বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমার স্বপ্নের গল্পে তুমি(পর্ব১০)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ESHRAT JAHAN (৪১৩ পয়েন্ট)



X ইসরাত চুপচাপ বসে আছে।রনির কথা ভাবছে।ভাবতে ভাবতে বিছনায় শুয়ে পড়লো।চোখ বন্ধ করে রনির কথা ভাবছে।ভাবতে ঘুমিয়ে গেল। ইসরাতের পড়ালেখা শেষ।এখন তাদের বিয়ের কথা বার্তা চলছে।সামনের মাসেই বিয়ের তারিখ ঠিক করা হলো।অনেক ধুমধাম সাজসজ্জা নিয়ে বিয়ে হবে বাবা মার একমাত্র কন্যা ইসরাতের। ইসরাত কোর্ট থেকে বের হয়েই দেখলো রনি বাইক নিয়ে বসে আছে।ইসরাত রনিকে দেখে রনির কাছে গেলো।রনি বলল,"ভালো আছো তো রাত?" "নাম আমার নাইস প্রায় সবসময়ই থাকি নাইস।" "ওহ হ্যা তুমি তো নাইস।" "তুমি এখানে কি করছো?" "তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।" "অপেক্ষা আমার জন্য?" "চলো তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দেই।" "ঠিক আছে।" ইসরাত বাইকে উঠলো।রনি ইসরাতকে বাড়ি পৌঁছে দিলো।ইসরাত বাসায় এসে ফ্রেস হলো। দেখতে দেখতে বিয়ের দিন এসে গেলো।ইসরাতের দাদিরবাড়িতেই বিয়ে ইসরাতের।অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছে বাড়িটা।চেনা পরিচিত সবাইকে ইনভাইট করা হয়েছে।ইসরাতের সকল ফ্রেন্ডের ইনভাইট করা হয়েছে।স্কুল লাইফের ফ্রেন্ডেরও বলা হয়েছে।তিনটা ফটোগ্রাফার আনা হয়েছে।ইসরাতের খালাতো বোন নোশিন বলল,"ফটোগ্রাফারও আনা হয়েছে।ভালো খুব ভালো।" ইসরাত বলল,"আরে একমাত্র কন্যার বিয়ে।এই বিয়ের ফটো যেন আমার নাতীপুটির নাতীপুটির আবার তার নাতি নাতনিরা সহ অনেকে দেখতে পারে এইজন্য ফটো ভালো হতে হবে।ভালো ফটোগ্রাফার এনেছি।" "হিহিহি নাতীপুটি তার নাতীপুটি তার নাতীপুটি ভাল কথা।" "হুমম।" বিয়েটা হয়ে গেলো।বিয়ের কিছুদিন পর।রনি আর ইসরাত ছাদে দাঁড়িয়ে আছে।ইসরাত বলল,"এই তুমি তো আমার পায়েল এখনো দিলে না।" "ওহ হ্যা দিচ্ছি।" রনি পকেট থেকে পায়েল বের করে ইসরাতের পায়ে নিজে পরিয়ে দিলো।ইসরাত বলল,"আহ কতদিন পর এই পায়েলটা পড়লাম।" "হুম এতদিন আমার কাছে ছিল।" "রাত।" "হুম বলো।" "চলো ঘুরতে যাই কোনো এক নির্জন রাস্তায়।" "কিন্তু খালি পায়ে যাবো।" "ঠিক আছে।" ইসরাত আর রনি খালি পায়ে রাস্তায় গেল।ইসরাত রনির কাঁধে মাথা রেখে রনির হাত ধরে হাঁটছে।ইসরাত বলল,"তোমাকে বিয়ে করে নিজেকে অনেক সুখী মেয়ে মনে হচ্ছে।" "আমিও অনেক সুখী এরকম টুকটুকে বউয়ের জন্য।" "ওহ আচ্ছা।" "হুমম।তোমায় ছাড়া আমি পারবো না থাকতে কিছুতেই না।" "আমিও পারবো না রাত।" কিন্তু হঠাৎ করেই ইসরাতের পায়ের ভেতর কেমন যেন করে উঠলো।ইসরাত রনির হাত ছেড়ে দিয়ে পা তুলে দেখলো পায়ে কাটা বেঁধে গেছে।ইসরাত বলল,"উফফ কাঁটা খুব লাগছে।" "থামো আমি কাঁটা তুলে দিচ্ছি।" রনি ইসরাতের পা থেকে কাঁটা তুলে দিল।ইসরাতের পা দিয়ে রক্ত ঝরছে।ইসরাত বলল,"রক্ত পড়ছে তো।" রনি পকেট থেকে রুমাল বের করলো।তারপর ইসরাতের পায়ে বেঁধে দিলো।রনি বলল,"বাড়ি যাবে এখন?" "না কিছুক্ষণ বসে থাকি।" "রনি,ব্যাথা করছে তো।" "একটু তো ব্যাথা করবেই।" তারা কিছুক্ষন বসে থাকার পর বাড়ি আসলো। সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে।ইসরাত বললো,"আহ আমি তো উঠতেই পারছি না পায়ের ব্যাথার জন্য।" "তোমার এতে কোনো টেনশন নাই।দেখো আমি কি করি।" রনি ইসরাতকে কোলে তুলে নিলো।তারপর ওপরে গেলো।নিজের রুমে গেল।ইসরাত বিছনায় বসলো।রনি ইসরাতের পা থেকে রুমাল খুলে ফেললো।এখনো রক্ত পড়া বন্ধ হয়নি।ইসরাতের পা সেভলন দিয়ে সুন্দর করে ধুয়ে দিলো।তারপর ব্যান্ডেজ করতে করতে বললো,"এবার বুঝলে খালি পায়ে হাঁটার মজা?" "হুমম বুঝলাম।কিন্তু ভালো লাগছিল হাঁটতে।কিন্তু কাঁটা যে বেঁধে গেল।" "চিন্তা করো না ঠিক হয়ে যাবে।" ব্যান্ডেজ করা শেষ।রঙইর মা এ রুমে বললো,"কি হয়েছে ইসরাতের?" রনি বলল,"ঐযে খালি পায়ে হাটতে নিয়ে পায়ে কাঁটা বেঁধেছিল।" "ওহ।" "একটু রক্তও বের হয়েছে।" "ওহ।চিন্তা করো না ইসরাত ঠিক হয়ে যাবে।" মা এ রুম থেকে চলে গেলেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...