গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

রহস্যময় মমি তেতুন খামেন এবং এর অভিশাপ:

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Roshni hima (০ পয়েন্ট)



মিশর নিয়ে মানুষের অনেক আগ্রহ থাকে।আমার অনেক আগে থেকেই তাদের ইতিহাস নিয়ে জানার আগ্রহ ছিলো।কিছুদিন ধরে নেটে তুতেন খামেনের সম্পর্কে অনেক আর্টিকেল পড়লাম এবং সে সম্পর্কেই আজকের পোষ্ট। মিশর থেকেই সূচনা হয় পিরামিড,মমি,স্ফিংস,গ­ণিত,জ্যামিতি,ভূ-বিদ্­যা এবং বর্ষপঞ্জিকা প্রভূতি।তবে মানুষের মধ্যে পিরামিড নিয়েই রহস্য বেশি দেখা গেছে। পিরামিড হলো পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি ।প্রাচীন মিশরে যারা রাজা বা শাসক ছিলেন তাদেরকে সমাধি করার জন্য পিরামিড তৈরি করা হতো।মিশরে ছোট বড় 75 টি পিরামিড রয়েছে।ধারণা করা হয় একটা পিরামিড তৈরি করতে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগে।সবচাইতে বড় 'খুফু'র পিরামিডটি তৈরি করতে সময় লেগেছিলো 20 বছর এবং প্রায় এক লক্ষ শ্রমিক কাজ করছিল। যে কতগুলো ফারাও(মিশরের রাজা) মিশরে রয়েছে তাদের মধ্যে তুতেন খামেন ছিলেন সব চাইতে কম পরিচিত।কিন্তু বর্তমান সময়ে তাকে নিয়েই বেশি আলোচনা হয় কারণ পৃথিবীতে একমাত্র তার সমাধিটিই অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।গবেষকদের মতে তুতেন তেমন পরিচিত না থাকায় চোর ডাকাতরা তার পিরামিড ভেঙ্গে সম্পদ চুরি করতে তেমন আগ্রহ ছিলো না তাই হয়তো অক্ষত আছে। তুতেন খামেনের বাবার নাম আখেন আতেন।আর মাতার নাম তিযু।আবার আখেনের মা'ও ছিলেন তিযু।অর্থাৎ আখেন তার মাকে বিয়ে করে।এখানে বলে রাখা ভালো মিশরের রাজাদের মধ্যে বিয়ে হতো পরিবারের সদস্যদের সাথে।অর্থাৎ ভাইয়ের সাথে বোনের,মার সাথে ছেলের,বাবার সাথে মেয়ের।এতে তাদের বিশ্বাস হলো তাদের রক্ত বিশুদ্ধ থাকবে।আখেন আতেনের আরেকটা স্ত্রীর নাম হলো নেফারতিতি।তুতেনের বিয়ে হয় নেফারতিতির মেয়ের সাথে অন্য কথায় বলতে গেলে তার সৎ বোনের সাথে। গবেষকদের মতে তুতেনের পিতা ছিলেন 'আতেন' অর্থাৎ সূর্যের উপাসক।তাই তিনি আখেনের পরে আতেন নাম রাখেন।তুতেনের নামও রাখা হয়েছিলো তুতেন আতেন। কিন্তু রাজ্যের পুরাতন ধর্ম মতে সবাই ছিলেন বায়ুর উপাসক।আখেন চেয়েছিলেন তার সৃষ্ট নতুন ধর্মটি জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে এবং পূর্বের উপাসনালয় ও স্থাপনাগুলোকে ধ্ধংস করতে শুরু করে।হঠাৎ একদিন আখেন মারা যায়।অনেকের মতে তাকে হত্যা করা হয়েছিলো নতুন ধর্ম চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেন বলে।আখেন আতেনের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন তার ছেলে তুতেন আতেন।জনগণের সমর্থন পাওয়ার জন্য তিনি পুরাতন ধর্মের উপাসনা চালু করেন।তার নামের শেষের আতেন পরিবর্তন করে নতুন নাম রাখেন তুতেন খামেন।কারণ তুতেন আতেন ছিলো তার বাবার দেওয়া নাম যার শেষ আতেন অর্থ সূর্য। তুতেন খামেনের নাম নিয়েও রয়েছে অনেক মতভেদ।কারো মতে তুতেন খামুন,কারো মতে তুতেন খামেন আবার কারো মতে তুতেন খতন।কারণ তাদের ভাষা ছিলো সবচাইতে পুরাতন হায়ারোগ্লিফি ভাষা।এ ভাষায় Vowel না থাকায় সঠিক উচ্চারণ সম্ভব নয়। ইতিহাসের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় নি যে তুতেন খামেনের মৃত্যু কিভাবে হয়েছিলো।তবে বেশির ভাগ গবেষকদের মতে তাকে হত্যা করা হয়েছিলো।কারণ তুতেনের শরীর প্রায় তিনবার এক্সরে করা হয়েছিলো।সর্বশেষ এক্সরে তথ্যমতে মিশর,ইতালি,সুইস ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বিশেষজ্ঞরা একমত প্রকাশ করেন যে কোনো কারণে তুতেনের বাম পা মারাত্নকভাবে আঘাত পেয়েছিলো এবং সে পায়ের হাড়ে চিড় দেখা দেয়। ফলে খুবই অল্প সময়ে তুতেন খামুনের মৃত্যু ঘটে। এইটা দেখে ধারণা নিতে পারি তাকে হত্যা করা হয়েছিলো। অন্যভাবে চিন্তা করলেও বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া যায়। তুতেন খামেন দুটি মৃত সন্তানের পিতা হয়েছিলেন।তাই তুতেন খামুনের কোন বংশধর না থাকায় তাকে হত্যা করলেই “আয় (Ay)”-এর লাভ। আয় ছিলেন তৎকালীন রাজার পর দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি। তুতেন খামেনের মৃত্যুর পর তার পরবর্তী রাজা হন “আয়” এবং তার কাছ থেকে ক্ষমতা দখলকারী তৎকালীন সেনাপতি “হোরেম-হ্যাব”।এইটা থেকে মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া যায় তাকে হত্যা করা হয়েছিলো।তাছাড়া তুতেন মারা যায় মাত্র 19 বছর বয়সে। ১৮৯১ সালের কথা।হাওয়ার্ড কার্টার নামক একজন অল্পবয়স্ক ইংলিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ মিশরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। মিসরের প্রাচীন স্থাপনা নিয়ে তার প্রচণ্ড আগ্রহ।কারণ পৃথিবীর সব রহস্য আর প্রাচীনময় জিনিসগুলো মিশরেই রয়েছে।তিনি বছরের পর বছর কাজ করে তার অভিজ্ঞতা এবং অনুসন্ধানের জ্ঞান থেকে তিনি এক সময় অনুমান করেন যে একটি অনাবিষ্কৃত পিরামিড এখনো মিশরে রয়েছে। নীল নদের পাশে কিংক উপত্যকায় প্রায় 40 জন ফারাওকে সমাধি দেওয়া হয়েছিলো।তাই অনেক আগে থেকেই সেখানে অনেকে গবেষণার জন্য পুরা এলাকা চষে ফেলেছিলো।তারপরও হাওয়ার্ড গবেষণার জন্য কিংক উপাত্যকায় যায়।তার কাজে অর্থের যোগান দেন কার্নাবার্ল ।প্রায় পাঁচ বছর অনেক চেষ্টা করেও কিছু পাওয়া যায় নি।তাই কার্নাবার্ল অর্থ দেওয়া বন্ধ করে দেন। হাওয়ার্ড হাল ছাড়বার পাত্র নয়। হাওয়ার্ড বুজিয়ে শুনিয়ে আরেক সিজনের অর্থের টাকা দেওয়ার জন্য জোর করে রাজি করান কার্নাবার্লকে। এবার মিশরে আসার সময় হাওয়ার্ড কার্টার সাথে করে একটি হলুদ ক্যানারি পাখি নিয়ে আসেন। ইংরেজিতে “ক্যানারি”-এর একটি অপ্রচলিত অর্থ হল, গুপ্তচর। হাওয়ার্ডের দলের সুপারভাইজার একারণেই তাকে বলেছিল “গোল্ডেন বার্ড”। এটি হয়ত তাদেরকে সেই গুপ্ত সমাধির সন্ধান এনে দিবে।সত্যিই তারা শেষ বারে পেরেছিলো। 1922 সালে প্রায় দেড় লক্ষ টন পাথর অপসারণ করার পর নিচে পাথর কেটে তৈরি করা একটি সিঁড়ির সন্ধান পেলেন। খুঁড়তে খুঁড়তে তারা একই রকম আরও প্রায় ১৫টি সিঁড়ি ডিঙিয়ে শেষে একটি প্রাচীন এবং সিল করা দরজার সামনে এসে উপস্থিত হলেন। দরজার ওপর হায়ারোগ্লিফিক লিপিতে বড় করে লেখা ছিল, ‘তুতেন খামেন’।তারা একই রকম আরো একটা দরজা অতিক্রম করে তুতেন খামেনের মূল দরজায় আসেন। তারা দরজাটি ভাঙতে সক্ষম হলেন। এন্টিচেম্বারে সোনার তৈরি একটি বড় বাক্স ছিল। তার ভেতর ছিল একই রকম অপেক্ষাকৃত ছোট আরও তিনটি বাক্স। চতুর্থ বাক্সটি ছিল মূলত হলুদ স্ফটিকমণির তৈরি একটি কফিন। কফিনটির ভেতরে একই রকম আরও তিনটি কফিন পাওয়া গেল। শেষ কফিনটি ছিল সোনার তৈরি এবং তার ওজন ছিল প্রায় ১৩৫ কিলোগ্রাম। চতুর্থ কফিনটির ডালা খুলে প্রত্নতত্ত্ববিদদ্বয়­ আবিষ্কার করলেন ফারাও তুতেন খামেনের মমিকৃত দেহ। মৃত ফারাওর মাথা ও কাঁধ ঢাকা ছিল একটি চমৎকার স্বর্ণের মুখোশে। তার বুকের উপর পড়ে ছিল কিছু শুকনো ফুল। এ ছাড়াও সম্পূর্ণ সমাধির আশপাশের বিভিন্ন কক্ষে পাওয়া গেল অসংখ্য মহামূল্যবান দ্রব্যসামগ্রী, যার বেশির ভাগই ছিল স্বর্ণের। এসব সম্পত্তির পরিমাণ এত বেশি ছিল যে, এক কথায় বলতে গেলে তুতেন খামেনের সমাধি আবিষ্কারের পর মানুষ রীতিমতো স্তব্ধ হয়ে যায়। কারণ তুতেন খামেন ফারাও রাজাদের মধ্যে খুবই অল্পসময় রাজত্ব করেন এবং খুবই অপরিচিত ছিলেন। তার সমাধিতেই যদি এত ধন-সম্পত্তি পাওয়া যায়, তাহলে বড় সমাধিগুলোতে কত সম্পত্তি লুকানো ছিল? এখানেই শেষ নয়, মমি আবিষ্কারের পর থেকে একের পর এক রহস্যময় ঘটনা ঘটতে থাকে। এর সঙ্গে জড়িত প্রায় প্রত্যেকেরই রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে। সব নাকি তুতেন খামেনের মমির অভিশাপ। সারা বিশ্বেই এটি এখন তুতেন খামেনের অভিশাপ নামে পরিচিত। প্রাচীন মিসরের ফারাও তুতেন খামেনের অভিশাপে অনেকের জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। যারাই তার পিরামিডে ধন-সম্পদের লোভে গেছে তাদের জীবনে নেমে এসেছে অভিশাপের থাবা। ঘটেছে করুণ ঘটনা। এ এক রহস্য। যেদিন তারা তুতেন এর সমাধি আবিষ্কার করেন সেদিন রাতে হাওয়ার্ড বাসায় ফিরার সময় কাজের লোক থেকে জানতে পারেন তার ক্যানারী পাখিটাকে কোবরা সাপ খেয়ে ফেলেছে।আর লোকটা হাওয়ার্ডকে বলে," কোবরা এবং শকূন হলো ফারাওদের প্রতীক।তুতেন এর সমাধি আবিষ্কার করে গবেষণা করায় এইটা অভিশাপ দিতে পারে।যেহেতু ক্যানারী পাখিটা তুতেনের সমাধি পেতে সাহায্য করেছে তাই পাখিটাকে কোবরা খেয়ে ফেলেছে।" অবশ্য হাওয়ার্ড এইসব কুসংস্কার বিশ্বাস করতেন না। তবে ব্যাপারটা রহস্যজনক হতে থাকে।কারণ ক্যানারী পাখির মৃত্যুর পর এবার মৃত্যু ঘটে অর্থের যোগানদাতা কার্নাবাল এর।সামান্য এক মশার কামড়ে তার মৃত্যু ঘটে।তার গালে একটা মশা কামড় দেয়।যখন তিনি শেভ করেন ঐ জায়গাটা কেটে যায় এবং পরবর্তীতে ইনফেকশন হয়ে মারা যায়।রহস্যের ব্যাপার হলো তার মৃত্যুর পরদিনই তেতুনের গালে একই রকম ক্ষত সৃষ্টি হয়।বিষয়টি পত্র পত্রিকায় অনেক ফলাও করে চাপানো হয়। খুবই রহস্যজনকভাবে ঐ রাতেই হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা তার পোষা কুকুরটি অদৃশ্য কোনোকিছুর বিরুদ্ধে প্রচণ্ড গর্জন করতে থাকে, আর রক্ত হিম করা ভৌতিক শব্দে আর্তনাদ করতে থাকে। এভাবেই একসময় মারা যায়। জর্জ নামক কার্নাবালের এক বন্ধু সমাধিটা দেখতে আসেন এবং ঐদিনই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।সমাধি আবিষ্কারের কয়েক মাস পর কার্নাবালেথ ব্যক্তিগত সেক্রেটারি রিচার্ড –কে তার বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।আরচিবাল্ড নামের এক ব্যক্তি মমিটা কত বছরের পুরনো তার গবেষণা করেন।কিন্তু এক সময় তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন এবং মারা যান। সমাধিটি উন্মোচনের সময় যে কয়জন লোক উপস্থিত ছিলেন, তার মধ্যে ১২ জনই পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে মারা যান এবং মৃত্যুগুলো ঘটে অস্বাভাবিক কারণে। একইভাবে, ২ জন ছাড়া বাকি সবাইও পরবর্তী ৭ বছরের মধ্যে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। হাওয়ার্ড কার্টার ছিলেন সমাধি উন্মোচনের নাটের গুরু অথচ তারই কিছু হলো না।স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করে।তাই সবাই ঘটনাগুলোকে কাকতলীয় ঘটেছে বলেই মেনে নিছিলো। একদিন ফ্রান্স মিশরের সাথে তুতেন খামেনের সমাধি পরিদর্শনের জন্য চুক্তি করেন।কিন্তু মিশরের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী বিভাগের পরিচালক ইব্রাহীম সরকারকে চুক্তি বাতিল করতে বলেন।কারণ তিনি স্বপ্নে এই চুক্তি সম্পর্কে অশুভ কিছু দেখেন।কিন্তু সরকার তার কথায় রাজি হয় নি এবং পরে দিনের বেদায় গাড়ি এক্সিডেন্টে তিনি মারা যান। তুতেন খামেনের সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিদের মধ্যে সবচাইতে বেশি বেচেঁছিলেন এডামসন।তিনি 1969 সাল পর্যন্ত বেচেঁছিলেন।তিনি ছিলেন কানাবার্ল এর দেহরক্ষী।কিন্তু তিনি প্রথম যখন অভিশাপের বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন তার 24 ঘন্টার মধ্যে তার স্ত্রী মারা যায়।তিনি তারপরও যখন অভিশাপের কথাটা অস্বীকার করেন তখন তার ছেলে একটা দূর্ঘটনায় কোমর ভেঙ্গে ফেলে।একটা প্রোগ্রামে সাক্ষাৎকারেও তিনি আবার অস্বীকার করেন এবং বাড়ি ফেরার পথে গাড়ি এক্সিডেন্ট করেন।এক্সিডেন্টের পর প্রথমবারের মত তখন স্বীকার করেন অভিশাপের কথা। 2005 সালে তুতেন খামেনের সর্বশেষ যে CT scan করেন তার তত্ত্বাবদানে থাকা হাওয়াজ তিনি এই অভিশাপের বিষয়টি বিশ্বাস করেছিলেন।কারণ CT Scan করার সময় তারাও মারাত্নক বিপদে পড়েছিলো এবং অল্পের জন্য বেঁচে যায়। এটিই পৃথিবীর ইতিহাসে তুতেন খামেনের অভিশাপ নামে পরিচিত। তবে কয়েক বছর আগে প্রত্নতত্ত্ববিদরা তুতেন খামেনের মমি সবার সামনে প্রদর্শন করেন। তাঁরা জানান, মমির এই অভিশাপের কাহিনী নিছক কল্পনা মাত্র। যারা মারা গেছেন তাদের মমির সংস্পর্শে আসার ঘটনা আসলে কাকতালীয়।অনেকের মতে এগুলা লোক মুখের কথায় ছড়িয়ে পড়া গুজব। আবার অনেকের মতে এগুলো মিথ ছাড়া আর কিছুই না।হয়তো এভাবেই তুতেন খামেনের আসল কাহিনী লোকচক্ষুর আড়ালে গোপন হয়েই থেকে যাবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৫৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সৃষ্টিকর্তা যদি দয়ালুই হন তাহলে এত মানুষ না খেয়ে মারা যায় কেন?এর দায় তো স্রষ্টারই।
→ হযরত আলী রাঃ এর কয়েকটি উক্তি
→ বিবর্তনবাদ কী? এবং এটার ভুলগুলো।
→ হযরত উমর (রাঃ) এর ঈদ শপিং
→ হযরত ঈসা (আঃ) এর জীবনী
→ মুসলিম জাহানের চতুর্থ খলীফা হযরত আলী (রাঃ)-এর জীবনী
→ উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর একটি ঘটনা এবং আমাদের জন্যে শিক্ষা
→ ইউসুফ আ. এর উপর চুরির অপবাদ
→ সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? রাসূল (সা:) এর জীবনী বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষিত হয়েছে – শেষ পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...