গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অ্যামাজনে কয়েকদিন [পর্ব ৩০ এবং শেষ]

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (১৯৮ পয়েন্ট)



লেখক:হৃদয় MH2 সকালবেলা পাখির কিচিরমিচির ডাক শুনে ঘুম ভাঙ্গল,এখন হালকা ভোরের আলো ফুটবে ফুটবে করছে।ফজরের নামাজের সময় সম্ভবত এখনও আছে,উঠে তায়াম্মুম করে নিলাম।কারণ কয়েকদিন ধরে পানির পরিমাণ অনেকটা কমে গেছে,আর এরকম অজানা জায়গায় পানি ছাড়া বাঁচা অসম্ভব। কারণ প্রচুর হাটতে হয় আমাদের,তখন শরীরের পানির ঘাটতি কাটাতে অনেক পানি খেতে হয়,আর রান্নার সময়ও তো পানি লাগে।তাই পানি বাঁচাতে তায়াম্মুম করে নিলাম।কয়েকজন উঠে পড়েছে,নামাজ পড়ছে।আমার পাশের কয়েকজন তখনও ঘুমাচ্ছিল, তাদের ডেকে তোলে দিলাম।মেয়েদের থাকার জায়গা আলাদা,ফলে ওরা নিজেদের মধ্যে একজন আরেকজনকে ডেকে তোলে দিবে এই ভেবে আমি নামাজ পড়া শুরু করলাম। নামাজ শেষ করে সবাই সকালের কর্মব্যাস্থতায় সামিল হয়ে গেলাম।দ্রুত রান্নার কাজ শেষ করে হাতমুখ ধুয়ে সবাই খাওয়ার জন্য তৈরী হয়ে নিলাম।হাসি মজা দুস্টুমিতে আমাদের খাওয়ার পালাও শেষ হলো।তারপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমাদের নিকটতম লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করলাম।দেখতে দেখতে আমাদের খাবারের সব টিনগুলো,আর আমাদের জিনিসপত্র সহ সবাই ভ্রমণের প্রস্তুতি শুরু করলাম। আমরা রওনা হবো তবে কোন দিকে, সেটা অবশ্য একটা পরীক্ষার পরই ঠিক হয়ে যাবে।আর সেটা হলো কুকুরগুলোর পায়ের ছাপ পরীক্ষা করা,কোন দিক হতে কুকুরগুলো এসেছিল সেটা দেখতে হবে।ছাপ পরীক্ষা করার জন্য মি.A ওই ঝোপ এবং তার পরের কিছুটা অংশ হেটে দেখলেন,তারপর হাসি মুখে ফিরে আসলেন। আমি:মি.A কিছু চিহ্ন পেলেন??? মি.A: তোমার কী মনে হয় পেয়েছি নাকি পাই নি??? আমার মুখ থেকে কথা কেড়ে নিয়ে আনিকা বলল,,, আনিকা: আপনাকে খুব হাসিখুশি লাগছে।আপনি নিশ্চয়ই পেয়ে গেছেন। মি.A: হ্যা পেয়ে গেছি,এমনকি এই অধিক শক্তির দূরবীন দিয়ে দেখেও নিয়েছি। রনি ভাই: তাহলে এবার আমরা কোন দিক দিয়ে চললে একদম ঠিক জায়গায় পৌছে যাব??? মি.A: কুকুরগুলো আমাদের চারদিক দিয়ে ঘিরেছিল।তবে ওরা এসেছিল দক্ষিণ দিক থেকে।আর আমি যদি ভুল না করি তাহলে এক আশ্চর্যরকম জিনিস দেখেছি। সব জিজে'স কৌতুহলের সাথে বলল,,, "কী সেই জিনিস???" মি.A স্মিতহেসে বললেন,,, "সবটা বলে দিলে তো মজাই শেষ।তবে সেখানে যাওয়ার আগে একটা বাধা অতিক্রম করে যেতে হবে।তবে এই বাঁধাটা অতিক্রম কী করে করব সেটা এখনও অজানা।" রুবি আপু বলল,,,"অতো রহস্য সৃষ্টি করে তো আমাদের মনকে উত্তেজিত করে দিলেন। রহস্যটাকে কি একটু অন্তত ঘোলা করা যায় না???" রেহনুমা আপুও বললেন,,,"রহস্যটা কী সেটা একটু জানালে দোষ কী??? অন্তত মনে একটা দৃশ্যপট একে নিয়ে এগিয়ে চললাম।পরে তো আবার দেখবই।তাই বলে দিনgjgjgj" মি.A এর পাশে থাকা সাঈম ভাই বলল,,, "রহস্য রহস্য হিসেবে থাকুক,তাহলে রহস্য যখন উন্মোচিত হবে তখন মজাটাই অন্যরকম হবে।আর অ্যাডভেঞ্চারের মূল উপকরণ হলো রহস্য আর উদ্দেশ্য হলো রহস্য উন্মোচন করা আর মনে একটা অজানা আনন্দের তৃপ্তি লাভ করা,,," সাঈম ভাইয়ের এমন দার্শনিক আলাপ শুনে পাশ থেকে ওনার তোপসে খ্যাত ফারহান বলল,,,"বাহ্ ফেলুদা,খুব তো দার্শনিকের মতো কথা বলছ।তবে যা বলেছ একদম ঠিক।কিছুটা রহস্য না হয় আমাদের জন্য অপেক্ষা করুক।" আনিকা: কী আর করার,রুবি আপু সবাই যখন চায় রহস্য বজায় থাকুক,তাহলে না হয় থাকুক। হৃদয়: হ্যা আনিকা,রহস্য থাকুক।তাহলে আমাদের এ অ্যাডভেঞ্চারের আসল মজাটা পাব। মেহেদী ভাই: এই তোমরা কি কথাই বলবা নাকি শুধু,একটু পা চালিয়ে দ্রুত চল তো।রহস্যটার আজ শেষ দেখে ছাড়ব। তানিম ভাই: প্রভা যখন উঠে পড়ে লেগেছে তখন নোয়াখালী বিভাগ হবেই হবে,না মানে আমাদের অ্যাডভেঞ্চার পরিপূর্ণ হবেই হবে। তারপর আর কী??? আমরা চলতে লাগলাম।আরও ঘন্টা দুয়েক চলার পর সামনের দিকের মাটি আরও একটু উঁচু হয়ে আসল আর মাটিও সোনালী হয়ে আসল।সোনালী মাটিতে সূর্যের আলো পড়ে চকচক করছে খুব।সামনের উঁচু মাটির বাঁধাটাও পেরিয়ে আসলাম।খুব কাহিল লাগছে সবারই,তাই ঠিক হলো একটু জিরিয়ে নিব।কারণ মি.A এর কথা মতো আমাদের সামনে একটা কিছুর বাঁধা আছে।সেই বাঁধাকে জয় করতে হলে শরীরে আর মনে বল থাকতে হবে,একটা দীর্ঘ যাত্রা শেষে আমাদের প্রায় সবারই শরীর মন ক্লান্ত হয়ে আছে।সময়টা এখন প্রায় মাঝ দুপুর।হালকা খাওয়া দাওয়া আর বিশ্রাম দরকার সবার। আমাদের সামনে দূরে অজানা জনপদের প্রাচীর দেখা যাচ্ছে,তবে সেটা এতো দূর থেকে একটা রেখার মতো মনে হচ্ছে। অনুমানে যেটা মনে হচ্ছে সেটা হলো শহরের প্রাচীর মাটির তৈরী,বা সোনালী মাটির তৈরী ইটের সাহায্যেও হতে পারে। এ জায়গার অধিবাসীরা হয়তোবা আশেপাশের কয়েকটা এলাকার মতো জংলী নয় একদম।কারণ অমন হলে হয়তো এরা শুধু কুটির বানাত,আর সেসব কুটিরও হতো হয় মাটির তৈরী না হয় খড়কুটো দিয়ে তৈরী।আর প্রাচীরের কোনো অস্তিত্ব থাকত না।তবে এ জায়গার মানুষরা অন্তত কিছুটা সভ্য আর উন্নত এটাই আশা করলাম।আমাদের হালকা বিশ্রাম আর খাওয়া দাওয়া শেষে রওনা হয়ে গেলাম আমরা। কিছুক্ষণের মাঝেই প্রাচীরের পাশে চলে আসলাম।তবে কোথাও কোনো দরজা বা প্রবেশ করার মতো কোনো ব্যাবস্থা পাচ্ছি না।আবার কাওকে যে প্রাচীরের উপর দিয়ে জনপদের ভিতর পাঠাব সেই ঝুঁকিও আমরা কেউ নিলাম না।কারণ যুলকারনাইনের একটা ঘটনায় বলা হয়েছিল পৃথিবী জয় করতে করতে সবার পশ্চিমের জনপদে একটা প্রাচীর ঘেরা শহর দেখতে পেয়েছিলেন,সেই শহরে প্রবেশ করার পথ ছিল না।যুলকারনাইন যাদের শহরের প্রাচীরের উপর দিয়ে শহরে পাঠিয়ে ছিলেন তারা আর ফিরে আসে নি।যদিও আমরা জানি না এটা যুলকারনাইনের আমলের সেই শহরের মতো কোনো জায়গা কিনা।আমরা সবাই প্রাচীরের পাশে আমাদের বোঝাগুলো রেখে দিয়ে হাতে অস্ত্র নিয়ে প্রাচীরের চারপাশে হাটতে লাগলাম।অনেক খুঁজার পরও আমরা কোনো প্রবেশ পথ পেলাম না।মোটামোটি দশ ফুটের মতো উঁচু প্রাচীর।আমেরিকান প্রাচীন সভ্যতার মতো এটাও কি কোনো সভ্যতার বেঁচে যাওয়া শহর হতে পারে,এটা আমাদের মনে প্রশ্ন তোলতে লাগল।কারণ এতোটা নিরাপত্তা ব্যাবস্থা একমাত্র যথাযথ সভ্য এবং বিজ্ঞ মানুষরাই তৈরী করবে। শেষপর্যন্ত আর কোনে উপায় না পেয়ে দড়ি দিয়ে প্রাচীরের ভিতর প্রবেশ করার ব্যাবস্থা করা হলো।একরকম প্রতিযোগীতা শেষে সামির প্রাচীরের উপর উঠবে বলে ঠিক করল।সামির যথেস্ট পাতলা শরীরের মানুষ,ফলে দড়ি বেয়ে উঠার জন্য সে ই সবচেয়ে উপযুক্ত।তবে তাকে বলা হলো সাবধানে যেন প্রচীরের উপর দাড়িয়ে থেকে ভিতরটা দেখার চেস্টা করে। সামির সহজেই উঠে গেল প্রচীর ভেদ করে।আর উঠার পরই তার মুখ বিশাল রকম হাঁ হয়ে গেল।আমরা অনেক জিজ্ঞেস করার পরও সে কিছু বলে নি।চারপাশটা দেখে নিচে নেমে এল নিরবে। হৃদয়:সামির,কী হলো কোনো কথা বলছ না কেন??? রামিশা: কীরে সামির,এখনও অমন হা করে আছিস কেন??? কথা বল,,,ওই কী হলো কথা বল,,, সামির: চুপ কর রাওহা।বলছি,ভিতরে তো একটা গেইট আছে দেখলাম।আর গেইটটা পাহাড়া দিচ্ছে প্রায় ৮/৯ ফুট লম্বা দুটো গরিলার মতো দেখতে মানুষ,প্রচুর হিংস্র দেখতে।তবে ওরা মানুষ নাকি বিশাল কোনো এপ প্রজাতি সেটা আমি সিওর না। মি.A: আর কী দেখলা??? মানে ভিতরে কি কোনো মানুষ নাই???আর ওসব মানুষও কি অমন বড় নাকি??? সামির: ভিতরে মানুষ আছে।তবে সবাই নিজ সাধারণ,আর একেকজন একেক কাজে ব্যাস্ত। সামিরকে আর কথা বলতে না দিয়ে ও কোথায় গেইটটা দেখেছে সেখানে আমাদের সবাইকে নিয়ে যেতে বলা হলো,মেয়েদের মোটামোটি দূরে প্রাচীরের পাশে রেখে আসলাম,যেন ওদের উপর দিয়ে কোনো বিপদ না যায়।সামির আমাদের নিয়ে গেল প্রাচীরের ওই জায়গায়।আমরা প্রস্তুতি নিয়ে নিলাম ওই পাহাড়াদার দুটোকে মোকাবিলা করার জন্য।দেয়ালটা ভালো করে দেখতে লাগলাম।একদম জোড়া বিহীন পাথর দিয়ে তৈরী এই প্রাচীর।কোনো রকম উপায় তো পাচ্ছি না,তখন তানিম ভাইয়া দরজায় একটা গোল চাকা দেখাল।খুব ছোট চাকা,তাই নজরে আসে নি এতক্ষণ। মি.A: মনে হয় এই দরজাটা খোলার চাবি হলো এই চাঁকা।চাকাটা ঘুড়াও তো।দেখ কোনদিকে ঘুড়ে। চাকাটাকে আমিই ঘুড়ালাম।ধীরেধীরে দরজাটা খোলে আসল।আর ভিতর দিকে তাকাতেই দেখতে পেলাম দুটো বিশাল আকারের মানুষ।সামির ঠিকই বলেছিল,কাছ থেকে দেখে মনে হচ্ছে অন্তত ৯ ফুট লম্বা হবে মানুষগুলো।বিশাল শরীর,প্রশস্ত বুক আর মুখে হিংস্রতার আভাস,সব মিলিয়ে ভয়ঙ্কর গরিলা ওরা দুটো।আমাদের দেখেই ওদের হাতে থাকা পাথরের হাতুড়ি দিয়ে পিটাতে চাইল।হাতুড়ি উপরে তোলতেই মি.A ওদের হাতে গুলি করলেন।ফলে হাত হতে হাতুড়ি পরে গেল,কিন্তু হিংস্রতায় ওদের চোখগুলো জ্বলে উঠল যেন।বন্দুকের গুলি লাগার পরও বিন্দুমাত্র কাহিল না হয়ে আমাদের দিকে এগিয়ে আসল।মি.A এর গলা ধরে তাকে মাটি হতে উপরে তোলে ফেলল,আর আরেকজন দানব তানিম ভাইয়ের গলা ধরে তোলে ফেলল তাকে।আরেক হাতে আরেকজনকে ধরবে এমন সময় আমরা সবাই ওদের দিকে গুলি করতে লাগলাম।তবে সাবধানে গুলি করছি যেন মি.A বা তানিম ভাইয়ের শরীরে যেন না লাগে।শরীরে গুলি লাগার পরই মি.A আর তানিম ভাইকে ফেলে দিল ওরা।আর হিংস্র হয়ে গেল মারাত্মক,আর জোরে চিৎকার করতে লাগল।মি.A পড়ে গিয়ে ব্যাথা পেলেও উঠে দাড়ালেন,আর তার হাতে থাকা AK-47 দিয়ে গুলি করলেন দানব দুটিকে।শতহোক রক্ত মাংসের মানুষ ওরা,গুলি সহ্য করতে না পেড়ে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল মাটিতে। ততক্ষণে মেয়ে জিজে'সরা ভয়ে চিৎকার করা বন্ধ করা হলো।আর জনপদের প্রবেশদ্বারে দেখলাম মানুষদের ভিড় জমে গেছে।ওরা কী সব যেন বলাবলি করছে,এসময় জনতাকে ঠেলে সড়িয়ে দিয়ে আরও কয়েকটা অস্ত্রধারী মানুষ এগিয়ে আসতে লাগল আমাদের দিকে।জনগণের মুখের অবস্থা দেখে মনে হলো ওই মানুষগুলোকে ওরা যথেস্ট ভয় পায়।আমরা অগ্রগামী লোকগুলোর হাতে পায়ে গুলি করে মাটিতে ফেলে রাখলাম, মারলাম না।ওরা পড়ে যাওয়ার পর জনতা খুশিতে চিৎকার করে উঠল।আর জনগণ জনপদের প্রবেশদ্বার দিয়ে বের হয়ে আসতে লাগল,সবার এমন ভাবে বের হওয়ার কারণ বোঝতে পারলাম না।জিজে'সদের কয়েকজন গিয়ে মেয়ে জিজে'সদের আমাদের মাঝে নিয়ে আসল।শত্রুদের পরাজয় দেখে আমরা সবাই বেশ খুশি।এমন সময় কয়েকজন হাসিখুশি লোক হেসে হেসে কীসব বলতে বলতে যেন আমাদের হাত ধরে ভিতরে নিয়ে যেতে লাগল। শহরই বলা চলে জায়গাটাকে।বেশ ঘরবাড়ি আছে,আর রাস্তাঘাট সব আছে।আর একটা চমৎকার বিষয় হলো জায়গাটা কল্পনার শহর এলডোরাডোর মতো দেখতে।কারণ এ জায়গার সব বাড়িঘর রাস্তাপাট সব সোনালী মাটি দিয়ে তৈরী,দেখে মনে হয় যেন সব স্বর্ণের তৈরী।সূর্যের আলোয় সারা শহর চকচক করছে। লোকগুলো আমাদের নিয়ে আসল একটা বৃদ্ধবয়সী লোকের কাছে।লোকটা ফর্সা ,চামড়ায় ভাঁজ পড়েছে,চুলগুলো সব সাদা এমনকি ভ্রূটাও সাদা হয়ে আছে লোকটার।বেশ বয়স্ক,চুলগুলোকে একটা বিশেষরকম ভাবে বিন্যস্ত করে মুকুটের মতো করে রাখা হয়ে।বোঝা যায় লোকটা সর্দার। লোকটা নিজ ভাষায় কী যেন বলল,আমরা কিছু বোঝতে পারলাম না।আমাদের কাছে কোরিয়ান চীনের ভাষাকে যেমন অং বং চং মনে হয়,আগামাথা কিছু বোঝি না।এদের ভাষাটাকেও অমনই লাগল। আকিতা আপু হয়তো কিছু বোঝতে পারে,তাই আকিতা আপুকে সামনে নিয়ে আসা হলো।আকিতা আপু সর্দারের কথা শুনলেন,তারপর নিজের ভাষায় কিছু একটা বললেন,এই ভাষা শুনার পর সর্দারের বলা ভাষাও পরিবর্তন হয়ে গেল কিছুটা।তিনিও আকিতা আপুর মতো করে কিছু বলে চললেন,তবে লোকটাকে দেখে মনে হলো এ ভাষা বলতে তিনি তেমন অভ্যস্ত না,মাঝেমাঝে আটকে যাচ্ছেন।তখন আকিতা আপু তার কথা সম্পূর্ণ করে দিচ্ছে আর লোকটা মাথা নাড়ছে।এভাবে কিছুক্ষণ কথা চলার পর সর্দার থামল। আমাদের জিজে'সদের জিজ্ঞাসু দৃস্টি তখন আকিতা আপুর উপর। আকিতা আপুকে আমরা সবাই জিজ্ঞেস করতে লাগলাম কী বলল সর্দার।তবে যেমনটা জানেন,আকিতা আপু রনি ভাই ছাড়া আমাদের কারও সাথে কথা বলতে তেমন স্বস্তি অনুভব করেন না।তাই তিনি রনি ভাইকে উদ্দেশ্য করে আমাদের সকলকে বলতে লাগলেন,,, " সর্দারদের ভাষা আমাদের চেয়ে আলাদা।তবে আমাদের ভাষার শব্দের সাথে হালকা মিল আছে।ফলে আমাদের দুভাষার মিল করে সর্দার শহরের কথাগুলো বলল।সর্দার যা বলল তা অনেকটা এমন যে,দরজার কাছে থাকা দানবদের পূর্বপুরুষরা বেশ কয়েকশত বছর আগে এ শহরে এসে সবাইকে নিজেদের দাস বানিয়ে নেয়।ওরা সেইসময় সংখ্যায় বেশি ছিল,আর ওদের শক্তির সামনে দাড়ানের সামর্থ শহরের কারও ছিল না।ফলে দাস জীবনযাপন করতে শুরু করল তারা।একসময় বেশ কয়েকটা দানব আর ওদের শাগরেদরা শহরের প্রাচীর তৈরী করে শহরকে বাইরে থেকে বন্ধ করে রাখে।আর প্রাচীরের আশেপাশে কাওকে ঘেষতে দিত না।বাইরে থেকে লোকদের শহরে ঢুকতে দিত,যারা ঢুকত তাদের সবাই মারা যেত ওদের হাতে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এমন চলে আসছিল এ শহরে। আমরাই প্রথম যারা তাদের শহরের বাইরের মুক্ত পরিবেশের দেখা দেখালাম,তাদের দানব হতে রক্ষা করলাম।তাই তারা আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। " সবটা শুনে আমাদেরও ভালোই লাগল,এতোগুলো মানুষদের আমরা মুক্ত করতে পারলাম দাসত্ব হতে সেটা আমাদের জন্য একটা বিরাট পাওনা।আর আমাদের অভিযানটাও সম্পন্ন হলো ঠিকভাবে,ফলে আমাদের আনন্দের পরিসীমা আরও বিস্তৃত হয়ে গেল।এ শহরে একদিন বিশ্রাম নিয়ে আবার ফিরে যাব আকিতা আপুদের গ্রামে এটাই ঠিক করা হলো। ততক্ষণে বিকেল হয়ে গেছে,সূর্যটা পশ্চিমে হেলে গেছে।আমরা সবাই দলে দলে বা একা একা শহরটা ঘুরে ঘুরে দেখছি।আধুনিক সভ্যতার কর্মব্যাস্ততা আর ইটপাথরের দালানের যে ভিড় থাকে তা এ প্রাচীন ঐতিহ্যে নির্মিত এ ঘন জঙ্গলের ভিতরের শহরে অনুপস্থিত।তবে এই অনুপস্থিতিটা শহরের সৌন্দর্য না কমিয়ে বরং বাড়িয়ে দিয়েছে।শহরের জনসংখ্যা বড়জোর ২০০ এর মতো হবে। বাড়িঘরও ঠিক সেই পরিমাণই।শহরের মাঝখানে পানি উৎস হিসেবে একটা কুয়া আছে,পাড়টা হালকা উঁচু।কাঠের বালতি বানিয়ে নিয়েছে ওরা পানি তোলার জন্য। আর কুয়াটাতেও পানি আছে পরিমাণমতো।আমরাও সেই কুয়া হতে পানি তোলে খেলাম,পানি একদম পরিস্কার আর বেশ মিস্টি। পানি খাওয়া শেষে এভাবে এখানে সেখানে ঘুরতে লাগলাম। এভাবে দিন শেষে রাত ঘনিয়ে আসল।হালকা আড্ডা শেষে সবাই ঘুমিয়ে পড়ল আজ,কারণ আজ সবাই বেশ ক্লান্ত।আর এরপরে একটা দীর্ঘ যাত্রা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।ফলে বিশ্রামেরও দরকার। সকালবেলা ফজরের সময় সবাই উঠলাম।নামাজ পড়ে নিলাম সবাই,নামাজ শেষে পিছনে তাকিয়ে দেখি সর্দার অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে,আমরা কী করছিলাম সেটা জানতে চাইল।আমরাও বললাম যে আমরা নামাজ পড়ছিলাম।ওনি এ সম্পর্কে জানতে চাইলেন,আমাদের মাঝে অনেকেই যেমন তাহিরা আপু,সাঈম ভাইয়া,রনি ভাইয়া এরকম কয়েকজন ওনাদের ইসলাম সম্পর্কে ধারণা দিলেন,আকিতা আপু অনুবাদ করে দিলেন।আমাদের ধর্মের কথা শুনে বেশ খুশি হলেন সর্দার।ফল স্বরূপ সবাই ইসলাম গ্রহণ করে নিল। ওনাদের ইসলাম শিক্ষা দেওয়ার জন্য আমাদের যাওয়ার দিন একদিন পিছানো হলো। এই একদিন সবরকম শিক্ষা দেওয়া হলো,যতটা পারা যায় আরকি। পরদিন সকালে যখন আমরা বিদায় নিব তখন সর্দার সহ সবাই আমাদের বিদায় জানাতে আসল,সর্দারের চোখ অশ্রুশিক্ত,এই মাত্র দেড় দিনেই আমাদের প্রতি তার মায়া জন্মে গেছে।এই অ্যামাজনে এসে আমার ধারাণ হয়ে গেছে,আমরা সভ্য অঞ্চলের মানুষ সভ্য হতে গিয়ে মন হতে মায়া আর সরলতাকে অনেকটা দূরে সড়িয়ে দিয়েছি কিন্তু এরকম বন জঙ্গলে বাস করা মানুষগুলোর অনেকেই এখনও সেই মায়া আর সরলতা বজায় রেখেছে নিজেদের মাঝে।তবে সবাই সরল নয়,অনেক হিংস্র মানুষখেকো আছে,ওদের কথা আলাদা। আমাদের বিদায় দেওয়ার সময় সর্দার সোনার মাটিতে তৈরী একটা ঈগল পাখির মূর্তি আমাদের হাতে তোলে দিলেন, দেওয়ার সময় বলে দিলেন এটা একটা স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে দিয়েছেন আমাদের। আমরাও আমাদের তরফ হতে কিছু উপহার দিলাম তাদের। আমাদের গন্তব্য কোথায় সেটা জানার পর সর্দার জানাল ওটা নাকি অতো ঘোর প্যাঁচের রাস্তা নয়। তবে মোটামোটি দূর,তিনদিনের রাস্তা। আমরা অবাক হলাম,কারণ বেশ কয়েকদিন চলার পর আমরা এখানে আসতে পেরেছি,আর সেটা তিনদিনের পথgjgjgj।জিজের কয়েকজন তো T.R.Smith এর উপর রেগেও গেল।যেমন কয়েকজনের মন্তব্য নিম্নরূপ::: আনিকা: এতো ছোট সহজ পথ থাকতে আমাদের এতো ঘুরানো প্যাঁচানো পথ দিয়ে আনল ব্যাটা T.R.Smithangryangryangry রুবি আপু: টি আর স্মিতকে পেলে একদম রান্না করে মানুষখেকোদের খাইয়ে দিতাম ব্যাটাকেyuckyyuckyyucky তুবা: T.R.Smith এর নাম আমার নামই মনে করতাম,কিন্তু ও আমার নামের মতো হওয়ার যোগ্য না।কত্ত বোকা,এতো ঘুর প্যাঁচ পথ দেখাল ম্যাপে,ঘুষি দিয়ে নাক ফাটাতে মন চাচ্ছে। শিখা:গুলি করে ওর খুলি উড়ানো উচিৎgunsgunsguns মফিজুল: তবে যাই বল,অতো ঘুরপ্যাচের রাস্তা দিয়ে আসলেও একটা চমৎকার অ্যাডভেঞ্চার হয়েছে,আর আমরা কত সুন্দর সুন্দর দিনও তো কাটালাম। ফারহান:হ্যা মফিজুল একদম ঠিক বলেছে।এরকম সহজ পথ আছে সেটা হয়তো ওনি জানতেন না। হৃদয়: ওনি শর্টকার্ট পথ জানলে তো আর নিজেও অমন ঘুরত না।ফলে দোষ দেওয়া যায় না ওনাকে। মানে জিজে'সদের সবাই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাল। সর্দার তার বিশ্বস্ত কয়েকজন লোক দিলেন আমাদের পথ দেখিয়ে দেওয়ার জন্য।লোকগুলোর ভাষা আমরা জানি না,ওরাও আমাদের ভাষা জানে না।ফলে একরকম ইশারা দিয়ে বোঝিয়ে বোঝিয়ে আমাদের নিয়ে চলতে লাগল তারা। পথিমধ্যে বহু মজার ঘটনাও ঘটল,তবে বেশি বড় হয়ে যাবে আর পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটতে পারে বলে সেসব উপেক্ষা করে যাচ্ছি। তিনদিন এর দিন আমরা সেই সুন্দর গ্রাম মানে ফারগুফার এ চলে আসলাম।আমাদের দূর হতে দেখে সবাই হাজির হয়ে গেল,সর্দার মপিংলিত অনেকদিন পর তার মেয়ে আকিতাকে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে জড়িয়ে ধরলেন,কান্নাকাটি পর্ব চলল অনেকক্ষণ। তারপর সবাই সানন্দে আমাদের গ্রহণ করলেন। ফারগুফার গ্রামটি এখনও আগের মতোই আছে,সৌন্দর্য একটুও কমে নি,পাশের সেই পাহাড়টি, গ্রামের পাশের নদী সব আজও একই আছে। গ্রামটা আবারও ঘুরে দেখতে লাগলাম,আর স্মৃতিচারণ করতে লাগলাম। রাতের বেলা সর্দার আমাদের ডাকল,তাকে ইংরেজিতে আমাদের সমগ্র ঘটনা সংক্ষেপে বললাম।রনি ভাইয়া আর আকিতা আপুর প্রেমের কাহিণীও ওনাকে জানালাম।ওনি হাসিমুখে মেনে নিলেন।তবে ইসলাম ধর্মে অন্য ধর্মের মেয়েদের বিবাহ করার অধিকার দেয় না যতক্ষন না সে ইসলাম গ্রহণ করে।তাই তাদের সবাইকে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া হলো।বেশ খানিক্ষণ কথা বলার পর তারাও ইসলাম গ্রহণ করলেন(আলহামদুলিল্লাহ)। তারপর আকিতা আপু আর রনি ভাইয়ের বিয়ের দিন ঠিক করা হলো,আর তিনদিন পর বিয়ে।এর মাঝে সব আয়োজন করা হবে। তিনদিনের প্রথমদিন,গায়ে হলুদ দেওয়া হলো দুজনকেই,চারিদিকে হলুদের ছড়াছড়ি।অনেক মজা হলো।আর আদিবাসী শিকারীরা শিকারে লেগে পড়ল,নানা রকম শিকার জোগাড় করতে লাগল বিয়ের সময়ের জন্য। পরের দিন বিয়ের কাজ নিয়েই কেটে গেল সারাটি দিন। পরের দিন বিয়ের দিন,বেশ রান্না বান্না করা হলো।মেহেদী ভাই আর তানিম ভাই সহ আরও অনেকে বেশ অনেকরকম রান্না খাওয়ার দাবি করেছিল।ফলে বিরিয়ানী,গরুর গোশতের রেজালা,কাবাব,রসগোল্লা ইত্যাদি অনেকরকম খাবারের ব্যাবস্থা করা হলো। জিজে'সরাই রাঁধল সব। রান্না বান্না শেষে খাওয়া দাওয়ার পর্ব মিটিয়ে নেওয়া হলো। আর এরপর আকিতা আপু আর রনি ভাইয়ের বিয়েটাও হয়ে গেল অনেক হাসি মজার মাঝখানে। বিয়ে শেষ হওয়ার পর আমরা আড্ডা দিতে লাগলাম।সুস্মিতা মফিজুলকে ক্ষেপানোর জন্য বলল,,, সুস্মিতা: কীরে মফিজুল,সখিনার সাথে বিয়ে কবে করবি??? আর বিয়ের দাওয়াত সবাইকে দিবি তো??? মফিজুল: সখিনাকে তো বিয়ে করবইgjgjgj রনি ভাই মাত্র ২৯ জন জিজে'সকে দাওয়াত খাওয়াল,আমি সব জিজে বন্ধুদের খাওয়াব।দেখে নিস,,, সুস্মিতা: হুমম দেখে তো নিবই,এখন মুখে বলছিস ঠিকই পরে খাওয়াবি না,আমি তো জানি তুই কত্ত কিপ্টাrasrasras মফিজুল: আমায় একদম কিপ্টা বলবি না বলে দিলাম shutupshutupshutup সুস্মিতা: আরও বলব,কিপ্টা কিপ্টা কিপ্টাrasrasras মফিজুল: দেখ সুস্মি ভালো হচ্ছে না কিন্তু,,, আনিকা: আরে আরে ঝগরা কর কেন,,,আজকে মজার দিন।ঝগরা রেখে আনন্দ করgjgjgj সুস্মিতা: আপু ঝগরার মাঝেও আনন্দ আছে,তুমি বোঝছ না।ঠিক বললাম না মফি??? মফিজুল: হুমম আপু,আমরা তো মজাই করি। হৃদয়: দেখলা আনিকা ঝগরা সব শেষ,আর এখন নিজেদের দোষ ঢাকতে বলছে ঝগরাতেও মজা আছে। আনিকা: তাই তো দেখছিgjgjgj এভাবেই হাসিমজা করে দিনগুলো কেটে গেল।দেখতে দেখতে বিদয়ের দিনও চলে আসল।বিদায়ের সময় সবারই চোখে পানি চলে এসেছিলweepweepweep কতস্মৃতি জমা হয়ে আছে মনে, সব স্মৃতিই তো তোমায় নিয়ে, মনের মাঝে হরেক স্মৃতির বোঝা, আর কী হবে দেখাgjgjgj থেকে যেতে তো চায় মন, কিছুই নেই করার উপাই নেই যখন, যেতে তো হবেই, তবে তোমায় আবার দেখতে চাই, তোমার হরেক রূপের মাঝে, আবার রোমাঞ্চতার সাজে, আবার আসতে চাই, তবে বাস্তবতা মেনে নিতে তো হবেই বিদায়, স্মৃতির ডায়েরী নিয়ে যাচ্ছি মাথায়, এই বিদায়বেলায় অ্যামাজন তোমায় জানাই বিদায়wavewavewave weepweepweepweepweepweepweepweepweep আমরা বিমানে উঠে পড়লাম। আসার সময় বারবার মনটা সেই ফারগুফার গ্রামে পড়ে রইল।মনকে সান্তনা দিলাম,আবার আসব অ্যামাজন,আবার আসব।আবার আমাদের দেখা হবে,নতুন ভাবে,নতুন কোনো অভিযানেwavewavewave [কেমন লাগল জানাবেনgjgjgj আসলে আমার মাথায় মজা করার বিষয়ে আইডিয়ার আসে নাgjgjgj ফলে রনি ভাইয়ের বিয়েতে কোনো মজার বিষয় যুক্ত করতে পারি নি।আর একটা কথা,রনি ভাই সিঙ্গেল,আকিতা আপু জাস্ট মজা করার জন্য একটা কাল্পনিক চরিত্র,ওনি নামটা নিয়েছিলেন একটা বাসের নাম হতে,আর আমি সেটাকে ওনার বউ বানিয়ে দিলামgjgjgj তবে আর এক মাস পর রনি ভাইয়ের বিয়ের অংশটা ইডিট করে বাদ দিব,রনি ভাইয়ের পড়ার পর।ওনি মাইন্ড করতে পারেনgjgjgj আর এই গল্পটা লেখার সময় সব জিজে'স আমায় উৎসাহ দিয়েছে,আমার সাথে থেকেছে।ফলে সবাইকে মন হতে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর বিশেষ করে আনিকা,রুবি আপু,মেহেদী হাসান প্রভা ভাইয়া,তানিম ভাইয়া,রনি ভাইয়া এবং আরও কয়েকজন আমার লেখায় সবসময় উৎসাহ দিয়ে গেছে,লেখার মান ভালো করতে সাহায্য করেছে।ফলে তাদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। গল্পটা মনমতো লিখতে পারি নি আমি,বেশ কয়েক জায়গায় অনেক ভুল আছে বা বর্ণণা সুন্দর হয় নি।ফলে আশা করি পাঠকরা ক্ষমাসুন্দর দৃস্টিতে বিষয়টা দেখবেন। গল্পটা লেখার সময় স্মৃতিকাতর হয়ে যেতাম,আর ব্যাস্ততার জন্য লিখতে দেরী হয়েছে।ফলে আজ লিখব কাল লিখব করে পুরো ১১ মাসের বেশি সময় লেগে গেল সবটা শেষ করতে।তার জন্য দুঃখিত। গল্পটা শেষ করতে খারাপ লাগছিল,এখনও খারাপ লাগছে।তবে শেষ তো করলাম।আচ্ছা জিজে'সরা কি আরও কোনো অভিযানে যাবে???huhhuhhuh] বি.দ্র.: সম্পূর্ণ গল্পটা আমার নিজ হাতে লিখা,ফলে আমার অনুমতি ব্যাতীত কপি করা নিষেধ। ইফতারের জন্য আইস্ক্রিমicecreamicecreamicecream*99999999999 আর চা আল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৬৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ৪]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ২]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ১]
→ সুন্দরবনে একটি জটিল সময় [পর্ব ০১]
→ জাদুকর এবং হপিং পট  
→ ❤️❤️হুজুর হুজুরনী (৭ম এবং শেষ পর্ব)❤️❤️
→ বড়ই আজব [পর্ব ৭]
→ বড়ই আজব [পর্ব ৬]
→ ইমুজি এবং অন্যান্য

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...