বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্যাটানিজম:-পর্ব-১(কুরআন ও হাদিসের আলোকে ব্যাখ্যা)

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Mehedi Hasan Rifat (০ পয়েন্ট)



X ➡Satan যার অর্থ শয়তান বা পথভ্রষ্ট জ্বীন।আরবিতে শয়তান বা ইবলিস। শয়তানের উদ্দেশ্যে অথবা শয়তানকে দেবতাস্বরুপ মেনে বিভিন্ন কুফরী কাজ বা খারাপ কাজ করাকে স্যাটানিজম বলে। যেমন-যাদুটোনা,বান মারা,নরবলি,নরহত্যা, নাচ-গান,ফিতনা ছড়িয়ে দেওয়া ইত্যাদি। যারা এই কাজগুলি করে তাদেরকে স্যাটানিস্ট বা লুসিফারিয়ান বলে। লুসিফার বাইবেল থেকে এসেছে এর মানে হচ্ছে ইবলিস। লুসিফারিয়ানরা মনে করে আল্লাহ ইবলিসকে জান্নাত থেকে বিতাড়িত করে ইবলিসের প্রতি জুলুম করেছে, এখন মানুষ যদি তাদের আত্না শয়তানের কাছে বিক্রয় করে দেয় তাহলে শয়তান অনেক শক্তিশালি হবে এবং সে আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জিতবে(নাউজুবিল্লাহ)।এই ধর্মকে লুসিফারিয়ানিজম বলে। ❓এখন প্রশ্ন হতে পারে এই আত্নার বিনিময় হয় কীভাবে? এটা কীভাবে সম্ভব? এই আত্নার বিনিময় হয় যাদুবিদ্যার মাধ্যমে। মানুষ যখন যাদুবিদ্যার সাহায্যে বদজ্বীনকে হাজির করে তখন ওই জ্বীন বা শয়তান নিজেকে খোদা দাবি করে বসে অথবা ঐ যাদুকরের সাথে লেনদেন করে থাকে। যাদুকর ঔ শয়তানের উদ্দেশ্যে বা শয়তানকে খুশি করার জন্য বিভিন্ন কিছু করে থাকে।যেমন-নরবলি,নরহত্যা ইত্যাদি। ????আল্লাহ সুবানাওতায়ালা সূরা বাকারার ১০২ নাম্বার আয়াতে বলেছেন,"যারা যাদুবিদ্যা অবলম্বন করে তাদের জন্য পরকালে কোনো অংশ নেই।যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে"।[সূরা বাকারাহ ২:১০২] ????আর এই স্যাটানিজমকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছিল বিভিন্ন ধর্ম বা দেবদেবি। তারা(ইবলিস) বিভিন্ন রুপে বা বিভিন্ন ধরণের বেশ ধরে যাদুকর ও মানুষের সামনে হাজির হত। আর যাদুকরেরাও তাকে খোদা মানত এবং পরবর্তীতে ঔ রুপ নেয়া জ্বীন বা শয়তানের চেহারাকে মূর্তিতে পরিণত করে বা ঔ চেহারার মূর্তি বানিয়ে তাকে(ইবলিস) পূজা করা হত এবং এটা এখনো হয়ে আসছে।আগে শয়তানের উদ্দেশ্যে ঔ মূর্তির সামনে বলি দেওয়া হত। মূর্তির সামনে খাবার রাখা হত কিন্তু বর্তমানে সেটি তথাকথিত ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে দেওয়া হচ্ছে বা ঔ মূর্তির উদ্দেশ্যে দেওয়া হচ্ছে। ????আর আমরা কুরআন ও হাদিস থেকে পাই যে, মূর্তি বা কোনো জড়পদার্থের পূজা ইবলিস থেকেই সুষ্ট। ????এই স্যাটানিজমকে কেন্দ্র করে রয়েছে বিভিন্ন ভাগ-বিভাগ,গ্রুপ, সংস্থা ইত্যাদি। যেমন-ইলুমিনাতি,ফ্রিম্যাসন,স্কাল এন্ড ভোনস,নাইট টেম্পলারস,কাব্বালিজম, ওকাল্টটিস্ট আরো অনেক গ্রুপ। এরা সেই নবী-রাসূলগণদের সময় থেকেই দুনিয়াতে রয়েছে তবে তখন এদের নাম ভিন্ন ভিন্ন ছিল। যুগে যুগে নিঃস্বার্থে এদের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এদের বর্তমানে কাজই হল মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করা বিশেষ করে মুসলমানদের ও দাজ্জালের ফিতনাই আসক্ত করা এবং তারা তা বাস্তবায়নও করছে গান-বাজনা, গেমস,নেশা বা মাদক,রাজনীতি ও অর্থনীতি,মিডিয়া আরো অনেকভাবে। এদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল দাজ্জালের পথ সুগম করে রাখা এবং ফিলিস্তিন,জেরুজালেম,সিরিয়া দখল করা। এরা এক কথাই শয়তানের দল (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৪৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...