গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
জিজে রাইটারদের জন্য সুঃখবর ! এবারের বই মেলায় আমরা জিজের গল্পের বই বের করতেছি ! আর সেই বইয়ে থাকবে আপনাদের লেখা দেওয়ার সুযোগ! থাকবে লেখক লিস্টে নামও ! খুব তারাতারি আমাদের লেখা নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

পৃথিবীর ১০ টি ভৌতিক জায়গা

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রক্তচক্ষু পিশাচ (১২৪ পয়েন্ট)



এখানে ১০টি ভৌতিক জায়গার কথা বলা হয়েছে। ০ ১. চাঙ্গি বীচ, সিঙ্গাপুরঃ চাঙ্গি বীচ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি জায়গা। ‘সোক চিং’ যুদ্ধ সংঘটিত হবার সময় জাপানিরা নিজেদের বিরোধী ভেবে অনেক অনেক নিরীহ চীনা নাগরিককে হত্যা করে তারপর তাদেরকে এখানে কবর দেয় আর সেই থেকে এই জায়গাটি পরে নাকি হয়ে ওঠে ভূতুড়ে। এখানে রাত হলে শুরু হয় ভূতুড়ে সব কাজ কারবার। মনে হয় দূর থেকে কিছু মানুষ কান্না করতে করতে সামনের দিকে এগিয়ে আসছে। অনেক পর্যটক কিছু না জেনে এখানে রাত্রে বেলা ঘুরতে আসে আর ফেরার সময় নিয়ে যায় অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা। এখন পর্যন্ত প্রায় হাজার খানেক মানুষ এমন কান্নাকাটি শোনার কথা স্বীকার করেছে। আর স্থানীয়ও কেউ এখানে রাতের বেলা ভুল করেও আসে না। ০২. স্ক্রিমিং টানেল, নায়াগ্রা ফলসঃ কুখ্যাত ভৌতিক স্থান এর মধ্যে অন্যতম একটি জায়গা এটি। এখানকার মানুষেরা বলে আপনি যদি এই টানেলের ভেতরে একটি ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন জ্বালান তবে সেটি আগুনের গোলা টানেলের বাইরে চলে যাবে আর আপনি একটি ছোট্ট মেয়ের চিৎকার দেয়ার আওয়াজ শুনতে পাবেন যা খুবই ভয়ানক। এখানকার বাসিন্দারা সব সময় সেখানে যেতে মানা করে। ০৩. ভাঙ্গার দুর্গ, ইন্ডিয়াঃ এটি ইন্ডিয়ার রাজস্থানের পাশে অবস্থিত। এখানকার মানুষের মুখে শোনা যায় এই জায়গাটির ওপর নাকি অনেক অভিশাপ আছে। কোন এক পুরনো ঋষি এই জায়গারটির ওপর অভিশাপ দিয়েছিল যে যারা এখানে মারা যাবে তাদের আত্মা সারাজীবন এইখানে বন্দী থাকবে। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে, এখানকার কোন বাড়ির ছাদ নেই আর সবগুলো বাড়ির ছাদ তৈরি করার সময় নাকি হঠাতই ভেঙ্গে পড়ে। শোনা যায় সন্ধ্যার পড়ে এই দূর্গে যারা গিয়েছে তারা আজ পর্যন্ত ফিরে আসেনি! এখানকার সরকার পর্যটকদের সন্ধ্যার পর সেখানে যেতে পুরোপুরি নিষেধ করে দিয়েছে। ০৪. মন্টে ক্রিস্টো, অস্ট্রেলিয়াঃ এই বাড়ির মালিক মিসেস ক্রাওলি তার স্বামীর মৃত্যুর পরবর্তী ২৩ বছরে মাত্র দুই বার বাড়ির বাইরে বের হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর পর আজও নাকি তাকে এই বাড়িতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এই বাড়ির ভেতর থেকে যারা ঘুরে এসেছে তাদের মুখ থেকে এর সত্যতা মেলে। তারা বলে বাড়ির ভেতরে গেলে মনে হয় কে যেন আয়নার সামনে দাড়িয়ে আছে আবার হুট করে মিলিয়ে যাচ্ছে। তারা আরো বলেন যখন তারা ক্রাওলির ঘরে প্রবেশ করে তখন প্রত্যেকে রূদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির ভেতরে ছিলেন এবং তাদের মনে হচ্ছিলো যেন তাদের সারা গায়ে কেমন রক্তবর্ণের আভা দেখা দিচ্ছে। কিন্তু পরবর্তীতে যখন তারা ঐ বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে তখন নাকি আবার সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়। ০৫. ডোমিনিকান হিল, ফিলিপাইনসঃ সবাই বলে এখানে নাকি যুদ্ধের সময় যারা আহত হতো তাদের চিকিৎসা দেয়া হতো। আর চিকিৎসারত অবস্থায় যারা মারা যেত তাদের এখানেই কবর দেয়া হতো। পরবর্তীতে জায়গাটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এখানকার মানুষেরা বলে রাত হলে এখান থেকে নাকি অদ্ভুত রকমের সব শব্দ পাওয়া যায়। কখনো গুলির শব্দ, কখনো মানুষের বাঁচার জন্য আর্তনাদ ইত্যাদি। ভয়ে এখানে কেউ আসে না। আর যারা টুরিস্ট আসে তারা দূর থকে দেখেই চলে যায়। ০৬. সেন্ট অগাস্টিন লাইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র: ১৮২০ সালে এই লাইটহাউসটি তৈরি হয়। এটি তৈরির কিছুদিন পর ওপর থেকে পড়ে এর কেয়ারটেকার মারা যান। এরপর থেকে এখানে একাধিক অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন অনেকে। অনেকে বলেছেন এখানে নাকি সিগারেট জ্বলার গন্ধের মতো গন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি মহিলাদের আর্তনাদ, ওপর থেকে কোনও মহিলার তাকিয়ে থাকার মতো ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন অনেকে। ০৭. রাম ইন, ইংল্যান্ড: পাপাত্মার ত্যাগ এবং হিংসাত্মক কাণ্ডকারখানার কাহিনী প্রচলন রয়েছে এই পুরাতন রাম ইন-এ। এই ইনের মালিক নিজে বলেছেন, প্রথম রাতেই কোনও এক অলৌকিক শক্তি তাকে বিছানা থেকে টেনে তুলে এনে হল ঘরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। ০৮। রিডেল হাউজঃ ফ্লোরিডার পাম বীচ প্রদেশে অবস্থিত রিডেল হাউজটি আগে ব্যবহৃত হত শেষকৃত্যের কাজে। তবে সেটা অনেক আগের কথা। এরপর সময় অনেক গড়িয়েছে। বাড়িটি সংস্কার করে বসবাসের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে, ১৯২০ সালে সেটা কিনে নিয়েছেন কার্ল রিডেল। কিন্তু তবু এই বাড়ির ওপরে থাকা অভিশাপ, রহস্যময়তা আর আতঙ্কের প্রলেপ এখন মোছা সম্ভবপর হয়নি। বাড়িটির সবখানেই ছড়িয়ে আছে ভূতুড়ে ছায়া। একটু পরপরই ঘরের আসবাবপত্রগুলো সরে যায় এদিক থেকে ওদিক। বিশেষ করে চিলেকোঠার কথাটা তো না বললেই নয়। বর্তমানে রিডেল হাউজের চিলেকোঠায় কারো যাওয়াটা নিষিদ্ধ। অনেকদিন আগে বাড়ির এক কর্মচারী আত্মহত্যা করে এই চিলেকোঠায় ঝুলে। এরপর থেকে চিলেকোঠাটি যেন একটু বেশিই ভয়ঙ্কর হয়ে গিয়েছে। কেউ এই চিলেকোঠায় গিয়েছে, অথচ কোন ভূতুড়ে কর্মকাণ্ড দেখেনি তা কখন হয়নি। ০৯।স্টাল সিমিট্রিঃ বলছি ডগলাস প্রদেশের ক্যানসাসে অবস্থিত স্টাল সিমিট্রির কথা। লরেন্স আর টপেকার মাঝে অবস্থিত স্টালকে আদতে একদমই অন্যরকম মনে না হলেও, বাস্তবে এর ভেতরে লুকিয়ে আছে ভয়ানক কিছু গল্প। অদ্ভুত বিষয় হল, স্টাল স্থানটির আশেপাশে অনেক মানুষ থাকলেও এর ভেতরে বাস করে মাত্র ২০ জন মানুষ। একে তো এতো কম জনসংখ্যা, তার উপরে স্টালে আছে বিখ্যাত স্টাল সিমিট্রি। একটা সময় অপঘাতে অনেক মানুষ মারা যায় স্টালে। তাদের সবার জায়গা হয় এই সমাধিক্ষেত্রে। তাছাড়া, এই সমাধিক্ষেত্রকে নিয়ে কম গুজব প্রচলিত নেই মানুষের ভেতরে। এই সিমিট্রি উপর দিয়ে যেতে অস্বীকার করেছিলেন পোপ জন দ্বিতীয় পল। পৃথিবীতে অবস্থিত নরকের সাতটি দরজার একটি এখানে আছে বলে মনে করা হয়। খুব স্বাভাবিকভাবেই, স্টাল আর স্টালের সমাধিক্ষেত্র এখনো মানুষের কাছে হয়ে আছে অনেক বেশি ভয়ের একটি স্থান। ১০। দ্যা রিজেসঃ অ্যাথেন্স লুনেটিক অ্যাসাইলাম ছিল এই স্থানটি এর আগে। পরবর্তীতে ওহিও কর্তৃপক্ষ জায়গাটির দখল নিয়ে নেয় আর এর নাম রাখে দ্যা রিজেস। কিন্তু নাম বদলালে কি হবে? জায়গাটির সাথে জড়িয়ে থাকা ভৌতিক ছায়া এখনো ঠিক আগের মতনই রয়ে গিয়েছে। মানসিক রোগীদের উপরে করা অত্যাচার জায়গাটির ভেতরে এক ধরণের কালচে ছায়া তো এনেছেই, সেই সাথে ৫৪ বছর বয়সি এক রোগীর হারিয়ে যাওয়া আর অকাল মৃত্যু জায়গাটিকে করে তুলেছে আরও ভূতুড়ে। মৃত্যুর সময় লুকিয়ে ছিল রোগীটি। নিজের সব কাপড় খুলে ভাঁজ করে পাশে রেখে মেঝেতে শুয়ে পড়ে সে। সেখানেই তার মৃত্যু হয় আর সেখানেই পচে যায় সে। মেঝেতে পাকাপাকি একটা দাগ রেখে যায় তার শরীর। পরে শরীর সরিয়ে নিলেও দাগটা আর সরানো যায়নি। আজ পর্যন্ত সেই মৃতের আত্মা এখানে ঘুরে বেরায় বলে গুজব আছে। ব্রিটিশ সোসাইটি ফর ফিজিক্যাল রিসার্চ অনুসারে পৃথিবীর সবচাইতে ভূতুড়ে জায়গাগুলোর তালিকায় ১৩ নাম্বার স্থানে আছে দ্যা রিজেস। [সংগৃহীত]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৩৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটি এক টাকার কোয়েনের আত্মকাহিনী
→ উফ,টিকটক বিড়ম্বনা!!!
→ একটি লেপের আত্বকাহিনি
→ নিঝুম দ্বীপের সেই ছেলেটি_লেখকঃ ইমদাদুল হক মিলন
→ মদিনার একটি মেয়ের গল্প
→ হৃদয়ের দভন (পর্ব১০)
→ বেশিক্ষণ টিভি দেখলে শরীরের যে ক্ষতিগুলো হয়
→ ♥প্রেম যমুনায়- মাঝি ও আমি♥পর্ব-১৪♥ রোমান্টিক পর্ব।
→ চামচিকে আর টিকিট চেকার -নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...