বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অনেক ভালোবাসি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Bad Boy (০ পয়েন্ট)



X গল্পঃ অনেক ভালোবাসি। এই উঠো! তাড়াতাড়ি আমাকে বেড়াতে নিয়ে যেতে হবে। আরেকটু ঘুমাই, প্লিজ একটু যাও। উঠো বলছি, পরে দেড়ি হয়ে যাবে, তাড়াতাড়ি উটো। আচ্ছা বাবা উঠতেছি। তবে একটি শর্ত দিতে হবে। কি শর্ত? একটি হৃদয় দোলানো হাঁসি দিতে হবে রাজি? না হবেনা, সব সময় ফাইজলামি। তাহলে আমিও উঠবোনা। সারাদিন ঘুমিয়ে কাঠিয়ে দিব। আচ্ছা দিলাম, এখন উঠো। আচ্ছা উঠলাম। আমি হিমু, যার সাথে কথা বলছি। সে আমার বউ আদিবা। এই কয়েকদিন আগে পারিবারিক ভাবে আমাদের বিয়ে হয়। অনেক সুখে আছি। সারাদিন ব্যস্থতার মাঝে যখন রাতে বাসায় ফিড়ি। থখন আদিবার মায়াবী মুখ দেখে সব কস্টই ভুলে যাই। আজ শুক্রবার ছুটির দিন। আদিবা বায়না ধরেছে তাকে বেড়াতে নিয়ে যেতে। কি করবো নিয়ে যেতেই হবে। আমি ফ্রেশ হয়ে আসলাম। আদিবা আমাকে নাস্তা দিয়ে চলে গেলো ফ্রেশ হতে। আমি বসে বসে ভাবছি কোথায় নিয়ে যাবো মেয়েটিকে? কোথায় নিয়ে গেলে খুশি হবে? ঠিক করে ফেললাম একটি নির্জন যায়গায় যাবো। সেখানে সুধু আমি আর আদিবা থাকবো। দুজন এক সাথে হাঁটবো, হাতে হাত রেখে। এক গুচ্ছ গোলাপ নিবো, মেয়েটির জন্য। গোলাপ খুব পছন্দ করে। হটাৎ সামনে দেখি আদিবাকে। ফ্রেশ হয়ে আসলো। আমাকে জিজ্ঞাস করলো. কোন শাড়ি পড়বো?(আদিবা) নীল শাড়ি ও চুড়ি ও কপালে টিপ দিবে, বুঝলে?(আমি) হা মহারাজ শুনেছি, তবে তুমি নীল পাঞ্জাবী পড়তে হবে।(আদিবা) অব্যশই আমার মহারানী যখন বলছে আমি পড়বো। দুজন রেডি হলাম। মেয়েটাকে নীল শাড়িতে এত মায়াবী লাগে বুঝাতে পারবোনা। তার দিকে চেয়ে আছি। হটাৎ আদিবার রাগ স্বরের ডাকে হুশ ফিড়লো। সুধু চেয়ে থাকবে, দেড়ি হয়ে যাচ্ছে। আচ্ছা চলো, তাড়াতাড়ি বেড়িয়ে পড়লাম। আদিবাকে আমি জিজ্ঞাস করলাম কোথায় যাবে? তুমি যে যায়গায় নিয়ে যাবে, সেই যায়গায় যাবো। (আদিবা) আচ্ছা। (আমি) রিক্সায়ায় উঠলাম। রিক্সাকাকে বললাম পার্কে নিয়ে যেতে। রিক্সাওয়ালা আমাদেরকে পার্কে নিয়ে গেলো। নেমে পার্কের সবচেয়ে ভিতরের নির্জন যায়গায় আস্তে আস্তে দুজন চলে গেলাম। নির্জন রাস্তায় দুজন হাতে হাত রেখে হাঁটছি। অনেক যায়গা এভাবে হাটলাম। মনের ভিতর এক অন্যরকম অনুভুতি বইছে। এক গুচ্ছ গোলাপ দিয়ে মেয়েটিকে প্রপোজ করলাম। মেয়েটি অনেক খুশি হয়েছে। বুকের মাঝে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। চোখ দিয়ে অশ্রু জড়ছে মেয়েটির। এই পাগলী কান্না করছিস কেন?(আমি) এইটা সুখের কান্না।(আদিবা) তাই?(আমি) হা তাই, তবে এভাবে যেনো সারাটি জীবন তোমার বুকের ভিতরে যায়গা পাই। (আদিবা) সারাটি জীবন তোকে বুকের মাঝে আগলে রাখবো। সারাটি জীবন যেনো এভাবে সুখী থাকতে পারি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৪৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তোকে অনেক ভালোবাসি
→ দুষ্টুমি নয় ...সত্তি অনেক ভালোবাসি
→ তুকে অনেক ভালোবাসি
→ তোমায় অনেক ভালোবাসি
→ অনেক ভালোবাসি তোমায়
→ অনেক ভালোবাসি
→ অনেক ভালোবাসি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...