বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান DESERT SHADOW PANTHER (০ পয়েন্ট)



X আমি আগেই গল্পের ১ম পাট টুকু আপনাদের কাছে প্রকাশ করেছি।।জানি না আপনাদের কেমন লেগেছে।তবে এবার আপনাদের জন্য কিছু চমক নিয়ে হ্জির হয়েছি।প্লিজ গল্পটি মন দিয়ে পুরোটি পড়বেন।আর কেমন হয়েছে জানাবেন।আর না বুঝে আজে বাজে কমেন্ট না করার জন্য অনুরোধ রইল।। সোহেলকে দেখে আমার অতীতের কথা মনে হতে শুরু করলো!!সেই অতীতের সুখময় দিন গুলো মনে এসে উঁকি দিতে শুরু করলো। কিন্তু সোহেলকে দেখে আমি যতটানা অবাক হয়েছি তার থেকে বেশি অবাক সোহেল আমাকে দেখে হয়েছে।।আর সোহেল আমার কাছে এসে বেশি জোরে না আবার মোটামুটি আস্তেও না এমন ভাবে একটা চড় দিয়ে জড়িয়ে ধরল।আর আমাকে বলতে লাগলো কিরে শালা এতদিন কই ছিলি?জানিস তোরে কত্ত খুঁজেছি আমরা!!আর তোর নামে আমরা যা শুনেছি তা কি সত্যি।। চলুন সোহেলের সাথে কথা বলার মাঝে আমি আপনাদের আমার অতীত কাল ঘুড়িয়ে নিয়ে আসি।।আমি তখন অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।।অনেক ভালো রেজাল্ট আর ভার্সিটির সকল শিক্ষককে সম্মান করা আর শিক্ষকদের সাথে ভালো ব্যবহারের জন্য সকলে আমাকে অরেক ভালো ভাবেই চিনে।।একদিন সকালে আমি ঘুমিয়ে আছি।ঘুমন্ত অবস্থায় শুয়ে থাকা কালিন বুঝতে পারলাম আমার বিছানাটা ভিজে গেছে আর আমি মনে মনে অবাক হয়ে ভাবতে লাগলাম।। "কিরে আমার তো বিছানায় ইয়ে টিয়ে (প্রসাব) করার অভ্যাস নেই ????????!!তাহলে কেমনে কি হলো??????তাই তাড়াতাড়ি বিছানায় উঠে বসি।চোখ খুলে তাকাতেই দেখি আয়েশা মানে আমার খালাতো বোন আমার দিক তাকিয়ে মিটমিট করে হাসতেছে।।বুঝতে আর বাকি রইল না যে এই মহান কাজটি আয়েশা করেছে।।তাই রাগ হয়ে বললাম কিরে কি হয়েছে??আমাকে এত্ত সকাল সকাল ডাকছিস কেনো আর আমার এত সাধের ঘুমটা নষ্ট করলি কেনো??????আয়েশা নিজের হাসি থামিয়ে বলল দেখ কয়টা বাজে!!আমি ঘড়ির দিক তাকিয়ে দেখি (১১ঃ৩০)সাড়ে এগারোটা বাজে।।আসলে গত ২ দিন আমার বড় ভাইয়ের বিয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলাম আর বাসায় মেহমান অনেক বেশি ছিল তাই ভালোভাবে ঘুমাতে পারি নাই।।জানেনি তো বিয়ের বাসায় কেমন গন্ডগোল হয়।।আর বিয়ে উপলক্ষে আয়েশার পরিবারের সকলে এসেছে।।কিন্তু আয়েশার কলেজে পরীক্ষা থাকায় সে বিয়ের ২ দিন পর এসেছে।।এসেই আমাকে জ্বালানো শুরে করেছে।।আর বলে রাখা ভালো আমি অনেক ছোট থেকেই আয়েশাকে মনে মনে অনেক ভালোবাসি।????কিন্তু বলার সাহস পাই নি।????যাই হোক গল্পে ফেরা যাক।।আয়েশা বলতে লাগলো তোকে বড়আম্মু[(আয়েশা আমার মাকে বড়আম্মু বলে ডাকে)] ডাকছে নাস্তা করার জন্য।।আমি আয়েশার দিকে তাকাতেই দেখি সকাল সকাল যার্নি করে আশায় সে গোসল করে নিয়েছে।চুল গুলো এখনো ভেজা।ভালোভাবে মুছে নাই মনে হচ্ছে।ভেজা চুলে অপরূপ লাগছে আয়েশাকে।।মনে হচ্ছে কোনে জান্নাতি হুর আমার সামনে নেমে এসেছে।।তাই নিজেকে সামলাতে না পেরে আয়েশাকে এক টান মেরে বিছানায় আমার উপর ফেলে দিলাম।।আর কিছু বলতে যাবে তখনই আমি আমার দুই ঠোঁট তার ঐ নেশা ভরা দুই ঠোঁটে ডুবিয়ে দিলাম।।প্রায় ৫ মিনিট পর আয়েশাকে ছেড়ে দিলাম।।প্রায় ৫ মিনিট নিঃশ্বাস না নিতে পেরে আমি হাপিয়ে গেছি।। তাই খুব জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতেছি।এমন সময় আয়েশা বিছানা থেকে উঠে আমাকে সজোরে একটা থাপ্পড় লাগিয়ে দিয়ে। বলল ছিঃ তুই এত নিচে নামতে পারবি আমি কখনোই ভাবতে পারি নি!!এই বলে আয়েশা কাঁদতে কাঁদতে আমার রুম থেকে এক দৌড়ে বের হয়ে গেলো।।এবার আমি আয়েশার চড় খেয়ে নেশা কাটিয়ে উঠলাম।।আর মনে মনে বকতে থাকলাম।।ছিঃ আবীর তুই এই কাজ কীভাবে করতে পারলি!!তুই না ওকে ভালোবাসিস তাহলে এই কাজটা কি তোর করা ঠিক হয়েছে??এসব ভাবতে ভাবতে নিচ থেকে মায়ের ডাক।মায়ের ডাকে ধ্যান ভাঙলো। মাঃকিরে আয়েশা আবীরকে নিয়ে তাড়াতাড়ি নিচে আয়!! আমিঃআর অন্য কিছু না ভেবে তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নিচে চলে গেলাম।। কিন্তু আয়েশাকে কোথাও দেখছি না।।আমি তাই খাবার টেবিলে গিয়ে বসে রইলাম।।আজ ভাইয়ার বিয়ের ২য় দিন তাই বাসা আজ মোটামুটি ফাঁকা বল্লেই চলে।।যারা আমাদের ঘুম ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের শুধু তারাই আছে।আর বাকিরা চলর গেছেন।।আমাকে দেখে।। মাঃ কিরে আবীর তুই একা আয়েশা কই??সেই কখন তোকে ডাকছে গেছে সেই রাত থেকে মেয়েটা কিচ্ছু খায়নি!! কই গেলো??যা গিয়ে ডেকে আন!! আমিঃযাহ,,???? এর জন্য আমার সকালের নাস্তাটাও হবে না নাকি??এখন কি করে নাস্তা করতে আনবো একে!!????[মনে মনে বলতে লাগলাম] মাঃকিরে আবীর যা।।আয়েশাকে ডেকে নিয়ে আয়। আমিঃ যাচ্ছি বলেই আয়েশার রুমে চলে গেলাম।।দেখি দরজাটা আটকানো।আর সুস্পষ্ট কান্নার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি।।তবে আওয়াজটা বেশি জোরে না।।সহজে বেউ বুঝবে না।আমি দরজায় করা নারতেই কান্নার আওয়াজ থেকে গেলো।।আবার করা নারতেই।। আয়েশাঃকে?? আমিঃআমি আবীর দরজাটা খোল।। আয়েশা দরজাটা খুলে দিয়েই চোখ মুছতে মুছতে বিছানায় গিয়ে বসলো।আমি কিছু বলতে যাবো তখনোই। আয়েশাঃকুত্তা তোকে আজ দেখ কি করি।।তুই এই কাজ কীভাবে করতে পারলি আজ শুনে নিবো।।আমি আজি বড় খালুকে বলে দিবো।তারপর দেখ তোর কি হাল হয়।। আমি এমনিতেই বাবাকে অনেক ভয় পাই।।বাবাকে বললে নিশ্চিত আমাকে আজ বাসা থেকে বের করে দিবে।আমি রিতী মতো আয়েশার পায়ে গিয়ে পরলাম। আমিঃ প্লিজ তুই এমন কাজ করিস না।।তুই তো ভালো করেই জানিস বাবা কতটা রাগি।তার উপর তুই যদি এই কথা বলিস তাহলে নিশ্চিত আজ আমাকে বাসা থেকে বের করে দিবে!!প্লিজ তুই এমন কাজ করিস না।।আমি আর কোনো দিনি তোর গায়ে একটা চুল পরিমাণও টাস করবো না।।প্লিজ তুই আমাকে মাফ করে দে।। আয়েশাঃমাফ করতে পারি তবে আমার একটা শর্ত আছে। আমি বাবাকে অনেক ভয় পাই তাই কেনো কিছু না ভেবে সোজাসুজি বলে দিলাম হ্যাঁ আমি রাজি তুই যা বলবি তাই হবে!! আয়েশাঃচল খেতে যাবি।। আমি কিছু না বলে আয়েশার পিছু পিছু খেতে চলে গেলাম।।আমাদের নিচে দেখেই মা এসে খাবার দিয়ে গেলো।। আপনাদের বলে রাখি আমার ভাইয়ের বউ মানে আমার একমাত্র ভাবী আমার সবচেয়ে কাছের মানে একদমি ক্লোজ যাকে বলে।।আরো সহজে বেস্ট ফ্রেন্ড।আর আমার ভাবীর নাম হলো মীম।। আসলে একদিন আমার কলেজে একটা জরুরি কাজে ভাইয়াকে একদিন যেতে হয়।।সেই দিনি মীম মানে আমার ভাবী ভাইয়াকে প্রথম দেখে আর আমি ভাইয়ার সাথে তার পরিচয় করিয়ে দেই৷আর বাসায় এসে ভাইয়া আমাকে যা বলছে তা শুনে আমার তো মনে হয় আমি স্বপ্ন দেখছি!!???? ভাইয়াঃশোন তোকে একটা কথা বলার ছিল।।যদি তুই আমার কথাটা রাখিস তাহলে তুই যা চাইবি তাই দিবো৷ আমি এমন চান্স কেমনে মিস করি।। তাই বললাম আচ্ছা বলো কি কথা।। ভাইয়াঃআসলে তোর ফ্রেন্ড।।মানে মীমকে আমার অনেক পছন্দ হয়েছে।আমি তাকে ভালোবেসে ফেলেছি!!তুই যেমনে পারিস মীমের সাথে আমার লাইনটা ক্লিয়ার কইরা দে।।তুই যা চাবি তাই দিবো প্রমিস। আমি একটু ভাব দেখানোর জন্য বললামঃনা ভাইয়া মীম যে মেয়ে মনে তো হচ্ছে না মীম রাজি হবে। ভাইয়াঃভাই প্লিজ যেমনে পারোস আমার লাইনটা ক্লিয়ার করে দে না প্লিজ।। আমিঃআচ্ছা আচ্ছা দেখছি কি করা যায়। পরের দিন কলেজে মীমকে সব কথা খুলে বললাম মীম তো রীতি মতো আমার ঘাড়ে উঠে পরে বলতে লাগলো। মীমঃআসলে আমিও কাল তোর ভাইরে দেখে পুরাই ফিদা হয়ে গেছি।।জানিস কাল সারা রাত ঘুমাতে পারি নাই তোর ভাইয়ের কথা ভেবে।।আমি রাজি। ????আমি তো মীমের কথা শুনে পুরাই অবাক।।???? আমিঃআচ্ছা কি আর করার তোদের যা ভালো মনে হয় কর।। যখন মিয়া বিবি রাজি তখন কেয়া কারেগে কাজি।। বিকালে বাসায় এসে ভাইয়াকে সব খুলে বললাম।।আর মীমের ফোন নম্বরটা ভাইয়াকে দিলাম।।তারপর তো তারা চুটিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম করেছো।।আর বাবা প্রেম করে বিয়ে পছন্দ করেন না তাই ওদের বিয়েটাতেও আমাকে দিতো হলো বুদ্ধি করে।।এক কাজিকে কিনে নিয়ে তার কাছে মীমের একটা ছবি আর সম্পূর্ণ পরিচয় দিয়ে আমাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়েছিলাম।।আর তারপর কি হলো আপনারা তো বুঝতেই পারছেন।।তবে বাসার আমি ছাড়া কেউ জানে না যে মীম ভাবী আর ভাইয়া প্রায় আজ দেড় বছর ধরে প্রেম করছে।।কিছুক্ষণ পর ভাবি এসে আমার দিকে তাকিয়ে আয়েশাকে ইশারা করতে লাগলেন।।আপনারা হয়তো ভাবছেন ভাবি এসে এমন করে আয়েশাকে ইশারা করছে কেনো??আসলে বললামি তো আমি ছোট থেকে আয়েশাকে ভালোবাসি আর মীম মানে আমার ভাবী আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হওয়ায় ভাবীকে আমি আয়েশার ছবি দেখিয়েছিলাম।।আর তাই ভাবি আয়েশাকে ইশারা করছে।আমি ও মুচকি হাসি দিয়ে হ্যাঁ সম্মতি দিলাম।। আর কান্না করার কারণে আয়েশার মুখ কিছুটা ভুলে আছে।। ভাবীঃকি ব্যাপার আয়েশা তোমার চোখ মুখ এইভাবে ফুলে আছে কেনো?? আয়েশাঃআসলে ভাবী গতকাল সারা রাত ঘুম হয়নি তো তাই মনে হয়।। আমিঃভাবীকে ইশারা করে সকালের ব্যপারে বললাম। ভাবীঃচোখ বড় বড় করে আমার দিক তাকিয়ে রইল। আমি খাওয়া শেষ করে রুমে চলে গেলাম।।এই রুমে বনে থাকতে থাকতে আর বাসার কিছু কাজ করতে করতে বিকাল হয়ে গেছে।।তবে এর মাঝে আয়েশার সাথে আর আমার দেখা হয়নি।।বিকালে আমি রুমে শুয়ে শুয়ে ফেসবুক ঘাটছি।।এমন সময় আয়েশা আমার রুমে এসে বলতে লাগলো তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হয়ে নে ঘুরতে যাবো।।অনেক দিন ঘুড়ি না।। আমিঃপারবো না অন্য কারো সাথে চলে যা,,আমার ভালো লাগছে না।। আয়েশাঃকিহ,,,সকালে কি বলছিস মনে নাই।।আমি যা বলবো তাই করবি।।থাম এক্ষনি বড় খালুকে সব বলে দিচ্ছি।। আমিঃ তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে উঠে।।রেডি হতে চলে গেলাম।।রেডি হয়ে এসে দেখি আয়েশা আমার রুমে নেই।।তাই একটা সস্তির নিশ্বাস ফেলে আবারো বিছানায় বসে পরলাম মোবাইল হাতে নিয়ে।।প্রায় ৩০ মিনিট পর আয়েশা আবারো আমার রুমে এসে বলল চল আমি রেডি।।আমি কোনো উপায় না পেয়ে তার সাথে ঘুড়তে বেড়িয়ে পড়লাম।।বিকালটা অনেক মজায় মজায় কাটালাম।।রাত ৭ টা নাগাদ বাসায় ফিরলাম।রাতে আর আয়েশার সাথে কথা হয়নি।। আর রাতে বাহির থেকে খেয়ে এসেছিলাম।।তাই রাতে আর আমার বাসায় খাবার খাওয়া হয় নি। বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবছি।।""আয়েশাকে তো আজ সকাল সকাল এত্ত বড় একটা কাজ করলাম তারপরেও ও আমার সাথে ঘুরতে গেলো?? তারমানে আয়েশাও কি আমায় ভালোবাসে নাকি??না এ কিভাবে হয় ও যদি আমায় ভালোই বাসতো তাহলে তো আর সকালে এত্ত জোরে একটা চড় দিতো না।। ইশ চড়ের ব্যাথাটা এখনো আসে।। আচ্ছা যাই হোক কাল ভার্সিটিতে যাই তারপর ফ্রেন্ডদের কাছ থেকে সব জেনে নেওয়া যাবে।।পরেরদিন সকালে ভার্সিটিতে ফ্রেন্ডদের এই ব্যাপারে বললে হারামি গুলা আমাকে বলে।।""ভাই আয়েশা তোরে সত্যি ভালোবাসে হয়তো সকালে রাগের ঠেলায় তোরে চড় মারছিল কিন্তু বিকালে তো তোর সাথে ঘুড়ছে।।আর তখন তো আয়েশা তোর সাথে কোনো খারাপ ব্যবহার করে নাই।।""আমিও মনে মনে ভাবলাম হ্যাঁ কথাতো ঠিক কই বিকালে তো আমরা ঘুড়লাম কিছু তো বলল না আয়েশা।।আয়েশা কি তাহলে সত্যিই আমায় ভালোবাসে??সেই দিন আর কলেজে ক্লাস করা হলো না খুশির ঠেলায় তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসলাম।।বাসায় এসে কলিং বেল বাজাতেই।আয়েশা এসে দরজা খুলে দিয়ে।। আয়েশাঃবাহ্ তুই তো ভালোই অভিনয় জানিস?? আমিঃ[]মানে বুঝলাম না।। আয়েশাঃমানে তুই খুব ভালো করেই জানিস যে ভাবি আর ভাইয়ার মাঝে আগে থেকেই সম্পর্ক আছে।।আর তুই ই তাদের বিয়েতে সাহায্য করেছিস।।কিন্তু এখন এমন ভাবে সাধু সাজতেছিস যে তুই কিছুই জানিস না।। আমিঃকিছু না বলেই রুমে চলে গেলাম।। ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছি হঠাৎ হারামি গুলা মানে আমার বন্ধুদের ফোন। বন্ধুরাঃ কিরে কই তুই তাড়াতাড়ি হাকিম চাচার দোকানে চলে আয়।।আমিও তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে আড্ডা দিতে চলে গেলাম।। আজ বেশিক্ষণ আড্ডা দেয়া হয়নি। কারণ আজ কেবল ভাইয়ার বিয়ের ৪ দিন চলছে বাসায় এখনো অনেক মেহমান আছে।।তাই আমি হারামিদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে আসলাম।।বাসায় এসে কিছু কাজ করে নিজের রুমে শুয়ে আছি।।হঠাৎ আয়েশা সেজেগুজে এসে।। আয়েশাঃআবীর চল ঘুরে আসি।। আমিঃকিছু না বলে রেডি হয়ে এসে বললাম চল।। আমাদের বাসা থেকে অনেকটা দূরে একটা বড় নদী আসে সেখানে নতুন একটা বড় ব্রিজ বানিয়েছে।। নতুন নতুন তো তাই জায়গাটা অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছে।।আর অনেক পরিষ্কারো রাখা হয়।।কোনোদিন যাওয়া হয়নি তাই আজ গেলাম।।সেখানে গিয়ে অনেক ঘোরাঘুরির পর আয়েশা বায়না ধরল ফুসকা খাবে তাই আমি রাস্তার অপর পাশে একটা ফুসকার দোকানে গিয়ে ওকে ফুসকা কিনে দিলাম।।ও একদম ছোট বাচ্চাদের মতো ফুসকা খাচ্ছে। আর আয়েশা একটু বেশি ঝাল দিয়ে ফৃসকা খায়।।তাই আয়েশার মুখটা পুরো লাল হয়ে গেছে।।আর চোখের কোণে ঝালের কারণে কিছুটা পানিও জমা হয়ে গেছে।।দেখতে অপরূপ সুন্দরী লাগছে।দেখতে দেখতে ৩ প্লেট ফুসকা সাবার করে আরেক ফ্রেট নিয়ে বলে এইটাই শেষ।।এমন সময় আমার এক ফ্রেন্ডের ফোন আমি আয়েশাকে বললাম তুই খেয়ে আয় আমি বিল দিয়ে গাড়ির কাছে যাচ্ছি। আয়েশা হ্যাঁ সম্মতি দিলো।।কিছুক্ষণ পর আমার কথা বলা শেষ আয়েশা ফোনে কার সাথে কথা বলতে বলতে জানি রাস্তা পার হচ্ছিল।।আমি কিছুটা লক্ষ করতেই দেখি একটা ট্রাক তার দিকে আসছে আর হর্ণ দিচ্ছে কিন্তু আয়েশার সেদিকে কোনো খেয়ালি নেই।তাই আমি তাকে বাঁচাতে খুব জোরে একটা দৌড় দিলাম।। অবশেষে তাকে বাঁচাতে সক্ষম হলাম।।কিন্তু হঠাৎ জোরে করে আয়েশাকে ধাক্কা দেয়ায় আয়েশা রাস্তার পাশে পরে যায় আর জামার হাতা পুরোটাই ছিড়ে যায়।।আর আয়েশা ভয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।।তাই আমি তাকি খুব তাড়াতাড়ি বাসায় নিয়ে যাই।। বাসায় গিয়ে ঢুকতেই আমাদের এমন অবস্থা দেখে সকলে আমাদের কাছে চলে আসলো।।আমি একটা সোফায় আয়েশাকে শুয়ে দিয়ে তার জ্ঞান ফেরানোর জন্য একটু পানি মুখে দিলাম।।পানি দিবার সাথে সাথেই আয়েশার জ্ঞান ফিরলো।।আয়েশার জ্ঞান ফিরতেই আয়েশা উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করলো কিন্তু পায়ে আঘাত পাওয়ার কারণে আয়েশা উঠতে পারলোনা।।আমি পিছনে ঘুরতেই বাবা এসে আমাকে সজোরে একটা চড় বসিয়ে দিয়ে বলতে লাগলো।তুই আজ যে কাজটা করেছিস আমি তা কখনো কল্পনা করি নি।ভাবতেও অবাক হচ্ছি তুই আমার ছেলে।।আমার ছেলে হয়ে তুই কীভাবে এমনটা করতে পারলি।।তুই কীভাবে এই মেয়েটার ইজ্জত নষ্ট করলি।আমি কিছু বলতে যাবো তখনি।ভাবী এসে আমাকে রুমে রেখে গেলো।।আসার সময় আমি আয়েশার দিক তাকাতেই দেখি আয়েশা অনবরত চোখের পানি ফেলেই চলেছে।।আমাকে রেখে ভাবি চলে গেলো।। প্রিয় পাঠক ও পাঠিকা আশা করছি আপনাদের গল্পের ২য় অংশটুকু ভালো লেগেছে।।ভালো লেগে থাকলে প্লিজ কমেন্ট করে আমাকে অনুপ্রেরণা প্রদানের জন্য অনুরোধ রইল।।আর শ্রীঘ্রই আপনাদের জন্য ৩য় পার্টটি নিয়ে হাজির হবো। ** আসসালামু আলাইকুম ** ।।খোদা হাফেজ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো
→ তোমার আমার গল্পটা এমন না হলেও পারতো

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...