গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
নোটিসঃ কর্টেসি ছাড়া গল্প পাবলিশ করা হবেনা । আপনারা গল্পের ঝুড়ির নিয়ম পড়ে নেন ।

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

গনতান্এীক শাসনব্যবস্হা কী সমর্থন করে ইসলাম ধর্ম?????

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান RONI[EAGLES OF THE DESERT] (১৫৩ পয়েন্ট)



গনতান্এীক শাসনব্যবস্হা বিশ্বের অনেক দেশের সাথে সাথে বাংলাদেশেও বিদ্যমান।গনতান্এীক শাসন ব্যবস্হা কী সমর্থন করে ইসলাম ধর্ম? গনতান্এীক শাসন ব্যবস্হা ইসলাম ধর্মও সমর্থন করে।কিন্তুু গনতান্এীক শাসন ব্যবস্হার কিছু কিছু বিষয় ইসলামি বিশ্বাস ও আমাদের ইমান ও আকিদার পরিপন্হি। সে বিষয়ে পরে বলছি। গনতান্এীক শাসন ব্যবস্হা যে ইসলাম ধর্ম সমর্থন করে আমরা তার প্রমান পাই নবী সা. মৃত্যুের আগে বলেগিয়েছিলেন আমার পরে তুমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি যোগ্য তাকেই তুমরা নেতা নির্বাচন করবে। অতঃপর আবুবক্কর সিদ্দিক রা. নেতা নির্বাচন হলো।সেই ধারাবাহিকতা চলল আলী রা. পর্যন্ত।তার মৃত্যেুবরনের পর খিলাফত নিয়ে সমস্যা তৈরি হলো। অতঃপর মুয়াবিয়া রা. কর্তৃক উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হলো ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে।সেই থেকে গনতান্এীক শাসনব্যবস্হার ইতি গটল। তারপর একে একে আব্বাসীয় খিলাফত, অটোমেন বা উসমানীয় খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হলো। আজ কোন খিলাফত নেই কিন্তুু রয়েগেছে নবী সা. প্রবর্তিত সেই গনতান্এীক ব্যবস্হা। এই ব্যবস্হায় রাষ্ট্রের সকল জনগনকে অবশ্যই সঠিক সিদ্বান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে তা নাহলে বার বার অযোগ্য লোক ক্ষমতায় আসবে। আবার জনগন সঠিক নেতৃত্ব চিনতে না পারলে তারা সঠিক নেতৃত্ব হারাবে।তাই গনতান্এীক শাসন ব্যবস্হার এটা একটা সমস্যা। এরিস্টেটল হয়ত এজন্যই বলেছিলেন:: গনতান্এিক শাসন ব্যবস্হা হলো মূর্খের ন্যায় অযোগ্য শাসনব্যবস্হা। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ও বলে দিয়েছেন আমরা যেন নির্বোদের হাতে ক্ষমতা তুলে না দেই। আল কোরআনের সূরা আন নিসার ৫ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন:: আল্লাহ তায়ালা যে সম্পদকে তুমাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য দিয়েছেন তা তোমরা নির্বোদদের নিকট সমর্পন কর না। তাই এই ব্যবস্হায় জনগন যদি সঠিক সিদ্বান্ত নিতে অক্ষম হয় তাহলে অযোগ্য লোক বারবার ক্ষমতায় আসে। যোগ্য লোকেরা নেতৃত্ব পায় না। এই ব্যবস্হার মূল সমস্যা হলো এই সরকার ব্যবস্হায় জনগনকে সকল ক্ষমতার উৎসহ মনে করা হয় অতঃপর সরকারকে সার্বভৌমত্ব ক্ষমতার অধিকারি মনে করা হয়। এটা আমাদের ইমান ও আকিদার পরিপন্হী বিষয়।এটা মন থেকে বিশ্বাস করা যাবে না। তবে আমরা অধিকাংশই যেহুতু স্টুডেন্ট তাই পরিক্ষায় নাম্বারের জন্য লিখতে পারেন কিন্তুু মন থেকে বিশ্বাস করবেন না। কারন সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারি একমাএ মহান আল্লাহ তায়ালাই। এই বিষয়টা আলকোরআনের বিভিন্ন জায়গায় বারবার এসেছে। মহান আল্লাহ তায়ালা আল কোরআনের সূরা আল ইমরানের ১৫৪ নং আয়াতে বলেন::: তারা বলে হুকুমদানে আমাদের কোন অধিকার আছে কী? বলুন মুহাম্মদ সা. হুকুমদানের সার্বভৌম ক্ষমতা একমাএ আল্লাহর। এই সূরারা ২৬ নং আয়াতে এসেছে::: বলুন! হে আল্লাহ সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক একমাএ তুমি। সুতরাং উক্ত আয়াতগুলোতে প্রমানিত হয় সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারি একমাএ আল্লাহ। জনগন কিংবা সরকার নয়। হজ্জে গিয়েও হাজীরা বারবার এটাই বলে:: লাব্বায়িক আল্লাহুমা লাব্বায়িক, লাব্বায়িক লা-শারিকালাকা লাব্বায়িক, ইন্নাল হামদা, ওয়া ইন্না মাতাআ, লাতাওয়াল মুলক লা শারিকালা। অর্থাৎ হে আল্লাহ আমি হাজির, সকল সম্রাজ্য আপনার আর আপনিই একমাএ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারি। সুতরাং সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক একমাএ আল্লাহ ব্যতিত আর কাউকেই মনে করা যাবে না। আর রাষ্ট্রের প্রতি নেতার প্রতি আনুগত্যর শিক্ষা দেয় ইসলাম। আমাদের অনেক ভাই অনেক সময় দেশকে নিয়ে নেতাকে নিয়ে ঠাট্রা,বিদ্রুপ করে দেশ ছেড়ে চলে যাবে ইত্যাদি এসব বলে। ভালো মানুষ দেখাতে গিয়ে সে যে কতবড় ভুল করে তা সে নিজেও জানে না। সে কিসের মুসলমান দাবি করে নিজেকে সে তো কুরআনের আয়াতই মানে না। মহান আল্লাহ তায়ালা আল কোরআনের সূরা আন নিসার ৫৯ নং আয়াতে বলেন::: তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রাসূলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের নেতার। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের দেশকে ভালোবাসার তৈফিক দান করুন এবং দেশের ও নেতার আনুগত্য করার তৌফিক দান করুন। আমিন। তাই বলে নেতার অন্যায় কাজে আনুগত্য বা সমর্থন করা যাবে না। এটা স্পষ্ট ভাবে নিষেদ করে ইসলাম। মহান আল্লাহ আমাদের সহিহ বুঝ দান করুক। আমিন ................................ সমাপ্ত....................... বি.দ্র::: মানুষ ভুল ক্রটির উর্ধ্বে নয়। তাই গল্পে কোন ভুল ক্রটি থাকলে ক্ষমা করবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৪৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সবার জন্য ভালো গল্প : ইসলামী সমাজের নৈতিক ভিত্তি
→ আল্লাহ যা করেন মঙ্গলের জন্যই করেন
→ টাইটানিক কী আসলেই ডুবেছিল?(পর্ব ১)
→ টাইটানিক কী আসলেই ডুবেছিল?(পর্ব ২)
→ ফস্কা গেরো – আর্থার সি. ক্লার্ক বাংলা অনুবাদ -আবিরুল ইসলাম আবির।
→ যখন পরিবর্তন অদ্ভুত মনে হয় তখন কী করা উচিত
→ বেকিং সোডা যেভাবে কাজ করে
→ শত চাপ উপেক্ষা করে অবশেষে ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়াকে মসজিদ ঘোষনা করল তুরস্ক।
→ ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে যেসব খাবার
→ জ্বীনেরাকি মৃত্যুবরণ করে?তাদের সম্পর্কে।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...