বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অনুভবে শুধু তুমি♥ (অন্তিম পর্ব)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ariya Ibnat (৩০ পয়েন্ট)



X অনুভবে শুধু তুমি♥ part:15 & last writer:Tuba Rubaiyat ♦♦ ৯ বছর পর,,,,,, তীব্র:মামনি প্লিজ খেয়ে নাও।লক্ষি মা টা আমার,,,,,, সামায়রা:পাপা আমি আর খাবোনা। তীব্র:প্লিজ এই দুধটুকু খেয়ে নাও মামনি।তাহলে তুমি অনেক তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যাবে। সামায়রা:খেতে ইচ্ছে করছে না তো পাপা,,,,,, তীব্র:ইচ্ছে না হলে ও খেতে হবে সোনা।আর তাড়াতাড়ি করে খেয়ে নাও।আজ আমরা তোমার মাম্মামের কাছে যাব। সামায়রা:আমরা এখন মাম্মামের কাছে যাব??wow তীব্র:হুম।খেয়ে নাও। কুইক।। এইতো আমার লক্ষী প্রিন্সেস।।চলো এবার আমরা রেডি হয়ে নেই।। সামায়রা: চলো পাপা,,,, [সামায়রা তোহা আর তীব্রর মেয়ে] সামায়রা আর তীব্র বাপ-বেটি রেডি হয়ে আসে। ♦♦ সামায়রা:হাই মাম্মাম, কেমন আছো তুমি??জানো আমার স্কুলের রেজাল্ট দিয়েছে। আমি ক্লাসে ফার্স্ট হয়েছি।ম্যাম আমাকে গুড গার্ল বলেছে।।আমি ভালো করেছি বলে পাপা আমাকে খুব সুন্দর একটা ড্রেস কিনে দিয়েছে।ব্লু রঙ এর।এই যে দেখো আমি সেটা পড়েছি।পাপা বলেছে আমাকে নাকি আজ দেখতে তোমার মত লাগছে।তখন আমি কি বলেছি জানো?আমি বলেছি আমি হলাম মাম্মামের প্রিন্সেস তাই আমাকে তো মাম্মামের মতই লাগবে।হা হা।। মাম্মাম তুমি কি আমার সাথে রাগ করেছো?আমি তোমার সাথে কত কথা বলি কিন্তু তুমি আমার সাথে কথা বলোনা কেন??gj আমার সাথে কথা বলোনা প্লিজ,,,,,,আচ্ছা তুমি আমাদের সাথে কেন থাকোনা??এখানে কেন একা থাকো??রোদ ভাইয়ার মাম্মাম তো রোদ ভাইয়ার সাথেই থাকে।[রোদ রোহান আর নাফিসার ছেলে],,,আমার ফ্রেন্ড লিথি,রিসা ওদের সবার মাম্মাম ও তো ওদের সাথেই থাকে।কিন্তু আমার মাম্মাম কেন আমাদের সাথে থাকেনা??আমাদের সাথে চলোনা প্লিজ।আমি পাপাকে তোমার কথা বললে পাপা বলে আমি যখন বড় হবো তখন নাকি তুমি আমার কাছে আসবে।।আমার খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যেতে ইচ্ছে করছে।তাই আমি এখন বেশি বেশি করে খাই।তাহলেই তো আমি তাড়াতাড়ি বড় হতে পারব।।মাম্মাম প্লিজ এখনি ফিরে এসোনা আমাদের কাছে।তোমাকে ছাড়া আমি ভালো নেই।পাপা ও ভালো নেই।পাপা রোজ কাদে তোমার জন্য।প্রতিদিন তোমার ছবি জড়িয়ে ধরে কাদে।রাতে ঘুমায় না,ঠিক মত খায়না।।দাদীমা আর নানুমনি ও কাদে তোমার জন্য।।পাপা প্লিজ মাম্মাকে নিয়ে চলো আমাদের সাথে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, তীব্র মেয়ের কথা শুনে চোখ থেকে গড়িয়ে পড়া জল গুলো অন্যদিকে ফিরে মুছে নিলো।।সে জানেনা কি বলবে সামায়রাকে?? কিভাবে বলবে যে ওর মাম্মাম আর ফিরে আসবেনা?? তীব্রর মনে পড়ে যায় ৬বছর আগে ঘটে যাওয়া সেই বিভৎস স্মৃতি।যা সব কিছু কেড়ে নিয়েছিলো তীব্রর কাছ থেকে।কেড়ে নিয়েছিলো ওর মিষ্টিপাখিকে,,,,,,,,,,,,,,, ♣ফ্ল্যাশব্যাক,,,,,, তোহা তীব্র জীবন ভালোভাবেই কাটছিল।সারাক্ষন দুষ্টুমি, খুনসুটি।।বিয়ের দুবছর পর সামায়রার জন্ম হয়।দুই পরিবারে খুশির বন্যা বয়ে গিয়েছিলো।সবচেয়ে খুশি ছিলো তীব্র।এরপর থেকে সামায়রা সবার চোখের মনি হয়ে ওঠে।দেখতে দেখতে সামায়রার বয়স একবছর হয়ে যায়।সামায়রা তখন আধো আধো শব্দে মা বাবা বলে ডাকে। সেদিন ছিলো তোহা -তীব্রর বিয়ের এনিভার্সারি।।তোহা সামায়রাকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে জানালার পাশে এসে দাঁড়ায়।কিছুক্ষন পর ভেতরে গিয়ে দেখে খাটের উপর একটা ব্যাগ।ও ব্যাগটা খুলে দেখে খুব সুন্দর একটা নীল শাড়ি আর ম্যাচিং জুয়েলারি। সাথে একটা চিরকুট।তোহা চিরকুট টা খুলে পড়তে শুরু করে।। তাতে গুটিগুটি অক্ষরে লেখা,,,,,, "মহারানী,, এই জিনিস গুলো পড়ে কি এই অধমকে একটু ধন্য হওয়ার সুযোগ দেবেন প্লিজ,,,,,,,,,," তোহা মুচকি হেসে শাড়ি নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকলো।শাড়ি পড়ে একটু হালকা ভাবে সেজে নিলো।তোহা রুম থেকে বের হতে যাবে এমন সময় তীব্র এসে রুমে ঢুকলো।তীব্র ও আজ নীল পাঞ্জাবী পড়েছে।তীব্র এসে তোহাকে দেখে হা করে কিছুক্ষন তাকিয়ে রইল।ওর দুনিয়া ওলট পালট হয়ে যাচ্ছে ওর মায়াবতীকে দেখে। তীব্র এগিয়ে গিয়ে তোহার কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল,,,,,, "হ্যাপি এনিভার্সারি মিষ্টিপাখি,,,,,,,,, তোহা মুচকি হেসে বলল,,,, "হ্যাপি এনিভার্সারি বরমশাই,,,,,,,,, তীব্র বলল,, "আমরা একসঙ্গে তিনবছর কাটিয়ে দিলাম।আমার লাইফের বেস্ট টাইম ছিলো এই তিনটা বছর।" "আমার ও....(তোহা) "লাভ ইউ মিষ্টিপাখি।" "মি ঠু,,," "আর একটা কথা অনেক সুন্দর লাগছে তোমায়।।" "তোমাকেও অনেক কিউট লাগছে,,,,,," "তা তো লাগবেই।আমার মিস্টিপাখির বর বলে কথা।" তোহা হেসে দিলো।তীব্র বলল,,, "তাহলে এবার যাওয়া যাক,,,,, "কোথায় যাবো??" "আজ তোমাকে নিয়ে সারা শহর ঘুরবো,,,,,,," "কিন্তু সামায়রা,,,,,,, "ওকে নিয়ে টেনশন করতে হবেনা।।ওকে আম্মির কাছে দিয়ে এসেছি।ও আম্মি-আব্বুর কাছে থাকুক,,,মেয়েকে নিয়ে পরে টেনশন করো এখন বরকে একটু সময় দাও, চলো একটু ঘুরে আসি।।" "হুম চলো,,,,, "দাড়াও এক মিনিট একটু কাজ বাকি আছে,,,,, "কি?" তীব্র এগিয়ে এসে তোহার চুল গুলো ছেড়ে দিলো।তোহার ঢেউ খেলানো লম্বা চুল কোমড় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ল। "এবার ঠিক আছে....(তীব্র) তীব্র ড্রাইভ করছে। আর তোহা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে।তীব্র বারবার তোহার দিকে তাকাচ্ছে।আজ তোহার থেকে চোখ ফেরাতে ইচ্ছে হচ্ছেনা তীব্রর। নদীর পানিতে পা ডুবিয়ে বসে আছে দুজনে।নিরবতা কাটিয়ে তীব্র বলল,,, "আমাদের বিয়ের তিন বছর হয়ে গেল।আজ আমরা একা নই।আমাদের প্রিন্সেস ও আছে আমাদের সাথে।।" "হুম।,,,,,,, তীব্র অনেক কথা বলেই যাচ্ছে।কিন্তু তোহা কোন কথা না বলে একদৃষ্টিতে তীব্রর দিকে তাকিয়ে আছে।তীব্র কিছুক্ষন পর তোহার দিকে খেয়াল পড়তেই দেখলো তোহা ওর দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে কি যেন ভাবছে।।।তীব্র বাকা হেসে বলল,,,, "আজ কি আমাকে বেশি হ্যান্ডসাম লাগছে??এভাবে তাকিয়ে আছো কেন বউ??" তোহা আনমনেই বলে উঠল,,, "তোমাকে দেখছি।কেন জানি মনে হচ্ছে আর কখনো তোমাকে মন ভরে দেখতে পাবোনা। " "কি বলছো এসব??দেখতে পাবেনা মানে??আমি কোথায় যাবো??" "তুমি না।আমার মনে হচ্ছে আমি আর থাকব না। থাকবো না কথাটা শুনেই তীব্রের বুকটা ধ্বক করে উঠলো,,,,,তোব্র কিছু বলার আগেই তোহা বলল,, "আচ্ছা আমি যদি কখনো হারিয়ে যাই তাহলে আমাদের প্রিন্সেস কে দেখে রেখো।। ওকে কখনো আমার অভাব বুঝতে দিও না।। " "কি বলছো? কোথায় হারিয়ে যাবে তুমি?আমার মিষ্টিপাখি আমাকে ছেড়ে কোথাও যাবেনা।কিচ্ছু হবেনা তোমার।তোমার কিছু হলে কিভাবে বাঁঁচবো আমি??আর কখনো এসব মনে আনবেনা।।" তোহা কিছু না বলে মন খারাপ করে চুপ করে রইল। দুজনে রাস্তার পাশে হাটছে।আশেপাশের অনেকেই অবাক হয়ে দেখছে ওদের। দুজনে নীল পাঞ্জাবী,শাড়ি পড়া।রাস্তার ওপাশে একটা লোক হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছে। তোহা 'হাওয়াই মিঠাই' বলে চিল্লিয়ে উঠল।তীব্র বলল,,,, "কি হলো?" "ওই দেখো হাওয়াই মিঠাই,,,,,, "হায়রে আমার পিচ্চি বউ।।এক বাচ্চার মা হয়ে ও হাওয়াই মিঠাই দেখে বাচ্চাদের মত চিল্লাচ্ছে।মাঝে মাঝে তো আমিই কনফিউজড হয়ে যাই যে আমি কি বউ পালছি নাকি বাচ্চা পালছি।।" "কি বললে তুমি??" "কিছুই তো বলিনি,,," "চলো হাওয়াই মিঠাই কিনবো।।" "তুমি দাড়াও এখানে।ওখানে মানুষের ভীর বেশি।আমি গিয়ে নিয়ে আসছি।।" "আচ্ছা যাও আমি দাড়াচ্ছি এখানে।।" তীব্র গিয়ে সবগুলো হাওয়াই মিঠাই কিনে নিলো।তোহা নিশ্চয়ই খুব খুশি হবে।তীব্র হাওয়াই মিঠাইএর লম্বা লাঠি নিয়ে রাস্তার এপারে এলো।কিন্তু তোহাকে কোথাও দেখতে পেলনা।।সামনেই অনেক মানুষের ভীর।তোহা গেল কোথায়।।একটা লোক পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।তীব্র ওনাকে জিজ্ঞেস করলো,,,, "এক্সকিউজ মি!ওখানে এত ভীর কেন??" লোকটা বলল,,, "একটা মেয়ে এক্সিডেন্ট করেছে।" "ওহ,,,এখানে নীল শাড়ি পড়া একটা মেয়ে দাঁড়ানো ছিলোনা,,,ও কে দেখেছেন??" "এখানে যে মেয়েটা ছিলো ওই এক্সিডেন্ট করেছে,,,,,,,,,, "নায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া!!! তীব্র সবকিছু ফেলে সেদিকে ছূটলো।ভীর ঠেলে সামনে তাকিয়ে ওর সময় যেন সেখানেই থেকে গেল।।রক্তাক্ত হয়ে রাস্তার মাঝে পড়ে আছে আছে তোহা।রক্তে পুরো রাস্তা ভেসে যাচ্ছে।।নীল শাড়ি টা লাল হয়ে আছে।তীব্র স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।।ও দৌড়ে গিয়ে তোহার মাথা নিজের কোলে নিয়ে পাগলের মত ডাকতে লাগল। কিন্তু তোহার কোন শব্দ নেই।।তীব্রর কান্না দেখে আশেপাশে যারা ছিলো তারা ও কাদতে শুরু করেছে।কয়েকজন এসে তীব্রকে বলল ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।কিন্তু তীব্রর মাথায় সেসবের কিছুই ঢুকছেনা।ও পাগলের মত তোহাকে ডেকেই চলছে।।তারপর হাসপাতালের কথা মনে পড়তেই তোহাকে কোলে তুলে পাগলের মত ছূটতে লাগল।। কিন্তু তোহা আর চোখ মেলেনি।কথা বলেনি তীব্রর সাথে।দূর আকাশের তারা হয়ে গেল।এরপর থেকে তীব্র একেবারেই বদলে যায়।কারো সাথে কোন কথা বলতো না।সারাক্ষন সামায়রা কে জড়িয়ে বসে থাকত।কাউকে ধরতে ও দিতনা।এমনকি হসপিটালে যাওয়ার সময় ও সামায়রাকে সাথে নিয়ে যত।।ধীরে ধীরে তীব্র স্বাভাবিক হলেও আগের মত আর হয়নি।সেই হাসিখুশি তীব্র হারিয়ে গেছে।ও শুধুমাত্র সামায়রার সাথেই কথা বলে, হাসে।অন্যকারো সাথে না। সামায়রা দেখতে পুরোপুরি তোহার মত হয়েছে,স্বভাব ও তোহার মত।তীব্রর পুরো দুনিয়া সামায়রাকে ঘিরে। সামায়রার মধ্যেই তীব্র তোহাকে খুজে পায়।সামায়রা ধিরে ধিরে বড় হয়ে যায়।কিন্তু তীব্র ভুলতে পারেনি তোহাকে। আজও তীব্রর প্রতিটা রাত কেটে যায় তোহার ছবি নিয়ে কাদতে কাদতে।।মাঝে মাঝে গিয়ে সারারাত তোহার কবরের পাশে বসে থাকে।। "পাপা কি ভাবছো??" সামায়রার কথায় তীব্রর ধ্যান ভাঙে। ও দীর্ঘশ্বাস ফেলল।।মনে মনে বলল,,, "কেন চলে গেলে মিষ্টিপাখি??এতটা স্বার্থপর কি করে হলে??দেখো আমি ভালো নেই।তীব্র ভালো নেই তার মিস্টিপাখিকে ছাড়া।আমাদের সেই স্বপ্ন গুলো আর পূরন হলোনা।আমাদের একসংে থাকা হলোনা।একসাথে বুড়ো হওয়া হলোনা।।তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।একবার জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে।একটু ছুতে ইচ্ছে হচ্ছে। প্লিজ একবার একটু ছুয়ে দাওনা আমায়।একবার ফিরে এসো।জানো খুব কষ্ট হয় যখন সামায়রা মাম্মাম মাম্মাম করে।মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় তোমার কাছে চলে আস্তে কিন্তু তাহলে আমাদের প্রিন্সেসকে কে দেখবে? আমাদের সাথেই কেন এমন টা হলো কেন চলে গেলে তুমি??" তীব্র হাতের কোন দিয়ে চোখ মুছে নিলো।তারপর সামায়রাকে বলল,,,, "চলো মামনি।এবার আমাদের ফিরতে হবে।" "এত তাড়াতাড়ি চলে যাবো??" "হুম অনেক্ষন তো হলো।" মেয়ের হাত ধরে চলে যাচ্ছে তীব্র।।কিছুদুর এগিয়ে পেছন ফিরে অস্ফুট স্বরে বলল,, "ভালো থেকো আমার মিষ্টিপাখি।" ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে ওরা।হয়ত তোহার ও ইচ্ছে হচ্ছে তীব্রকে ছুয়ে দিতে,সামায়রার ডাকে সাড়া দিতে।তা তো হবার নয়।কারন "কবরের অতল গহীনে থেকে তো শুধু শোনা যায়,অনুভব করা যায়।কিন্তু দেখা যায়না, ছোয়া যায়না",,,,,,,,,,!!!!!!! *******সমাপ্ত?????************* [ভূল ত্রুটি ক্ষমা করবেন।।]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬২৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...