গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
জিজে রাইটারদের জন্য সুঃখবর ! এবারের বই মেলায় আমরা জিজের গল্পের বই বের করতেছি ! আর সেই বইয়ে থাকবে আপনাদের লেখা দেওয়ার সুযোগ! থাকবে লেখক লিস্টে নামও ! খুব তারাতারি আমাদের লেখা নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দ্যা হাইস্যকর কিছুমিছু লিমিটেড!!! ধামাকা পর্ব--০১

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তানিম (৬ পয়েন্ট)



°°পড়ন্ত বিকেলে মেইন রোডের পাশ দিয়ে নিরবে নিভৃতে দীপ্ত পায়ে হাঁটছি!গন্তব্য পৌরসভার দীঘির পাড়! আধুনিকতার দরুন যান্ত্রিকতা আজ গোটা বিশ্বকে গ্রাস করে চলেছে! প্রকৃতির মমতাপূর্ণ রাজত্বকে হটিয়ে যান্ত্রিকতা আজ মাথা উচু করে ঠায় দাড়িয়ে! শহুরে অভুতপূর্ব যান্ত্রিকতা ও বিদগ্ধ কর্মব্যস্ততার গ্লানি টানতে টানতে মানুষ আজ নুইয়ে গেছে! কোথাও মন ভরে শ্বাস ও নিশ্বাস নেওয়ার ঝো নেই! নেই কোন মুক্ত বাতাসের আলিঙ্গন! শহুরে নাভিশ্বাস থেকে মুক্তি পেতে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং মুক্ত বাতাসের খোঁজে মানুষ ছুটে বেড়াচ্ছে এপার থেকে ওপার! কিন্তু,দিনশেষে যখন মানুষ খুজে পায় নির্দিষ্ট আকাঙ্খা, খতিয়ে দেখে এটাও এক নীরব মরিচীকা!তবুও মানুষ থেমে নেই,ছুটে বেড়াচ্ছে নিরন্তর!................ কিন্তু, এখানে এই পৌরসভার দীঘির পাড়ের পরিবেশ ঠিক উলটো,এখানে প্রকৃতি তার স্নিগ্ধতার ছাপ রেখে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত, এবং সাথে রয়েছে প্রকৃতির যাচ্ছেতাই রাজত্ব! চারদিকে সুনসান নিরবতা আর প্রকৃতির মিষ্টি গর্জন! আমার কোলাহল একদম অপছন্দ, তাই সুযোগ-সময় পেলে ছূটে যাই নির্জনতার পানে ও প্রকৃতির মায়াবী অতল গহ্বরে! তাই, মায়াভরা স্নিগ্ধ প্রকৃতিকে আলিঙ্গন করতে ও ছুটে আসি,এই জায়গায়! এই নিরিবিলি পরিবেশে আসলে নিজেকে অনেক হাল্কা মনে হয়!আর প্রকৃতি ও আমাকে পেলে উজাড় করা মায়া দিয়ে অভিবাদন জানায়!! মানে ভাই..............!!!! প্রকৃতি আমার খুব ভালো লাগে,সেইটা বুঝাতে আমার এই অবান্তর গৌরচন্দ্রিকা! যাইহোক,বাস্তবে ফিরে আসি!! হাজারো অপেক্ষমাণ পুলক কে পুঁজি করে হাঁটছি গন্তব্যের উদ্দেশ্য। এমন গম্ভীর ভাবে হাঁটছি। যে কেউ দেখলে হয়তো বলবে, আমি পায়ের কদম গুণে হাঁটছি!! সুর্যের তীর্যক কিরণে আমার ছায়াটা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুন সাইজে পরিনত হয়েছে!আরেব্বাষ...ছায়াটাকে অনেক সুন্দর ও দেখাচ্ছে !! এই একা বেচারা ছায়ার পাশে আরেকটা বেচারী ছায়া থাকলে পরিপূর্ণ হতো আর কিহ! না থাক ভাই,আরেকটার দরকার নেই!একটাতেই শান্তি!! এসব আজাইরা জিনিস ভাবতে ভাবতে অনবরত হেঁটে চলছি!!! হঠাৎ, পপ পপ বাসের হাইড্রোলিক হর্নে আমি একপ্রকার লাফিয়ে উঠলাম!বলা যেতে পারে, শরীরের মধ্যে আম্পান ও ভূমিকম্প একসাথে আঘাত হেনে একটা বডি স্কিনশর্ট নিলো!!! পেছন ফিরতে না ফিরতেই পাশ দিয়ে শা শা করে ধুলাবালি উড়িয়ে চলে গেলো সেই দূরপাল্লার বাসটি!! বাসের জানালার দিকে নজর পড়তেই খেয়াল করলাম যে,আরে বাপ্রে...একটা অপরূপা সুন্দরী কিশোরী মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে!! [Confusion ] না ভাই,,হ্যাঁ পাক্কা শিওর, আমার দিকেইই তাকিয়েইইই আছে!!! ওকি..থাক ভাই এটা আর এমন কী?একটা মেয়ে একটা ছেলের দিকে তাকাতেই পারে,এইটা তো স্বাভাবিক।! কিন্তু ভাইরে ভাই, কি আর বলবো,আইক্কা সমস্যাটা হলো,মেয়েটা আমার দিকে পলকহীন ভাবে তাকিয়ে আছে! ভাভাগো ভাভা , তাকাইছে তো তাকাইছেই, পলক ফেলার কোন নাম নেই!আর এখানেই তো সমস্যা! ইয়ে মানে,পলকহীনভাবে তাকিয়ে থাকা মানেই তো সিংগিং সিংগিং ড্রিংকিং ওয়াটার. --হ্যাঁচ্চো হ্যাঁচ্চো হ্যাঁচ্চো, উউ ভাভাঘো ভাভা,ঠান্ডা লাগছে!! আন্দাজ করলাম যে...মেয়েটার চোখেমুখে কোন এক বিশেষ মানুষের অভাব,শুধু হাহাকার আর হাহাকার তার বদনখানিতে!!তার অসহায় চাহনি দিয়ে তাকিয়ে থাকা দেখে আমার খুব মায়া হলো! আহারে....!!!আর চোখের এমন তিড়িংবিড়িং ভাব দেখে মনে হলো, যেন সে তার হারানো স্বামী কে ফিরে পেয়েছে!!! আমিও পাত্তা না দিয়ে, অন্য দিকে তাকিয়ে বিড় বিড় করে বল্লাম,"আফসোস করে লাভ কি,আমি তানিম তো পিস ই" হুহুহু!!! যাইহোক,মেয়েটার চাপা সৌন্দর্যের জৌলুসতা দেখে মুখ দিয়ে অস্ফুটে একটা কবিতা বেরিয়ে এলো! সচরাচর, কোন অনিন্দ্য সুন্দরী দেখলেও এমন কবিতা বের হয় নাহ!! এমনকি ইতালির সুন্দরী অভিনেত্রী 'সুফিয়া লরেন'কে দেখলেও কবিতা বের হবে নাহ!কিন্তু মেয়েটার নজরকাড়া চাহনি দেখে স্থির থাকতে পারলাম নাহ!!!!--- আপন নিয়মে সূর্য ওঠে, সূর্য ডোবে! তোমার আমার প্রনয় আজীবন রবে! অকপটে জানতে চাও প্রণয়ের পরিমান! সাথে নিয়ে মনের অজস্র অভিমান! শুনে হয়তো হবে লজ্জায় ম্রিয়মাণ! কল্যানীয়াসু,শোনো তবে প্রণয়ের বানী! সপ্ন দেখাবো সত্য প্রণয়ের হাতছানি! মিথ্যে ভালোবাসার ভিড়ে ধরনী বিদগ্ধ! কল্যানীয়াসু,কাজল কালো চোখ ও সিল্কি চুলের খেলায় হয়ে আছি মুগ্ধ! সত্য প্রণয়ের কুটিরে তোমাকে স্বাগত! দেখতে দেখতে বাসটাও দূরে মিলিয়ে গেলো!রাস্তাঘাটে আজ তুলনামূলক ভাবে গাড়ি ঘোড়া কম!কোন ছোট খাটো যানবাহনের স্ট্রাইক কিনা জানিনা! তো বাসটার কেস মাটিচাপা দিয়ে, কিছুদূর যাওয়ার পর দেখলাম,এক গরু ব্যাবসায়ী হাট থেকে একটা ইয়া বড় গরু কিনে হন্তদন্ত হয়ে বাড়ি ফিরছেন। কাছে আসতেই একটু ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করলাম! আমি--আংকেল, এখন কয়টা বাজে? আর তাতেই আংকেলের ফটাফট উত্তর - ব্যাবসায়ী--আর বইলেন নাহ কাগু,এক লাখ পঁচাশি হাজার! উ মাগো,,ডালমে কুচ কালা হে , খাইছে আমারে.. এক লাখ পঁচাশি হাজার??জিজ্ঞেস করলাম কয়টা বাজে?ব্যাটায় বল্লো এক লাখ পঁচাশি হাজার! ব্যাপার কি? কারণ জিজ্ঞেস করার জন্য পিছনে ফিরলাম......আহা,,পেছন ফিরে দেখি ব্যাবসায়ী ব্যাটা অনেকদূর চলেও গেছে!! কিছুক্ষণ পর আমার মাথায় এই ভেল্কিবাজির জট খুল্লো,তা হলো,,,বেচারা মনে হয় গরু কেনার পর এখন দামের ঘোরের ভিতর আছে!! তাই সময় জিজ্ঞেস করাতে ব্যাটা ডিরেক্ট গরুর দাম বলে দিলো। এগ্লা ভাভা যায়?কোন দেশে আছিরে ভাইই! যাইহোক, সব জরা গ্লানিকে পিছনে ফেলে হাঁটতে হাঁটতে অবশেষে দীঘির পাড়ে এসে পৌঁছালাম!একটা মৃদু ঠান্ডা শিরশিরে বাতাস বইছে!শিরশিরে বাতাসের কারণে আমার শরীরের লোম গুলো কাঁপুনি দিয়ে শোয়া থেকে উঠে দাড়িয়েই এদিক ওদিক তাকিয়ে কাকে যেন খুজতে লাগলো! পা থেকে জুতা সাহেব কে খুলে একপাশে রাখলাম!এবং পা দুটোকে দুই মেরুর দিকে তাক করে ডপ্পাস করে পাড়ে বসে পড়লাম!! বসে বসে প্রকৃতিকে পড়তে লাগলাম! কি মোহনীয়তায় আবদ্ধ চারপাশ! আমাকে ঘিরে রেখেছে প্রকৃতির স্বর্গীয় আবেশ!উপরে সুবিশাল আকাশের নীল ছাউনি!চারদিকে সবুজের শামিয়ানা টাঙানো!পায়ের নিচে দুর্বাঘাসের সবুজ গালিচা!!! অপরূপ এই দৃশ্য দেখে মুখ ফসকে বেরিয়ে এলো....... 'আকাশটা হয়ে আছে বিদগ্ধ! 'বাতাসটা বয়ে বেড়াচ্ছে স্নিগ্ধ ! আমি অবাক চাহনিতে হয়ে গেছি মুগ্ধ! তপোবন ভালোবাসায় যেন আমি মত্ত্ব! এ কথাটাই যেন চিরন্তন সত্য-!!!! এই প্রকৃতির সাথেই আমার মন দেয়া নেয়া!বলা যেতে পারে,আমি মোটামোটি দারুচিনি টাইপের তপোবনপ্রেমিক! যাইহোক,দেখলাম যে.. কাছেই একটা গরু বসে বসে জাবর কাটছে আর অলস সময় কাটাচ্ছে! গরুটা বসে থাকার দরুন বুঝতে পারিনি এটা আপু নাকি ভাইয়া!আর দীঘির মধ্যে কিছুক্ষণ পর পর একটা মাছ লাফিয়ে উঠে এবং দীঘির স্থির পানি গুলোকে অস্থির করে দেয়! তো গরুকে এভাবে ভদ্র ভাবে থাকতে দেখে মাথার মধ্যে দুষ্টুবুদ্ধি উঁকি দিলো!হাতের কাছে থাকা একটা ঢিল নিয়ে গরুর দিকে ছুড়ে মারলাম! গরুও তখন জাবর কাটার অংশটুকু প্রানপণে গিলে, ঘাড় কাত করে আমার দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকালো! গরু--ওওইই... কংকু.. সমস্যা কোনহানে?? আমি--কেন?কেন? কি হইছে? গরু--মানে? তোমারে সুখে থাকতে ভূতে কিলায় নাকি!!ঢিল মারিস কেন ! আমি--ওই আর কি!হাত নিশপিশ করে তো তাই! গরু--আর তো কোন কাম নাই না? যত্তসব! আমি--কি কাগু? কার লেপ তোষক? গরু-- ওরে ত্যাঁদড়,লেপ তোষক বলি নাই,বলছি যত্তসব! গুতা দিয়ে এক্কেবারে ইউরেনাস এ পাঠিয়ে দেবো!আজাইরা ফাউল, গোবাং,চেংগু, টাকুলি ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা!(Beep Sound) গরু আমাকে যাচ্ছেতাই বকাঝকা করলো!অংকে উৎপাদকের বিশ্লেষণ (বীজগনিত) এ সুত্র ভূলের জন্য আমি বিএসসি স্যারের কাছ থেকে এতো বকা খাই নি! যতটা গরুর কাছ থেকে খেলাম! গরুর বকা খেয়ে আমি পুরো পাথর বনে গেলুম!আর গরুটি ও বিরক্তি মুখে নিয়ে আপন কাজে মনোনিবেশ করলো!আমিও প্রকৃতি পানে তাকিয়ে রইলাম!পাশাপাশি গরুটাকে আড়চোখে দেখছিলাম! গরুর এই মিষ্টি জাবরকাটা দেখে আমার ও কেমন যেন ইচ্ছে হলো জাবর কাটতে!কিন্তু,ঘাস তো আর চিবানো যাবে নাহ!পকেটে কমান্ডো অভিযান চালিয়ে একটা সুইংগাম পেলাম!সেটাকে মুখে নিয়ে ফুল স্পীডে স্টিমরোলার চালাতে লাগলাম! আহা হা শান্তি! আর চুইংগাম চিবালে তো পাকস্থলী ও কনফিউজড হয়ে যায়! বলে,তানিম শালায় ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে কি খাবার চিবুচ্ছেরে ভাভা! খাবারটা নিচেই নামতেছে নাহ!অদ্ভুত তো!!! যাইহোক,এইযে,এতো সুন্দরী পরিবেশে আছি,দুই একটা সেল্পি না তুল্লে কি হয়?মোবাইল খানা বের করে ফটাফট কয়েকটি সেল্পি ও তুল্লাম! বুঝলেন ভাই,আজকাল মোবাইল কে ও ইবোলা ভাইরাসে ধরছে নতুবা মোবাইলের ভিতর ফরমালিন ঢুকছে! কারন টা হলো,মোবাইলের ক্যামেরা হলো গোল,আর ছবি উঠে চারকোণা!ফাইজলামির একটা লিমিট থাকা দরকার!! আজ্জাইরা!! যাইহোক,ক্যামেরার তেলেছমাতি শেষ করে ফেসবুকে ঢুকলাম!অনেক দিন যাবত ফেসবুকে ঢোকা হয় নাহ!সেকি লংকা কান্ড...ফেসবুকের ঢোকার পর এক এক করে সামনে আসতে লাগলো ছ্যাকা খাওয়ার পোস্ট,অন্যর ইমোশনাল পোস্ট!! আহা দুঃখ!! জীবনটা পুরাই তেজপাতা! ভাবলাম,আমিও তো ছোট কাল থেকে এইপর্যন্ত কম বাঁশ খাই নি! ছোট থেকে সব বাঁশ জমিয়ে রাখলে এতোদিনে একটা তানিমের বাঁশেরকেল্লা বানাতে পারতাম! তো ফেসবুকে স্ক্রল করতে করতে যাচ্ছিলাম আর সব ছ্যাকার পোস্টে হাহা রিয়েক্ট মারতে লাগলাম! কজ,আমার শান্তি এই খানে নিহিত!! তো একটা আল্ট্রা ইমোশনাল স্ট্যাটাসে চোখ আটকে গেলো, পোস্ট দাতা অবুঝ বালিকা নামের এক ময়ুরী! স্ট্যাটাস টা এমন............ তুমি হীনা কাটে কত বসন্ত ও বেলা! তাই,মনের পিঞ্জিরায় শুধু দুঃখেরই মেলা! ওগো তুমি থাকো যে প্রবাসে! কত দিন গিয়ে রাত আসে! তুমি নাই পাশে! তবু ভেবে রাখি, তুমি আছো আমার শ্বাসে ও প্রশ্বাসে ! ইতি, তোমার জান অবুঝ বালিকা!!! ইশশশশশশরে,,,,,,এমন মহা আবেগী পোস্টটি পড়ে আমি তো পুরাই শিহরিত! ও মাগোহ টুরু লাভ!!পকাত করে দিলাম হাহা রিয়েক্ট, কমেন্ট বক্সে এ গিয়ে লিখে দিলাম 'আপু টয়লেট টা কোনদিকে ' ----কেল খতম! এইবার শুধু রিপ্লাইয়ের অপেক্ষা!ভাভাগো ভাভা, কিছুক্ষণ পর একগাদা অ্যাংরি রিয়েক্ট আর বাংলিশ এ হাবিজাবি কি যেন লিখে প্রতিবাদ জানালো!দেখেই আমি একটা কিঞ্চিৎ সাফল্যর হাসি দিলাম!!!যাকবাবা,ময়ুরীটাকে ক্ষ্যাপানো গেলো! একটা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে,মাথার নিচে হাত দিয়ে দূর্বাঘাসের উপর সটান শুয়ে পড়লাম!কেন জানি আজ মেঘমালার লুকোচুরি খেলা বড্ড উপভোগ্য লাগছে- এভাবে কত সময় কেটে গেলো জানিনা ... আস্তে আস্তে করে আকাশে একটা অন্ধকারের ছাপ পড়তে শুরু করলো, ক্যাক ক্যাক, এক বিদঘুটে ডাকে উপরের দিকে চোখ মেলে তাকালাম! দেখলাম গুটিকয়েক সাদা বক, কি সুন্দর সারিবদ্ধ ভাবে > এইরকম গেট্যারদেন চিহ্ন বানিয়ে উড়ে আপন নীড়ে ফিরছে! সাথে আমাকেও ঘরে ফেরার জন্য তাগিদ দিচ্ছে! চারদিকে অন্ধকারের ঘন্টাধ্বনি তুমুল আওয়াজে বাজতে লাগলো! ছন্দপতন ঘটলো দিনের আলোর! বাড়ি ফেরার জন্য উঠে দাড়ালাম!! উঠবার সময় পিছনে কয়েকটি সজোরে চড়-থাপ্পড় দিয়ে ধূলাবালি ঝেড়ে নিলাম!! হাটতে হাটতে বাড়ির কাছাকাছি আসার পর, মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে এলো, আবার ইউটার্ন নিয়ে এসে মসজিদে ঢুকলাম!!! ইয়াহহ,বেশ শান্তিপূর্ণ ভাবে নামাজ শেষ করলাম!!কিন্তু, বাজান -- নামাজ শেষ করার পর ঘটলো একটা বিপত্তি! আমি ভূলক্রমে এক ভদ্রলোকের জুতায় পাঁড়া দিয়ে দিলাম! ভদ্রলোকের জুতা ময়লায় লেপ্টে গেলো! ভাবলাম, এই সেরেছে, এবার আর রক্ষে নেই! ভদ্র লোক দেখেই তো তেলে বেগুনে ছ্যাত করে জ্বলে উঠলো! তারপর যা হলো! ----- লোকঃ×অ্যাঁ অ্যাহঁ ওইইই,কানা ছোকরা -চোখ কি প্যান্টের ভিতর নিয়া ঘুরিস নাকি!হ্যাঁ? এই শুনে তো আমি ধপাস,ভাভা, এই লোকে জানলো কেমনে,চোখ যে প্যান্টের ভিতর! আমিঃ~ ছোরি ভাই ছোরি,মাফী দাও মাফী! লোকঃ× দেখে শুনে পা ফেলতে পারিস নাহ,সন্ধ্যাকানা কোথাকার!!! আমিঃ~ এমা,এমা! রাতকানা, দিনকানার নাম শুনছি, কিন্তু সন্ধ্যাকানার নাম তো এই প্রথম শুনলাম! লোকঃ× প্রথম তো শুনবিই, গাধা, মিনমিন্না শয়তান একটা! আমিঃ~ ইয়া মাবুদ,ইয়া খোদা! ইবলিশ শয়তানের নাম শুনছি,বোবা শয়তানের ও নাম শুনছি!!কিন্তু মিনমিন্না শয়তানের নাম শুনি নাই! ভাভাগো ভাভা! লোকঃ× ওই, ছোকরা, তোর বাসা কই!বল কোথায়? আমিঃ~ কি বলবো? লোকঃ× বল কোথায়? আমিঃ~ কোথায়? লোকঃ× আরে, আজব! কোথায় মানে! আমিঃ~ কি কার গজব!!!আপনি ই তো বললেন,"বল কোথায়' তাই বললাম আর কি "কোথায়" লোকঃ×তোর বাসা কোন জায়গায়! বল? আমিঃ~ও বাসা? বাসা তো বাসার জায়গায়!! লোকঃ× মানে!কি বলতে চাস! আমিঃ~আরে ব্রো!থুক্কু আংকেল, বাসা তো খালে বিলে নাহ!বাসা বাসার জায়গায়! লোকঃ× থাবড়া দিয়ে নাক গরম করে দিবো!ফাজলামো পেয়েছিস! আমিঃ~ উ ভাভা, থাবড়া দিয়ে নাক গরম! আর আমাকে তুই-তুকারি করছেন কেন! লোকঃ×তোকে তুই-তুকারি করবো নাতো কি,কুই-ভূকারি করবো? আমিঃ~ কুই-ভূকারি আবার জিনিস রে বাজান! লোকঃ× বল, বাসা কোথায়!! আমিঃ~মসজিদের সামনে! লোকঃ× মসজিদ টা কোথায়! আমিঃ~ বাসার সামনে! লোকঃ× দুইটা কোথায়! আমিঃ~ সামনাসামনি!!! লোকঃ× ওরে ত্যাঁদড়, এবার খাইছি তোরে! দাড়া-- লোকটা আমায় ধাওয়া করতে যেয়েও আর করেনি! আর আমি তো প্রানপণে ছুটে নাগালের বাইরে চলে গেলাম!!! আমি আবার আমার নিস্তব্ধ পথ ধরলাম!!! গলির মুখে আসতেই দেখলাম,ছোট্ট চা দোকান টাকে ঘিরে উৎসুক জনতার ছোটখাটো একটা জটলা! টেলিভিশনে টান টান উত্তেজনা মূলক কিছু একটা চলছে!!! অধিকাংশ মানুষ মুখটা হা করে সেই টিভির দিকে তাকিয়ে আছে! এদিকে মশা বাবাজিরা যে, সেই হা এর ভিতর ঢুকে ওরাল স্টাডি ট্যুর করছে, সেই দিকে কারো কোন ভ্রক্ষেপ নেই!!! দোকান জলসার সদস্য হতে আমিও দৌড়ে আসলাম, এবং টিভি স্ক্রিনে যা দেখলাম. ......... উ মাগো টুরু.............. #TaNeeM RabbY চলবে........... নাকি............দৌড়াবে! তো আজ এইপর্যন্তই! দেখা হচ্ছে পরের পর্বে! ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন,নিরাপদ থাকুন!!! বানান ভূল ও বাক্যের অসামঞ্জস্যতা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন!!!! গল্পটা সম্পূর্ণ কাল্পনিক!!! সিরিয়াসলি না নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি!!! ★√দিস স্টোরি রাইটিং জাস্ট প্রাংক পারপাস এন্ড মেইড উইথ ফ্যান্টাসি লুক অন!সো গাইজ,টেক ইট ইজিলি অ্যাজ আ ফান! হ্যাপি রিডিং! থেংক ইউ সো মাচ! °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° BOOONUSSS BOOOM BLAST BELOW ************************************* ১.আলমগীরঃ - সাবু জানু,তোমাকে আমি খুব ভালোবাসি!তোমার জন্য সব করতে পারবো! সাবানাঃ- অন্নেক ভালোবাসো? সব করতে পারবে? তাহলে একটা ডিম পেড়ে দেখাও তো! আলমগীরঃ- ছিঃ জানু,ইয়ার্কির একটা লিমিট থাকা উচিত! সাবানাঃ- শালা,মিথ্যা বলার ও লিমিট থাকা উচিত! আমাকে একটু ও ভালোবাসিস নাহ! ২. রিয়াজঃ বাবু,তোমার নামটা বলোতো! শাবনূরঃ কেন নাম বলবো!! রিয়াজঃ আরে আমার হাত কেটে তোমার নাম লিখবো!! শাবনূরঃ-নাম লিখবা!ওক্কে লিখো! জান্নাতুল ফেরদাউস শাবনূর ওরফে জাহানারা আক্তার সানজিদা বিনতে আলহাজ্ব মোহাম্মাদ আবুল কালাম আজাদ বিন তনু মুন্সি তালুকদার! রিয়াজঃ- উ মাগো, এতো বড় নাম!!থামো বইন থামো,আল্লাহ, তোমার নামের ও বাপের বিচার করুক!!! আমিন!!ছুম্মা আমিন!!বিদায়!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৫৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হিমু দ্যা বেস্ট; আমি হিমু।
→ আমি বিদ্যাসাগর হবো!
→ মুভি অব দ্যা প্যানথার
→ ‘অ্যাস্ট্রোস্যাট’ : জ্যোতির্বিদ্যার জগতে ভারতের অনন্য ​অবদান
→ গ্রেট লিডার অব দ্যা নেশনস
→ গ্রেট লিডার অব দ্যা নেশনস।
→ দ্যা স্ট্রেঞ্জ হান্টার (পর্ব ০২ এবং শেষ)
→ দ্যা স্ট্রেঞ্জ হান্টার (পর্ব ০১)
→ তোমার অপেক্ষা/ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...