গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
নোটিসঃ কর্টেসি ছাড়া গল্প পাবলিশ করা হবেনা । আপনারা গল্পের ঝুড়ির নিয়ম পড়ে নেন ।

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২০)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Tuba Rubaiyat (৬ পয়েন্ট)



শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ Part:20 writer:T.R♥ ♦♦ মাগরিবের নামায পড়ে রুম থেকে বেরিয়ে এলো শ্রুতি।।পুরো বিয়েবাড়ি টাকে ওর কাছে একটা সার্কাস পার্টি মনে হচ্ছে,,,,সব আজব কর্মকাণ্ড চলছে।।।নিরা আর নেহা দুজনেই এক মুঠ চুড়ি নিয়ে টানাটানি করছে,,মাঝখান থেকে ছোট ফুপি এসে খপ করে চুড়ির মুঠ নিজের জন্য নিয়ে গেল।।।দুইটা কতক্ষন চুপ থেকে একে অন্যকে দোষ দেয়া শুরু করলো।।নীলা আপু হাতে এখন মেহেদী দেবে নাকি কাল দেবে সেটা নিয়ে গভির চিন্তায় ব্যস্ত।। মহিলারা সবাই মিলে বসে মিটিং করছে দেখে মনে হচ্ছে জাতীয় সংসদের ৫ম অধিবেশন বসেছে।।।শ্রুতির কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার পর ও তাদের আলোচনার বিষয় বস্তু কিছুই বোধগম্য হলোনা।।।নিধি দশ মিনিট পর পর ড্রেস চেঞ্জ করছে,,,,আর সামনে যাকে পাচ্ছে তাকেই জিজ্ঞেস করছে কেমন হইছে??বাই চান্স যদি কেউ খারাপ বলেছে তো সেই ড্রেস রেখে অন্য ড্রেস পড়তেছে।।।রেহান ভাইয়া একটু পর পর মাথা নাড়াচ্ছে একবার এদিক তো আরেকবার ওদিক।।এমন ভাব করছে যেন নিউটনের নানা শশুর।।।ইহান সোফায় বসে বসে একধ্যানে মোবাইল টিপছে,,,,আশেপাশে একটুও তাকাচ্ছে না।।যেন এখন মোবাইল না টিপলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে আর ও চায়না সেটা হোক।।।মেয়েরা কয়েকজন মিলে আল্পনা আকছে।।।নিলা ভাবিও আল্পনা আকছে,,তার চুল আটকানোর দায়িত্ব নাঈম ভাইয়াকে দেয়া হয়েছে,,, পাশেই বেচারা চুলের কাটা হাতে নিয়ে বসে আছে কিন্তু কিভাবে লাগাবে বুঝতে পারছেনা।।।একটু দুরেই অভি বসে আছে,,,,কিসের যেন হিসাব মিলাচ্ছে,,,,মেহরুন কালার পাঞ্জাবিতে খুব মানিয়েছে।।।কয়েক টা মেয়ে হা করে তাকিয়ে আছে।।।অভির চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে ব্যপারটায় সে চরম বিরক্ত।।এই ব্যাপারটায় শ্রুতির খুব হাসি পায়।।ওর দিকে কোন মেয়ে তাকালেই অভির মেজাজ গরম হয়ে যায়।।।যেন তার সাত রাজার ধন কেউ নিয়ে যাচ্ছে,,,,,,,,,,।।সবচেয়ে বেশি টেনশনে আছে কাকীমা,,,,তিনি মাথায় আইসব্যাগ বেধে বসে আছেন,,,আর চাচ্চুকে ডেকে বলছেন,,,,,"""বুঝতে পারছো রেহানের আব্বু আগে যদি জানতাম মেয়ে বিয়ে দেয়া এত ঝামেলা তাহলে মেয়ে পয়দাই করতাম না।""" শ্রুতির এসব ভালো লাগছেনা।।ওর মনে হচ্ছে ও যদি আর কতক্ষন এখানে থাকে তাহলে ও পাগল হয়ে যাবে।।।তাই ও ছাদে চলে গেল।।।ছাদে মৃদু বাতাস বইছে,,, ওর মাথা টা খুব ব্যাথা হচ্ছে এখন একটু কমে গেছে।।।কিছুদিন ধরেই ওর কিছু কিছু জিনিস আবছাভাবে মনে পড়ছে।।কিছু কিছু স্মৃতি ভেসে উঠছে মস্তিষ্কের পাতায়।।।কিছু মানুষকে মনে পড়ছে,,,, কেন হচ্ছে এসব বুঝতে পারছেনা।।।বারবার রুহি নামটা ভেসে উঠছে,,,,যেন কেউ এই নামে ডাকছে,,,,খুব চেনা লাগে এই ডাক টা।।।কিছুই বুঝছেনা ও!!! চুপচাপ আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল।।। হঠাৎ পেছন থেকে কেউ এসে ওকে পেছনে ঘুরিয়ে ঠাসস ঠাসস করে থাপ্পড় বসিয়ে দিলো ওর গালে,,,,ও পড়ে গেল।। গালে হাত দিয়ে উঠে দাঁড়াতেই দেখলো ইলা ওর সামনে দাঁড়িয়ে আছে।।।ও কিছু বলতে যাবে তার আগেই ইলা এসে প্রচণ্ড রেগে,,,, --এই মেয়ে কি মনে করিস নিজেকে??তোর মত একটা রাস্তার মেয়েকে আশ্রয় দিয়েছে বলে অনেক কিছু হয়ে গেছিস।।।তোর সাহস কি করে হয় আমাকে অপমান করার।।।রাস্তার মেয়ে কোথাকার!!যার কিনা মা বাবা কারো পরিচয় নেই।।।কেন এসেছিস আমার আর অভির মাঝে???অভিকে তোর এই রুপের জালে ফাসিয়ে সব সম্পত্তি হাতাতে চাইছিস??তুই কি ভেবেছিস আমি কিছু বুঝিনা???সারাক্ষন অভির পেছনে ঘুরঘুর করিস কেন নির্লজ্জ মেয়ে কোথাকার,,,,, --তুমি এসব কি বলছো ইলা আপু,,,,,আমি অভি ভাইয়ার পেছনে কেন ঘুরঘুর করবো??? -- চুপ!!আমার মুখে মুখে তর্ক করার সাহস কি করে হয় তোর।।।আমাকে অভি সব বলেছে।।তুই যে সারাক্ষন ওর পেছনে লেগে থাকিস।।ওর গায়ে পড়ে কথা বলতে যাস।।তোর কি মনে হয় অভি তোকে সত্যিই ভালোবাসে??ওর সাথে আমার বিয়ে ছোটবেলায় ঠিক করা হয়েছে।।ও আমাকেই ভালোবাসে।।।তোর সাথে তো শুধু টাইমপাস আর ফান করছে।।তাছাড়া তোর কি মনে হয় তোর মত আশ্রিতাকে অভি চৌধুরী ভালোবাসবে,,,একটা ভিখিরি কখনো অভি চৌধুরীর যোগ্য নয়।।।যার কিনা মা বাবা র পরিচয় নাই জন্ম পরিচয় নেই,,,, কথা গুলো শ্রুতির কলিজায় এসে বিধছে।।।চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় জল গড়িয়ে পড়ছে।।। --এরপর যেন অভির আশেপাশে তোকে না দেখি।।।যদি মানুষ হস আর লজ্জা থাকে তাহলে আমাদের মধ্যে আসবিনা।।। বলেই শ্রুতিকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় যার ফলে দেয়ালের সাথে ওর কপাল কেটে যায়।।এদিকে নেহাকে খুজতে খুজতে নিরা ছাদে আসে,,, এসে সব শুনে ফেলে।।ইলা চলে যায়।।।নিরা এসে শ্রুতিকে ধরে উঠায়।। --আপু তোমার মাথা দিয়ে তো রক্ত বের হচ্ছে।।দাড়াও আমি মেডিসিন নিয়ে আসছি।।। নিরা ওর মাথায় ওষুধ লাগিয়ে দেয়।।।শ্রুতির গালে ইলার ৪ টা আঙুলের ছাপ স্পষ্ট বসে আছে।। শ্রুতি নিরাকে বলল,,, --প্লিজ নিরা এটার কথা কাউকে বলোনা,,,,প্লিজ,, --কেন আপু?? --প্লিজ তুমি বলোনা।। --আচ্ছা,,, নিরা চলে যাওয়ার পর ও কাঁদতে থাকে।।তাহলে এসব টাইমপাস ছিল।।।সত্যই তো ও তো অভির যোগ্য না।।আর ইলার সাথে অভির বিয়ে তো ছোটবেলা থেকেই ঠিক করা।।কিন্তু শ্রুতিও তো অভিকে ভালোবেসে ফেলেছে।।।কি করবে ও এখন।।।তবুও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে যে ও আর অভি -ইলার মাঝে আসবেনা।।।আজ ওর চিৎকার করে কাদতে ইচ্ছে করছে!!চুল দিয়ে গালটাকে ভালো ভাবে ঢেকে নিয়ে নিচে চলে এলো,।।। রাতে খাবার টেবিলে,,,,,,,, অভি দেখলো শ্রুতি আসেনি।।তাই রিহাকে জিজ্ঞেস করলো শ্রুতির কথা।। --আপি শ্রুতি কোথায়?? -- ওর নাকি ক্ষিধে নেই।।শরীর খারাপ লাগছে তাই খাবেনা।।। রিহার কথা শুনে অভির খুব টেনশন হচ্ছে।।সন্ধার পরে শ্রুতিকে একবার ও দেখেনি।।।কি হলো ওর।।শরীর কি বেশি খারাপ লাগছে নাকি ওর।।।এই মেয়েটাও খুব কেয়ারলেস।।।এখন সবার সামনে উঠে ও যেতে পারছেনা।।।তাই ও একটু খেয়েই উঠে চলে যায়।।।কিন্তু শ্রুতির রুমে গিয়ে দেখে যে ও দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়েছে।।।তাই আর ডিস্টার্ব করলোনা।।।এদিকে শ্রুতি দরজা আটকে কান্না করেই যাচ্ছে।।। ***-----***---**----*---**--*--*--*-**** সকালে,,,, আজ রিহার বিয়ে সবাই খুব ব্যস্ত।।অভি ঘুম থেকে উঠেই শ্রুতির কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।।।এর মধ্যেই ওর কাকীমা এসে ওকেও রেহানের সাথে বাজারে পাঠিয়ে দিলো,,,কিছু দরকারি জিনিস লাগবে।।।তাই আর শ্রুতির কাছে যাওয়া হলোনা।।শ্রুতি ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিল।।।এর মধ্যে মেয়েরা সব পার্লারে চলে গেছে সাজার জন্য।।।পুরো বাড়ি মেয়ে শুন্য।।।শ্রুতি যায়নি।এমনকি রুম থেকেও বের হয়নি।। কারো সামনে পড়লে কি বলবে??কারন ওর গাল পুরো লালা হয়ে গেছে আর গালে আঙুলের ছাপ স্পষ্ট।।।। দেখতে দেখতে দুপুর হয়ে গেল।।অভি বাজার থেকে চলে এসেছ।।।অভি গোসল করেই শ্রুতিকে খুজতে রুমে এলো কারন ও জানে যে শ্রুতি পার্লারে যাবেনা।। শ্রুতি গোসল করে লেহেঙ্গা পড়ে ওয়াশ্রুম থেকে বেরিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়ালো।।। এমনিতে ও কখনো সাজেনা।।।কিন্তু এখন গালের দাগ তো মুছতে হবে।।তাই ও হাইলাইটার আর পাউডার বের করে যেই গালে লাগাতে যাবে তখন ই অভি রুমে এলো।।।অভি আজ খয়েরী পাঞ্জাবী পড়েছে।।।উপরের কয়েকটা বোতাম খুলে রেখেছে।।।পুরো পার্ফেক্ট লাগছে।।।অভিকে আসতে দেখেই শ্রুতি চুল দিয়ে গাল ঢেকে ফেললো।।অভি এগিয়ে এসে উদ্বিগ্ন কন্ঠে ,,,,,,,,,,, ---শ্রুতি তুমি ঠিক আছো??কাল কি হয়েছিলো??স্বাস্থ্য খারাপ লাগছে আমাকে বলোনি কেন???রাতে তোমাকে খুজেছি তুমি দরজা আটকে ঘুমিয়েছিলে।।।এখন কেমন লাগছে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে??চলো আমি নিয়ে যাচ্ছি।।।(অস্থির হয়ে) -- আরে আমি ঠিক আছি,,,, রাতে একটু মাথা ব্যাথা করছিলো।।।এখন ঠিক হয়ে গেসে।।। --তুমি যানো আমি কত ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম?? --শ্রুতি চুপ করে আছে,,,,, --চুল এভাবে সামনে দিয়ে রেখেছ কেন??তুমি তো কখনো এভাবে চুল বাধো না।।।এভাবে বিশ্রী দেখাচ্ছে ঠিক করে নাও,,,, --না আজ এভাবে বাধতে ইচ্ছে করছে,,,,তাই,,,,, (জোড় পুর্বক হাসি দিয়ে) --শ্রুতি তুমি কি কিছু লুকোচ্ছো আমার কাছে??? --না তো কি লুকোবো,,,আচ্ছা আমাকে কাকিমনি ডেকেছিলো,,,,আমি যাচ্ছি বলেই বেরিয়ে যেতে নেয়।।কিন্তু অভি পেছন থেকে হাত টেনে ধরায় মুখ থেকে চুল গুলো সরে যায়।।।গাল লাল দেখে অভির সন্দেহ হলে ও এগিয়ে এসে মুখ থেকে চুল সরিয়ে দেয়।।চুল সরিয়েই ওর মেজাজ প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়।।।চোখদুটো রাগে লাল হয়ে গেছে।।।রেগে গিয়ে শ্রুতিকে জিজ্ঞেস করলো,,,,,, --এগুলো কি শ্রুতি???মানে কি এসবের???বলো,,, চুপ করে আছো কেন??আন্সার মি,,,,,,,,,, (চিল্লিয়ে) অভির এভাবে রেগে কথা বলাতে শ্রুতি খুব ভয় পেয়ে আছে,,,,,,,, --শ্রুতি আমি তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করছি বলো,,,,,,, --ক ক কিছুনা এলার্জির কারনে লাল হয়ে আছে।।।আমার এলার্জির প্রব্লেম আছে,,,,,, --তুমি আমাকে শেখাচ্ছো??এটা এলার্জির দাগ??কে মেরেছে তোমাকে??? জাস্ট নামটা বলো,,খুন করে ফেলবো তাকে আমি,,,,, --বললাম তো এলার্জির কারনে হচ্ছে,,,,প্লিজ যেতে দিন আমায়,,,, --শ্রুতি আমাকে রাগিও না।। --উফফ ছাড়ুন আমায়।।।আমি বলছিনা কিছু হয়নি তাহলে???আর আমার মত একটা বাজে মেয়ের জন্য এমন করছেন কেন?? আমি তো বাজে মেয়ে, রাস্তার মেয়ে,,সারাক্ষন আপনার গায়ে পড়ে কথা বলি,,,,,প্লিজ জাস্ট লিভ মি,,,,,(চিৎকার করে) শ্রুতির কথা শুনে অভির মাথা আরো গরম হয়ে গেল।।।পাশে একটা টব ছিলো,,, লাথি দিয়ে ভেংগে ফেলল।।।। --কে বলেছে তোমাকে এসব??? এর মধ্যেই দরজায় শব্দ হয়ে পেছনে তাকালো দুজনেই।। তাকিয়েই,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,!!!!!!! (,চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৩২১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অশুভ রাত (পর্ব ০২ এবং শেষ)
→ ভুতুড়ে বাড়ির রহস্য (পর্ব ০২ এবং শেষ)
→ দ্যা স্ট্রেঞ্জ হান্টার (পর্ব ০২ এবং শেষ)
→ শেষ প্রেম
→ ভৌতিক গল্প: রাতের আঁধারে (শেষ পর্ব)
→ শত চাপ উপেক্ষা করে অবশেষে ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়াকে মসজিদ ঘোষনা করল তুরস্ক।
→ উপন্যাসের শেষ অংশ
→ একটি বিকেলের স্বপ্ন
→ দূরে থেকেও সে কাছে(শেষ পর্ব)
→ প্রসাব করা নিষেধ (শেষ পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...