বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

===একজন বুদ্ধিমতি স্ত্রী===

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Raz Khan (০ পয়েন্ট)



X হযরত মুসা (আঃ) এর একজন উম্মত ছিলেন একাধারে অন্ধ,দরিদ্র ও নিঃসন্তান। একবার তিনি হযরত মুসা (আঃ) এরকাছে গিয়ে নিজের সকল দুরাবস্থার কথা খুলে বলে তারঅবস্থা পরিবর্তনের জন্য আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতেঅনুরোধ করলেন। হযরত মুসা (আঃ) তাকে জানালেনআল্লাহ তার যে কোন একটি দোয়া কবুল করবেন। লোকটিচিন্তাকরতে লাগলো কোন দোয়া সে করাবে।চোখ ভালোর জন্য ? সন্তান লাভের জন্য। নাকি অর্থসম্পদের জন্য ? অতপর লোকটি মুসা (আঃ) কে পরেজানাবেবলে বাড়িতে চলে এলো। বাড়িতে এসে লোকটি সব ঘটনাস্ত্রীর নিকট খুলে বলে পরামর্শ চাইলো। স্ত্রী ছিলেনখুবই বুদ্ধিমতি ও বিচক্ষণ। তিনি চিন্তা করে ও হেকমতখাটিয়ে হযরত মুসা (আঃ) এর নিকট একটি বাক্যেরমাধ্যমেতিনটি অবস্থার পরিবর্তনের জন্য স্বামীকে দোয়াশিখিয়ে দিলেন। পরের দিন লোকটি হযরত মুসা (আঃ) এরকাছে হাযির। মুসা (আঃ) তাকে বললেন বলো তোমার কিদোয়া করার আছে, আমি আল্লাহর নিকট তা চাই। আরনবীদের দোয়া কখনো বিফল হয়না। লোকটি বলল, হেআল্লাহর নবী! “আমি ছাদের নিচে বসে আমার মেঝোছেলেরবৌ এর হাতের রান্না করা খাবার স্ব-চোখে দেখেখেতেচাই।”হযরত মুসা (আঃ) বুঝতে পারলেন যে, লোকটির মাথাথেকেএত সুন্দর বুদ্ধিদীপ্ত কথা বের হয়নি। তাই তিনি তাকেজিজ্ঞেস করলেন কে তাকে এমন বাক্য শিক্ষাদিয়েছে?কারন একটি বাক্যের মাধ্যমে তার চোখ ভালো হওয়া,একটিদুটি নয় তিনটি ছেলে সন্তানের হওয়ার জন্য দোয়া করাএবং দারিদ্রতা দূর হওয়ার দোয়াও রয়েছে। লোকটি হযরতমুসা (আঃ) এর নিকট তার স্ত্রীর কথা খুলে বললেন এবংবললেন যে, আল্লাহর নবীর কথামত স্ত্রীর সাথে রাত্রেপরামর্শ করলে স্ত্রী তাকে এ বুদ্ধি দেন। অতপর হযরত মুসা(আঃ) লোকটির জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন।আল্লাহপাক নবীর দোয়ার বরকতে লোকটির যাবতীয় চাওয়াগুলোপূর্ণ করে দিলেন।শিক্ষাঃ১। যে কোন কাজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরামর্শ করেনেওয়া উত্তম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...