গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হাজার কষ্ট বুকে নিয়ে ,, বলে সব ঠিক আছে ,,

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Imam(guest) (৯২৭৫ পয়েন্ট)



এই গল্পটা পরলে সত্যি চোখে পানি চলে আসবে:- ১টি ছেলে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখতে গেলো।মেয়েটা তার ভালো লাগলো। তারপর সবাই সবার সবকিছু খোজ খবর নিলো। তার ১৫ দিন পর ছেলেটার পক্ষ থেকে মানুষ জন গিয়ে মেয়েটার হাতে আংটি পড়িয়ে দেয় আর বিয়ের কথা পাকা করে আসে।তারপরে তাদের মাঝে ফোন লাভ চলতে থাকে। তার ৩ দিন পর ফোনের আলাপ আলোচন :- ছেলে:- আচ্ছা তুমি কি আরও পড়তে চাও ??? মেয়ে :- হ্যা... কারণ আমার আশা ছিলো ডাক্তার হবো। ছেলে:- ডাক্তার হলে তুমি খুশি হবে ??? মেয়ে :- হ্যা.. এটাই আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া খোদার কাছে। আর চাইলে কি সব পারবো !!! ছেলে:- কেনো ??? মেয়ে :- কারণ.. ১। আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে ২। আমার বাবার এতো টাকা নাই। ছেলে:- আমার তো আছে। তোমাকে আর কিছু দিতে পারি আর না পারি।তবে তোমার আশাটা আমি পুরন করবো !!! তুমি কি পড়তে রাজি ??? মেয়ে :- হ্যা. কিন্তু বিয়ের আর মাএ ৯ দিন বাকী..সেটার কি হবে ??? ছেলে:- এটা আমার উপর ছেড়ে দাও !!! মেয়ে :- OK. ছেলে তার ফেমিলির সবাইকে বুঝিয়ে বলে, আর সবাই রাজি হলো। মেয়ের লেখা পড়ার জন্য সব খরচ ছেলেটা দিচ্ছে এবং দেখা শুনা ঠিকমতো ছিলো কিন্তু কিছু দিন পর । মেয়ে :- আমার ১টা কথা রাখবে ??? ছেলে:- হ্যা বলো আমি কি করতে পারি ??? মেয়ে :- কিছু মনে করোনা। আমার সাথে আর দেখা করোনা !!! ছেলে:- কিন্তু কেনো ??? মেয়ে :- তোমাকে দেখলে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনা। ওদিকে আমার পরীক্ষার ২ বছর বাকী। যদি,,ফেল করি কাওকে মুখ দেখাতে পারবো না। আর তোমার টাকা ও কষ্ট বিথা যাবে। ছেলে:- OK. কিন্তু ফোনে কথা বলবে না ??? মেয়ে :- হ্যা. ছেলে:- ok. ২ বছর পর মেয়েটা পরীক্ষা দিলো এবং পাশ করলো।সেই খুশিতে মেয়ের বাড়ীতে লোকজোনে ভোরপুর।কিন্তু ছেলেটাকে বললো না ।কারণ এখন ঐ ছেলেকে স্বামী হিসেবে সবার সামনে পরিচয় করাতে পারবে না বলে ।তার ১৫ দিন পর মেয়েটা একটি চেম্বার নিয়ে বসে। তখন জানতে পেরে ছেলেটা তাকে ফোন করলে,মেয়েটা ফোন কেটে দেয় এবং বন্ধ করে দেয়। ছেলেটা তার বাড়ীতে যায় । আর মেয়ে তাকে বললো,,,,,,আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং মনে কষ্ট নিওনা,, আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না !!! ছেলে:- কেনো:??? মেয়ে :- কারণ তুমি আমার যোগ্য না এবং লেখা পড়া ও জানো না । ছেলে:- আমাদের ফেমিলি থেকে যে সব ঠিক করা ??? মেয়ে :- ওটা আগে ছিলো,,আমি এখন তা মানতে পারবোনা । ছেলে:- দু চোখ ভরা কান্না নিয়ে বললো । OK আমি তোমার জন্য কামোনা করি ভালো থেকো,,,বলে চলে আসলো। কিছু দিন পরে ছেলেটা অসুস্থ হয়ে পড়ে । আর ঐ দিকে মেয়েটা এক হাসপাতালের বড় ডাক্তার হয়।ছেলেটার অবস্থা খারাপ দেখে ঐ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঐ খানে এক ডাক্তার তাকে দেখে চিনে ফেলে,,,,আর ওর ফেমিলির সবাইকে বকা বকি করলো। কারণ অনেক লেট করে ফেলেছে। তখন মেয়েটা ঐ ডাক্তার কে বললো আপনি ওদের বকছেন কেনো ??? তখন ডাক্তার বললো এই মানুষটা আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ওর বউয়ের ডাক্তারী পড়তে টাকা লাগবে বলে ১টি কিডনী বিক্রি করলো। আমি নিষেধ করলে সে বললো আমার বউ ডাক্তার হলে আমাকে সে ভালো করে দিবে,,,,,,,তা শুনে মেয়েটার চোখ থেকে জল নেমে এলো !!! কি লাভ এখন কান্না করে,,,,,????????????????


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আমি খাবারের বিল বাদে , সবকিছু দিতে পারব ।
→ বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী সংখ্যা আর করোনা ভাইরাসের ডাক্তার সংখ্যা কী সমান?
→ করোনার প্রথম ডেউয়ে বাংলাদেশে যেসব বিশিষ্ট, গুণী ও খ্যাতনামা ব্যক্তিদের হারিয়েছি
→ করোনা প্রতিরোধে সবার আগে প্রয়োজন সচেতনতা
→ ভয়ংকর পিশাচীনির কবলে জিজেসগণ।
→ সঠিক ব্যক্তি সঠিক উপহার দেয়া অত্যান্ত বুদ্ধিমানের কাজ।
→ সঠিক ব্যক্তি সঠিক উপহার দেয়া
→ এত কষ্ট কেন বেঁচে থাকায়?
→ সব কিছুই কোন একটি কারণেই ঘটে
→ বহুকষ্টে পাওয়া ইসলাম

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...