বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কিছু কথা।

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোহাম্মদ বিন কাসিম।(guest) (৯০২ পয়েন্ট)



X অনেকদিন হলো জিজেতে এসেছি।এখানে এসে আমি অনেক কিছু পেয়েছি না চাইতেও।জিজে আমার ভাগ্যতেই লিখা ছিল।কথায় আছে তুমি যেমন ঠিক তেমনি তুমার সাথে সব কিছু ঘটবে। ছোটবেলা থেকেই গল্প পড়া লিখার একটা নেশা ছিল আমার।প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই এসবে আলাদা একটি পরিচিতি ছিল আমার।সময়ের আবর্তনে প্রাথমিক শিক্ষার গন্ডী পেরিয়ে ভর্তি হলাম মাধ্যমিকে। এখানে ভর্তি হয়ে শুনলাম বিশ্বসাহিত্যে নামে একটি সংগঠন আলোকিত মানুষ চাই স্লোগান নিয়ে ছাএদের বই দিত পড়তে।আর বছর শেষে পরীক্ষার মাধ্যমে পুরস্কার দেওয়া হয়।এমনিতেই গল্পের বই পড়ার প্রচুর নেশা আমার।এসব শুনে ভর্তি হয়ে গেলাম বিশ্বসাহিত্যেতে। প্রথম প্রথম স্যারের কাছে যেয়ে বই চাইতে ভয় পেতাম। ধীরে ধীরে স্যারের সাথে এমন সম্পর্ক হলো স্যার না থাকলেও চাবি নিয়ে নিজেই লাইব্রেরি থেকে বই নিয়ে আসতাম।গল্পের বই পড়ার এত নেশা হয় যে ক্লাসে বাসায় পাঠ্যবইয়ের মাঝে করে লুকিয়ে গল্প পড়তাম।কিন্তুু আপনারা ভাববেন না লেখা-পড়ায় ফাকি দিতাম।কখনও না।পাঠ্য বই পড়া শেষ হলেই অমন করতাম।বছর শেষে পরীক্ষা নেওয়া হলো।আমি সারা থানায় ১০ম হলাম আর ৭ টা বই পুরস্কার পেলাম।তার ধারাবাহিকতায় আমি প্রত্যেকবার পরীক্ষা দিতাম।দুইবার তো স্যার নিজেই আমাকে জোড় করে পরীক্ষা দেওয়াল। ক্লাস নাইনে আমি পুরো থানায় ১ম হলাম। এর আগে ১ম হতে পারিনি । ১ম হওয়ার পরে স্যার ধারুন খুশি হয়ে আমাকে জানালো বিষয়টা।আমারও খুব ভালো লাগল।তারপর আমাকে বিশ্বসাহিত্যে কেন্দ্র থেকে সার্টিফিকেইট আর বই পুরস্কার দেওয়া হলো।সময় চলতে চলতে বাসা থেকে আমার হাতে ফোন তুলে দিল না চাইতেও।কারন আমার প্রতি তাদের বিশ্বাস কখনও ভাঙি নি আমি। আমি ফ্রী-বেসিক চালাতে শুরু করলাম। উইকিপিডিয়া,আর পএিকা পড়তাম তখন।হঠাৎ একদিন নিজের অজান্তেই চাপ লেগে আসল আরও পরিষেবা যোগ করুন।সেখানে গিয়ে ৪-৫ টা যোগ করলাম।কিন্তৃু কোনটাই আসছিলনা।গল্পের ঝুড়িও এর মধ্যে একটা।সবার শেষে এখানে ক্লিক করেই ওয়েবসাইটে ডুকে গেলাম। এখানে প্রচুর গল্প দেখলাম পড়লাম।তারপর দেখি উপরে লিখা গল্প লিখুন। ঐখানে ক্লিক করে গল্প জমা দিলাম গ্যাস্ট হিসাবে। তখনও জানতাম না আইডি খুলা যায়। প্রকাশিত হওয়ার পর দেখলাম ১টা কমেন্ট কে যেন করেছে। দেখার চেষ্টা করেও কাজ হলো না।লেখা দেখাল কমেন্ট করতে একাউন্ট খুলুন। আমি একাউন্ট খুলে আমার গল্পে ক্লিক করলাম। দেখলাম জাস্টিন হাফিজ নামে কেউ কমেন্ট করেছে। ইনাকে আমি আর দেখিনি। তখন আমি নতুন ইউজার কিছুই বুঝিনি তবুও কাউকে ম্যাসেজ করার সাহস হলোনা। কারন যদি ভাবে আমি বাজে! আমার মধ্যে এই খারাপ অভ্যাসটা চরম।আমি সবসময় ভাবি আমার এই কাজে কে কী মনে করবে। এজন্যে আমাকে অনেক সমস্যায়ও পরতে হয়।কিন্তুু তাতে আমার কিছু যায় আসেনা।আমি আমিই। তারপর একদিন কেউ বলল ভাইয়া আপনি ইমুজি দিতে পারেন না? শেখাব? তারপর সে শিখিয়ে দিল।শুরু হলো গল্পের ঝুড়িতে আমার পথ চলা। যা মন চায় লিখা শুরু করি। জানি কিছুই লিখি না তবুও আমাকে ম্যাসেজ করে অনেকেই আমার গল্পের প্রশংসা করেছে।এটাই আমার সবথেকে বড় প্রাপ্তি।তখন আড্ডা দিতাম না আমি।কারন সংকোচবোধ করতাম। আমার সাথে প্রায় সবাই ম্যাসেজ দিয়ে কথা বলা শুরু করল।তাদের অনেকেই কমেন্টে জীবনেও দেখিনি কখনো।কিন্তুু ম্যাসেজে প্রায়ই কথা বলত।কিন্তুু কখনই আমি কাউকে আগে দেইনি।ঐ কী মনে করবে এই ভাবনা থেকে।ধীরে ধীরে সবার সাথে সাথে আমিও ফ্রী হতে শুরু করলাম।তখন মাঝে মাঝে আড্ডাতেও যেতাম।কিন্তুু আড্ডার ২য় দিনেই তাহিরা আপির সাথে একটা বিষয়ে মতবেদ হয়ে গেলgj আজও মনে আছে আমার। তারপর দেখলাম তাহিরা আপু আমাকে ব্লক করে রেখে দিয়েছে। দেখে খুব খারাপ লাগল আমার।কারন আমি কখনই কাউকে ম্যাসেজ দিয়ে বিরক্ত করিনি।কিন্তুু সবার সামনে মুখ ফুটে বলতেও পারিনি লজ্জার কারনে। তারপর হঠাৎই তিনি আমাকে আনব্লক করে ম্যাসেজ দিলেন বিশেষ একটা কারনে। তাকে আমি নিজের বড় বোনের মতো দেখি। তিনিও ছোট ভাইয়ের মতো আমাকে অনেক উপদেশ দেন।কৃতজ্ঞ আপু আপনার কাছে।ইনার সবকিছুতেই আমি মুগ্ধ।আল্লাহ আপনাকে কবুল করে নিকgj। এখন থেকে কোন নাম বলবনা।gj তারপর একজন যিনি আমাকে নিজের ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। তার প্রতিটি কথাতেই আমি আমার প্রতি তার ভালোবাসাই দেখেছিলাম। আমিও তাকে খুব ভালোবাসতাম আর এখনো ঠিক তেমনি ভালোবাসি। কিন্তুু তিনি এখন আমার সাথে কেন জানি তেমন কথা বলেন না।তিনি অনেকবার জিজে ছেড়ে দিতে চাচ্ছিলেন কিন্তুু আমার রিকুয়েস্টের কারনে যাননি কখনও। এত ভালোবাসতেন তিনি আমায়।কিন্তুুু এখন তিনি বদলে গেছেন।আমি সেই আগের মতোই রয়েছি।অভিমান আমারও আছে। আমি আমার মতো সবসময়ই থাকতে পারি। এভাবে চলতে চলতে সবাইকে আমার রিয়েল লাইফের অংশ মনে হতে লাগল। একদিনও না এসে থাকতে পারতাম না। তবে এখানে আমার কয়েকজন ছোট ভাই আছে যারা আমাকে আগের মতোই ভালোবাসেgj।আমি তুমাদের কখনও ভুলবনা। চাইলেও ভুলতে পারবনা। অনলাইনেও যে রিয়েল লাইফের অনূভূতি পাওয়া যায় এখানে না আসলে বুঝতামইনা। এখানে এসে না চাইতেও আমি অনেক কিছু পেয়েছি।পেয়েছি রিয়েল লাইফের বাইরেও যে আত্নিক সম্পর্ক হয় তার শিক্ষা। কিন্তুু এখন কিছু কিছু কারনে জিজেতে আসতে বিরক্তি লাগে আমার। আবার কয়েকজনের সাথে এমন সম্পর্ক হয়েগেছে তাদের সাথে কথা না বললে ভালোও লাগেনা। নাম বললাম না। আমি আমিই। নিজেকেই চিনিনা।আমার খারাপ অভ্যাসের মতো এটাও একটা আমি সবাইকে অতি সহজেই বিশ্বাস করে ফেলি।আমি জানি মানুষের থেকে কিছুই প্রাপ্তি আশা করা যায়না।কিন্তুু না চাইতেও আমি করে ফেলি। আমার স্বপ্ন কী অনেকেই জিজ্ঞাস করেছে কিন্তুু বলিনি কাউকেই। আজ তবে বলি আমি একজন মোজাহিদ হতে চাই। সর্বদা আল্লাহর পথে চালতে চাই। কত কী ভাবি আল্লাহই জানে। এজন্যেই আমি নিজেকে বলি স্বপ্ন আমার আকাশ ছুব।আর হতে চাই একজন প্রশাসন ক্যাডার। ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাকে খুব টানে।কিন্তুু সেটা এখন সম্ভব নয়।কারন সামান্য সৈনিক আমি দুঃস্বপ্নেও ভাবিনা। কিন্তুু সেনাবাহিনীর ট্রেনিং নেওয়া আমার খুব ইচ্ছা।আল্লাহ আমাকে বানিয়েছেনও এর উপযুক্ত করে।কিন্তুু যেহুতু ক্যাডেটে পড়তে পারিনি তাই এখন স্বপ্ন একদিন এই পুলিশ বাহিনীর প্রধান হয়ে এর বাজে সিস্টেমগুলোকে ক্লিন করা। যারা ক্ষমতা পেয়ে এর সিস্টেমটাকে খারাপ করেছে তাদের ক্লিন করা।আমি সর্বদাই আমার পথকে শ্রদ্ধা জানাই তা যদি ভূল পথও হয়।কারন ভুলকে সুধরে নিতে আমি খুব ভালোমতোই জানি। আমি জানি ভুল করে তবেই সঠিক পথ পাওয়া যায়। যতদিন আমি জিজেতে থেকেছি এতদিন আর কোথাও থাকিনি।আমি কখনও নিজেকে এক জায়গায় রাখতে ভালোবাসিনা।কিন্তুু এর মায়ার বন্ধনে জড়িয়ে গেছি তাইতো থেকেছি আমি। আমি শত কষ্টেও হাসতে জানি।শত কষ্ট রেখেও অন্যকে হাসাতে জানি।কোন কিছুই আমাকে কখনও ভাবাতে পারেনা।কারন আমি আগুনে পুড়া কয়লার মতই। আমি আকাশের মতো কেউ চাইলেই আমাকে ছুতে পারবেনা,আমি আকাশের মাঝে থাকা একটি সূর্যের মতো, কেউ মন চাইলেই আমাকে ধরতে পারবেনা।আমি সর্বদা নিজের পথকেই ভালোবাসি।আর সর্বদা এই পথেই থাকব। কেউ আমাকে ভুল বুঝবে বা খারাপ মনে করবে তাতে আমার কিছু যায় আসেনা।আমি অন্যকেউ নই,আমি আমিই।সর্বদাই আমি আমার আমিত্বকে আমার পার্সনালিটিকে ভালোবাসি। এই গল্পে কমেন্ট করবেন না কেউ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বাস্তবিক কিছু কথা।হাসতে পারেন কিনা দেখেন।
→ কিছু কথা।। এবং কিছু তথ্য
→ আমার সম্পর্কে কিছু কথা।
→ বিয়ের পর ডাইরীতে লিখা ভালবাসার কিছু কথা।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...