বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কল্প কাহিনি

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Saif sayed (০ পয়েন্ট)



X আজ জোঁছনা রাত আকাশে বিশাল এক চাঁদ। আমি সন্ধা থেকে চাঁদটাকে দেখে যাচ্ছি। আর দেখলাম অনেকে তাদের ছোট বাচ্চাদের ঘুম পড়াচ্ছেন। চাঁদ মামার গান শুনিয়ে। আমার পাশের ছাদে এক শিক্ষিকা গরমের কারণে তিন, চারজন ছাত্র ছাত্রীকে পড়াচ্ছেন। একটি কবিতা, বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ। একজন প্রশ্ন করল ম্যাডাম চাঁদ কি সবার মামা। উত্তরে ম্যাডাম বলে হ্যা চাঁদ সবার মামা। চাঁদকে সবাই পছন্দ করে। কিন্তুু আমি নিজের খাতায় এই অংকটা ঠিক মিলাতে পারলাম না। হয়তো কেউ কেউ বলতে পারেন। লোকটা বলদ নাকি। চাঁদ মামা এর আবার হিসাব কিসের। আসলেই হিসাব মিলানোর কিছুই নাই। তবুও আমার মায়ের মামা, আমার নানার মামা, বাবা, ভাই, বোন, এমনকি আমারও মামা। আমার কাছে হিসাবটা আজব। এভাবে অনেকখন বশে ছিলাম। রাত যখন মধ্যন্ন চারপাশ নিরব রাস্তায় একটাও কুকুরও ডাকে না। মাঝে মধ্যে দুই একটা কুকুর জানান দেয় তারা এখনও ঘুমায়নী। রাতের রাস্তায় যখন কেউ থাকে না তখন শুধু দুইটি প্রাণী থাকে। কুকুর আর চৌকিদার। মাঝে মধ্যে তাদের শব্দ ভেসে আসে। এমন সময় আমি একা ছাদে বশে আছি। মনের নিব্রিতে চাঁদকে নিয়ে কিছু কথা ভেবে যাচ্ছি। যেমন চাঁদকে সবাই মামা ডাকে কেনও? চাঁদকে ভালোবাসে না এমন মানুষ হয়তো নেই। এমন গোবি আজগোবি অনেক কিছু ভাবতে ভাবতে হটাৎ আমার মনে হল কেউ আমাকে ডাকছে। আমার আশে পাশে কেউ নাই। ডানে-বামে সামনে পিছনে কেউ নেই। আমার পিছনে সিঁড়ির ঘর। সামনে বড় দুইটা নারিকেল গাছ। দ্বিতীয় তলার ছাদকে অতিক্রম করেছে। আশেপাশে কাউকে না দেখে আমি আবার আকাশের দিকে তাকিয়ে কিছুটা ভয় আর অনেকটা অবাক হলাম। আমার ভাইর ছোট একটা ছেলে আছে সে কাটুন দেখতে পছন্দ করে। আমি যখন খেলা দেখি ওর কাটুন তখনি শেষ হবে। দুই মিনিট সময় দেখবে তাতেই ওর কাটুন শেষ। তাই আমার কাছ থেকে রিমোট নিতেই হবে, আর আমি দিতে বাধ্য। রিমোট দিয়ে গেলে হবে না তাও আবার ওকে কোলে নিয়ে দেখতে হবে। ঐ দুই মিনিটের কাটুন দুই ঘন্টায় শেষ হয় না। তাতে ওর বা আমার কারোই হাত নেই। সেই শুবাদে আমার ও কাটুন দেখা হয়। সেখানে দেখেছিলাম চাঁদ কথা বলে। তার মুখ চোখ আছে কিন্তু নাক নেই। কোথা থেকে শ্বাস করে তা আমাকেই খোঁজে বের করতে হত। আর আজ আকাশে যেন ঠিক সেই রকম একটা চাঁদ। [এই গল্পটা সম্পুর্ন আমার লেখা কেউ কপি করবেন না। ] আনেক কষ্ট করে জিজেতে আসলাম। আমার আগের আইডিটা এই app এ লগইন করতে পারতেছি না। আগে ফ্রী বেসিক দিয়া চালাইতাম তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এই App দিয়া গল্প পড়তে পারতাম কিন্তু লিখতে পারতাম না। জিজের admin কে ধন্যবাদ রেজিস্ট্রার শাখা খুলে দেওয়ার জন্য।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৪০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কল্প কাহিনি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...