গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

ফোবিয়া বা ভীতি part 2

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Roshni hima (৮ পয়েন্ট)



পৃথিবীতে কত বিচিত্র রকমের ভীতি বা ফোবিয়া যে আছে! কিন্তু সবচেয়ে অদ্ভূত ফোবিয়ার একটি হয়তো কোন গর্ত দেখে তীব্র ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়া। নতুন এক গবেষণা এই ফোবিয়ার কারণ খুঁজে পেয়েছে। ফোবিয়াটির নাম ট্রাইপোফোবিয়া। যারা এই ফোবিয়াতে আক্রান্ত হয়, তারা সাবানের ফেনার বুদ বুদ, চকোলেট ড্রিঙ্কের উপর ভাসমান ফেনা কিংবা এমন কোন পদার্থ যাতে অনেক গর্ত রয়েছে, সেগুলো দেখামাত্রই মাইগ্রেন, শরীরে ঘাম চলে আসা কিংবা হার্ট বিট বেড়ে যাবার সমস্যায় আক্রান্ত হয়। কেন এরকম হয়? পরীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, এই ফোবিয়াত আক্রান্ত ব্যক্তিরা কোন গর্ত দেখলেই, তাদের অবচেতন মন সেটিকে কোন বিষাক্ত প্রাণীর মতো করে উপস্থাপন করে। যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী জিওফ কোল বলেন” ট্রাইপোফোবিয়া অথবা গর্ত বা ছিদ্র-ভীতি খুব সাধারণ একটি ফোবিয়া। কিন্তু আমরা বেশিরভাগই এটি সম্পর্কে জানি না।“ কোল ও তার গবেষণা দল এই ফোবিয়া নিয়ে অনেক দিন ধরেই গবেষণা করে যাচ্ছেন। গবেষণাতে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে শতকরা ১৬ ভাগের মাঝেই ‘গর্ত-ভীতির’ লক্ষণ প্রকাশিত হয়েছে। একজন তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এভাবে, “ ছোট ছোট গর্ত বা ছিদ্র আমি একদমই সহ্য করতে পারি না। মনে হয় যেন গর্তগুলো আমার দিকে তাকিয়ে আছে। একটু পরই আমার দিকে ছুটে আসবে। তখন আমার ভীষণ কান্না পায়। আমার চারপাশ যেন ঘুরতে থাকে আমার সামনে...। “ আবার আরেকজন স্বেচ্ছাসেবী জানান, কোন ছিদ্র বা গর্ত দেখলেই সেটি তার কাছে ব্লু-রিং প্রজাতির অক্টোপাসের কথা মনে আসে। এই অক্টোপাস বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত প্রাণীগুলোর একটি। এছাড়া যারা এই ফোবিয়াতে আক্রান্ত হন তারা চোখের সামনে কোন গর্ত পড়লেই সেটিকে বিষাক্ত কোবরা সাপ, বিচ্ছু কিংবা মাকড়শা ভাবতে শুরু করেন। গবেষকদের ধারণা, অনেক প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের মাঝে বিষাক্ত ও বিপজ্জনক প্রাণীদের এড়িয়ে চলার প্রবণতা আছে। আর এই প্রাণীগুলোর বেশিরভাগই বিভিন্ন গর্তে বাস করে। ফলে মানুষ এসব গর্ত থেকে সতর্ক থাকতো। বিবর্তনের ধারায় এই গর্তভীতি এখনো অনেকেরই অবচেতন মনে রয়ে গিয়েছে বলে মনে করেন গবেষকরা। এই গবেষক দলের প্রধান জিওফ কোল নিজেও এই গর্ত-ভীতি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গর্ত দেখলেই তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে যেতেন। ভয় থেকে বেরুবার জন্য তিনি জোর করে গর্ত বা ছিদ্রের বিভিন্ন ছবির দিকে তাকিয়ে থাকতেন। এক সময় তিনি সফল হন। তাদের গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ❄️বেলা ফুরাবার আগে❄️
→ বাল্যকালের সোনালী মুহূর্ত
→ তানিমের বাসর রাত! হুক্কুর হুক্কুর হাক্কা!
→ অভূতপূর্ব ভালোবাসা
→ আমার জিজে পরিবার
→ ভালোবাসার সম্পর্ক
→ চুক্তি নিয়ে তালেবান আমীরের আহবান ও অনুভূতি
→ তামাশা নাম্বার ফোর
→ জবাব
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২৪)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...