বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসার অনুভূতি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃআলমামুন আলম আরজু (০ পয়েন্ট)



X আমি এখনো অবাক চোখে তাকিয়ে আছি ঐশির দিকে। ও এক প্রকার আমার হাত ধরে টানতে টানতেই ক্যাম্পাসের বাহিরে নিয়ে যাচ্ছে। মেয়েটা এই রকম একটা কান্ড করবে আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। ক্যাম্পাসের সবার চোখ আমাদের দুজনের দিকে। বিষয়টা কেমন যেন অদ্ভুত লাগছে আমার কাছে। . ক্যাম্পাসে বসে ছিলাম। একটু আড্ডার মধ্যে ছিলাম। যদিও আমি তেমন আড্ডা দেই না। আজ হঠাৎ করেই আবিরের জোড়াজোড়িতে একটু বসে ছিলাম। তাও আমি চুপ করে ছিলাম। হঠাৎ হুট করে ঐশিকে দেখতে পাই। ও এদিক ওদিক তাকিয়ে আমাকে দেখতে পেয়ে সামনে এসে পাথরের মত দাঁড়িয়ে থাকলো। আমি অনেকটা অবাক হলাম ওকে এইখানে দেখে। এই মেয়ে এখানে কি করে? আবিরও আমার দিকে এক নজর তাকিয়েছিল। আবিরের চেহারা দেখে মনে হলো ও নিশ্চয় ভাবছে আমার আর ঐশির মধ্যে কি যেন একটা কিছু হয়েছে। আমি ঐশিকে বললাম... . "তুমি এইখানে কি করো? "আমি কোথায় যাব কোথায় কি করবো সেটা জেনে আপনার কাজ কি? ভার্সিটিটা কি আপনার মিঃ জুনায়েদ সাহেব? . আমি নিজেকে বিশ্বাস করতে পারলাম না, এটা কি আমি ভুল শুনলাম? ও আমার নাম ধরে ডাকলো। নিজের ছাত্রী এই ভাবে নাম ধরে ডাকবে আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। তারউপর কেমন একটা রাগী রাগী ভাব নিয়ে কথা বলছিল। ওর কাধে কলেজ ব্যাগ। ভাবলাম ওর কোন আত্বীয় ভার্সিটিতে পড়ে হয়তো দেখা করতে আসছে। কিছুক্ষন চুপ করে থেকে বললাম... . "না আমার কিছু সমস্যা নেই। তোমার তো এখন কলেজে থাকার কথা। তাছাড়া তোমাকে আজ প্রথম এইখানে দেখে অবাক হয়েছি। আগে কখনো দেখিনি তো তাই। "আগে দেখেন তো কি হয়েছে? এখন থেকে আমি যখন খুশি তখন আসবো। . আমি আর কিছু বলিনি। আমার বলার প্রয়োজনও ছিল না। আরো কিছুক্ষন পর ঐশি আবার বললো "আমার সাথে চলেন।” আমি একটু ঝিম মেরে থেকে বললাম "কোথায়? "জাহান্নামে। যেতে বলছি যাবেন এতো কথা বলেন কেন? এটা বাসা না যে আপনাকে এখন কৈফিয়ত দিতে হবে। আর আপনি এখন আমার টিউটর না। যখন পড়াতে যাবেন তখন টিউটর গিরি দেখাইয়েন। . আমি কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না। অবশ্য এই মেয়ের মাথায় গন্ডগল আছে সেটা আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিলাম। কিন্তু এতটা গন্ডগল আমি জানতাম না। ক্যাম্পাসের সবার চোখ আমার দিকে ছিল। সবাই হয়তো মনে করছিল যেন একটা অন্যায় করে ফেলছি এই মেয়েটার সাথে। আমি তারপরও চুপ করে বসে ছিলাম। তখনই ও এই কান্ডটা করলো। সবার সামনে আমার হাত ধরে ধরে টানতে টানতে বাহিরে নিয়ে এলো। আমি বললাম “এটা কি ধরনের পাগলামী ঐশি?” ও নিচের দিকে তাকিয়ে বললো "জানি না।” আমি একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললাম "দেখো তোমার কি মনে হয় না, তুমি একটু বেশি বাড়াবাড়ি করেছো? . ঐশি চুপ করে থাকলো কিছু বললো না। ও এখনো আমার হাত ধরে আছে। ক্যাম্পাসের বাহিরে একটু দুরেই একটা পুকুর আছে ঐখানে এসে পৌছালাম। ও বসতে বললো। আমি চুপচাপ অবাধ্য ছেলের মত বসে পরলাম। কিন্তু আমি বসলাম কেন? ওর কথাই বা শুনছি কেন? ওকে তো আমার ঝাড়ি দেওয়া দরকার বা একটা কষে চড় লাগানো দরকার। আমি বসাতেই ও বললো "আপনি না খেয়ে আছেন আমাকে একটু বলা যেত না? আপনি এমন কেন হু? আপনি বুঝেন না ?” আমি যেন আকাশ থেকে মাটিতে পড়লাম। আমি না খেয়ে আছি ঐশি কি করে জানলো? আপনি বুঝেন না? ওর এই কথাটার মধ্যে একটা কিছু আছে। আসলে কথা সত্য সকাল থেকে কিছু খাইনি। আমি একটা মেসে থাকি। কয়েকটা টিউশনি করে মেস ভাড়া আর খাওয়া দাওযা আর পড়ালেখার খরচটা হয়ে যায়। তবে মাসের শেষের দিকে একটু সমস্যা হয়। আজ মাসের এক তারিখ। পকেটে কোন টাকা নেই। এই কয়েক দিন একটু কষ্ট করেই চলতে হবে। টিউশনির টাকা পেতে আরো পাচঁ ছয় দিন তা তো লাগবেই।এই পাচঁ ছয় দিন কিভাবে দিন গুলা কাটবে সেটা নিয়ে একটু গম্ভীর ছিলাম। কিন্তু সকালে যে কিছু খাইনি ঐশি এটা জানে কিভাবে? তাহলে আমি যেটা ভাবছি সেটা নাতো? কিন্তু কি করে সম্ভব এটা? . আজ সকালে ফেবুতে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছি... ক্ষুধার্ত পেট নিয়ে ভার্সিটিতে যাচ্ছি। ... আমার আইডিতে তো ঐশি এড নেই। কারন ওকে তো আমি ব্লক লিস্টে রেখেছি। তাহলে কি ও আমাকে অন্য আইডি দিয়ে ফলো করে? এই তো কয়েক মাস আগে ঐশিকে পড়াচ্ছিলাম হঠাৎ ও বললো... . "জুনায়েদ ভাইয়া আপনার ফেসবুক আইডি আছে? "না নেই পড়ো। এই প্রথম তোমার মুখে ফেসবুক শব্দটা শুনলাম। এটা আবার কি? . যদিও কথাটা মিথ্যে ছিল। এই কথা শুনে ও একটু অবাক হয়। আমার একটা ফেসবুক আইডি আছে। আমি যদি ওকে বলতাম হ্যাঁ আছে। তারপর ও আমার আইডির নাম চাইবে এড হতে চাইবে। যেটা আমি চাই না। কারন এই টিউশনিটা আমি হারাতে চাই ছিলাম না। আমার খরচের প্রায় তিনভাগের দুই ভাগই এই টিউশনিটা থেকে আসে। এই কথা ভাবছি ঐশির মা ঐশির ছোট ভাইকে দিয়ে আমায় ডাক দিল। আমি মোবাইলটা টেবিলে রেখেই ঐশির মায়ের কথা শুনতে গিয়েছিলাম। আসলে বেতন নেওয়ার জন্য ডাক দিয়েছিল। বেতনটা নিয়ে আমি আবার পড়ার টেবিলে আসছিলাম। এরপরের দিন পড়াতে আসলাম। ঐশি আমাকে দেখেই হাসতে শুরু করলো। আমি কিছু বুঝতে পারিনি কেন হাসছিল। পড়াচ্ছি পড়ার মাঝ খানেও হাসতে শুরু করলো। আমার একটু খারাপ লাগছিল ওর এমন কান্ড দেখে। বলেছিলাম..."কি সমস্যা তোমার? থাপ্পর দিয়ে দাঁত ফেলে দিব। ফাইযলামি করো আমার সাথে। পড়ো বলছি।” ও তারপরও হাসতে লাগলো। এরপর বললো.. . "আপনি নাকি প্রেম করতে গিয়ে গতকাল রাতে কুকুরের দৌড়ানি খেয়েছেন? হি হি হি . আমি গাধার মত মনে মনে বলেছিলাম আরে এই ফাযিল মেয়ে বলে কি? আমি কিছু বুঝতে পারছিলাম না।তারপর বলেছিলাম "কি সব আজগুবি কথা বলতেছো? "আজগুবি না। আপনার ফেবু আইডি আছে আমাকে মিথ্যে বললেন কেন? আপনার গল্প গুলা খুব সুন্দর। আমি হাসতে হাসতে শেষ। হি হি হি। . আমি যে ফেবুতে গল্প লিখি ঐশির তো এটা জানার কথা না। হ্যাঁ গতকাল একটা গল্প লিখেছিলাম প্রেম করতে গিয়ে কুকুরের দৌড়ানি খেয়েছি। কিন্তু ও আমার আইডি পেল কোথায়? চিন্তা করে দেখলাম মোবাইলটা টেবিলে রেখে বেতন আনতে গিয়েছিলাম। আমার সব কিছু ক্লিয়ার হয়ে গিয়েছিল। আমি আইডিতে লগ আউট না করেই আইডিতে ঢুকি আর বের হই। বার বার ই-মেইল আর পাসওয়ার্ড টাইপ করতে ভাল লাগে না। বাসায় এসে ওর নামে সার্চ দেয়া মাত্রই অনেক গুলা আইডি পেলাম কোনটা ওর আইডি প্রথমে বুঝলাম না। ঐশি নামের সব আইডি ব্লক করেছিলাম। তারপর আরেকটা আইডি পেলাম যেটা ওর কলেজ, স্কুল এবং ইনফো সব মিলে গেল। ফটো চেক করলাম যদিও ওর ফটো নেই কিন্তু ওর ছোট ভাইয়ের ফটো দেখতে পেয়ে নিশ্চিত হয়ে ব্লক করেছিলাম। . "এই যে নিন খান। ঐশি ওর ব্যাগ থেকে একটা টিফিন বক্স বের করে আমার দিকে বাড়িযে দিল। কয়েকটা রুটি আর কয়েক টুকরো গোস্ত আর ঝোল। আমি কি বলবো বুঝতে পারছি না। শুধু খাবারের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। . "খাচ্ছেন না কেন? খাইয়ে দিতে হবে নাকি? . আমি ওর দিকে তাঁকালাম। তারপর খাবারের দিকে তাকালাম। খাবার গুলা যেন আমার জন্য অপেক্ষা করছে। এমনিতে পেটে ক্ষিধে লাগছে। পরে যা হবার হবে আগে খেয়েনি। মেয়েটা সখ করে এনেছে। আহারে। যখন আমি রুটিটা ছিড়ে খাচ্ছি তখন ঐশি আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো। ওর চোখে পানি জমার দৃশ্য দেখলাম। কি বলবো আমি বুঝতে পারছি না। ও একটু কান্না সুরে আবার বললো... . "কি হলো বাকিটুকুও খান। থামলেন কেন? এর পর থেকে না খেয়ে থাকবেন না। আমাকে বলবেন। . আমি যেদিন ওকে ব্লক করি এর পরের দিন ও খুব অস্বাভাবিক আচরণ করলো। চেহারা খুব মন মালিন্য ছিল। আমি স্পশ্ট দেখলাম ওর চেহারায় মন খারাপের আভা তৈরি হয়ে আছে। ঐদিন একদম পড়ায় মনোযোগ দেয়নি। এই রকম তিন চার দিন একই রকম আচরণ করলো। যদিও আমাকে কিছু বলেনি। আমি ঠিকি বুঝতে পেরেছিলাম। . আমার খাওয়া শেষে ঐশি যেটা করলো আমি সেটার জন্য একদুম প্রস্তুত ছিলাম না। ঐশি তার ওড়না দিয়ে আমার মুখ মুছে দিল। সত্যি আমি এটা কল্পনা করিনি। ঐশির চেহারায় একটা মায়া মায় ভাব লুকিয়ে থাকে। আমি কখনো ওর চোখের দিকে ভাল করে তাকাইও নি। ওর চোখে কি যেন আছে সেটা আজ বুঝলাম।আমি বললাম "আমি যে না খেয়ে আছি। তুমি কি করে জানলে?” ও খানিক্ষন চুপ করে থাকলো। এরপর একটু রাগান্বীত হয়ে বললো "কি জন্য জানতে চাচ্ছেন? ব্লক করবেন? করেন ঐ আইডিটা তো ব্লক করেছেন। এটাও করবেন। আইডির নাম [ নী...... ] । আরেকটা কথা শুনে রাখেন আপনাকে আমি দুর থেকেই আগলে রাখবো। আগলে রাখা বুঝেন? যাকে ভালো লাগার মাঝে রাখা হয়।” ও এই কথাটা বলেই কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল। আমার এখনো ওর এই কথাটা বিশ্বাস হচ্ছে না। . সন্ধ্যার দিকে ওকে পড়াতে গেলাম। গিয়ে দেখি বাসায় শুধু বুয়া। কিন্তু ঘরের অবস্হা খুব খারাপ। সব কিছু এলোমেলো। বুয়াকে জিজ্ঞেস করলাম... . "ঘরের এই অবস্হা কেন? "ঐশি মামনির কি যেন হইছে। ঘরের বেভাগ কিছু ভাংগা শেষ কইরা লাইছে। অহন হাসপাতালো। "কেন কি হয়েছে? "হাত কাইটা গেছে। ইশ কি রক্ত। . আমি মেঝেতেও রক্তের ফোটা দেখলাম। এই সব কিছুর জন্য আমি দায়ী। হাসপাতালের ঠিকানাটা বুয়ার কাছ থেকে নিলাম। হাসপাতালে যাব কি যাব না ভাবতে ভাবতে চলেই গেলাম। আমাকে ঐশির বাবা মা দেখে কেমন করে যেন তাকিয়ে ছিল। তাহলে ঐশি কি? আমি আরেকটু সামনে যেতেই ঐশির মা আমাকে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো "বাবা তোমায় অনুরোধ করে বলছি তুমি লেখালেখি বন্ধ করো না। আমার মেয়ের মুখটার দিকে তাকিয়ে অন্তত লেখালেখিটা ছেড়ো না। . আমি আজকে শুধু অবাকই হচ্ছি। ঐশি সকাল বেলা যাওয়ার পর ওর দ্বিত্বীয় আইডিটাও ব্লক দেই। কোন উপায় ছিল না। কারন এই টিউশনিটা হারাতে চাই না। ওকে ব্লক দিয়েই বিকেলের দিকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম আর লেখালেখি করবো না। কিন্তু এই মেয়েটা যে আরেকটা আইডি দিয়ে আমায় ফলো করবে আমার বুঝতে বাকি রইলো না। আমি ভাবছিলাম এই গুলা ওর পাগলামি কিন্তু এই পাগলামীর সীমা এতটাই বেড়ে যাবে আমার জানা ছিল না। ঐশির বাবা কিছু বললো না। আমি বললাম... . "আন্টি আমি কি একটু ভিতরে যেতে পারবো? . ঐশির মা যাও বলে আর কিছু বললো না। আমি কেবিনে ঢুকতেই ঐশি আমাকে দেখে কাঁদতে লাগলো। ওর বাম হাতে ব্যান্ডেজ। ও কাঁদতে কাঁদতে বললো... . "আপনি কেন লেখালেখি ছাড়বেন? "আগে বলো তোমার কয়টা আইডি? কয়টা আইডি দিয়ে আমাকে ফলো করো? . ও একটু চুপ করে নিচের দিকে তাকিয়ে বললো... পাচঁটা। . আমি একটা হাসি দিয়ে একটু মজা করে বললাম.. "আমি তো পাচঁ জনের সাথে প্রেম করতে পারবো না। . আমার কথাটা শুনে ওর চেহারায় হাসির দৃশ্য দেখলাম। তারপর বললো . "তোমাকে পাঁচ জনের সাথে প্রেম করতে দিলে তো? "একটু মাত্র প্রশ্রয় দিলাম অমনি আপনি থেকে একে বারে তুমি? . ও আর কিছু না বলে আমায় ডান হাতে ধরে বলতে লাগলো... . "আমার মাথায় হাত রেখে বলো লেখালেখি ছাড়বে না? "হুম "হুম কি? শোনো এইবার কিন্তু তোমার সব গল্পের নায়িকা শুধু ঐশি হবে আর কেউ না। আমার বুঝি রাগ হয় না, অন্যদের নিয়ে তুমি গল্প লিখো। . ঐশির মা একটা কাশি দিয়ে কেবিনে ঢুকতেই ঐশি স্বাভাবিক হয়ে দাড়ালো। ঐশির মা বললো.. . "জুনায়েদকে তোর আগে থেকে পছন্দ সেটা আমাকে বললেই পারতিস। এইগুলা করার কোন মানে হয়? . আমি একটু হাসলাম। আর ভাবলাম এই মেয়েটা কিভাবে আমায় লুকিয়ে লুকিয়ে এতোটা ভালোবেসে আসছে হুম???


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৫৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভালোবাসার মিষ্টি অনুভূতি
→ ভালোবাসার অনুভূতি ২য় এবং শেষ
→ ভালোবাসার অনুভূতি ০১
→ ভালোবাসার অনুভূতি...
→ ভালোবাসার অনুভূতি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...