বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অনুভবে শুধু তুমি♥ (পর্ব-৯)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ariya Ibnat (০ পয়েন্ট)



X অনুভবে শুধু তুমি♥ part:9 writer:Tuba Rubaiyat ♦♦ ওই ছেলেটা বল মেরেছে শুনেই নাফিসার মাথা গরম হয়ে গেল।।বাচ্চারা হলে ও কিছু বলত না।।কিন্তু বড় কেউ মেরেছে এটা মেনে নেওয়া যায়না।।নাফিসা ছেলেটার দিকে এগিয়ে গেল।।তারপর তাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে সোজা নাক বরাবর,,, ঢিশুম,,,,,,,, সাথে সাথেই ছেলেটা নাকে হাত দিয়ে চিল্লিয়ে উঠল,,, "মাম্মিইইইইই!! মেরি নাক টুকরে টুকরে কারদিয়া,,,,,,,,, ছেলেটা কন্ঠ নাফিসার কেমন যেন চেনা মনে হলো।মুখ থেকে হাত সরাতেই অবাক।।এটা আর কেউ নয়।।বেচারা রোহান!!নাফিসা রোহানকে এখানে দেখে অবাক!! রোহান ও অবাক নাফিসাকে দেখে!! "মিসাইল তুমি এখানে??" "আপনি এখানে কি করছেন?" "এটা আমার বাসা আমি থাকব না তো কে থাকবে??" "কি আপনি এখানে থাকেন??আর আমাকে বল মেরেছেন কেন??' "আমি তোমাকে বল মারিনি।আমি কেন খামোখা মারতে যাব??ইনফ্যাক্ট আমি যদি যানতাম তুমি এখানে আছো তাহলে তো আমি খেলতেই আসতাম না।।আমার এই নিস্পাপ নাক টা বোচা হয়ে গেল।।এখন আমাকে কে বিয়ে করবে??আমার নাকটা তোমার কি ক্ষতি করেছে বলো তো,,,,,," "কি করবো আপনার নাকটা খুব কিউট তো তাই সর্বপ্রথম এটার ওপরই এটাক হয়।হিহিহিহিহিহি" "আমার কিউট নাকের বারোটা বাজিয়ে এখন প্রশংসা করতে আসছে।।হুহ,,তোমাকে এখন থেকে মিসাইল না ডেকে এটম বোম্ব ডাক্তে হবে,,,যাইহোক তুমি এখানে কি করে এলে?" "বাবা এখানে ট্রান্সফার হয়েছে,,,তাই,,, " "ওহ!!এটা আমাদেরই ফ্ল্যাট।। চল আম্মুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেই।।" ♦♦ আজ তোহার কোচিং শুরু হবে।।প্রথম দিন তাই তোহার মামা দিয়ে আসবে তোহাকে। তোহা গিয়ে ক্লাসে বসল। তীব্রর মত কাউকে দেখেছে বলে মনে হয়েছে তোহার।পরে ভাবল হয়ত মনের ভুল।তীব্র এখানে কি করবে?? একটু পরেই স্যার ক্লাসে এল।।তাকে দেখে তো তোহা মহাঅবাক!! কারন সেটা তীব্র।তীব্র ক্লাসে ঢুকেই তোহাকে চোখে মেরে দিয়ে বাকা হাসল।তোহা ভাবছে যে তীব্র এখানে কি করে এলো??কই তীব্র তো ওকে এ ব্যাপারে কিছুই বলেনি!!তবে কাল বলেছিলো তোহাকে একটা সারপ্রাইজ দেবে।।তারমানে এটাই সেই সারপ্রাইজ।। তীব্রর সাব্জেক্ট হল বায়োলজি।।যেহেতু আজ প্রথম ক্লাস তাই তীব্র সবার সাথে পরিচিত হয়ে নিল।তীব্র প্রথমে সবার নাম জিজ্ঞেস করছে।এবার তোহার পালা।তোহা এখনো ঘোরের মধ্যে আছে ।।তোহাকে নাম জিজ্ঞেস করা হলো।তোহা অবাক!তীব্র তো তোহার নাম জানে তাহলে আবার জিজ্ঞেস করছে কেন??তীব্র এমন ভাব করছে যেন সে তোহাকে চেনেনা।।তোহা চুপ করে আছে দেখে তীব্র বলল,, "কি হলো নাম কি ভুলে গিয়েছো নাকি?? " তোহা মুখ ভার করে উত্তর দিল,,, "আমার নাম রাফিয়াত তাসনিম তোহা" "কি?? রাফিয়াত আবরার তোহা!!নাইস নেম,,,,,,,,,,,,(দুষ্টু হেসে) তীহা চোখ বড়বড় করে ফেলল। কি ফাজিল!! "ওটা রাফিয়াত আবরার নয়।।রাফিয়াত তাসনিম,,,হুহ!" "ওহ! তাহলে হয়তো ভুল শুনেছিলাম।বসতে পারো,,," সাধারণত মেডিকেল কোচিং এ স্টুডেন্টরা ই পড়ায়।যেহেতু টিচাররাও স্টুডেন্ট তাই টিচার দেরকে সবাই সাধারণত স্যার না ডেকে ভাইয়া ডাকে।।তোহা এটা শুনেই মনে মনে শয়তানি হাসি দিলো।। "এবার দেখো চান্দু আমি কি করি??" তোহা দাঁড়িয়ে বলল,,,,, "ভাইয়া!আমি এই টপিকস টা বুঝিনি!" তোহা ভাইয়া ডাকাতে তীব্রর মাথা গরম হয়ে গেল।।তোহা জানত যে এটা বললে তীব্র রেগে যাবে,,,তাই ওকে রাগানোর জন্য ইচ্ছে করে করেছে।।ও তীব্রকে আরো রাগানোর জন্য প্রতি লাইনে লাইনে ভাইয়া ডাকা শুরু করে দিলো,,, "কি হল ভাইয়া শুনতে পাচ্ছেন না??" তীব্র মুখ গোমড়া করে বলল,,,,, "কোনটা??" তোহার খুব হাসি পাচ্ছে তীব্রর ফেস দেখে।।তীব্র সুন্দর করে ওকে সেই টপিক্সটা বুঝিয়ে দিলো,,,,,,, ক্লাস শেষে তোহা ক্লাস থেকে বের হতে যাচ্ছিলো এর মধ্যে কেউ একজন ওকে টেনে অন্য একটা রুমে নিয়ে গেল।।তোহা জানে এটা যে তীব্র,,,,,,,,,তীব্র খুব রেগে আছে দেখে তোহা মনে মনে ঢোক গিলল,,,,, "তখন এমন ভাইয়া ভাইয়া করেছিলে কেন??আমি তোমার ভাইয়া লাগি??" "হুম ভাইয়াই তো।আপ্নিই তো বলেছেন স্যার ডাকতে না ভাইয়া ডাকতে,,,,আর তাছাড়া যেহেতু আসিফ ভাইয়ার ভাই সেহেতু তো আমার ও ভাই।।"(দাত কেলিয়ে হেসে) "আমি তোমার ভাই নই,,,আমাকে আর ভাইয়া ডাকবে না,,, ডাফার!!" "কেন ভাইয়া??" "আবার ভাইয়া??আর একবার ভাইয়া ডাকলে কিন্তু ভালো হবে না বলে দিলাম,,,,,তখন আমি যেটা করবো সেটা আবার তোমার ভালো লাগবেনা,,,সো,,," তোহা আর কিছু বলল না।।কারন তীব্রর বিশ্বাস নেই।।তাই স্বাভাবিক হয়ে বলল,,,, "সেটা বাদ দাও এখন বলো তুমি এখানে কি করে??তুমি যে এখানে ক্লাস নাও সেটা আমাকে বলনি কেন??" "আমিও এখানেই কোচিং করেছিলাম।।এখানকার পরিচালক আমার পরিচিত।।আর আমি ভার্সিটির টপ স্টুডেন্ট থাকায় অনেক বার এখানে ক্লাস নেওয়ার অফার পেয়েছিলাম।ওনারা অনেক রিকুয়েস্ট করেছিলো কিন্তু বাড়তি ঝামেলা বলে আমি কখনো রাজি হইনি।এবার যখন তুমি এখানে ক্লাস করবে তাই এবার রাজি হয়ে গেলাম।।" "তাহলে আমাকে আগে বলনি কেন??" "বলে দিলে কি আর সারপ্রাইজ থাকত??" "হুহ!" "আচ্ছা চলো আমি পৌছে দিয়ে আসি।" "না প্রবলেম নেই... মামা আসবে আমাকে নিয়ে যেতে,,,,আচ্ছা বাই" "ওকে,,,, সাবধানে যেও!!!" ♦♦ "তোহায়ায়ায়ায়া!আমি তো শেষ!" তোহা ক্লাসে বসে ছিলো।ক্লাস শুরু হয়নি তাই বসে বসে সাধারণ জ্ঞান পড়ছিলো।।এর মধ্যেই রিয়া এসে চিল্লিয়ে উঠল।রিয়া তোহার ফ্রেন্ড। "কি হয়েছে তোর??কেন শেষ তুই??" "আমি তো পুরাই ক্রাশ।পুরো প্রেমে পড়ে গিয়েছি।" তোহা বইয়ের দিকে তাকিয়েই উত্তর দিলো,, "প্রেমে পড়েছিস ভালো কথা।" "আরে তুই শুনবি তো!সারাদিন শুধু পড়া আর পড়া,,,, "কি শুনবো বল?আর তোর ক্রাশ খাওয়া নতুন কি?তুই তো খেতে, বসতে, দাড়াতে সারাদিনই শুধু ক্রাশ খাস।বরং তুই যদি বলতি আমি ক্রাশ খাইনি তাহলে হয়ত অবাক হতাম,,," "আরে না এটা বেষ্ট ক্রাশ।ও খুব সুন্দর,টপ স্টুডেন্ট আর মানুষ হিসেবে খুব ভালো একজন। জানিস কাল কি হয়েছে?রাস্তায় একজন বৃদ্ধ খালি পায়ে হাটছিলেন।খুব গরিব।জুতো কেনার পয়সা ছিলোনা।ও কি করেছে জানিস দোকানে নিয়ে জুতো কিনে দিয়েছে, খাবার কিনে দিয়েছে।এখন কি এত ভালো মানুষ পাওয়া যায় বল??" "ভালো কথা।যা এবার বিয়ে করে ফেল।।আমাকে আর জ্বালাস না তো!পড়ছি আমি,,,,,," "আরে নাম বললে তুই ও তাকে চিনবি।আমাদের এখানে ক্লাস নেয় উনি।" "উফফফ!কলেজে থাকতে ও তো তুই তিনজন টিচারের উপর ক্রাশ খেয়েছিলি।এখন আবার সেই স্যার!আচ্ছা বল কোন স্যারের উপর খেয়েছিস?বলে তাড়াতাড়ি চুপ কর!" "রাদিফ" "হোয়ায়ায়ায়াটট??" "হুম ওর নাম রাদিফ আবরার" "তার উপর কেন ক্রাশ খেতে গেলি??angry" "খেয়েছি তো প্রব্লেম কোথায়??" "ভালো কথা ক্রাশ খেয়েছিস, পেট ভরেছে,,,,এবার যা!" "উফফ তুই কি সত্যিই আমার বেস্টফ্রেন্ড?আসলে কথাটা সত্যিই যে, 'বেষ্ট ফ্রেন্ড থাকতে বাশ দেয়ার জন্য আর অন্য কাউকে প্রয়োজন হয়না'।আচ্ছা তুইই বল আমি এই পর্যন্ত কারো সাথে প্রেম করছি? "না করিস নি।তুই তো শুধু ক্রাশই খাস,,,,,," "যাইহোক তুই না কার সাথে আমাকে দেখা করাবি বলেছিলি??" "হুম দেখা করাবো তো আজ!" "কখন??" "ক্লাস শেষ হলে।" "আচ্ছা" *ক্লাস শেষে,,,,, "আর কতক্ষন দাড় করিয়ে রাখবি??"(রিয়া) "একটু ওয়েট কর।আমাকে তো বলল এক্ষুনি আসছে,,,,,,"(তোহা) "সেই কখন থেকে দাড় করিয়ে রেখেছিস,,,,,," "চলে আসবে।।ওইতো এসে পড়েছে,,,,,,,,,," (চলবে) [গল্পটা দিতে দেরী হওয়ার জন্য সরি।হয়ত কেউ অপেক্ষা করেছিলেন।।আমি কিছুদিন ধরে ব্যাক্তিগত কিছু সমস্যায় ছিলাম।।পরিস্থিতি এমন ছিলো যে ওই অবস্থায় গল্প লিখা সম্ভব ছিলোনা।।এখন আমি দুই তিনদিনের মধ্যেই শেষ করে দেয়ার চেষ্টা করবো] [দয়া করে আমার এই গল্পটা কেউ কপি করবেন না]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৫১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...