়া,তবে কেউ আমাকে আদর করে রাজকুমারী বলে,বিলকিস বলে!! রনি ভাই- ওমাহ,তাই নাকি,তুমি ছেলে নাকি মেয়ে, সেইটা কও আগে? কুদ্দুস- আপনার কী মনে হয়? রনি ভাই-আমার তো তোমাকে ছেলে ও মনে হয় নাহ,মেয়েও মনে হয় নাহ, তুমি মনে হয়... মেহেদী- থাক রনি ভাই,চেপে যান,ইয়ে আমাদের একটা হাতপাখা দিও তো,গরম প্রচুর!! কুদ্দুস- হ্যা গো হ্যা,দিচ্ছি গো দিচ্ছি, পাখা ও দিবো, নাস্তা ও দিবো! বলেই সে ঢঙ্গিলা ঢঙ্গিলা ভাব নিয়ে চলে গেলো! হৃদয়- এসব কী দেখায় আল্লাহ,হায়রে! তানিম- কী কইলো,বস্তায় কারে ঢুকাইবো? মেহেদী- বস্তা নয়, নাস্তা আনতে যায়!! হৃদয়- এগ্লা কোন জাতের মানুষরে ভাভা? রনি ভাই- আছে না কিছু,যারা জন্মের সময় মেয়ে হতে গিয়ে জিনের ধাক্কাধাক্কিতে ছেলে হয়ে যায়!! বলেই সবাই অট্টহাসিতে মেতে উঠলো!!! বেশ কিছুক্ষণ পর,ছোট্ট সেই ছেলেটা হাতের ট্রেতে করে বিভিন্ন মৌসুমি ফল,চা ও বিস্কিট নিয়ে হাজির!! তার পিছন পিছন ঢংগিলা কুদ্দুস একটা কাঠের ইজিচেয়ার মাথায় করে নিয়ে আসছে! ছোট্ট ছেলেটা টেবিলের উপর নাস্তার ট্রে রেখে একপাশে গিয়ে দাড়ালো, বেশ খুটি গেড়েই দাড়ালো সে,ভাবখানা এমন যে দু-চারঘন্টা এখান থেকে নড়বে না!! দাড়িয়েই সে ক্ষান্ত নয়,একবার সবাইর মুখের দিকে তাকাচ্ছে আরেকবার লোভনীয় ট্রের দিকে!! প্যান্ট টাকে হাত দিয়ে ধরে বার বার এদিক ওদিক তাকাচ্ছে,আর প্রহর গুনছে,বোঝা গেলো এই নাস্তার মজলিসে সে ভাগ বসাবে!!!আর ঢংগিলা কুদ্দুস ইজিচেয়ার টাকে পজিশন মত রেখে কোমড় থেকে গামছাটা খুলে বেশ ঝাড়া দিয়ে চেয়ারটা মুছে দিলো!মুছে সে রোবটের মত একপাশে গিয়ে দাড়ালো,এবং বেশ নিচুস্বরে বল্লো,চাচাজান,গোসল করতাছেন,একটু পর আসবেন,আপনারা খায়া লন! রনি ভাই-আচ্ছা,উনি আসুক,তারপর একসাথে খাবো! কুদ্দুস- আচ্ছা,ঠিক আছে, মেহেদী আর হৃদয় বেশ মনোযোগ দিয়ে নাস্তার আইটেম গুলো দেখছে!আর রনি ভাই বেশ লাজুকতার সাথে আঙুর দুই একটা খাচ্ছেন, কিছুক্ষন পর পর! এদিকে পিচ্ছি ছেলেটার সাথে দুষ্টুমি শুরু করলো তানিম! তানিমঃ কি টুনির বাপ,কি নাম তোমার! পিচ্ছিঃ আমি টুনির বাপ নাহ, নাম হচ্ছে যেখানে পানি বেশি,সেইটা! তানিমঃ কোথায় পানি বেশি!? পিচ্ছিঃ সাগরে,আমার নাম ও নবিজ উল্লাহ সাগর! তানিমঃ প্যান্ট টা পড়ে মনে হয় বিপদেই আছো! পিচ্ছি- হ, একজনে গিফট করছে,মাঞ্জা দিয়া টুপুত কইরা পড়ে যায়! তানিমঃ প্যান্টের চেইন নষ্ট নাকি,হায়রে. তোমার তো জয় বাংলা দেখা যায়,প্যান্ট টা ঘুরিয়ে পড়! পিচ্ছিঃ এখন তো জয়বাংলা দেখছেন,ঘুরিয়ে পড়লে সোনার বাংলা দেখতে পারবেন! বলেই হাসিতে গড়িয়ে পড়লো! মেহেদী,তার হাতে দুইটা আঙ্গুর দিলো,সে বেশ কিছুক্ষন মনোযোগ দিয়ে দেখে খেয়ে নিলো! বাড়ির কর্তা এসে উপস্থিত সাথে এক বন্ধুমতন এক সহযোগী নিয়ে ,সবাই দাঁড়িয়ে সালাম দিলো,বেশ দৈত্যাকার শরীরের গঠন,মুখভর্তি দাঁড়ি,গম্ভীর ভাব, এসেই উনি ইজি চেয়ারটাকে টেনে দুলতে লাগলেন! এবং আমাদেরকে বসার ইঙ্গিত দিলেন! রনি ভাইঃ কেমন আছেন? কর্তাঃ ভালো,তোমরা! মেহেদীঃ জ্বী, আলহামদুলিল্লাহ! কর্তাঃ কথা বার্তা একটু পরে হোক,আগে তোমরা নাস্তা সেরে নাও,বহু পথ পাড়ি দিয়েছো!বলেই তিনি কুদ্দুসকে ইঙিত করে পানের বাটা আনতে বললেন! আমরা সবাই গোগ্রাসে খেতে লাগলাম,রনি ভাই,এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় খেয়ে বোমফাটার মতো ঢেকুর তুল্লেন,মেহেদী একটু ভয় পেয়ে গেলো!!মেহেদী নিজে বিস্কিট খাচ্ছে সাথে ওউ বাচ্চাটাকেও খাওয়াচ্ছে! একটু বেশি খাইতেছেন তানিম ব্রো,দুই হাতে গপাগপ চলছে উনার! রনি ভাইঃ ভাই একটু আস্তে খান, নইলে ডায়রিয়া হবে রে ভাই!. তানিমঃ হু, কি পাওয়া গেছে ডায়েরী! কার ডায়েরী, রনি ভাইঃ ডায়েরী না, ডায়রিয়া হবে, বেশি খেলে!! তানিমঃ খাওয়া নিয়ে চুদুরবুদুর চলবে নাহ! মেহেদীঃ আপনি আছেন খালি চুদুরবুদুর নিয়ে! যাইহোক,আমাদের খাওয়া দাওয়ার পর্ব শেষ পর্যায়ে এলো এবং আমরা আজকের আলোচনায় বসার জন্য প্রস্তুতি নিলাম! কর্তাঃ তা বাজান,কী নিয়ে আমার কাছে আসা! তানিমঃ আসলে আংকেল, ব্যাপারটা একটু... তানিমকে রনি ভাই হাত দিয়ে থামিয়ে দিলেন,এবং নিজেই ঘটনা প্রবাহ বর্ননা করতে লাগলেন!! রনি ভাইঃ ব্যাপারটা আপনি কীভাবে নেবেন জানিনা,তবে আমাদের সরাসরি বলতে হচ্ছে,হৃদয়ের সাথে আপনার ছোট মেয়ের সাথে ছোট্ট একটা রিলেশন , ওরা দুজন দুজনকে ভালোবাসে,ইভেন,ওরা দুজন কমিটেড,ব্যাপারটা আপনি যদি পিতা হিসেবে ওদের একটু বোঝেন,এবং ওদেরকে ওদের রাস্তায় সুখী হবার পথটা সহজ করে তৈরি করেন,তাহলে খুব ভালো হয়!আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে.... কর্তাঃ বুঝলাম,এইবার একটু দম নাও! বলেইই তিনি ইজিচেয়ারে দোল খেতে লাগলেন!কিছুক্ষন পর গম্ভীরতা কাটিয়ে বললেন! কর্তাঃ দেখো বাবা,মেঘ দেখে অনুমান করা যায়,আজকের দিনটি কি রৌদ্রজ্বল হবে নাকি বৃষ্টিময় হবে!! তোমার ওই কথাটার সামান্য ভূমিকাতেই আমি সব বুঝে নিয়েছি,আগামী বক্তব্য কি বলবা,তাও অনুমান করে ফেলছি!! মেহেদীঃ শুকরিয়া,বুঝেই যেহেতু ফেলছেন,তাহলে আর আমরা বিলম্ব না করি! কর্তা সাহেব তার ঠোটের একপাশ থেকে অন্যপাশে টুথপিক নিয়ে বললেন! কর্তাঃ দুনিয়ার সব বাবাই তার মেয়ের সুখ চায়,সন্তান তার হাসিখুশি থাকুক এইটা সবাই চায়!কি তাই না?? রনি ভাই উল্লোসিত কন্ঠে বললেন! রনি ভাইঃ জ্বী, ঠিকই ধরেছেন,আহারে সবাই যদি আপনার মতো ভাবতো!! রনি ভাই এর এই কথায় কর্তা একগালে সামান্য হাসলেন!!! কর্তাঃ এতোটা উল্লোসিত হওয়ার মত কথা আমি বলি নি,,, কিন্তু....... তানিমঃ কিন্তু কী?? কর্তাঃ সুখ চাইলে তো আর হয় না,সুখের সঠিক পথে মেয়েকে পাঠাতে হয়! মুহুর্তে রনি ভাইয়ের মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেলো,,,,,,, হৃদয়ঃ জ্বী, তাতো অবশ্যই! কর্তাঃ তা বাবা, তুমি কি করো,ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড কিছুই বললে না!লজ্জাতে বলছোনা নাকি?? হৃদয়ঃ না, না, লজ্জাতে নয়,আপনি জিজ্ঞেস করেন বলে,বলি নাই! কর্তাঃ হুম, ভদ্রতার চরম লেভেল! গ্রেট! হৃদয়ঃছোট খাট একটা জব,ফ্যামিলিতে মা বাবা,ভাই বোন!এই আর কি!! কর্তাঃএইটুকুই/?? হৃদয়ঃ জ্বী,ওইটুকুই, আলহামদুলিল্লাহ! কর্তা মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে বেশ প্রশংসা করলেন,হৃদয়ের ওই উক্তির! কর্তাঃ দেখো,আমি যে ফ্যামিলি ক্রাইসিস সিচুয়েশনে বড় হয়েছি,আমি চাই না, আমার সন্তানরা সেই সিচুয়েশনের ছিটেফোটা দেখুক!আমি প্রথমেই বলেছি,আমি আমার মেয়ের সুখ চাই! আমার মনে হয় না,ওই ছোট্ট জব দিয়ে আমার মেয়ের সুখের একাংশ কাভার করা সম্ভব!! আর তাছাড়া আমি একজন প্রফেসর মানুষ,আমার একটা স্ট্যাটাস আছে না সমাজে?বুঝইতো!!! বলেই একতা অবজ্ঞার হাসি দিলেন!! তানিমঃ তাহলে,আমাদের সাথে আত্মীয়তা করতে আপনি ইচ্ছুক নাহ??? কর্তাঃ হা হা হা,শোন,আমার মেয়ের পতি সেই হবে,যার অঢেল টাকা,গাড়ি-বাড়ি,ব্যাংক ব্যালেন্স,সবই আছে,যেখানে শুধু সুখের ঢেউ আর ঢেউ! হৃদয় বিমর্ষ কন্ঠে বল্লো, হৃদয়ঃ টাকাই সব সুখের মূল?টাকা দিয়ে কি সুখ কিনা যায়!কয়জনে পারছে...... হৃদয়কে হাত দিয়ে ইশারা করে থামিয়ে দিলেন কর্তা সাহেব কর্তাঃ দেখো এইসব মান্ধাতার আমলের ন্যায় নীতি আমাকে শিখিয়ো নাহ! হৃদয়ঃ সুখ তো আপনি উপভোগ করবেন না,করবে আপনার মেয়ে! সে হয়তো অল্পতেই তুষ্ট,সেই ভালো বোঝে! কর্তাঃ ভালো বলেছে,সেই ভালো বোঝে,তা দুনিয়াতে কে আগে আসছে,আমি নাকি আমার মেয়ে!!! মেহেদীঃ আপনিই আগে এসেছেন!আপনার বেশি বুঝার ক্ষমতা আছে! কর্তা সাহেব একপ্রকার শব্দ করে হেসে উঠলেন!! কর্তাঃ আমি কথা কম বলি,তারপর,আমার চাহিদা আর শর্তের কথা জেনে গিয়েছো,তোমাদের সাথে আমার মিলছে না! তোমরা আমার মেয়ের আশা ছেড়ে দেও! তানিমঃ তারমানে,আপনি বলতে চাইছেন,আমরা আপনার মেয়ের ভরনপোষণ দিতে পারবো না?তাকে খাওয়াতে পারবো নাহ? আমাদের কি সেই সামর্থ নেই?? রনি ভাইঃ আপনার আর চাহিদা কি,টাকার বিনিময়ে মেয়েকে বিক্রি করতে চাইছেন?একজন পিতা হয়ে??মেয়েকে পন্য বানিয়ে ফেললেন?? মেহেদীঃ আপনার মেয়েতো সুখ খুজেই পেয়েছে,আর আপনি নিজ হাতে তা ধূলিসাৎ করতে চাইছেন!! কর্তাঃ ব্যাস, ব্যাস, দেখো,অতিথিকে বাড়িতে এনে অপমান করার অভ্যাস আমার সিলেবাসে নাই! তোমরা সম্মান নিয়ে এসেছো, সম্মান নিয়ে চলে যাবে, এইটাই ফাইনাল! কর্তা তখন পিচ্ছি সাগরকে ডেকে পাঠালেন বাড়ি থেকে আরো চা পাঠানোর জন্য! রনি ভাইঃ আমাদেরকে এভাবে অপমান................!!!! কর্তাঃ দেখো,প্রথমত, চাহিদার অমিল!আর তাতেই আমি তৃপ্ত নয়!পাত্রস্থ করার চিন্তা বাদ! আর তোমাদের অপমান করার ইচ্ছা থাকলে,আরো নিম্ন ভাষা ইউজ করতে পারতাম,তা করিনি!সভ্য মানুষের সাথে সভ্য আচরন! তানিমঃ আপনি তো আমাদের অপমান করেই ছাড়লেন,আপনি টাকা পয়সা ধন দৌলতকে ফার্স্ট প্রায়োরিটি দিলেন,আমাদেরকে দাম ই দিলেন না!! কর্তাঃ মানুষের মুখে মুখে তর্ক করা আমার একদম অপছন্দ, আর তা যদি হয় আমার ছেলের বয়সী মানুষদের থেকে,তা হলে আমি কিন্ত তা বরদাশত করবো নাহ! আশা করি,এরপর আর কোন কথা থাকে না!আর কোন উচ্চ মানের ইমোশনাল নীতিকথা শুনিয়ে আমাকে গলানোর ব্যার্থ চেষ্টা করবে না! কর্তার প্রস্থান............. পথিমধ্যে আরো চা এসে হাজির!চায়ে চুমুক দিতে দিতে.... তানিমঃ চা টা মাশাল্লাহ, বেশ ভালো! কে বানিয়েছে! কুদ্দসঃ ছোটায়াপা বানাইছে, আপনাদের জন্য! তানিমঃ ছোটায়াপা কে,আর তার নাম কি! কুদ্দুসঃ যার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন,উনিই ছোটায়াপা!নাম উনার কুসুম! তানিমঃ কি কি? কি ধুম? কুদ্দুসঃ ধুম না,কুসুম কুসুম! তানিমঃ ওই মিয়া কীসের ডিসুম ডিসুম!মারবা আমগোরে?? কুদ্দুসঃ ডিসুম ডিসুম কই বললাম! তানিমঃ আবারো ডিসুম ডিসুম বলো,মেরে একদম থোতা মোতা ব্রেক করে দিবো,যত্তসব ফাজিলের বংশ!!!! ---------------------------------------------------------------- চলবে........... নাকি............দৌড়াবে! তো আজ এইপর্যন্তইইইইই‌‌‌!!!!! দেখা হচ্ছে পরের পর্বে! ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন,নিরাপদ থাকুন!!! বানান ভূল ও বাক্যের অসামঞ্জস্যতা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন!!!! গল্পটা সম্পূর্ণ কাল্পনিক!!! সিরিয়াসলি না নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি!!! BONUS BOOM BLAST BELOW.... ১... পল্টু নতুন কম্পিউটার কিনেছে। তাই খুশিতে সে তার বাবাকে গিয়ে বলল- পল্টু : বাবা, আমি কম্পিউটার কিনছি,দেখে যাও!! বাবা : হুম, ভালো। এটা কী? পল্টু : এটা মনিটর। বাবা : ওটা? পল্টু : সিপিইউ। বাবা : আর এটা কী? পল্টু : এটা কি-বোর্ড। বাবা : আর ওইটা কী? পল্টু : ওইটা মাউস। বাবা : ওরেএএ শুয়োর , তাইলে কম্পিউটার কই? ২.... শিক্ষক: বল, দুনিয়ার সবচেয়ে গরিব কে? পিন্টু: স্যার, নিশ্চিত কইরা কইতে পারি না, তবে... শিক্ষক: অনিশ্চিতটাই বল দেখি! পিন্টু : স্যার, যারা ফেসবুকে নিজের ছবি দিয়া কয়, পিকটা কেমন হলো বলুন দেখি? শিক্ষক: এরা গরিব হয় কিভাবে? পিন্টু: কারণ, তাদের ঘরে একটা আয়নাও নাই।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজেসরা এবার কোথায়? (পর্বঃ ১)
→ লুমির ইসলামিক অজানা কালেকশন( পর্বঃ ১)
→ ইরিনা (শেষপর্ব)
→ ইরিনা( পর্ব ১৫)
→ ইরিনা( পর্ব ১৪)
→ ইরিনা (পর্ব১৩)
→ ইরিনা(পর্ব ১২)
→ ইরিনা(পর্ব১১)
→ জিজেসরা যখন নেপালে (পর্ব ৩)
→ ইরিনা(পর্ব ১০)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...