বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একজন সিঁদেল চোরের গল্প

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (১৩ পয়েন্ট)



X একজন সিঁদেল চোরের গল্প ___ হৃদয় মাহমুদ । : : : লোকটি সিঁদেল চোর বলে সারা গ্রামে পরিচিত। নাম বললে পাশের বাড়ির লোকেরাও চিনে না। যখন সিঁদেল চোর বলে অনায়াসে চিনে ফেলে। সিঁদ কাটিয়া চুরি করে তাই আঞ্চলিক ভাষায় শিং চোরও বলে অনেকে। তার যন্ত্রনায় পুরো গ্রামবাসী অতিষ্ঠ। কত সালিশ, শাস্তি, লজ্জা, জ্ঞান, বুঝ, পরামর্শ যে দেয়া হয়েছে বলে শেষ করা যাবে না। কুরআন শপথ, আল্লাহর কিরা, মসজিদে তওবা পড়ানো ইত্যাদি করার পরও শুধরালো না। অনেকবার তাকে গ্রামবাসী সবাই মিলে টাকার ব্যবস্থা করে দিলো ব্যবসা করার জন্য। সবকিছু ঠিকঠাক করে দেওয়ার পর কিছুদিন ব্যবসা করলো। সবাই ভাবলো যাক এবার বুঝি আল্লাহর রহমত পড়লো, সঠিক বুঝ হলো। সবার সাথে ভলো ভালো আচরণও করা শুরু করলো। কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর আবার শুরু করে দিলো চুরি। চুরি করা ছাড়া তার ভালোই লাগে না। এটা যেন তার জন্মগত সমস্যা, ইচ্ছা না' করলেও হঠাৎ নেশা উঠে যায়। এটা মুদ্রা দোষও বটে। . নিজের গ্রাম ছাড়াও আশেপাশের আরো আট-দশটা গ্রামেও সে চুরি করে। তার কোন নির্দিষ্ট সহযোগী নেই। যেই বাড়িতে চুরি করবে, প্রথমে সেই বাড়ির বা পাশের বাড়ির একটা লোক ঠিক করে নেয়। যে কোন অপরিচিত লোকের সাথে খুব সহজে ভাব করে নেওয়ার মত একটা কৌশল সে জানে। এটা তার একটা বড় গুনও বটে। তবে চোরদের চোখ হায়েনার মত তীক্ষ্ণ। তারা চোখের ভাষায় বুঝে ফেলে এটা কেমন লোক, বশে আনা যাবে কিনা কথা বললেই বুঝতে পারে। লোকটিকে দিয়ে রুমের অবস্থা, ঘরের সিস্টেম, লোকজনের মতিগতি ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করেই সে চুরি করার প্রস্তুতি নেয়। চুরির পরে তথ্যদানকারী সহযোগীকে খুশি করে। তবে একটা নীতিও আছে, ধরা পড়ে যত কঠিন শাস্তি পাক না' কেনো সহযোগীর নাম বলবে না, যদিও সে খুব কম ধরা পড়ে। . চুরি করাতে খুবই এক্সপার্ট। চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে যায়, হাত থেকে ফসকে ছুটে গিয়ে দৌঁড়ে পালায় তাই সবাই বলে ওর সাথে নিশ্চিত জিন আছে। চোখের সামনে দেখেও কেউ তার নাম মুখে আনতে পারে না কারন হাতে নাতে ধরতে না' পারলে কাউকে চোর বলা যায়না। সবাই জেনেও তার সামনে কিছু বলার নাই যদিও পিছু পিছু সবাই নানান কথা বলে। লোকটিও বলতো সে যে চুরি করেছে কে দেখেছে আর হাতে-নাতে ধরতে না' পারলে কিসের চোর। অনেক সময় সে নিজেও কাপড় চেইঞ্জ করে সবার সাথে চোর চোর বলে চোর তাড়ায়। . তাকে এক্সপার্ট বলার করন হলো চুরির জন্য তার পূর্ব প্রস্তুতিটাও সবার থেকে ভিন্ন রকমের। কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয় তাই সে চুরির কাজে পুজি বিনিয়োগ করে। একটা ছোট প্যান্ট আর তেল। যেদিন চুরি করবে, পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে প্রথমে প্যান্ট টা পরে নেয়। তারপর সারা গায়ে আধ ঘন্টা পর্যন্ত তেল মাখে। যতক্ষণ না' পিচ্ছিল হয় ততক্ষণ তেল মাখতেই থাকে। মুখের মধ্যে কালি মেখে রাখে তবে তা ঘরে ঢুকার আগে মাখে।কারন গন্তব্য পর্যন্ত যাওয়ার আগে মাখলে কেউ লক্ষ করতে পারে। তাছাড়া সুবিধা বুঝে ঘরে ঢুকা হয়। না' ঢুকতে পারলে তো কালি মেখে ঝামেলায় পড়বে তাই। ছোট প্যান্টের উপরে লুঙ্গি আর গায়ে হাফ হাতা শার্ট নিয়ে বের হয়। জায়গা মত পৌঁছে কাপড় খুলে নির্দিষ্ট একটা স্থানে রেখে দেয়। কাজ শেষে আবার জামা কাপড় পরে ভদ্র লোকের মত বাসায় ফিরে। ঘরের মধ্যে যেই বাড়িতে চুরি করে, কেউ টের পেলেই দৌঁড়ে আগে সেই জামা কাপড় হাতে নেয় যেন সুবিধামত পরে সবার সাথে চোর তাড়াতে পারে। . লোকটির চুরির কিছু নীতিও আছে অস্বচ্চল বা কোন গরীবের ঘরে চুরি করে না। টাকা, সোনা-গয়না, সেলফোন এবং ছোট খাট যে কোন দামী জিনিসপত্র সে চুরি করে। তবে চুরি করতে গিয়ে যদি কোন সিরিয়াস অসুস্থ রুগীকে দেখে, সেখানে আর চুরি না' করেই ফিরে যায়। যাত্রা পথে কোন কালো বিড়াল দেখলে চুরি করতে যায় না। কারন একবার এমন কালো বিড়াল দেখে অন্ধকারে খুব ভয় পেয়েছিলো। সেবার ধরা পড়েছে তাই কালো বিড়াল দেখলে পিছিয়ে যায়। চুরি করতে বের হওয়া আগে সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করে যেন কোন বিপদ না' হয়। আবার নিরাপদে ফিরে এলেও প্রার্থনা করে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে। চুরিতে সাকসেস হলে কিছু টাকা দুরের কোন গরীব লোককে দান করে দেয়। কাছের লোকেরা তাকে চোর বলে জানে তাই হাসাহাসি করবে বলে অচেনা জায়গায় দান করে। . ধরা পড়লে মার থেকে বাঁচার কি যেনো একটা মেডিসিন আছে তার কাছে। যেটা খেলে শরীরে সেন্স থাকে না। আঘাত অনুভব করতে পারে না, অবশ্যয়ই পরবর্তিতে কষ্ট পায়, ব্যথা অনুভব করে। মুখ দিয়ে লোল বের হয় বলে অনেকে ভয়ে মারে না ছেড়ে দেয়। মেডিসিনটা ছোট প্যান্টের সাথে গুঁজে রাখে। ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকলে হাতে নেয়, আর ধরা পড়ে গেলেই সাথ সাথে খেয়ে পেলে। একদা মেডিসিনটা খাওয়ার আগেই ধরা পড়ে গেলো। শুরু হলো সে কি মার। সহ্য করতে না পেরে অবশেষে বুদ্ধি করে টয়লেটে যাবে বলে ঔষধটা খেলো। তারপর বেঁচে ফিরলো না' হলে সেদিনই শেষ হয়ে যেতো। . প্রচলিত ভাষায় বলা হয় চোরদের কোন শশুর বাড়ি নেই। তারা সেখানেও চুরি করে। একবার শশুর বাড়ি গিয়ে দেখলো পাশের বাড়িতে মালপত্র কিছু আছে। দিনের বেলায় ঘুরে ফিরে দেখে নিলো আর রাত হলেই ঠিক মধ্যরাতে বেরিয়ে গেলো সোজা নিজের বাড়িতে। প্রস্তুতি নিয়ে ঘরে ঢুকে যা ফেলো সবকিছু নিয়ে বাড়িতে রেখে এসে আবার শশুরদের ঘরে ঘুমিয়ে পড়লো। চুরি যাওয়া লোকদের রাতে খবর ছিলো না। সকাল হলেই চারিদিকে হৈচৈ শুরু হয়ে যায়। বিভিন্ন মানুষ দেখতে আসলো, সেও দেখতে গিয়ে কিভাবে হলো, কেমনে হলো, কেউ টের পায়নি মানুষ এত ঘুম যেতে পারে? সিঁদের মুখে গিয়ে বলতে লাগলো "দেখেন দেখেন সিঁদের মুখটা কত ছোট। চোরটা বেশি মোটা হবে না ঠিক আমার মত হবে "। যাকে পেলো তাকেই প্রশ্ন করলো। কতবার যে জেলে গেছে সে নিজেও জানে না। সেখানে গিয়েও চুরি করেছে। তার কথা হচ্ছে জেলখানায় বেকার থাকতে হবে তাই সুবিধেমত পুষিয়ে নিবে। যা কয়দিন থাকবে পাশে থাকা কয়েদীর পকেট থেকে টাকা অথবা হাতঘড়ি চুরি করবে। বের হওয়ার সময় কিছু না' পেলে অন্তত জেলারের সিগারেটের প্যাকেটটা নিয়ে আসবে। . গ্রামবাসী শত চেষ্টা করেও তাকে চুরি করা বন্ধ করতে পারলো না। কিছুদিন ভালো থেকে সেই আগের মতই চুরি করে । সে নিজেও কন্ট্রোল করতে পারে না, অনেকবার চেষ্টা করেছে। যেনো মনের ভিতর থেকে কেউ একজন তাকে চুরি করতে বলে। নেশায় আসক্তদের মত মনে পড়লে আর স্থির থাকতে পারে না। প্রার্থনালয় থেকেও চুরির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। চুরি করার কারনে তার বউটাও তার কাছে থাকে না। মাঝেমাঝে কাঁদে, অনুশোচনা করে "কেনো আমি চুরি ছাড়তে পারি না, কোথায় আমার দোষ। কি করলে এই অভ্যাস ত্যাগ করতে পারবো "। কিন্তু না' কোন প্রতিষেধক নাই এটার। এটা জন্মগত অর্জন। তবে তার বংশে কখনো এমন চোর ছিলো না। . একদা রাতের আঁধারে বহু উপসানলয়ে কাঁদলো যেনো সৃষ্টিকর্তা তাকে মাফ করে দেয়। আর যেনো চুরি না' করে, মনের মধ্যে যেনো চুরির উদয় না' হয়। যাক তওবা পড়ে বাড়ি ফিরে গেলো। ভালো আছে ভালোই চলছে। হঠাৎ টক উঠে গেলো চুরি করবে। তখন আর কিছু মাথায় আসে না। স্পট ঠিক করে ফেললো দিনে দিনে। একা বাড়ি একা ঘর, একা মহিলা কোন ছেলে সন্তান নাই। কোন ঝামেলা নাই। মহিলার স্বামী বিদেশ থাকে। সুতরাং সোনা-গয়না আর টাকা পয়সার অভাব হবে না। রাত নেমে এলে সব রকম প্রস্তুতি শেষ করে রওয়ানা হলো সময় ঠিক আড়াইটা। টিনের ঘর কিন্তু ফ্লোর পাকা। ঝামেলায় পড়ে গেলো টিনের বেড়া খুলতে হবে । আস্তে আস্তে টিন খুলে ভিতরে ঢুকতেই মহিলার আওয়াজ শুনা গেলো। জায়গায় ব্রেক মেরে দাঁড়িয়ে গেলো। ভয় পেতে লাগলো না' জানি মহিলা টের পেয়েছে। একটু খেয়াল করে দেখলো অনবরত মহিলাটি চিৎকার করে কাঁদছে। হয়তো কোন দুঃসংবাদ বা স্বামীর কোন সমস্যা হয়েছে তাই কাঁদছে। । লোকটির (চোর) মনটা ভেঙ্গে গেলো আজকে আর চুরি করতে পারবে না। এত কষ্ট করে আসলো আর মহিলা এখনো ঘুমায়নি। বেরিয়ে গেলো। কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে চিন্তা করলো "এত রাতেতো কাঁন্নার কথা নয় , তাছাড়া কাঁদলে তো চিৎকার দিবে না। অন্য কোন সমস্যা হলো কিনা"। চোরটি আবার ভিতরে ঢুকলো পা টিপে টিপে উঁকি মেরে দেখেই মাথাটা ঘুরে গেলো। যেনো এক্ষুনি পড়ে যাবে। সে দেখলো যে মহিলাটি শুধু হাত পা লাফাচ্ছে, সারা শরীর রক্তে ভেসে গেছে যেন রক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ঘোঙ্গাচ্ছে শুধু মুখ থেকে কোন কথা বের হচ্ছে না। বুঝা গেলো ডেলিভারি কেইস। এই অবস্থায় লোকটি কি চুরি করবে না' মহিলাটিকে হাসপাতালে নিয়ে ভাবতেছে। মহিলাটির পাশে কেউ নেই, এই সময় কাউকে ডাকাও যাবে না,কারন তার (চোরের) উল্টো বিপদ বাড়বে। চুরি করতেও বিবেক বাঁধা দিচ্ছে। আবার মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও এত রাতে সে অপরিচিত পুরুষ কোন বিপদে না' কোন বিপদে পড়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবতে থাকলো।এও চিন্তা করলো জীবনে কোনদিন ভালো কাজ করেনি অন্তত এই ভালো কাজটা করতে পারলে নিজেকে বিন্দু পরিমান অপরাধ মুক্ত করতে পারবে। . অতঃপর চোখের সামনে মহিলাটির যন্ত্রনা আর সহ্য করতে না' পেরে একটা চাদরে মুড়িয়ে হাসপাতালে নিয়ে গেলো। "আপনার কি হয় "? ডাক্তারদের প্রশ্নের জবাবে ভাই পরিচয় দিয়ে দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে পাঠিয়ে দিলো। আর চোরটি বাহিরে দাঁড়িয়ে সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করতে থাকলো যেনো মহিলাটি সুস্থ হয়ে যায়। প্রায় এক ঘন্টা পর ডাক্তার অপারেশন রুম থেকে বেরিয়ে আসলে জানতে পারলো অপারেশন সাকসেস মহিলাটি সুস্থ আছে কিন্তু তার সন্তান বেঁচে নেই। যাক সৃষ্টিকর্তার কাছে সহস্র শুকরিয়া যে সেই ভয়ানক অবস্থায় অন্তত মহিলাটি বেঁচে আছে। . তারপর সকাল হওয়ার পর্বক্ষনে হালকা ঝাঁপসা অন্ধকারেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে এলো। কারন সকাল হলে মহিলাকে কি পরিচয় দিবে আর ডাক্তারকে কি বলবে। একটা চিরকুট লিখে রেখে আসলো যাতে লেখা ছিলোঃ ডাক্তারকে উদ্দেশ্য করে " ডাক্তার সাহেব আমাকে ক্ষমা করবেন। আমি মহিলার কেউ নয়। ভাই না' বলে স্বামী পরিচয় দিলে পরবর্তিতে মহিলার যদি কোন ক্ষতি হয় তাই দিলাম না। আর ভাই না বলে চিনিনা বা রাস্তায় পেয়েছি বললে আপনারা চিকিৎসা করতেন না। আমি মিথ্যা বলে অন্তত বাচ্চাটা না পারি, তাকেতো বাঁচাতে পেরেছি। মহিলা পয়সাওয়ালা আছে তার থেকে ঠিকানা নিয়ে আত্মীয়দের জানিয়ে দিয়েন প্লিজ"। মহলাটিকে উদ্দেশ্য করে লিখলোঃ "সরি বোন আমায় ক্ষমা করো। তোমার জন্য আর সময় দিতে পারলাম না। কারন তাতে তোমারও কেলেঙ্কারি হতে পারে, আমারও সমস্যা হতে পারে। নানান প্রশ্নের সামনে দুজনকে দাঁড়াতে হতে পারে। তাই চলে গেলাম তোমাকে বিপদের মুখে পেলে। নিশ্চয়ই আমি কে জানতে চাচ্ছো? সত্যিই তো আমি কে, এতো রাতে তোমার ঘরে আর কে যেতে পারে বুঝতেই তো পারছো। অবশেষে, তুমি ভালো থেকো "। ____ইতি __________ চোর। . ঠিক সেদিনই প্রতিজ্ঞা করলো জীবনে আর কখনো চুরি করবে না। সেই থেকে লোকটি চুরি করা ছেড়ে দিলো কিন্তু সিঁদেল চোর নামে আজো সকলের মনে বেঁচে রইলো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৪০৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...