বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সাগরকন্যা কুয়াকাটা ভ্রমণ(পর্ব৪)

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাফায়েত হোসেন (০ পয়েন্ট)



X হোটেল থেকে কুয়াকাটা সমুদ্রে অবশেষে আমরা সবাই পৌছালাম।সমুদ্রে গিয়ে দেখি সমুদ্র প্রায় ফাকা।আসলে আমরা এমন সময় কুয়াকাটায় গেছি যখন কুয়াকাটা ভ্রমণের মৌসুম না।তাই লোকজন খুব কম।বলা যায় শুধু আমরা যেই কয়জন গেছি তারাই শুধু সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে আছি।তো আমরা সবাই এবার সমুদ্র দর্শনে মনোযোগ দিলাম।আমি তাকিয়ে দেখি সুমুদের ঢেউ এগিয়ে আসছে পারে।বিরামহীন ভাবেই এগিয়ে চলছে সমুদ্র।সমুদের মধ্যে নৌকা দেখলাম।নৌকা করে জেলেরা মাছ ধরছে।অনেক নৌকা পাড়েও বাধা দেখলাম।আমরা সুমুদ্রে সৈকতে দাঁড়িয়ে এসব দৃশ্য দেখতে লাগলাম।যদিও এখন অবশ্য ভাটার সময় তাই সমুদ্র সৌকত দেখা যাচ্ছে অনেকখানি জায়গা জুড়ে কিন্তু যখন জোয়ার চলে আসবে তখন আমরা আর এই সৌকতে আর দাড়িতে থাকতে পারবো না।সমুদ্রের পানি তখন অনেকদূর চলে আসবে।কুয়াকাটা সমুদ্রের আসল যে আকর্ষণ সূর্যদয় টা আমাদের দেখা হয় নি কারণ আমরা এখানে আসছি সকাল সাতটায় সূর্যদয় দেখতে হলে আরো সকালে আসা লাগতো এখানে।তো সেই আফসোস টা কে ভূলে গেলাম কারণ আবার সূর্যদয় সূর্যাস্ত দেখতে পাবো আমরা তাই কোনো আফসোর করার দরকার নেই।তো এবার আমি চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম সবাই সমুদ্রের সাথে নিজেদের সুন্দর মূহুর্তটা ফোনের ক্যামেরায় ধরে রাখছে কিন্তু আমার কাছে ভালো ফোন নেই।সেই সময় আমি প্রথম একটা বাটন ফোন কিনি সেটা দিয়েই মোবাইলে ঘুরিয়ে আমার দিকে করে আন্দাজে সেলফি তুলার একটা চেষ্টা করে যাই।সমুদ্রের ও কিছু ছবি তুলে নেই।আবার ভিডিও করি।আবার কুয়াকাটা সমুদ্রের পাশে অনেক নারকেল গাছ দেখলাম কিন্তু তার মধ্যে অনেক গাছে ভেঙ্গে সমুদ্র সৈকতে পরে গেছে।আব্বুর কাছ থেকে শুনলাম গাছগুলো ঝড়ের কারণে এভাবে ভেঙ্গে পড়ে আছে।তো এসব দেখতে দেখতেই সুমুদ্রে সৈকতে ঘুরতে লাগলাম। একটুপর সবাইকে সকালের খাবারের জন্য হোটেলে যেতে বলা হলো।হোটেল এ রান্নার আয়োজন হোটেলে পৌছানো পরেই শুরু করে দেয়া হয়েছিল। তাই এখন রান্না হয়ে যাওয়ায় আমাদের খাওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে।তো তারপর সবাই হোটেলে এ গিয়ে সকালের খাবার খেয়ে নিলাম।আমার যতদূর মনে পড়ে আমরা খিচুড়ি খেয়েছিলাম।তো যাই হোক সকালের খাবার শেষে আমরা আবার ঘুরতে বের হলাম সুমুদ্রে।আসলে সমুদ্রে আসার কিছুক্ষণ হলেও সমুদ্র এখনই আমাদের এত আপন করে নিছে যে মন শুধু বার বার সমুদ্রের কাছে যেতে বলছে।তাই সকলে সুমুদ্রের কাছে গিয়ে আরো অনেকক্ষণ ঘুরলাম।আমরা এমন সময় বেড়াতে আসছি যখন সময়টা গ্রীষ্মকাল।কিন্তু সমুদ্রের পাড়ে সব সময় বাতাস থাকে তাই গরমও আমাদের অনুভূত হচ্ছে না।সত্যি প্রথমবার সমুদ্র দেখার অনুভূতি আমার কাছে বর্ণণাহীন।আমি ভাষায় সেটা প্রকাশ করতে পারবো না তাই প্রকাশ করার বৃথা চেষ্টা না করে সমুদ্রের প্রতি যে আমার মুগ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে সেটা নিজের মনেই রেখে দিলাম। সমুদ্র সৈকতে পাশাপাশি আমরা আশেপাশের বিভিন্ন দোকানে ঘুরে দেখতে লাগলাম।যেহুতু সমুদ্র এলাকার দোকান তাই দোকানগুলো ছিল একেবারে আলাদা।বেশিরভাগ দোকানের ঝিনুক দিয়ে মালা এইসবই বেশি ছিলো।আরো ছিল বিভিন্ন আচারের দোকান,ছিল কাটবাদাম,ছোট বাচ্চাদের জন্য ছিল খেলনার দোকান ইত্যাদি।তাছাড়া শুটকি পল্লি ছিল যেখানে সমুদ্রের বিভিন্ন মাছের শুটকি করে সেই পল্লিতে বিক্রি করা হয়।অনেকগুলো শুটকির দোকান ছিল সেখানে। চলবে............. [অনেক চেষ্টা করেও গল্পের ঝুড়ি তে প্রবেশ করতে পারছিলাম না।নেটওয়ার্ক সমস্যা কি না নাকি অন্য সমস্যা জানি না।তো এই জন্য গল্প দিতে দেরি হলো।পর্ব ৪ দিলাম ৫ ও লিখা অনেকদিন আগে হয়েছে এখন পর্ব ৬ লিখার প্রস্তুতি নিচ্ছি।পর্ব ৪ পাবলিশ হলে সাথে সাথে পর্ব ৫ ও সাবমিট করে দিবো।]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৬৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...