গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমার স্বপ্ন - পর্ব : ২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ismail Ahnaf (০ পয়েন্ট)



আমার স্বপ্ন পর্ব-২  ইসমাঈল আহনাফ  সম্পাদক : Shakil Ahmed পাখিটা উড়ে যায় কারণ পাখিটা উড়ে যেতে বাধ্য ছিল। তার কাঁধে ছিলো অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা। আগের পর্বে বলেছিলাম পাখিটা আসলে পাখি না সে এক মায়াবী এক মেয়ে। মেয়েটা এক রাজ্যের রাজকন্যা। সে রাজ্যের রাজা মারা যাওয়ার পর সব দায়িত্ব এসে পড়ে মেয়েটার ওপর তার রাজ্যের সুরক্ষার কারণে সে মায়াবী রুপে ভ্রমণ করেছিল। আর তখন দেখা হয় ছেলেটার সাথে, বলা যায় এটা মেয়েটার জন্য একটা দূর্ঘটনা। কিন্তু সে নিজের অজান্তে তার মনটা ছেলেটার কাছে রেখে চলে এসেছে। কিন্তু নিজের ব্যক্তি জীবনের চরম ব্যস্ততার কারণে উপলব্ধি করতে পেরেছিল না। তবে যখন ব্যস্ততা শেষে রাতে আকাশ পানে তাকিয়ে নিজের ফেলে আসা দিনগুলোর কথা ভাবে। তখন জীবনের উল্লেখযোগ্য দিন গুলোর মধ্যে একটা হলো সেই ছেলেটার সাথে কাটানো দিন গুলো। ছেলেটার সাথে মেয়েটা অনেক দিন কাটিয়েছে। কিন্তু মেয়েটাও জানত না ছেলেটা কোন এক রাজ্যের রাজপুত্র। ছেলেটার ভালোবাসা Already তার মনে আঁচড় কেটেছে। যা আস্তে আস্তে ক্ষত সৃষ্টি করছে। ভালোবাসা আসলে এমনই হয় দূরে গেলে প্রয়োজনীয়তাটা বেশি উপলব্ধি হয়। এদিকে ছেলেটা অপেক্ষায় দিনরাত্রি পার করছে। ছেলেটাও ছিলো একটা রাজপুত্র। সে যখন অনেক ছোট তখন তার মা মারা যায়। তাই রাজা ছোট বেলায় থেকে তাকে এমন ভাবে লালন পালন করেছে দুঃখ কি জিনিস তাকে বিন্দু মাত্র উপলব্ধি করতে দেয়নি। তার কোন অভাব রাজা অপূর্ণ রাখেনি। তার বলা মাত্র তার সামনে এসে হাজির হওয়ার সব ব্যবস্থা রাজা করে রেখেছিল। তাকে একটা আঁচড় ও লাগতে দিত না। এক কথায় রাজার প্রাণ ছিল সে। বিশাল রাজ্যের এক মাত্র উত্তরাধিকারী ছিলো সে। এমন পরিবেশ তার কাছে অসহ্য লাগছিল। দিন দিন যত বড় হচ্ছিল তত তার অসহ্য যেন বেড়েই চলেছিল। কষ্টের অনুভূতিহীন জীবনে আসলে প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যায়না সেটা সে অনেক ভালো করেই উপলব্ধি করতে পেরেছিল। মানুষ যখন কষ্টে পড়ে তখন ভাবে সৃষ্টিকর্তা কেন এত কষ্ট তৈরি করেছে.....??  আসলে কষ্ট না পেলে তো সুখের অনুভূতিটা মারা যাবে। সুখের কোন চাহিদা থাকবেনা। ছেলেটা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এজন্য হয়ত সৃষ্টিকর্তা মানুষের জিহব্বাতে ১২ হাজার আলাদা আলাদা স্বাদ গ্রন্থি তৈরি করেছে। যেন সব স্বাদ উপলব্ধি করতে পারে । ছেলেটা এমন স্বাদহীন জীবন ছেড়ে রওয়ানা দিয়েছিল বিস্তীর্ণ প্রান্তে। যেখানে সে জীবনের প্রকৃত স্বাদ উপলব্ধি করতে পারবে। এবং তখনই দেখা হয়েছিল মেয়েটার সাথে। আর এখন তো আর মেয়েটা তার কাছে নেই এজন্য সে অনেক দুঃখি। একা একা বিস্তীর্ণ প্রান্তে মেয়েটাকে খুজে ফিরছে। যেন তার প্রাণ হারিয়ে ফেলেছে। তার এখন জীবন উদ্দেশ্য হয়ে দাড়িয়েছে মেয়েটাকে খুজে পাওয়া। মেয়েটার সাথে যে রাজ্যে তার দেখা হয়েছিলো সে রাজ্যে বর্তমান তার অবস্থান। এমন ঘুরতে ঘুরতে তার জঙ্গলের মধ্যে এক আওয়াজ পায় কোন মানুষের আওয়াজের মত। খুজতে খুজতে বুড়ির সাথে দেখা হয়। বুড়ি জঙ্গলের মধ্যে একাই থাকতো। ছেলেটার বুড়িটাকে দেখে অনেক মায়া হয়। এমন ভাবে ছেলেটা বুড়ির সাথে থাকতে শুরু করে। বুড়িটাক সে অনেক ভালো বাসতো বুড়িটাও ছেলেটাকে অনেক ভালোবাসত। তারা দুজন মিলেমিশে জনমানবহীন গহীন জঙ্গলে থাকতো। সে অবশ্য তার পরিচয় গোপন করেছিল বুড়ির কাছে। সে যে কোন এক রাজ্যের রাজপুত্র, একথা সে বুড়িটাকে বলত না। কারণ রাজপুত্র বুড়ির সাথে থাকে এমনটা জানতে পারলে বুড়িটা হয়ত তার সাথে সেভাবে মিশতে পারবেনা। এজন্য সে সাধারণ মানুষের মত বুড়ির সাথে থাকত। সে রাতে বুড়ির কাছে থাকে আর দিনে মেয়েটাকে খুজে ফেরে। বুড়িটাকে দেখতে প্রতি মাসে একটা মেয়ে আসত বুড়ির জন্য খাবার নিয়ে পুরো মাসের খাবার বুড়িকে মেয়েটা দিয়ে যেত। প্রতি মাসের প্রথমে মেয়েটা এসে বুড়িটাকে খাবার দিয়ে যেত। এমন ভাবে অনেক দিন কেটে গেল। কিন্তু কোন দিন মেয়েটার সেই ছেলের সাথে দেখা হয়নি, যে ছেলেটা বুড়ির সাথে থাকত। কারণ ছেলেটা ভোরে উঠে কিছু খাবার নিয়ে বেরিয়ে পড়ত মেয়েটাকে খুজতে। আবার রাতে বাড়ি ফিরত। তাই বুড়িকে খাবার দিতে আসা মেয়েটার সাথে দেখা হত না। কিন্তু বুড়ি ছেলেটার কথা মেয়েটাকে প্রায় বলত। এমন ভাবে দিনের পর দিন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ, মাসের পর মাস কেটে যেতে লাগলো। আর এভাবেই আমার গল্পের দ্বিতীয় পর্ব শেষ হলো..............!!!­!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ডার্কম্যাটার 2
→ "তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র" (২:২২৩)-আয়াতের মাধ্যমে ইসলাম কি নারীদের ছোট করেছে?
→ জিজেসরা এখন আফ্রিকা ২ (পর্বঃ ২)
→ করােনাকালে যেমন আছেন লেখক-পাঠকেরা
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ৪]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ২]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [পর্ব ১]
→ গুড্ডুবুড়া পিঁপড়া পোষে [ পর্ব ৩]
→ সুন্দরবনে একটি জটিল সময় [পর্ব ০১]
→ ব্যথা-নিশীথ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...