বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সাগরকন্যা কুয়াকাটা ভ্রমণ(পর্ব১)

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাফায়েত হোসেন (০ পয়েন্ট)



X ভ্রমণ এই শব্দটার মাঝেই যেন আছে একটা প্রাণভরা প্রশান্তি।প্রতিদিনের একঘেয়েমি রুটিনমাফিক জীবন অতিবাহিত করতে করতে আমরা বিরক্ত হই,হাসফাস করি,ক্লান্তবোধ করি।তখন আমরা সবাই চাই একটু প্রশান্তি খুজতে।তাইতো যখনই আমরা ছুটি পাই তখন ছুটে যাই প্রকৃতির কাছে।আর নিজেকে সোপে দেই প্রকৃতির মাঝে এবং প্রাণভরে নিঃশ্বাস নেই।তাইতো ভ্রমণ করতে আমরা সবাই পছন্দ করি এবং সবাই চাই সময় পেলেই যেন একটু কোথাও থেকে ঘুরে আসি। আমি সরণ আমার জীবনের একটা ভ্রমণ কাহিণি আজ তুলে ধরবো।আমার ভ্রমণ এর জায়গাটা ছিল সাগরকন্যা বলে পরিচিত কুয়াকাটা।আমি ছিল শব্দটা বললাম কারণ ভ্রমণ টা আমি করেছি আজ থেকে প্রায় চার বছর আগে।তো এবার আমার কুয়াকাটা ভ্রমণ কাহিণিটি শুরু করা যাক। সময়টা ছিল ২০১৬ সাল।তখম আমি ক্লাস নাইনে পড়ি।আমার বাসা রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া তে।তো আমি প্রথম কুয়াকাটা ভ্রমণে যাওয়ার কথা জানতে পারি আমার আম্মুর কাছ থেকে।আম্ম বলে আমাদের এই পাশের একটা জায়গা সাজিপাড়ার কিছু লোক এই ভ্রমণ আয়জন করেছে।আব্বুর সাথে আবার সাজিপাড়ার সবার ভাল পরিচয় তাই আব্বুকেও বলছে যেতে।বলে রাখি আমার আব্বু একজন শিক্ষক তাই সবার কাছেই পরিচিত।তো আব্বুকে কুয়াকাটা যাওয়ার কথা বলতে আব্বু রাজি হয়ে যায় এবং ভ্রমণে যাওয়ার টাকাও জমা দিয়ে দেয়।তারপর আম্মু আমায় যখন বলে আমি যাবো কি না আমি তো রাজি হয়ে যাই।কারণ আমি কখনো সমুদ্র দেখি নি।তাই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত দেখতে পাবো তাছাড়া একমাত্র কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতেই সূর্যদয় এবং সূর্যস্ত খুব ভালোভাবে দেখা যায়।তাই এই দৃশ্য দেখার ইচ্ছা আমি হাতছাড়া করি কিভাবে।তাই আমি রাজি হয়ে যাই।তারপর আরো দুই সপ্তাহ চলে যায় এবং আমাদের কুয়াকাটা ভ্রমণ এগিয়ে আসে।এর মধ্যে আমি আমার প্রাইভেট থেকেও ছুটি নেই কারণ আমি যখন কুয়াকাটা ভ্রমণ করেছিলাম তখন আমার স্কুল,প্রাইভেট সব খুলা ছিল কিন্তু তাও একটু প্রকৃতির মাঝে গিয়ে একটু স্কুল, প্রাইভেটের চাপ থেকে মুক্ত থাকার সুযোগ টা আমি হাতছাড়া করতে চাই নি। তো যাই হোক অবশেষে আমাদের ভ্রমণের দিনটা এসে গেলো।কত তারিখ বা কোন মাস ছিল সেদিন সেটা আমার মনে নাই কিন্তু সম্ভবত ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময় হবে।আর কুয়াকাটা ভ্রমণে আব্বু আমাদের চারজনের জন্য বাসের সিট নিয়েছিল।আর সেই চারজন হলো আমি,আব্বু,আম্মু,এবং আমার সেজ মামি।তো বাসে চড়ার জন্য দুপুরের দিকে আমরা ভ্যানে করে ঝলমলিয়ার পাশেই উত্তরের একটা জায়গা পন্নাপাড়া যাই।পন্নাপাড়া গিয়ে আমরা দেখি বাস এসে দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু সেভাবে যাত্রিরা সবাই আসে নি।হাতেগোনা মাত্র দুই তিনজন যাত্রিরা শুধু এসেছিল।তাই তারপর একটা চায়ের দোকানে বসে আমরা চাঁ খেতে লাগলাম এবং সব যাত্রি আসার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। তো এই ফাকে কুয়াকাটা সম্পর্কে ছোটখাটো তথ্য দিয়ে নেই।কুয়াকাটা বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালি জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত।কুয়াকাটায় ১৮ কি.মি. বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত রয়েছে।রাজশাহী থেকে পটুয়াখালির দূরুত্ব প্রায় ৩৭৯ কি.মি. এবং পটুয়াখালি থেকে কুয়াকাটার দূরুত্ব ৭০ কি.মি.।তাই বলা যায় আমাদের কুয়াকাটা যেতে ১২ ঘন্টার মতো বা তার থেকেও বেশি সময় লেগে যাবে। এদিকে সব যাত্রির জন্য অপেক্ষা করছি এবং এর মধ্যে ধীরে ধীরে সবাই আসতে লাগলো।তো এভাবে সবার আসতে আসতে প্রায় এক ঘন্টার মতো লেগে গেলো।এদিকে রান্নাবান্নার জন্য কাঠ তাছাড়া মাংশ এবং প্রয়োজনীয় মশলাপাতিও নেওয়া হয়েছে কারণ আমরা নিজেরা রান্না করে খাবো।তারপর অবশেষে অনেক প্রতিক্ষা, অনেক কৌতুহল এবং অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আমরা আনুমানিক বিকেল পাঁচটার দিকে প্রায় অর্ধশত ভ্রমণপিপাসু যাত্রি নিয়ে পন্নাপাড়া থেকে সাগরকন্না কুয়াকাটার দিকে রওনা করলাম। কুয়াকাটার ভ্রমণের বাকি অংশ জানতে পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন। [ভ্রমণ গল্প দিয়ে অনেকদিন পর আবার গল্প লিখায় ফিরলাম।এটা আমার লিখা প্রথম ভ্রমণ গল্প।আশা রাখি সবার ভাল লাগবে।আর ভূল ত্রুটি কিছু থাকলে সবাই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ।]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...