বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমার স্বপ্নের গল্পে তুমি(শেষ পর্ব ১৩)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ESHRAT JAHAN (৪১৩ পয়েন্ট)



X ইসরাতের মনে পড়লো কাল তো রনির জন্মদিন।ভাবতে লাগলো কি করবে।ভাবতে ভাবতে একটা উপায় পেয়ে গেলো।পরদিন সন্ধ্যাবেলা রনি বললো,"এই শোনো আমি একটু বাইরে যাচ্ছি।এক ঘন্টা পরই আসবো।" ইসরাত ভাবলো এই এক ঘন্টার মধ্যেই সবকিছু করবে। এক ঘন্টা পর রনি আসলো।ইসরাতকে ডাকতে লাগলো।কিন্তু ইসরাতকে খুঁজে পাচ্ছে না।কোথাও কেউ নেই।বাড়ির কাউকে দেখছে না।খুঁজতে খুঁজছে ছাদে গেল।ছাদের গেট খুলতেই দেখলো ছাদটা মোমবাতি দিয়ে সাজানো।রনি টেবিলে রাখা কেকের কাছে গেল।সবাই বেরিয়ে আসলো।পিছন থেকে সবাই একসাথে বললো,"হ্যাপি বার্থডে রনি।" রনি পিছনে তাকিয়ে দেখলো ইসরাত,মা,বাবা,আয়শা সবাই।রনি বললো,"ওহ তাহলে এই প্লান্ট করেছিলে তোমরা সবাই।" মা বললেন,"এসব প্লান্ট করছে ইসরাত।" রনি ইসরাতের দিকে তাকালো।রনি বললো,"সবাইকে অনেক ধন্যবাদ এসব করার জন্য।" রনি কেক কাটলো।প্রথমেই ইসরাতের মুখে কেকটা দিলো।ইসরাতও রনির মুখে দিলো।খাওয়া শেষ হলে সবাই নিচে এলো।রনি বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে।ইসরাত পিছন থেকে বললো,"রনি।" রনি পিছনে তাকালো।ইসরাতের হাতে ফুল।ইসরাত রনিকে ফুল দিলো,"এটা তোমার গিফট হিহিহি।" রনি ফুলটা হাতে নিয়ে বললো,"অনেক সুন্দর গিফট।ফুল অনেক সুন্দর।" "চলো ঘুমাতে যাই।" "আমার কিন্তু ঘুম আসছে না।আজকেও প্লিজ।" "ঠিক আছে চলো।" রনি ইসরাতের কোলে মাথা রাখলো।ইসরাত সুন্দর করে রনির চুলগুলো নেড়ে দিচ্ছে।রনির চোখে ঘুম এলো।ইসরাতের কোলে মাথা রেখেই রনি ঘুমিয়ে পড়লো।ইসরাত সাবধানে রনির মাথা বালিশের ওপর রাখলো।তারপর ঘুমিয়ে পড়লো। সকালবেলা ইসরাত রনির চোখের ওপর পানি ছিটিয়ে দিলো।রনি চোখ না খুলেই বললো,"কি হয়েছে?" "এখন উঠো।" "রাত আরেকটু থাকি।" "না আরেকটুও না।উঠ।না হলে কিন্তু পানি ঢেলে দিবো।" ইসরাত রনিকে টানতে টানতে বললো,"উফ উঠো।বসে পড়ো।" রনি বিছানায় বসলো।ইসরাতের দিকে তাকিয়ে বললো,"খুব ঘুম পাচ্ছে।এখনো ঘুম ছাড়েনি।" "ছেড়ে যাবে।চা করে আনছি।তুমি ফ্রেস হও।" রনি ফ্রেস হতে গেলো।একটু পর ইসরাত চা নিয়ে এলো।রনি বললো,"আজকের চা অনেক বেশি টেস্টি হয়েছে রাত।" "হুমম রাতে তুমি আমাকে চা করে খাওয়াবে কিন্তু।" "ঠিক আছে।" রনি আর ইসরাত চা শেষ করলো। রাতের বেলা ইসরাত রনিকে ডাক দিল খাবার টেবিলে আসতে।আজকে বাড়িতে কেউ নেই।রনি টেবিলে আসলো।ইসরাত একটা প্লেটে ভাত নিলো।রনি বললো,"একটা প্লেটে কেন?" "এটাও বুঝো না?তুমি আর আমি এক প্লেটে খাবো।" ইসরাত রনির মুখে ভাত তুলে দিয়ে বললো,"কাল একটা নাটকে দেখলাম এক দম্পতি তারা প্রতিজ্ঞা করেছে যতদিন বাঁচবে দুইজন এক প্লেটে খাবে।" "আমরাও কি তাই করবো নাকি?" "না।সেটা তো সবসময় হয় না।" "হুমম।তুমিও খাও।" "খাচ্ছি তো।" "আজকের রান্নাটা খুব ভালো হয়েছে।" "আজকে সবকিছু আমি একা করেছি।" "অনেক টেস্টি হয়েছে।" তাদের খাওয়া শেষ।রনি বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে।ইসরাত পিছন থেকে দাঁড়িয়ে রনির কানে সুড়সুড়ি দিতে লাগলো।রনি ইসরাতের হাত ধরে বলল,"কি করছো?" "সুড়সুড়ি দিচ্ছিলাম হিহিহি।" "দুষ্টমি করা হচ্ছে তাই না?" "হিহিহি।" "দাঁড়াও কি করি।" রনি ইসরাতের মাথায় বেনি গেধে দিলো।তারপর ইসরাতকে বেঁধে রাখলো সেই চুল দিয়ে।ইসরাত বললো,"কি করছো এসব?ছেড়ে দাও।" "কিছুক্ষন থাকো।" "প্লিজ এরকম করো না।" "ঠিক আছে ছেড়ে দিচ্ছি।" রনি ইসরাতের বাঁধন খুলে দিলো।ইসরাত রনির কাঁধে মাথা রেখে বললো,"সত্যি তুমি আমাকে ছেড়ে কোথায় চলে যাবে নাতো?" "এসব কথা কেন বলো তুমি?আমি তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি।" "আমি তোমাকে হারাতে চাই না রনি।আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না।" "আমি তো তোমাকে ছেড়ে চলে যাবো না কখনো।" "আমিও তোমাকে ছাড়বো না" তারা দুজনে চুপচাপ আকাশের তারা দেখতে লাগলো।আকাশের তারা দেখতে লাগলো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...