বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নামঃসুমি, জরিনা আপা, ইউসুফ ভাই, মেনাজ শেক, ইমন, করিম মিয়া, হাসু মিয়া, আহাদ, এয়াকুব, রহমান,ঝুমুর আরো অনেকে। মেনাজ শেখ আর তার চাকর হাসু মিয়া রাস্তায় দারিয়ে আছে, তার ছেলে ইমন এর জন্য মেয়ে দেখার জন্য, হাসু মিয়াঃ রাস্তায় দারিয়ে থাইকা কি মেয়ে পাবেন? মেনাজ শেখঃআরে বুকা এখন বাড়ী গিয়ে মেয়ে দেখুম কেন। রাস্তা দিয়ে কত মেয়ে যাচ্ছে, যেটা পছন্দ হবে আমার ইমন এর বৌ করুম। কিছুক্ষন পর সেখান দিয়ে সুমি যাচ্ছিল ,, মেনাজঃওই হাসু, এই মেয়েটা কার,দেখতে তো ভালোই হাসুঃ করিম মিয়ার মেয়ে ৭নে পড়ে, মেনাজঃবাবার টাকা পয়সা আছে কি রকম? হাসুঃঅনেক টাকা পয়সার মালিক,। মেনাসঃকাল এই মেয়েকেই দেখতে যামু খবর দে,, হাসুঃঠিক আছে। পর দিনঃ করিম মিয়াঃ সুমা আজ তোর স্কুলে যেতে হবেনা। সুমি:কেনো বাবা? করিম:তোর মাকে জিজ্ঞাসা কর? সুমিঃ মা ও মা কেন আজ স্কুলে যাবোনা? সুমির মা:আজ তোকে দেখতে আসবে,, সুমি তো কান্না শুরু করে দিলো,আমি বিয়ে বসবো না,,, আমি পড়তে চাই, মেনাজ শেখ তার ছেলেকে নিয়ে দেখতে এসে পরলো। মেনাজঃও করিম মিয়া, তোমার মেয়েকে নিয়ে আসো, করিম মিয়াঃ ঠিক আছে ডাকছি। করিম মিয়াঃ ও সুমির মা, সুমিকে নিয়ে আসো,। সুমিকে নিয়ে আসা হলো,দেখা সক্ষাত হলো,। মেনাজঃ মেয়ে পছন্দ হয়েছে, কিন্তু আমার ছেলের অনেক দিন দরে মোটর সাইকেলের সখ।আর মোবাইলের দোকান দিবেতো সব টাকা জোগাড় হয়েছে কিন্তু ২লক্ষ টাকা কম পড়েছে। করিম মিয়াঃ ঠিক আছে আমি সখ ও দোকানের টাকা দিমু। মেনাজ শেখ বিবাহর দিন ঠিক করে গেলেন ৫দিন পরে রবিবার। শনি বারে স্কুলের ঘটনা: ইউসুফ ভাই, সুমি যে স্কুলে পড়তো সে স্কুলের শিক্ষক। ইউসুফ ভাইঃকিরে ঝুমুর সুমি কয়েক দিন দরে স্কুলে আসছে না কেনো? ঝুমুরঃ স্যার, সুমির বিবাহ ঠিক হয়েছে,। ইউসুফঃ কি এইটুকু মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে।ওর বাবা কি জানানে না বাল্যবিবাহ আইনত অপরাধ। ঝুমুরঃ একটা মোটর সাইকেল আর ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দিচ্ছে ওর বাবা। ইউসুফ ভাইঃ বিয়ে কবে? ঝুমুরঃকাল। ইউসুফঃ যা করতে হবে, আজই করতে হবে।আমি আফিসে গিয়ে আলোচনা করতাছি। আফিসে আলোচনার পরঃ ইউসুফ ভাইঃআজ স্কুল ছুটি, ছুটির পর এয়াকুব,রহমান,আহাদ, আর ঝুমুর থাকিস,জরিনা আপাও থাকবে আমাদের সাথে। জরিনা আপা:ইউসুফ ভাই চলেন আগে সুমির বাবা মাকে বুঝিয়ে দেখি। ইউসুফঃ ঠিক আছে, চলো সবাই। করিম মিয়া ও সুমির মাকে অনেক বুঝানোর পরেও কাজ হলো না। সুমি তো অনেক কান্না করছে। ইউসুফ ভাই:আইনের সাহায্য নিতে হয়ে। জরিনা আপাঃ আমি থানায় ফোন দিচ্ছি, আহাদ, এয়াকুব আর রহমান থানায়যা। আমি আর ইউসুফ ভাই গ্রামের কিছু লোক দের ডেকে আনতাছি। আহাদঃ ঠিক আছে! থানায় থেকে পুলিশ এলো ও গ্রামের কিছু জ্ঞানি লোক ও ইউসুফ ভাই এবং জরিনা আপা অনেক কস্ট বিবাহ টি বন্ধ করলো,। সুমি এখন অনেক খুশি, আগের মতো স্কুলে যেতে পেরে,,। সুমির বাবা মাও বুঝতে পেরেছে, যে বাল্যবিবাহ ও যৌতুক দেওয়া ও দেওয়া সমান অপরাধ। নিরবে শেষ হওয়া থেকে বেচে গেল এক টা মেয়ে,। ★তাই আমরা যদি এক সাথে বাল্যবিবাহ ও যৌতুকে না বলি,তাহলে এই সমস্যা বন্ধ করা সম্ভব। ছেলে ও মেয়ের বাবা,মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে কারন।সে সাথে, মেয়ে ও ছেলেকে বাল্যবিবাহ ও যোতুকে না বলতে হবে। সবাইকে সময় নিয়ে পড়ার অনুরোধ রইলো,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now