বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সৃষ্টির রহস্য সমাধান!সত্যিই কী সম্ভব?

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাইম আরাফাত (০ পয়েন্ট)



X ——–আসসালামু আলাইকুম——— লেখকঃ সাইম আরাফাত প্রশ্নঃ সৃষ্টির রহস্যের সমাধান!সত্যিই কি সম্ভব?? ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ Please don't copy without courtesy..... ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ আজকে এমন একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা তথাকথিত বড় বড় জ্ঞানী-বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন।তারা বলে থাকেন যে সৃষ্টির রহস্য জানতে হলে বিজ্ঞান পড়তে হবে,বিশেষ করে ফিজিক্স পড়তে হবে।।তারা বলে যদি সৃষ্টির রহস্য জানতে চাও তাহলে বিজ্ঞান অবশ্যই পড়তে হবে।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বিজ্ঞান কি আমাদের সবকিছু জানাতে পারছে?বিজ্ঞানই কি সবকিছুর সমাধান?? আসুন এটাতে আমরা আলোকপাত করি।বিজ্ঞান বলছে যে,মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে মহা বিষ্ফোরনের মাধ্যমে অর্থাৎ যেটাকে আমরা Big Bang Theory বলে জানি।বিজ্ঞান বলছে মহাবিশ্ব এক সময় ঠান্ডা ছিল,পরে তা আস্তে আস্তে গরম হতে হতে একটা বিষ্ফোরন ঘটে, এটাই Big Bang Theory-এর মূল উপপাদ্য।এবং এই বিষ্ফোরনের জন্য মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে।এতে স্রষ্টা বলে কারও হাত নেই।(সম্প্রতিকালের প্রয়াত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এমনটাই বলেছেন)।পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংকে সি এন এন-এর এক সাক্ষাতকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে,স্রষ্টা বলে কি কেউ আছেন?তিনি উত্তরে বলেছিলেন যে,স্রষ্টা বলে কেউ থাকলেও থাকতে পারেন তবে মহাবিশ্ব সৃষ্টিতে তার কোনো প্রয়োজন নেই।(এ বিষয়ে তিনি তার বিখ্যাত বই “A breif history of time”” A breifer history of time””The universe and the baby black hole ” এও আলোচনা করেছেন।) এখানে আমরা কি দেখছি যে,বিজ্ঞান আমাদের বলতে পারছে যে Bg Bang এর পর কি হয়েছে কিন্তু এটা বলতো পারছে না যে, Big Bang এর আগে কি ছিল।এখানে বিজ্ঞান সরাসরি বলছে যে,Big Bang এর আগে কি ছিল তা আমি জানি না।(বিজ্ঞানের যুগান্তকারী দুটি থিওরি Big Bang ও String Theory তে অনেক ভুল রয়েছে,সম্প্রতিকালে বিজ্ঞানীরাও এটা স্বীকার করেছেন।)এখন মূল বিষয়ে ফিরে আসি। প্রথম স্টেপে আমরা দেখলাম যে বিজ্ঞান সবকিছুর সমাধান নয়,বিজ্ঞান আমাদের সবকিছু জানাতে পারছে না।সে সবকিছু জানাতে অপারগ।বিজ্ঞান আমাদের সামান্য Big Bang থিওরির আগে কি ছিল তাই বলতে পারছে না,তো সৃষ্টির রহস্য সমাধান বিজ্ঞান কখনোই পারবে না। আবার আমরা অন্যভাবে দেখি যে,আমরা নিজেরাই সৃষ্টির একটা অংশ,সৃষ্টির একটা অংশ হয়ে আমরা কিভাবে সৃষ্টির রহস্য সমাধান করব?এটা কি আদৌ সম্ভব?(অনেকে বলে থাকে যে অসম্ভব বলে কিছু নেই,সবকিছুই সম্ভব।তাদের বলছি,আপনি কি স্রষ্টাকে ধ্বংস করতে পারবেন?আপনি কি এই মহাবিশ্বের মতো আরেকটা মহাবিশ্ব বানাতে পারবেন?) একটা উদাহরণের মাধ্যমে শেষ করব।ধরুন,আপনার বড় ভাই নতুন বিয়ে করল।বউয়ের উচ্চতা হচ্ছে ২৮ ইন্ছি।বিয়ের পরদিন আপনি বউকে বললেন যে,ভাবি আমাকে একগ্লাস পানি খাওয়ান।বউ গেল পানি আনতে।সে গিয়ে কলসে হাত দিল কিন্তু পানির নাগাল পাচ্ছে না(বউয়ের হাত মাত্র ৬ ইন্ছি আর কলসের উচ্চতা ও তল ২৪ ইন্ছি)৷ কতক্ষণ এরকম চেষ্টার পর হঠাৎ তার গলার হারটি কলসের ভিতর পরে গেল।সে এখন আরও মরিয়া হয়ে কলসের ভেতর হারটি খুজঁছে।কিন্তু এত চেষ্টার পরও নাগাল পাচ্ছে না।তবু সে চেষ্টা করে যাচ্ছে।হঠাৎ আপনি ডাক দিয়ে বললেন,ভাবি পানি কোথায়? –আরে,আমার হার কলসে পরে গেছে।কিন্তু এত খুজেঁও কলসের তল পাচ্ছি না,মনে হয় কলসের তল নেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে,সত্যিই কি কলসের তল নেই নাকি তার ৬ ইন্ছি হাত ২৪ ইন্ছি কলসের তলের নাগাল পাচ্ছে না?এটা আমরা সবাই জানি যে,কলসের তল আছে কিন্তু তার ছোট হাত এত বড় কলসের তল নাগাল পাচ্ছে না। উদাহরণটা আমি এজন্য দিলাম যে,এখানে আমরা (?) হচ্ছি ৬ ইন্ছি হাত আর সৃষ্টিজগৎ হচ্ছে কলসের ২৪ ইন্ছি তল।আমরা কিয়ামত পর্যন্ত চেষ্টা করেও এই ৬ ইন্ছি হাত দিয়ে ২৪ ইন্ছি কলসের তলার নাগাল পাব না।অর্থাৎ সৃষ্টির একটা অংশ হয়ে সৃষ্টির রহস্য উদঘাটন অসম্ভব। [ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪০৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...