বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমি শিয়া নাকি সুন্নি???

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Refat Ahmed (২ পয়েন্ট)



X কাফেরদের এখন আমি আর কোন দোষ দেই না। তাদের ধর্মই এটা সবসময় মুসলীমদের উপর অত্যাচার আর নির্যাতন করবেই।আজকে আমাদের এতো অধঃপতনের কারন আমরা নিজেরাই। আজকে আমি বিচার করি কে শিয়া আর কে সুন্নি। আচ্ছা একজন শিয়া হলেই তার ধর্ম কী আলাদা? তার প্রভু কী আলাদা? তার নবীকি আলাদা? তাহলে এই বিভেদ কেন? অতছ চিৎকার করে বলি দুনিয়ার মুসলীম এক হও।এটা কোন কথা হলো। দুনিয়ার মুসলীম এক হবে কিভাবে? যখন আমরাই তাদের ধূরে সড়িয়ে দিচ্ছি।মুসলীমদের মুক্তির পথ তখনই উন্মোচন হবে যখন আমরা বিশ্ব মুসলীম উম্মাহ একটি স্তম্ভের ন্যায় হবো।আর তখনই আমরা আবারও বিশ্বব্যপি জয়ী হবো।তার আগে কোনভাবেই নয়। আমাদের সুন্নিদের কাছে শিয়া নামটা একটা ঘৃনার লজ্জার আবার তাদের কাছেও এমনি। হুম শিয়ারা নিঃসন্ধেহে ভুল পথে হাটছে এখন তাই বলে আমরাও সেই পথে হাটব? তাহলে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? যেখানে সারা বিশ্বে আমাদের অবস্হা অত্যন্ত শোচনীয় সেখানে মুসলীম ঐক্য ছাড়া কী উপায় আছে? হুম হক বাতিল এক পথে এক লক্ষে চলতে পারে না কখনই কিন্তুু বাতিল কী হক পথে আসতে পারে না? তারা তো ইসলাম ধর্মেরই অনুসারি। যেমন আপনি ধরুন:: মসজিদে নামায পড়ার সময় এক বাচ্চা পিছনে দাড়িয়ে হাসছে আর নামায পড়ছে। নামায শেষে ইমাম সাহেব বাচ্চাটির কাছে এসেই লাগাল এক চড় আর বলল বেয়াদপ মসজিদে এসে হাসছিস আরেকদিন যদি দেখি তোকে মসজিদে খবর আছে। এখন বলুন ছোট ঐ বাচ্চা কী আরও মসজিদে আসবে? আবার পরেরদিন ইমাম সাহেব ঐ বাচ্চাকে গিয়ে বলল বাবা মসজিদে যাবে এই বয়স থেকেই তো অভ্যাস করতে হবে। বলুন ঐ বাচ্চা কী আরও মসজিদে যাবে?? কারন সে ভয় পেয়ে গেছে চড় খেয়ে। অতছ সেদিন যদি ইমাম সাহেব চড় না দিয়ে বুঝিয়ে বলত দেখ এটা হাসার জায়গা নয় ইবাদাত করার জায়গা আর হাসবে না কেমন? তাহলে ঐ বাচ্চা কিন্তুু মসজিদেও যেত আর হাসতোও না। ঠিক তেমনি আমরা মুখে বলছি দুনিয়ার মুসলীম এক হও। অতছ আমরা শিয়া, সুন্নি ভিবেদে কালবিলম্ব করি না। তাদের দূরে সড়িয়ে রাখি। এটা সত্যি কিছু শিয়াদের মধ্যে কুফুরি মতবাদ বিদ্যমান।তারা কী করবে? পূর্বপূরুষ থেকে এটা প্রাপ্য। যদি সারা বিশ্বে হাজার হাজার বিদর্মীরা তাদের নিজ ধর্ম ত্যাগ করে মুসলীম হতে পারে তাহলে তাদের বুঝ দেওয়ার মাধ্যমে তারা কেন কুফুরি মতবাদ ছাড়তে পারবে না? অতছ ঐটা না করে আমরা তাদের কাফের বলে আশপাশে আসতে দেই না। তাহলে কেমনে আমরা মুসলীম ঐক্যের কথা বলি? এটা শুধুই স্বপ্ন। এমন স্বপ্ন যা ছোট ছোট বাচ্চারা দেখে যার কোন ভিওি নেই। ডা. মাহতির মুহাম্মদ ঠিকই বলেছিলেন:: যখন ইউরোপিয়রা জ্ঞান- বিজ্ঞানে এগিয়ে যাচ্ছিল তখন আমরা কোন টুপি দেওয়া যায়েজ গোল টুপি নাকি লম্বা টুপি দেওয়া। এসব করেছি। এজ্যেই আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে পরা জাতি। অথচ সকল জ্ঞান-বিজ্ঞানের সূচনাকারি মুসলীমরাই। ঠিক তেমনি যখন মুসলীমদের অস্তিত্ব বিলুপ্তির মুখে তখন আমরা একে অপরের ভুল ধরায় ব্যস্ত। আজকে বিদর্মিরা কী কে শিয়া আর কে সুন্নি এটা ভেবে নির্যাতন করছে? তাহলে ইরাকে তারা তো শিয়া তাদের উপর নির্যাতন হচ্ছে সেইসাথে সিরিয়া, ফিলিস্তিন,কাশ্মির,চীন,ভারত, মায়ানমার এসব মুসলীমরা তো সুন্নি তাহলে তাদের উপর কেন নির্যাতন করা হচ্ছে? যখন তারা দেখছে কে মুসলীম তাহলে আমরা কেন দেখছি কে সুন্নি আর কে শিয়া?মুসলিমদের মধ্যে কেন এই ভিবেদের রেখা? এতে কাফেরদেরই সবচেয়ে বেশি লাভ হচ্ছে এটা কেন আমাদের দেশগুলোর মুসলীম নেতারা বুঝতে পারছে না। আজকে যাদের কাছে ক্ষমতা তারা নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্যে কাফেরদের গোলামি করতে ব্যস্ত। ক্ষমতার লোভ ঝেকে বসে আসে আমাদের মুসলীম নেতাদের মনে যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে কাশ্মীর,সিরিয়া, ফিলিস্তিনে থাকা মুসলীম দেশগুলোর।এক খন্ড কালো মেঘের আগমন গঠেছে বিশ্ব মুসলীম উম্মার সোনালী আকাশে।তবে সবকিছুর শুরু যেমন আছে তেমনি তার শেষও আছে। হয়ত আমরা ভোরের ঠিক আগ মূহূর্তে দাড়িয়ে আছি। একটু পরেই হয়ত নতুন সূর্য তার আলো ছড়ানোর জন্যে অপেক্ষা করছে। যাইহোক মুসলীমদের জয় চিরন্তন। পৃথিবীর সমস্ত ভূমি মুসলীমদের জন্মভূমি। কবি আল্লামা ইকবাল যেমনটা বলেছেন:: আমরা তরবারির ছায়ায় বেড়ে উঠেছি। আমাদের ভয় কিংবা শত নির্যাতন করেও দমিয়ে রাখা যাবে না।আমাদের স্বাধীনতার সূর্য আবারও ইনশাল্লাহ একদিন সারা বিশ্বব্যপি উঠবে আমাদের ন্যায়বিচারের কাহিনী আবারও ইনশাল্লাহ সাত আসমান পর্যন্ত ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হবে। [বি.দ্র:: কিছু বিষয় নতুন করে যোগ করা হয়েছে] ..................................সমাপ্ত..................... ভুল ক্রটিসমূহ ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯১২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...