গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
জিজে রাইটারদের জন্য সুঃখবর ! এবারের বই মেলায় আমরা জিজের গল্পের বই বের করতেছি ! আর সেই বইয়ে থাকবে আপনাদের লেখা দেওয়ার সুযোগ! থাকবে লেখক লিস্টে নামও ! খুব তারাতারি আমাদের লেখা নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

নয় নম্বর বাড়ি--(০২))

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উড়ন্ত পায়রা (০ পয়েন্ট)



রৌদ্রময়ীর জীবনের পাতা থেকে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর পূর্বের মৃত্যুরহস্য ভৌতিকভাবে ধরা দিতে থাকলো পাড়াপড়শির ভাবনাতে । কেশবতী, আয়তলোচনা রৌদ্রময়ীর আত্নহননের কিছুক্ষণ পর‌‌ই লাশটি পূর্বের বেলকুনির নিচের পিচঢালা জায়গা থেকে সরিয়ে নিয়ে দাফন কাজ করার জন্য পরিবারের খোঁজ হলো। কিন্তু কোনো সন্ধান পাওয়া গেল না । তাই বিনা জানাজায় দাফন সম্পন্ন হলো। আর পুলিশি তদন্ত এবারো নিশ্চুপ দর্শনীয় হয়ে থাকলো। রৌদ্রময়ীর আত্নহত্যার নয় দিন পর থেকে গ্রীন রোডের নয় নম্বর বাড়িটা পরিচিত হতে থাকল ভূতের বাড়ি নামে। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়িটিতে চলতে থাকে পরাবাস্তব সব ঘটনাবলির বিপুল পসরা। রাত বারোটা নয় মিনিট;;; এক তীক্ষ্ণ হাসির শব্দ ভেসে আসছে পূর্বের ঘরের বেলকুনি থেকে। অসম্ভব সুন্দর আর জীবন্ত হাসি। যা এই ব্যস্ত নগরীতে দুষ্প্রাপ্য। ধীরে ধীরে হাসির রেশ মিলিয়ে গেল রেশমি চুড়ির ঝংকার আর ঘুঘুঙের মনভোলানো তালে‌। অপুর্ব নিত্যশৈলীতে মোহিত হচ্ছে পূর্বের ঘর। হাস্যরসাত্মক মন্তব্য ছুঁয়ে যাচ্ছে চুড়ির তান। হঠাৎ সব জমকালো ঝলমলে আলো শব্দ মরুর মরীচিকার মতো অদৃশ্য হয়ে যায় গগনবিদারী হাহাকার আর কান্নার রোলে। কিছু ঘৃণার শব্দগুচ্ছ উচ্চারণ আর দোষারোপ। ছেলে কন্ঠে:::: কেন মারলে রৌদ্রতা ? মেয়ে কন্ঠ::::: আমিও তো মরে গেছি।তুমি জীবিত থাকতে আত্না মারা গেছে । আর তোমার পর শরীর সহ মারা গেছি। ছেলে কন্ঠে::: এখন ও ঘৃণা করো ? মেয়ে কন্ঠ::: করতাম। তবে এখন আর করিনা। কারণ প্রতিশোধ নিতে পেরেছি। ছেলে কন্ঠে:::: আবারো শুরু করা যায় না ? আর ভুল করবো না । । মেয়ে কন্ঠ:::: এখন আমরা মৃত। এরপর আবার চলছে সুরের নুপুরের তাল। আর মাঝে মাঝে আত্নচিৎকার। এভাবেই প্রতিরাত গভীরতর হয়ে ভোর হয় । সারারাতের এইসব অশরীরী তান্ডবের জন্য এখন এটা ভূতের বাড়ি। আর ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে গগনবিদারী চিৎকার এই ভাবনায় আরো গভীর বাস্তবতা যোগ করে সবার বিশ্বাস দৃঢ় করে। অন্য এক রাতে ;;;; ছেলে কন্ঠে:::: তোমার মনে আছে দিনগুলি যা ছিল ভীষণ অগোছালো আর সুন্দর? মেয়ে কন্ঠ:::: হুম। তবে আর ওসব ভাবিও না । এখন আমরা মৃত। ছেলে কন্ঠে:::: তবুও ভাববো আজ। না কোরো না । তোমার ঘৃণার কারণ আবার বুঝতে চাই গভীরভাবে। কেন মারলে আমার পুরো পরিবারকে আর আমাকে মেরে নিজেও মরলে? মেয়ে কন্ঠ;:আমি তোমাকে মেরেছি। তাও মৃত্যুর পরও তোমায় ঘিরে আছি। ছেলে কন্ঠে::: চলে যাও। মেয়ে কন্ঠ::: জানাযা হয়নি আমার । সবসময় কষ্ট পেলাম। আমার যদি জীবন পেতাম ,,তোমায় নিয়ে ঘর বাঁধতাম। ছেলে কন্ঠে::: এখন আমরা মৃত। গ্রীন রোডের নয় নাম্বার বাড়িটা ভূতের বাড়ি হলেও এক অনুসন্ধিৎসু মেয়ে এলো এই পরিবারের মৃত্যু রহস্য উদঘাটন করতে । খুনী কে জানতে হবে। আর ভৌতিক কারণ কি । নয় ডিসেম্বর মেয়ে টি আসলো এক বিরাট ব্যাগ হাতে । নীলাম্বরি । সাথে এলো অনুনাভ,নীলাম্বরির ভালোবাসার মানুষ। তারা এসেই সরাসরি পূর্বের ঘরে গেল । তালাভাঙ্গা আলমারিতে দেখতে পেল একথাক শাড়ি আর শার্ট প্যান্ট ‌ । ঘরটা দেখে বোঝা যাচ্ছে কোনো বিবাহিত দম্পতির পরম আনন্দে সাজানো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫১৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হতাশা নয়, মুমিনের চরিত্র হবে আশাবাদী
→ দূরবলকে অবহেলা করা ঠিক নয়
→ {{{ঝগড়াটে নম্বর ওয়ান}}}
→ নয় নম্বর বাড়ি--(০৩))[বাকি অংশ]
→ নয় নম্বর বাড়ি--(০৩))
→ নয় নম্বর বাড়ি --(০১))
→ নয়ন
→ " ষোল নম্বর ফটিক ঘোষ "(৪)
→ " ষোল নম্বর ফটিক ঘোষ "(৩)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...