গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
নোটিসঃ কর্টেসি ছাড়া গল্প পাবলিশ করা হবেনা । আপনারা গল্পের ঝুড়ির নিয়ম পড়ে নেন ।

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

মেজোভাইয়ের স্মৃতি ২

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Nupur(guest) (২২৫৯ পয়েন্ট)



অতঃপর আমারা সেগুলি রিসিভ করার জন্য রাত দশটায় জিয়া বিমান বন্দরে এলাম। রাত সাড়ে এগারাটায় লন্ডন হিথ্রো এয়ারলাইন্স- এর বিমানটি ঢাকার মাটিতে ল্যান্ড করে। মেজদার বন্ধুর অপেক্ষায় আমি,আমার বড় ভাই ও বৌদি পথ চেয়ে আছি। সবার সাথে তিনিও বেরিয়ে আসলেন। আমাদের মুখে আনন্দের ঢেউ বয়ে গেল।কিন্তু এই আনন্দ ক্ষণিকের জন্য।চেয়ে দেখি তার মাথা নিচের দিকে, চোখে জল। মুখে কোনো ভাষা নেই।আমি চিৎকার করে উঠলাম আপনার কি হয়েছে? এমন করছেন কেন? আমার ভাইয়ের খবর কি? কিন্তু তিনি নির্বাক। তিনি আমাদের ভাইয়ের সম্পর্কে কিছু বললেন না।একসময় তিনি আমাদের ইশারা করে তাকে অনুসরণ করতে করলেন। আমরা আতংকিত অবস্থায় পিছু নিলাম। একসময় তিনিও থেমে গেলেন, আমরাও তার সাথে সাথে থেমে গেলাম। কিছুক্ষণ পর আমাদের সামনে সাদা কফিনে ঢাকা বাক্স আনা হলো।আমার আর বুঝত্ব বাকি রইলনা যে এটা কার লাশ। আমার বড় ভাই আর্তচিৎকারে ঝাপিয়ে পড়ল লাশ সমেত বাক্সের উপর।আমি পাথর হয়ে পড়লাম। কিন্তু ভেতরের বোবা কান্না আমাকে দারিয়ে থাকতে দিল না।আমি সেন্স হারালাম।কতক্ষণ এভাবে ছিলাম আমি জানি না।যখন আমার সেন্স আসল তখন দেখি বড় ভাইয়া আমাকে বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন।আমিও আর পারলাম না।আমিও ভাইয়ার বুকে মাথা রেখে কাঁদতে লাগলাম।আমি আমার বড় ভাইয়াকে কোনোদিন কাঁদতে দেখিনি। এই প্রথম তাকে হাউমাউ করে কাঁদতে দেখলাম।নিজেকে পাগল পাগল লাগছিল। ভাইয়ার পাঠানো উপহার রিসিভ করতে এসে ভাইয়াকেই যে এভাবে নির্মম উপহার হিসেবে পাব তা কখনো ভাবতে পারিনি। অনেক বছর কেটে কেটে গেল।আমার জীবনে অনেক ঘটনা থাকলেও ৭ই জুলাই এর ঘটনা কখনো ভুলবনা।যখনই বিমানবন্দর রোড দিয়ে কোথাও যাই এই দিনটি আমার মাঝে ফিরে আসে।কিন্তু ফিরে আসেনা আমার মেজো ভাইয়া। তাই আর যাই হয়ে যাক ২০১৪ সালের ৭ই জুলাইয়ের ঘটনাটি আমি কখনই ভুলবনা। ( সমাপ্ত ) আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।আর কিছু ভুল যদি হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।ধন্যবাদ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অ্যামাজনে কয়েকদিন [পর্ব ২২]
→ সাগরকন্যা কুয়াকাটা ভ্রমণ(পর্ব২)
→ অশুভ রাত (পর্ব ০২ এবং শেষ)
→ ভুতুড়ে বাড়ির রহস্য (পর্ব ০২ এবং শেষ)
→ অ্যামাজনে কয়েকদিন [পর্ব ২১]
→ ২২ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে না হলে মেয়েদের ৭ টি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়
→ টাইটানিক কী আসলেই ডুবেছিল?(পর্ব ২)
→ ♥♥সিয়াম ভাইয়ার বিয়ে♥♥[২য় পর্ব]
→ ভারতের রহস্যময়ী একটি গ্রাম "The Twin Town"(পর্ব ২)
→ দ্যা স্ট্রেঞ্জ হান্টার (পর্ব ০২ এবং শেষ)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...