বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভিমানী♥মন-২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Imran khan♥ (০ পয়েন্ট)



X #অভিমানী♥মন . লেখক-ইমরান খান . পার্ট- ২ . রাফির বাসায় এলাম। ওখানে এখন শুধু রাফি আর ওর স্ত্রী রয়েছে। বাকি সবাই গ্রামে চলে গেছে। আমার থাকার জন্য একটা রুম দেখিয়ে দিল। আমি ফ্রেস হয়ে নিলাম। রাতে বেশি ঘুম হয়নি। তাই ঘুমিয়ে নিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি সন্ধ্যা হয়ে গেছে। আমি গিয়ে বারান্দায় দাড়ালাম। সূর্য পশ্চিম আকাশে ডুলে পরেছে। এখন ওতটা তেজ নেই। পশ্চিম আকাশটা লাল বর্ন ধারন করেছে আর কিছুক্ষন পরেই অস্ত যাবে। এই সময় আগে পাশে একজন ছিল। যার সাথে দাড়িয়ে রোজ এই আকাশটাকে দেখতাম। আজও মনে পড়ে সেইদিন গুলো। জানি না সে কেমন আছে। হয়তো স্বামী সন্তান নিয়ে ব্যস্ত। খুব জানতে ইচ্ছা হয় সে আমার কথা মনে করে কি?? সে তো বলেছিল আমাকে কখনও ভুলবে না। মিশু আজও কি তোমার এই পাগলটার কথা মনে পড়ে। আমার মতো কেউ কি তোমার সাথে পাগলামি করে। মিশু আমার প্রথম ভালোবাসা। আজ মনে পড়ে ভারসির্টির সেই দিন গুলো। . . আমরা ৬ জন বন্ধু ছিলাম। তিন জন ছেলে তিন জন মেয়ে। আমি, মিশু, রবিন, স্নেহা, আকাশ, নিশু। বলতে গেলে জোড়া জোড়ায়। মিশু আমার গার্লফেন্ড ছিল। স্নেহা রবিনের গার্লফ্রেন্ড। আর নিশু আকাশের। এই ৬ জন কাউকে ছাড়া কেউ থাকতে পারতাম না। কিন্তু এই ৭ বছর কিভাবে থাকলাম বুজতেই পারলাম না। . . মিশু সব সময় বলতে কখনও আমাকে ছেড়ে যাবে না। অনেক ভালোবাসতো আমাকে। ওর সাথে শীতের সকালে নরম ঘাসের উপর দিয়ে খালি পায়ে হাটা, বসন্তের ফুলের আগমনে, সব মনে আছে। কিন্তু জীবন বড় অদ্ভুত। পরিবারের মতো মিশু আমাকে ছেড়ে গেল। ঘরে ছেড়ে বেবিয়ে আসার পর মিশু আমার পাশে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ওর ঠিক হয়ে যায়। আমি ওর বাবার সাথে দেখা করেছিলাম। কিন্তু ওনি আমাকে অনেক অপমান করে। করারই কথা যাকে তার পরিবার ঘর থেকে বের করে দিয়েছে তাকে তো অন্য কেউ সম্মান দেবেই না। আমি পারি নি মিশুকে আমার করতে। মিশু বলেছিল পালিয়ে যাওয়ার কথা কিন্তু বাবা-মাকে কষ্ট দিয়ে তো আর সুখি হওয়া যায় না। আমি যখন দেশ ছাড়ি তার ৫ দিন পরে মিশুর বিয়ে ছিল। মিশু জন্য দেশ ছেড়ে ছিলাম। কারন ও অন্যকারো হবে এটা আমি সহ্য করতে পারতাম না। অতীত বড্ড বেহায়া। না চাইলেও বার বার মনে পড়ে। . . - এই আপনি ঘুম থেকে উঠে পড়েছেন। . কারো আওয়াজে ঘোর ভাঙ্গলো। পিছনে তাকিয়ে দেখি নিলা। . - আরে আপু আপনি?? . - প্লিজ,, আপনি বলবেন না। আমি আপনার অনেক ছোট। (নিলা) . - আপু তো বলতে পারি। . - তা পারেন। . - রাফি কোথায়?? . - বাইরে গেছে। . - ও . - আমি একটা কথা জানতে চাই। বলবেন?? . - কি?? . - রাফি কাছে আমি শুনেছি আপনি অনেক হাসি-খুশি একজন মানুষ ছিলেন,, আর অনেক দুষ্ট কিন্তু আপনার কথা বলে তা মনে হচ্ছে না। . - (একরাশ হেসে) জীবনে কিছু অধ্যায় থাকে যা অনেক দুষ্টু মানুষটাকে শান্ত করে দেয়। অনেক হাসি-খুশি মানুষটাকে নিশ্চুপ করিয়ে দেয়। আমি ওই অধ্যায় আমি পার করে এসেছি। . - ওই অধ্যায়টাকি জানতে পারি। . - এখন নয় অন্য এক সময়। . - আচ্ছা আজ রাতে। প্লিজ বলবেন কথা দিন। . . নিলা বায়না শুনে আমার ছোট বোন রিয়া কথা মনে পড়ে গেল। ও ঠিক এভাবে বায়না ধরতো। জানি না আজ কত বড় হয়ে গেছে। খুব দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে। রিয়া সাথে নিলার অনেকটা মিল। . - তোমার এই বায়না শুনে আমার ছোট বোনটা কথা মনে পড়ে গেল। কিন্তু ওকে ধরে দেখি না। আচ্ছা বলবো। . - কোন আমি আপনার বোন নই। আজ থেকে আমি আপনার বোন। . - তাহলে ভাইকে কেউ আপনি করে বলে। . - আচ্ছা এখন থেকে তুমি আর ভাইয়া বলে ডাকবো। আমি যাই আমার অনেক কাজ আছে। তুমি কফিটা খেয়ে নাও। . . কিছু সময় পর রাত নেমে এল। রাফিও ফিরে এল। অনেক সময় পর দুই বন্ধু একসাথে হয়েছি তাই গল্প করছি। কিছুক্ষন পর নিলা ডাকলো খাওয়ার জন্য। সবাই একসাথে খেয়ে নিলাম। পরে সবাই একসাথে গল্প করতে বসলাম। . . - ভাইয়া তুমি ভুলে গেলে আমাকে তুমি কি যেন বলতে চেয়ে ছিলে। (নিলা) . - কি যেন?? . - তোমার অতীত?? (নিলা) . - নিলা তুমি কেন ওর কষ্ট বাড়াতে চাও (রাফি) . - তুই চুপ কর। আমার বোন শুনতে চেয়েছে শুনবে। আর কষ্ট ভাগ করলে কমে। . - বা এর মধ্যে ও তোর বোন হয়ে গেল। আমি যে এত দিনের বন্ধু তাকে ভুলে গেলি। অভিমান করে(রাফি) . - তুমি চুপ কর ভাইয়াকে বলতে দাও। ভাইয়া তুমি শুরু করো। . . আমি শুরু করলাম। আমার পরিবার শহরেই থাকতো। গ্রামে কম যেত। সেখানে শুধু দাদা-দাদি ছিল। দাদা-দাদি দুই ছেলে। আমরা বাবা বড়, আর চাচা ছোট। চাচাও শহরে থাকতো। আমাদের বাসা পাশা পাশি ছিল। আমি ছিলাম পরিবারের বড় ছেলে। আমি গ্রামে বেশি থাকতাম। কারন আমার শহর পছন্দ ছিল না। শহরের মানুষকে ইট পাথরে গড়া মনে হতো। বাবা সব সময় শহরে থাকতে বলতে আমি শুনতাম না। এর জন্য বাবা আর আমার মধ্য সমস্যা হতো। শহরে না থাকার আরেটা কারন ছিল। চাচার এক মাএ মেয়ে মিতু। ও সব সময় আমাকে খারাপ বানানোর চেষ্ট করতো। জানি না কেন করতো। সবাই ওর কথা বিশ্বাস করতো। কারন ও আমার থেকে ৬ বছরের ছোট ছিল। কিন্তু আমার ছোট বোন রিয়া সব সময় আমার পাশে থাকতো। মধ্যমিক শেষ করার পর গ্রামে থেকে আমাকে শহরে আসতে হয়। না চাইলেও সেখানেই থাকতে হয়।.........To Be Continue ♦>>(সারা পেলে বাকিটা লিখবো)>>♦


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...