বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমার স্বপ্নের গল্পে তুমি(পর্ব১২)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ESHRAT JAHAN (৪১৩ পয়েন্ট)



X ইসরাত রনির পাশে বসলো।রনি ইসরাতের দিকে তাকিয়ে আছে।ইসরাত বললো,"শরীরটা তোমার খুবই খারাপ।দেখেশুনে চলতে পারো না?সামনে কি আছে না আছে দেখতে পারো না?" "দেখিনি।কারন আমার খেয়াল ছিলো তোমার দিকে।" "এরপর থেকে সাবধানে চলবে।" "হুমম।" রনিকে বাড়িতে আনা হলো।রনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ নয়।রনি বিছানায় শুয়ে আছে।ইসরাত তার পাশে বসলো।ইসরাত বললো,"এখন শরীরটা কেমন লাগছে?" "আগের চেয়ে একটু ভালো লাগছে।" "হুমম ঠিক হয়ে যাবে।" "মাথায় এখনো ব্যাথা করছে।" "মাথা যে ফেটে গেছে প্রচন্ড রক্ত পড়েছে এখনো তো ঠিক হয়নি।ব্যান্ডেজ খোলা হয়নি।" "হুমম।" "তোমাকে এখন খেতে হবে।থামো আমি খাবার নিয়ে আসছি।" ইসরাত খাবার নিয়ে আসলো।রনির মুখে তুলে দিলো।রনি বললো,"তুমি খেয়েছো?" "না খাইনি।খাবো।" "কখন খাবে?" "এইযে তোমার খাওয়া হলেই আমি খাবো।" "আমার আর খেতে ইচ্ছে করছে না।" "আরেকটু খাও।" "না।" "ঠিক আছে পানি খাও।" রনির খুব মাথাব্যথা করছে।শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লো।রনির গায়ে এখনো জ্বর আছেই।মাঝরাতে ইসরাতকে ডাক দিলো। ইসরাত ঘুমিয়ে ছিলো।ইসরাত বললো,"কি হলো ডাকছো কেন?" "আমার ঘুম আসছে না রাত।" "ঘুম কেন আসছে না?" "আমি বারান্দায় যাবো।" "থামো আমি তোমাকে নিয়ে যাচ্ছি।তোমার শরীর এখনো ভীষণ দুর্বল।একা যেতে সমস্যা হবে।" ইসরাত রনিকে বারান্দায় নিয়ে গেলো।ইসরাত বললো,"দেখো কি সুন্দর চাঁদ উঠেছে।" "হুমম আজকে চাঁদনী রাত।" "আমার খুব ভালো লাগে এই রাতে।রাত অনেক সুন্দর।চাঁদনী রাত্রি আরো অনেক সুন্দর।" "হুমম।" তারা কিছুক্ষন বারান্দায় সময় কাটালো।আবার বিছানায় শুয়ে পড়লো।রনি বললো,"রাত আমার তো ঘুম আসছে না।" "আমি তোমার মাথায় বিলি কেটে দেই তোমার ঘুম আসবে।" রনি ইসরাতের কোলে মাথা রাখলো।ইসরাত সুন্দর করে চুল নেড়ে দিচ্ছে।কিছুক্ষন পর রনির চোখে ঘুম চলে আসলো।রনি ঘুমিয়ে পড়লো।ইসরাতও ঘুমিয়ে পড়লো। কয়েকদিন পর রনি ঠিক হয়ে গেলো।ইসরাত বাইরে তাকিয়ে দেখল বৃষ্টি।রনির কাছে যেয়ে বললো,"এই দেখো বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে।" "হুমম দেখছি।" "চলো বৃষ্টিতে ভিজি।" "এখন?" "হুমম প্লিজ চলো।" "ঠিক আছে ছাদে চলো।" "আমি কিন্তু সিঁড়ি বেয়ে যেতে পারবো না।" "তাহলে কেমন যাবে।লিফট তো নেই।" "তুমি আমাকে কোলে করে করে নিয়ে যাবে।তুমিই আমার লিফট হিহিহিহিহি।" "ঠিক আছে।" রনি ইসরাতকে কোলে তুলে নিলো।তারপর ছাদে নিয়ে গেল।ছাদে যেয়ে ইসরাতকে নামিয়ে দিলো।ইসরাত বললো,"ইস কতদিন পর ভিজছি বৃষ্টিতে।বৃষ্টিতে ভেজার মজাই আলাদা।" "হুমম আমার খুব ভালো লাগে বৃস্টিতে ভিজতে।" "আমারও।" তারা কিছুক্ষন সময় কাটিয়ে চলে গেলো।রাতে ইসরাত বললো,"এই শোনো আমার খুব নৌকায় উঠতে ইচ্ছে করছে।কালকে যদি নৌকা ভ্রমন করি।". "ঠিক আছে তোমার যেহেতু মন চাইছে আমরা অবশ্যই কালকে নৌকায় উঠবো।" "ইসরাত বললো সত্যি কালকে যাবে!!" "হুমম।" ইসরাত খুশিতে রনিকে জড়িয়ে ধরলো।ইসরাত বললো,"আমার খুব ভালো লাগে নৌকায় উঠতে।" "আমারও ভালো লাগে।" পরদিন তারা একটা নদীতে গেলো।রনি বললো,"ওই দেখো নৌকা।" "চলো উঠি।" তারা নৌকায় উঠলো।ইসরাত হাতে একটুখানি পানি নিয়ে রনিকে সেই পানি ছিটিয়ে দিলো।রনিও ইসরাতের দিকে ছিটিয়ে দিলো।ইসরাত বলল,"চলো ওই পারে যাই।" "হুমম।" তারা ওই পারে গেলো।ইসরাত বললো,"দেখো কি সুন্দর জায়গা।কাশফুল।" রনি কাশফুল তুলে ইসরাতকে দিলো। ইসরাত বললো,"এখানে অনেক গাছগাছালি দেখতে বেশ লাগছে।" "হুমম সুন্দর লাগছে।" "চলো এখন চলে যাই।" "হ্যা চলো।" তারা নৌকায় উঠলো।নৌকায় আরো কিছুক্ষন থাকার পর বাড়ি চলে আসলো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫১০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...