বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভিমানী♥মন-৩

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Imran khan♥ (০ পয়েন্ট)



X #অভিমানী♥মন . লেখক-ইমরান খান . পার্ট- ৩ . কলেজে জীবন ভালোভাবে চলতে থাকলো। কিন্তু সাথে মিতুর সমস্যাও। ও সারাক্ষন চেষ্টায় লেগে থাকতো আমাকে অপরাধী করার। কিন্তু আমি এটা জানতাম না কেন?? আর সবাই ওর কথা সহজেই বিশ্বাস করে নিতো। আমি সব সময় ওর থেকে দুরে দুরে থাকতাম। কলেজের দুই বছর কিভাবে চলে গেল। বুজতেই পারলাম না। কলেজ লাইফে আমার মাএ একজন বন্ধু ছিল। সে হল আলি। একমাএ ওর সাথে কথা বলতাম এমনিতে আর কারো সাথে কথা বলতাম না। কলেজে পরে ভারসির্টিতে এডমিশন নিলাম। কিন্তু আলি চলে গেল দেশের বাইরে পড়ার জন্য। ওর সাথে যোগাযোগ হতে মাঝে মাঝে। . . আমার জীবনে কখন প্রেম আসে নি। কিন্তু ভারসিটি লাইফে প্রেম আসে। আমার জীবনের প্রথম প্রেম মিশু। ও আমাকে হাতে হাত রেখে চলতে শেখায়। নতুনন করে বাচতে শেখায়। এখানে আমার বন্ধু সংখ্যা বেশি ছিল। সারাক্ষন মজা করে পড় হতে লাগলো জীবন। কিন্তু জীবনের কালো অধ্যায়টা খু্ব তাড়াতাড়ি নেমে আসে। তখন আমি সবে মাএ অনার্সে ফাইনাল ইয়ার পরিক্ষা দিয়েছি। পরিক্ষার পর বাড়ি গিয়েছি। পরিবারে সাথে অনেক ভালো সময় কাটছিল। . . একদিন মা বলে মিতুকে নিয়ে বেড়াতে যেতে। আমার যাওয়ার ইচ্ছা ছিল না। তবু যেতে হলো। যদি জানতাম সেইদিন মিতু এরকম কান্ড করবে তাহলে কখনও যেতাম না। আমি মিতুকে নিয়ে ঘুরতে বের হই। সেইদিন হঠাৎ একটা গাড়ি এসে মিতুকে দাক্কা মারে। মিতু অনেক আঘাত পায়। আমি ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। বাড়ির সবাইকে খবর দেই। প্রায় ২৪ ঘন্টা পরে ও ঞ্জান ফিরে। বাড়ি সবাই ওকে দেখতে কেবিনের ভিতরে যায়। আমি ভাবলাম সবাই বের হলে আমি যাবো। তাই বাইরে দাড়িয়ে ছিলাম। কিছু সময় পর বাবা বের হয়ে এল। তার সাথে বাড়ির সবাই বের হয়ে এসে আমাকে থাপর দিল। . . - আমি ভাবতেও পারি নি তুই এমন কাজ করবি। (বাবা) . - আমি করেছিটা কি?? . - কি করেছিস তুই জানস না। (মা) . - আমাকে বলবে তো। . - যা করেছিস তা বলার মতো নয়। (চাচা) . - তুই আজই বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবি। (বাবা) . - মানে আমি কোথায় যাবো?? . - আমি জানি না। কিন্তু তোর এই মুখ জীবনে আর দেখতে চাই না। (বাবা) . . আমি বুজতেই পরছিলাম না। কি হচ্ছে এইসব। কি অপরাধ করেছি যার জন্য সবাই এমন করছে। আমি একটু মিতুর কেবিনে গেলাম। আমি যেতেই... . . - কিরে তুই এখনো এখানে তোকে ঘার দাক্কা দিয়ে বের করে দেয় নি। (মিতু) . - কি এমন হয়েছে যে সবাই আমার সাথে এমন করছে। . - আমি সবাই কে বলেছি তুই আমার সাথে অসভ্যতামী করতে চেয়ে ছিলস। তখন আমি তোর কাছ থেকে বাচতে গিয়ে গাড়ির সাথে দাক্কা খাই। . - কেন?? . - তোকে আমার সহ্য হয় না। তাই তোকে বাড়ি থেকে বের করালো জন্য। কিন্তু মনে হয় না এত হবে আরো কিছু করতে হবে। . . বলে ও বাড়ির সবাইকে ডেকে বলে ও সব বলে দেওয়ার জন্য নাকি ওকে আমি মেরে ফেলাম হুমকি দিয়েছি। এতে বাবা আরে রেগে যাই। আমাকে মরধর করে। আমি সইতে না পেরে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসি। . মিতু আমার নামে যা বলেছি কখন আমি ওকে ওই নজরে দেখিই নি। আমার তো মনেই পড়েনা কখন ওর সাথে অসভ্যতামী করলাম। কিন্তু কেউ আমার কথা শুনভেই বা কেন?? আমি সেইদিনই বাড়ি থেকে চলে আসি। জীবনে এক ঝড়ে সব উলট-পালট হয়ে যায়। পরিবার থেকে বিতারিত হওয়ার তিন মাস পড়ে মিশুকে হারাই। আর বাবা জোর করে ও বিয়ে আরেক জনের সাথে ঠিক করে। আমার কিছুই করার ছিল না। পরেনি ওকে নিজের করে রাখতে। তারপর একজন সাহায্য করে। ওর মাধ্যমেই পাড়ি জমাই অজানা উদ্যেশে। অনেক গুলো অচেনা মুখের আড়ালে, অচেনা শহরে। তারপর কেটে গেল ৭ টার বছর। দেশ ছাড়ার সময় পন করেছিলাম আর কখনও দেশে ফিরবো না। কিন্তু কি করবো মাটির টান ফিরিয়ে নিয়ে এল। . . বর্তমানে ফিরে এলাম। - ভাইয়া তোমার জীবনে এত কিছু ঘটে গেছে। (নিলা) . - এটা আমার অধ্যায়,, জানতে চেয়েছিলি না কেন আমি এত নিশ্চুপ। এটাই তার কারন। . - তোকে কে সাহায্য করেছিল বিদেশে যেতে। (রাফি) . - কিছু কথা না হয় না জানাই থাক। রাত দুটো বাজে যা গিয়ে ঘুমিয়ে পড়। . - ভাইয়া শুধু একটা কথা,, তুমি এখনে বিয়ে করো নি কেন?? . - দিত্বীয় বার কাউকে ভালোবাসতে পারি নি। আর আমার জীবনের সাথে জড়িয়ে কারো জীবন নষ্ট করতে চাই নি। . . ওরা ঘুমাতে চলে গেল। আমিও গেলাম। বাইরে চাদের আলো জকমক করছে। কিন্তু চাদের আলো তো আমার জন্য নয়। এই চাদের আলোতে কারো সাথে থাকার কথা ছিল। কিন্তু সে নেই। তাই আমার জন্য অন্ধকারটাই ভালো। অন্ধকারে খুব ভালো কষ্ট লুকানো যায়। লুকানো যায় কান্না। কাল এক বিশেষ দিন। যখন ঢাকাতেই আছি তাহলে সেখানে যাবো। অনেক কিছু লুকিয়ে আছে ওইখানে। কাউকে দেওয়া কথা পুরন করতে হবে। কিন্তু জানা নেই এই দিনটার কথা মনে আছে কিনা। তবু যেতে হবে। কারন ওয়াদা তো করেছিলাম। . . আজ কষ্ট শেয়ার করে নিজেকে অনেক হালকা লাগছে। রাফি কথা মতো কাল বিকালে টাংগাইল যাবে। কিন্তু তার আগে ওই বিশেষ স্থানে যেতে হবে। . পরের দিনঃ..........To Be Continue♥♥


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৪২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...