বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান DESERT SHADOW PANTHER (০ পয়েন্ট)



X আপনাদের ভালোবাসায় গল্পের তৃতীয় পাট বের করতে সক্ষম হয়েছি।।গল্পটি পড়ে কেমন লাগলো প্লিজ জানাবেন। আর গল্পটি সম্পূর্ণ না পড়ে কেউ আজে বাজে কমেন্ট করবেন না প্লিজ।। আমাকে রেখে ভাবি চলে গেলো!আমিও নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারলাম না কেঁদে দিলাম।।কারণ যে বাবা আমাকে কখনো একটা বকা পর্যন্ত দেন নি।। তিনি আজ আমার গায়ে হাত তুলেছেন।।যে মা আমি হাজারটা ভুল বা দোষ করলে বুশ্বাস করতে না তিনি আজ আমাকে বিনা অপরাধে দোষী মনে করছেন।।অন্যদিকে ভাবি নিচে যেতেই বাবা বলতে শুরু করলেন।বাবাঃনা আজি এদের বিয়ে দিয়ে দিবো।ভাইয়া আর ভাবিঃ বাবা আপনি একবার ওদের কাছ থেকে শুনতে পারতেন কি হয়েছে??এর পেছনের ঘটনা কি??আমাদের তো বিশ্বাস হচ্ছে না আবীর এমনটা করেছে।।বাবা আপনি শান্ত হোন।। মা নিশ্চুপ হয়ে শুধু ভাইয়া আর ভাবির কথা শুনে চলেছেন।। বাবাঃআমি কোনো কথা শুনতে চাচ্ছি না আজি এদের বিয়ে হবে এটাই ফাইনাল।।আর কেউ যদি আর এ বিষয় কোনো কথা বলতে আসে তাহলে আমার মরা মুখ দেখবে।। বাবার কথায় সকলে নিশ্চুপ হয়ে রইল।পুরো বাসাতে নিরবতা বিরাজমান। আয়েশা শুধু কেঁদেই চলেছে।।নিরবতা ভেঙ্গে বাবা ভাইয়াকে বললঃআসিফ(আমার বড় ভাই)যা গিয়ে তোর বিয়ের শেরওয়ানি নিয়ে আয় আর মীম তুমি আয়েশাকে নিয়ে গিয়ে তোমার বিয়ের শাড়ি পড়িয়ে আনো।।ভাইয়া রুমে চলে গেলো শেরওয়ানিতে নিয়ে আসতে।।আর ভাবি আয়েশাকে নিয়ে গেলো সাজাতে।ভাইয়া শেরওয়ানি নিয়ে আমার রুমে এসে। ভাইয়াঃএই নে এটা পড়ে নিচে আয়।আজি তোদের বিয়ে। আমিঃভাইয়া আমার কথা শোনো।। ভাইয়া কোনো কথা না বলে চলে গেলো যাবার আগে বলল তাড়াতাড়ি আয় আজ তোর আর আয়েশার বিয়ে। আমি মনের মাঝে হাজারো দুঃখের মাঝে কিঞ্চিৎ পরিমাণ সুখ উপলব্ধি করলাম।।কারণ তো আপনাদের বলেছি আমি আয়েশাকে সেই ছোট থেকেই ভালোবাসি তবে এইভাবে তাকে কখনোই নিজের করে পেতে চাইনি।এইভাবে মনের আকাশটা আবারো কষ্টের কালো মেঘে ভরে উঠলো।জানি বিয়ে করতেই হবে তাই আমি আর দেড়ি না করে ভাইয়ার শেরওয়ানি পড়ে নিচে গেলাম।।নিচে গিয়ে আমি ভাইয়ার পাশে দাঁড়ালাম। ভাইয়া ইতিমধ্যেই কাজিকে ডেকেছে!কাজি আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভাবি আয়েশাকে নিয়ে নোচে আসতে লাগলো।ছিঁড়ির কাছে এসে যখন ভাবি আয়েশাকে নিয়ে নামতেছে তখন আমি অপলক দৃষ্টিতে আয়েশার দিকে তাকিয়ে আছি।।এই রূপটাই দেখার জন্য আমি এত বছর অপেক্ষা করেছি।কিন্তু চাইনি আয়েশা বিয়ের আগেই এইভাবে কান্নাকাটি করুক৷অবশেষে আমার আর আয়েশার বিয়েটা হয়ে গেলো।।বাসায় এখনো অনেক মেহমান আর আমার অনেক কাজিন ছিল।।তাই ভাবি তাদের নিয়ে বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ হবার আগেই খুব তাড়াতাড়ি আমাদের বাসর (আয়েশা আর আমার) ঘরটা সাজিয়েছে।।বিয়ের পর আয়েশাকে আমার রুমে মানে আমাদের বাসর ঘরে নিয়ে গিয়ে রেখে আসলেন ভাবি!!আমি সোজা বাসার সাদে গিয়ে দাড়িয়ে পড়লাম।।প্রায় রাত দেড়টা আমি সাদেই দাঁড়িয়ে আছি।।হঠাৎ বুঝতে পারলাম কেউ আমার কাঁধে হাত রেখেছি।।পিছনে ঘুরেই দেখি ভাইয়া।আমি ভাইয়াকে ধরেই কেঁদে দিলাম আর বললাম ভাইয়া বিশ্বাস করো আয়েশা আর আমার মাঝে আসলেই তেমন কোনো কিছুই হয়নি যেমনটা তোমরা ভাবছো।ভাইয়া আমাকে বুক থেকে তুলে বলল জানি রে ভাই তুই কেমন সেই ছোট থেকে তোকে বড় করে তুলেছে আমি তো জানি তুই কেমন।।দেখবি বাবা ঠিকি সব বুঝতে পারবেন।।যা এখন রুমে যা।।যাই হোক ভাইয়ার কথাটা শুনে বুকের বোঝাটা একটু হালকা হলো।।আমি রুমে মানে আমাদের বাসর ঘরে চলে গেলাম????????।।রুমে প্রবেশ করে গেট লাগিয়ে পিছন ঘুরতেই।। ঠাসসসস ঠাসসসস করে খুব জোরে আয়েশা আমার গালে চড় মারলো।হঠাৎ খুব জোরে চড় গালে পড়ার কারণে আমি নিজেকে সামলাতে না পেরে পড়ে গেলাম।।আর আমার ঠোঁটের অনেকটাই কেটে গেছে রিতীমত রক্ত বের হতে শুরু করেছে।।আয়েশা বলতে শুরু করলো।। কুত্তা হারামি তুই জেনে শুনেই এমনটা করেছিস।।তোর সবটাই প্লান ছিল।।তোকে কোনোদিনি আমি ক্ষমা করবোনা।।কোনোদিন স্বামীর অধিকার নিয়ে আমার সামনে আসবিনা।।আর শোন বিছানার মাঝে কোলবালিশ দিয়ে রাখলাম এই বর্ডার পার হয়ে আসার চেষ্টা ভুলেও করবিনা।।এই বলে আয়েশা বিছানায় শুয়ে কান্না শুরু করলো।।আমি কিছুই জেনো আর ভাবতে পাচ্ছি না।।এত সাধের বাসর ঘর আমার এইভাবে শেষ হয়ে যাবে এটা কখনোই ভাবতে পারছিনা।।তাই ড্রয়ার থেকে সিগারেটের পেকেট বের করে নিয়ে বেলকনিতে চলে গেলাম।।আমি অবশ্য সিগারেট তেমনটা খাই না।।তবে আজ নিজেকে আটকাতে পারছি না।।একের পর এক সিগারেট টেনেই চলেছি।।আর আজ সারাদিনের ঘটনা মনে মনে ভেবেই চলেছি।জানি না কতক্ষণ এভাবে চলেছে।।হঠাৎ কানে ফজরের আজান এসে পড়লো।।আমি আর কিছুক্ষণ বেলকনিতে দাঁড়িয়ে থেকে আমি ফ্রেশ হয়ে কাপড় চেঞ্জ করে ওযু করে ফজরের নামাজ আদায় করে নিলাম।।আর সারা রাত জেগে থাকার কারনে ভীষণ ঘুম পাচ্ছিল তাই আয়েশার পাশে শুয়ে পড়লাম।জানি না কতটা সময় ঘুমিয়ে ছিলাম।ভাবির ডাকে ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো। ভাবিঃযাও ফ্রেশ হয়ে নিচে আসো নাস্তা করতে।।ভাবি যাওয়ার পর আমি আয়েশাকে খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না।।তাই তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম।।আমাকে দেখে বাবা খাবার টেবিল থেকে উঠে গেলো।আমার অনেক কষ্ট হলো।।কিন্তু কিছু বলতে পারলাম না।।কেয়ে দেয়ে উপরে চলে আসলাম।।আর রেডি হয়ে ভার্সিটিতে চলে আসলাম।।এসেই বন্ধুদের সাথে দেখা। বন্ধুরাঃকিরে মামা যা শুনলাম তা কি সত্যিই??আমি ওদের জড়িয়ে ধরে কেঁদেই দিলাম।।ওরা বলল দোস্ত আমরা জানি তুই কেমন এসব নিয়ে চিন্তা করিস না দেখবি আঙ্কেল সব ভুল বুঝতে পারবে।।আমাদের বল কি হয়েছে?আমি ওদের সব কথা খুলে বললাম।।ওরা বললঃদোস্ত থাম আমরা আঙ্কেলের সাথে কথা বলছি।।চিন্তা করিস না। আমিঃনা দোস্ত প্রয়োজন নেই দেখি আমি কি করতে পারি।।চল ক্লাসে চল।।কোনো রকম সব ক্লাসে এটেন্ড করে বাসায় ফিরে এলাম।।আমি রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিচে নামতেই দেখি বাবা নিচে খাবার টেবিলে বসে আছেন।আমাকে দেখে বাবা উঠে যেতে লাগলেন। আমিঃবাবা একটু দাড়ান।আপনার সাথে আমার কিছু কথা ছিল।।আজ আপনাকে সেদিনের আসল সত্যটা জানাতে চাই।।কি হয়েছিল সেই দিন জানাতে চাই। বাবাঃতোর ঐ মুখ দিয়ে আমাকে আর বাবা বলে ডাকবি না।।তোর মতো পাপি সন্তানের বাবা আমি না।।তুই বের হয়ে যা এই বাড়ি থেকে আর কোনোদিনি এই বাসায় আসবি না।।যদি আসিস তাহলে আমার মরা মুখ দেখবি।।আয়েশা এই কথা শুনে চোখ থেকে পানি ফেলতে ফেলতে রুমে চলে গেলো।।আর আমিও আয়েশার পিছন পিছন রুমে এসে জিনিসপত্র গোছাতে লাগলাম।।এমন সময় ভাবি এসে।। ভাবিঃআবীর পাগলামো করিস না।।বাবা রাগের মাথায় বলেছে।। তুই কেনো এমন পাগলামো করছিস।। আমিঃভাবি বাবা রাগের মাথায় বলুক আর ঠান্ডা মাথায় ই বলুক আমি কিছু জানি না।। আমি শুধু জানি আমি আর এই বাসায় থাকছি না।।ভাবি তুমি জানো আমি কেমন।সো আমাকে আটকাতে এসোনা।।ভাবি রুম থেকে চলে গেলো।। কিছুক্ষণ পর ভাবি কিছু টাকা নিয়ে এসে আমাকে হাতে ধরিয়ে দিল।আমিও না করলাম না।।কারণ টাকাটার সত্যিই প্রয়োজন হবে।।টাকাটা নিয়েই আমি বাসা থেকে বেরিয়ে আসলাম।।কিছুক্ষণ পর আয়েশা আমার পাশে এসে দাঁড়ালো।।আয়েশার চোখের পানি মনে হয় ঝর্নার মতো বয়ে চলেছে।।আমার টা কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না।।আমি আয়েশাকে নিয়ে একটা গাড়িতে উঠে বসলাম।।আমার আর আয়েশার ফোন দুটোই বাসায়।।কি করবো আর ফোন নিয়ে।।এই ফোনের আর কোনো প্রয়োজন নেই।কি হবে আর ফোন দিয়ে যখন প্রিয় মানুষগুলোই পড়ের মতো দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।।এই সেই শহর যে শহর আমাকে বাবার কোলে বড় করে তুলেছে।।আমাকে এত্ত কিছু আদর মায়া মমতা ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তুলেছে।।কিন্তু এই শহরি আজ আমাকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।।ভাগ্যের কি নিষ্ঠুরতা।কখনোই ভাবি নি এমনটা হবে।।আমি আর আয়েশা একটা বাসট্যান্ডে এসে দাঁড়ালাম।আর সেখান থেকে ২ টা টিকেট নিলাম।।বলেছিলাম যে বাসটি এখান থেকে সব থেকে দুরে যাবে সেই বাসের টিকিট দেন।।সন্ধ্যা সাতটা বাস ছেড়ে দিয়েছে জানি না আমরা কোথায় যাচ্ছি কি হবে আমার আর আয়েশার।।জীবনের বাকি দিনগুলো কি আমরা রাস্তায় কাটিয়ে দিবো??এই ভাবতে ভাবতে আমি ঘুমিয়ে পড়েছি।সকালে যখন ঘুম ভাঙলো।চারিদুকে তাকিয়ে দেখি।।সম্পর্ণ নতুন এক শহর।।বাস টার্মিনালে এসে দাঁড়িয়েছে।।আমি আর আয়েশা বাস থেকে নেমে একটা হোটেলে ঢুকে পড়ে সকালের খাবার খেয়ে নিলাম।।কাল দুপুর থেকে আমরা কিছুই খাইনি।।খাওয়া শেষ করে বাহিরে এসে দেখলাম রাস্তায় ভীড় হতে শুরু করেছে।।সকলে নিজের কার্ম স্থানে যেতে শুরু করেছে।।সকলে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত।।আমি আর আয়েশা হেঁটে চলেছি আজানা গন্তব্যে।।হঠাৎ একটা গাড়ি এসে আমাদের সামনে দাঁড়ালো।আয়েশা ভয় পেয়ে আমার পিছনে এসে দাঁড়ালো আর আমার কাদে শক্ত করে ধরে কাঁপতে শুরু করলো।।কিছুক্ষণ পর আমাকে অবাক করে বেরিয়ে এলে শামীম ভাই।।হ্যাঁ ইনি সেই আমার ভাবির দূর সম্পর্কের ভাই।তার থেকেও বড় কথা ইনি এক সময় আমাদের কলেজে পড়েছেন।।কিন্তু ইনি এখানে।।কিভাবে কি হলো?? শামীম ভাইঃকিরে আবীর তুই হঠাৎ ঢাকা ছেড়ে এত্ত দুরে কেনো।।তুই খাগড়াছড়িতে কি করতে এসেছিস আর এই মেয়ে কে তোর সাথে??আর তোদের এমন দেখাচ্ছে কেনো??চল আমার সাথে।।তখন আমার কাছে মনে হয়েছিল।।সয়ং আল্লাহ তায়ালা কোনো ফেরেশতা রূপে শামীম ভাইকে আমাদের সামনে পাঠিয়েছেন।।তারপর শামীম ভাই আমাদের তাদের বাসায় নিয়ে গিয়ে বলল তোরা থাক খেয়ে ফ্রেশ হয়ে নে আমি অফিস থেকে আসছি এসে সব কথা শুনবো।।শামীম ভাই চলে যাবার পর। আয়েশাঃইনি কে? আমিঃভাবীর এক দূর সম্পর্কের ভাই। তারপর আয়েশা ফ্রেশ হতে চলে গেলো।আয়েশা ফ্রেশ হয়ে আসার পর আমিও ফ্রেশ হয়ে নিলাম।।শুয়ে বসেই দিনটা কাটিয়ে দিলাম।।বিকাল বেলা শামীম ভাই আমাদের রুমে এসে। শামীম ভাইঃ কিরে বল কি থেকে কি হয়েছে। তারপর আমি সব খুলে বলেই শামীম ভাইকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলাম।।শামীম ভাই সব বুঝতে পেরে বলল।।কাল থেকে তুই আমার অফিসে যাবি।এখন কিছুদিন তোরা আমার বাসায় থাকবি।।আর আয়েশা তুমি কিছুদিন না হয় তোমার ভাবির সাথে থাকো।তোমাদের থাকতে তো কোনো সমস্যা হবে না?? আমিঃভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।। শামীম ভাই ধন্যবাদের কি আছে রে।।কলেজে তো তুই আমার জন্য অনেক কিছুই করেছিস।।তার না হয় ছোট্ট একটা ঋন আজ পরিশোধ করলাম।।পরের দিন থেকে আমি শামীম ভাইয়ের সাথে অফিসে যেতাম।।কিছুদিন পর আমি আর আয়েশা অন্য একটা বাসায় উঠলাম।।কতদিন আর অন্যের বাসায় বসে বসে খাওয়া যায় বলেন।তাই অন্য বাসায় উঠলাম।।তবে ভাই অবশ্য কিছুতেই ছাড়তে চাইছিলেন না।।রিতীমত আমার জোড়াজুড়িতেই আমাকে অন্য বাসায় আসার সম্মতি দিলেন।।এভাবেই কাটছিল দিনগুলো।।আসতে আসতে অনেকটা উন্নতি করতে সক্ষম হলাম।।আর এখন তো আমি শামীম ভাইয়ের অফিসের CO. আর তারপর কি হলো জানেনি তো।।যারা প্রথম পাট আর দ্বিতীয় পাট পড়েছেন তারা ভালোভাবেই জানেন।।যাই হোক।। প্রথম দুটি পাট না পড়ে থাকলে পড়ে আসার অনুরোধ রইল।। দ্বিতীয় পাটের পর সোহেরের ডাকে অতীত থেকে ফিরলাম।।রিতীমতো কান্না শুরু করেো দিয়েছি।।সোহেল আমাকে শান্তনা দিয়ে থামিয়ে জানতে চাইলো।এখন ভাই বলতো কি হয়েছে??কি জন্য তুই আমাদের ছেড়ে চলে আসলি।।জানিস তোকে কতটা খুঁজেছি আমরা!!বল কি হয়েছিল তোর কেনো তুই এখানে??তারপর সোহেলকে সব খুলে বললাম।।সোহেল আমার সব কথা শুনে প্রায় কেঁদেই দিলো।।তারপর নিজেকে শান্তনা দিয়ে বলল।।দোস্ত সব ঠিক হয়ে যাবে।।আর শোন একটা প্লান বলি।। সেই প্লানে কাজ করতে পারলে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।।আমরা জানি আয়েশা তোকে ভালোবাসে কিন্তু আমি নিশ্চত আয়েশা তোর উপর অভিমান করেছে তাই তোর সাথে কথা বলছে না।।আমি রিতীমতো গায়ে উঠেই বললাম ভাই প্লিজ আইডিয়া দে।।ওর এই রকম চুপ করে থাকাটা আমার মোটেও সহ্য হয় না।। প্রিয় পাঠক ও পাঠিকা সময় সল্পতার কারণে আজ আর বেশি কিছু লিখতে পারছি না।।তবে আমি চেষ্টা করবো আগামীতে আরো ভালোকিছু উপহার দেয়ার জন্য।।আমার জন্য দোয়া করবেন জেনো আমি একটি সুন্দর গল্প আপনাদের উপহার দিতে পারি।।দেখা হবে আবারো পরের পাটে।।ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আসসালামু আলাইকুম খোদা হাফেজ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৩৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো
→ তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...