গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
নোটিসঃ কর্টেসি ছাড়া গল্প পাবলিশ করা হবেনা । আপনারা গল্পের ঝুড়ির নিয়ম পড়ে নেন ।

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

গ্রেট লিডার অব দ্যা নেশনস।

"ছোটদের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান RONI[EAGLES OF THE DESERT] (১৬৪ পয়েন্ট)



আমি দাড়িয়ে আছি রাস্তার পাশে। আকাশে একটু পর পর সূর্য উকি দিচ্ছে আবার মেঘের আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে বাতাসের সাথে হাল্কা ঝিরঝির বৃষ্টি পরছে। আমি যাচ্ছি আমার এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে। তার নাকি কী সব বলার আছে আমাকে। বিশ্বায়নের এই যুগে মানুষের ব্যস্ততা খুব বেড়ে গেছে। কোথাও একটু জায়গা পাওয়া যেন রীতিমত সৌভাগ্যর ব্যপার। অবশেষে আমার সেই সৌভাগ্য হলো। আমারা দেখা করব সেই সৃতিময় মাঠে যেখানে একসময় প্রচুর সময় কাটিয়েছি। আমি যেতেই সে মুচকি হেসে বলল কেমন আছ? শুভেচ্ছা প্রিতি শেষ করার পর আমি বললাম আজকে কী বলবে বলে ঠিক করেছ? সে বলল কী বলব মানে? আমি এমনিই দেখা করতে এসেছি। আমি বললাম হয়েছে এত ভাব না নিয়ে যা বলবে ডাইরেক্ট বলে ফেল। সে কিছুটা বিব্রতভাব নিয়ে বলল আচ্ছা তুমি হয়ত জানবে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামটা কিছুটা গোলক ধাধার মধ্যে পরে গেছে তাইনা? আমি বললাম হুম তা ঠিক। আমাদের স্বাধীনতার সঠিক ও সত্যে ইতিহাসটা আমরা খুব কমই জানি। এক কথায় বলা যায় কিছুই জানি না। আইমিন আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসটা যদি সাগর হয় তাহলে আমরা সেই সাগরের পাড়ে দাড়িয়ে আছি। নামতেই পারি নি এখনো! পাড় হয়ে যাওয়া দূরে থাক। আমার বন্ধুটি মাথা নেড়ে বলল এইতো লাইনে এসেছ! আচ্ছা আমাদের জাতির পিতা যাকে বলা হয় সেই শেখ মুজিব সম্পর্কে তুমার ধারনা কী? আমি বললাম ধারনার আবার কী হলো এখানে! তিনি বাংলাদেশের একজন অবিসাংবাদিত নেতা যিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগিয়েছিল। যার ধারনায় অনুপ্রানিত হয়ে আজ আমরা পৃথিবীর বুকে একটা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে পরিচিতি পেয়েছি। পেয়েছি লাল সবুজের একটা স্বাধীন পতাকা। আমার বন্ধুটি বলল দাড়াও দাড়াও দম ছেড়ে নাও একটা। আমি মুচকি হেসে বললাম হুম ছাড়লাম। এবার আমার বন্ধুটি বলল হুম যা বলেছ তা ঠিক আছে। তিনি স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ঠিক। ৭ মার্চের ভাষণ তার প্রমান। আমি বললাম হুম। সে বলল কিন্তুু তিনি কেন নিজে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন না সেদিন! তুমি জানো সেদিন যদি বাংলাদেশের অবিসাংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু পুরোপুরিভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে ফেলত তবে আমাদের এত প্রাণ বিসর্জন দিতে হত না। কারন সেসময় পূর্ব পাকিস্তানে খুব কমই পশ্চিম পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ছিল। যা ছিল তাদের কাছে ভারী কোন অস্ত্রও ছিল না এমনকি পর্যন্ত। ৭ মার্চের ভাষণে তিনি খাজনা, টেক্স সব বন্ধ করে দিল এমনকি স্বাধীনতার সমস্ত আনুষ্ঠানিকতাও শুরু করে দিল কিন্তুু কেন তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন না? এমনকি ২ মার্চ পতাকা উওোলন দিবসে সেসময়কার ছাএনেতা তোফায়েল আহমেদসহ সকল ছাএরাই বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বললেন কিন্তুু তিনি করলেন না। কেন করলেন না এটা কী একটা প্রশ্ন থেকে যায় না? আমি বললাম হুম প্রশ্ন তো আসতেই পারে। আচ্ছা তুমি কী মনে কর স্বাধীনতা ঘোষণা করলেই স্বাধীন হয়ে যেত বাংলাদেশ! এই যে দেখ ভারতের একটা প্রদেশ নাগাল্যান্ড। যারা নিজেদেরকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করে আন্দোলন করছে। আজ অবদি কী তারা স্বাধীন হতে পেরেছে? না পারে নি।এমনকি বিশ্ব মিডিয়াতে তারা প্রচারও পাচ্ছে না যে কারনে স্বাধীনতা ঘোষণা করেও তারা স্বাধীন হতে পারছে না। যদি ঠিক তেমনি কোন কিছু পর্যবেক্ষন না করে আন্তজার্তিক সাপোর্ট বিবেচনা না করেই বঙ্গবন্ধু সেদিন স্বাধীনতা ঘোষণা করেই ফেলতেন তবে আমাদের অবস্হা কী ঐ নাগাল্যান্ডের মতো হত না? যাও ধরে নিলাম পশ্চিম পাকিস্তানি কিছু বাহিনীর সাথে আমরা কিছুদিন পরেই স্বাধীনতা অর্জন করে ফেললাম। তুমি তো জানো একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রকে আন্তজার্তিক লেভেলে অংশগ্রহন করতে হবে। দেশের সমৃদ্ধি জনগনের কল্যানের জন্যে বেচে থাকার জন্যে আমাদের আন্তজার্তিক বাজার সৃষ্টি করতে হবে তা না হলে না খেয়ে মরতে হবে। আর এসব আন্তজার্তিক পর্যায়ে অংশ নিতে অবশ্যই বিদেশী দেশগুলোকে আমাদের স্বিকৃতি দিতে হবে তা নাহলে পারবে না। আর যে যুদ্ধ আমরা কোন প্রকার আন্তজার্তিক সাপোর্ট ছাড়াই শুরু করলাম স্বাধীন হওয়ার পর যদি আমরা কোন প্রকার আন্তর্জাতিক সাপোর্ট না পাই তখন? তুমি আমি শুধু বর্তমান সময়টার কথা ভাবতে পারি। কিন্তুু একজন নেতার ভবিষ্যৎ বিষয়েও চিন্তা করতে হয়। আবার ধরো তুমি, বঙ্গবন্ধু সেদিন ভবিষ্যৎ চিন্তা না করেই স্বাধীনতা ঘোষণা করে ফেললেন! আমরা কিছুসংখ্যক পশ্চিম পাকিস্তান বাহিনী মেরে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করলাম। দেখ, তখন আমরা বিশ্বমানচিএে স্বাধীন সার্বভৌম দেশ না হলেও পাকিস্তান কিন্তুু বিশ্বমানচিএে স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। তাই সংগত কারনেই পাকিস্তানের আন্তজার্তিক সাপোর্ট আছে। ঐ ঘটনার পর পাকিস্তান যদি আমাদের দেশ স্বাধীন হওয়ার কার্যকলাপটাকে দেশদ্রোহিতা হিসাবে বিশ্ব মিডিয়াতে প্রচার করে ফেলত তখন আমাদের কী হত! আমাদের তো কোন আন্তজার্তিক সাপোর্টও ছিল না। তখন যদি আমাদের পাশে কেউ না দাড়াত তখন আমাদের মরার সাক্ষি কে হত! বঙ্গবন্ধুর সেসময় স্বাধীনতা ঘোষণা না করার কারন এগুলো ধরতে পার। আমার বন্ধুটি বলল হুম তুমার কথা ঠিক আছে। আচ্ছা তাহলে অতসব চিন্তা করে আমাদের স্বাধীন হওয়ার দরকারটা কী ছিল। ২৫ শে মার্চের গণহত্যার পরও আমাদের চুপ থাকা উচিৎ ছিল! কারন আমরা তো তখনও আন্তর্জাতিক সাপোর্ট পাইনি। তাহলে শুধু শুধু ঐসময় আমরা যুদ্ধ করলাম কেন? তুমি দেখতে পারছ না পরে বিশ্বজনমত ঠিকই আমাদের পক্ষে এসেছে। রাশিয়া, ভারতসহ অনেক দেশ আমাদের সহায়তা করেছে। তো আমরা কী আন্তর্জাতিক সাপোর্ট পাইনি? আসলে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে আলাদা হতে চাইছিলেনই না যে কারনে তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন নি ইচ্ছা করে। আমি বললাম ইচ্ছে করেই যে করেন নি সেটা তুমাকে আমি বলতে পারব না তবে এর পিছনে একটা কারন অবশ্যই তুমাকে দেখাতে পারি আমি। আমার বন্ধুটি বলল দেখাও তাহলে দেখি। আমি বললাম, আচ্ছা মনে কর তুমি ছোটবেলা থেকেই এভারেস্ট জয় করার স্বপ্ন দেখে এসেছ। বড় হয়ে তুমি এভারেস্ট জয় করার জন্যে নেপাল গেলে। সেখানে তুমি পর্বত আহোরন করা শুরু করলে। আর ঠিক ১০ মিনিট পর তুমি এর চূড়ায় উঠে যাবে। আর তুমার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরন হবে তুমি এভারেস্ট জয়ী হবে। ঠিক তখনই তুমাকে সংকেত দিল আর সামনে এগোবেন না দ্রুত নিচে চলে আসুন সামনে বিপদ আছে। এখন তুমি বল একটু বিপদের জন্যে কী তুমি তুমার বুকের গভীরে থাকা দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নকে পূরন না করেই ফিরে আসবে নাকি একটু রিস্ক নিয়ে স্বপ্ন পূরন করবে? আমার বন্ধুটি বলল অবশ্যই একটু রিস্ক নিয়ে হলেও স্বপ্ন পূরন করব। কারন অনেক সাধনা, সংগ্রাম আর ত্যাগ তিতিক্ষার ফলে ঐ পর্যন্ত পৌছনো যায়। তাই ফিরে আসার কোন মানেই হয়না। আমি বললাম হুম ঠিক। তাহলে এক্ষেএে বঙ্গবন্ধুর দিকটা চিন্তা করে দেখ! ছাএজীবন থেকেই পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখেছেন আর যার ফলেই হোসেন শহীদ সোহরাওর্দী এর শিষ্যরুপে রাজনীতিতে পা রাখেন। অতঃপর শেরেই-বাংলা একে ফজলুল হকের সাথেও কিছু সময় কাটান। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন মানুষের মাঝে জাগাতে চেষ্টা করেন আর সফলও হন। পাকিস্তান হওয়ার পিছনে গুজরাটের ভয়াবহ হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গাই মুল কারন। যদিও এ দাঙ্গার শুরুটা হিন্দু বা মুসলমান কারও ধারা শুরু হয়নি প্রথম। যাইহোক অনেক ঘটনা প্রবাহের মাধ্যমে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা হলো। প্রতিষ্ঠার পর যেই মুসলিম লীগ আমরাই শুরু করেছিলাম তাতে আমাদের জায়গা হলো না। তুমি জানো ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ ঘটনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়। এবার স্বপ্ন পাকিস্তান শাসন করার নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার। আর সেস্বপ্ন পূরন হওয়ার পথও তৈরি হয়ে যায় ১৯৭০ এর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। সামনেই দেশ পরিচালনায় অপেক্ষা করছিল বাঙালিরা। তুমার ঐ ১০ মিনিটের মতো। এত ত্যাগ, তীতিক্ষার পর স্বপ্নের সেই পাকিস্তান পুনরায় ভেঙে ফেলতে কার মন চাবে। যতক্ষন শেষ আশা থাকবে ততদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখা যাক। তুমি দেখ একজন মানুষ সবসময় সব কাজ ঠিক করবে না। মানুষ মাএই ভুল সবার জীবনেই কিছু না কিছু ভুল আছে একমাএ নবী, রাসূলদের ছাড়া। সেক্ষেএে এটা আমাদের মানতেই হবে। তাই বলে তার অবদানগুলো তো আর জাতি কোনভাবেই ভুলতে পারবেনা। তাইনা? আমার বন্ধুটি মাথা নাড়ে সম্মতি দিল। সে বলল হুম আমিও মানি বঙ্গবন্ধু ইজ দ্যা গ্রেইট লিডার। যতদিন বাংলাদেশ রবে ততদিন তার নাম অম্লান হয়ে থাকবে। [চলবে ইনশাল্লাহ] বি.দ্র:: ভিবিন্নসময় ভিবিন্ন বই পড়ে আমার মনে অনেকসব প্রশ্ন উকি দিয়েছে বারবার। প্রশ্নগুলোর সমাধান খুজতে আমি অস্হির ছিলাম। অনেক ভাবতে ভাবতে কিছুটা হয়তো সমাধান করে মনকে কিছুটা হলেও শান্তি দিতে পেরেছি। যদিও আমি কোনমতেই এসব লেখার যোগ্য নই। তবুও চেষ্টা করছি। আর এসব ভিবিন্ন প্রশ্ন নিয়েই আমি লিখতে চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।সবার মত ভিন্ন হওয়াই স্বাভাবিক। আপনার মতের সাথে না মিললে গ্রহন করা না করা আপনার একান্ত ইচ্ছাgj। রেফারেন্স:: অসমাপ্ত আত্নজীবনি,, ২১ শতকের রাজনীতি ও আওয়ামিলীগ,, গোজরাট ফাইলস। ®


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ‘অ্যাস্ট্রোস্যাট’ : জ্যোতির্বিদ্যার জগতে ভারতের অনন্য ​অবদান
→ গ্রেট লিডার অব দ্যা নেশনস
→ অবিশ্বাস্য পদ্ধতি
→ দ্যা স্ট্রেঞ্জ হান্টার (পর্ব ০২ এবং শেষ)
→ দ্যা স্ট্রেঞ্জ হান্টার (পর্ব ০১)
→ অবিশ্বাস্য পদ্ধতি
→ দ্য কেস অব দ্য মিসিং মূল লেখক:আগাথা ক্রিস্টির
→ শত চাপ উপেক্ষা করে অবশেষে ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়াকে মসজিদ ঘোষনা করল তুরস্ক।
→ অবাক করা শিক্ষনীয় গল্প:wow:

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...