গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

দু'টি প্রশ্ন ও তার উওর

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mujakkir Islam (০ পয়েন্ট)



❔❓দুটি প্রশ্ন ও তার উত্তর❔❓ . . এখানে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়। প্রথম প্রশ্ন হয় এই যে, ইউসুফ আ. বিনয়ামীনকে আটকানোর জন্য এ কৌশল কেন করলেন? অথচ তিনি জানতেন যে, এক তো স্বয়ং তাঁর বিচ্ছেদের আঘাত পিতার জন্য অসহনীয় ছিল। এমতাবস্থায় অপর ভাইকে আটকে রাখলে তার বিচ্ছেদে পিতা আরো শোকাতুর হয়ে যাবেন। সুতরাং তিনি তা কীরূপে বিবেচনা করলেন? দ্বিতীয় প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ, তা এই যে, নিরপরাধ ভাইদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আনা হলো এবং তা প্রমাণে গোপনে বিনয়ামীনের আসবাবপত্রের মধ্যে বিশেষ পাত্র রেখে দেওয়া হলো, আর প্রকাশ্যে তাদেরকে চোর বলে লাঞ্ছিত করা হলো। অথচ সন্দেহ নেই যে, এসব কাজ সম্পূর্ণ অবৈধ। সুতরাং আল্লাহর পয়গাম্বর ইউসুফ আ. এগুলো কিভাবে করলেন? এর জবাব আল্লামা কুরতুবী রহ. সহ কোনো কোনো মুফাসসীর এটা বর্ণনা করেছেন যে, বিনয়ামীন যখন ইউসুফ আ. কে চিনে ফেলে, তখন সে নিজেই ভাইকে অনুরোধ করে যে, তাকে যেন অন্য ভাইদের সাথে ফেরত পাঠানো না হয়; বরং তাঁর কাছে যেন রাখা হয়। তখন হযরত ইউসুফ আ. প্রথমে এ অজুহাত পেশ করলেন যে, তাকে এখানে রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে তাকে চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করে আটকে রাখা। কিন্তু বিনয়ামীন সেই ভাইদের সাথে বসবাস করতে এতই নারাজ ছিল যে, সে এ ধরনের অবস্থাকেও গ্রহণ করে নিল। কিন্তু এ ঘটনা সত্য হলেও পিতার মনোকষ্ট, ভাইদের লাঞ্ছনা এবং তাদেরকে চোর বলা শুধু বিনয়ামীনের সম্মতির কারণে বৈধ হতে পারে না। তাই কেউ কেউ এর কারণ এই বর্ণনা করেছেন যে, ঘোষক বোধ হয় ইউসুফ আ. এর অজ্ঞাতসারে এবং তাঁর বিনা অনুমতিতে ভাইদেরকে চোর বলেছিল। কিন্তু এ অভিমত যেমন প্রমাণহীন তেমনি ঘটনার সাথে অসংলগ্ন। আবার কেউ কেউ কারণ বর্ণনা করে বলেন যে, ভাইয়েরা ইউসুফ আ. কে পিতার কাছ থেকে চুরি করে বিক্রয় করেছিল। তাই তাদেরকে চোর বলা হয়েছে। এটাও একটা নিছক ব্যাখ্যা বৈ নয়। অতএব, এসব প্রশ্নের বিশুদ্ধ উত্তর তা-ই যা আল্লামা কুরতুবী, মাযহারী প্রমুখ তাফসীরকারগণ জোরালোভাবে দিয়েছেন। তা এই যে, এ ঘটনায় যা করা হয়েছে এবং যা বলা হয়েছে, তা বিনয়ামীনের ইচ্ছার ফলশ্রুতি ছিল না এবং ইউসুফ আ. এর প্রয়াসের ফলও ছিল না; বরং এসব ছিল মহান আল্লাহর নির্দেশে তারই অপার রহস্যের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ। এসব কাজের মাধ্যমে ইয়াকূব আ. এর পরীক্ষায় বিভিন্ন স্তর পূর্ণতা লাভ করছিল। এ উত্তরের প্রতি স্বয়ং কুরআন পাকের নিম্নোক্ত আয়াতে ইঙ্গিত রয়েছে, کَذٰلِکَ کِدْنَا لِیُوْسُفَ ؕ অর্থঃ আমি ইউসুফের খাতিরে এমনিভাবে তার ভাইকে আটকানোর কৌশল করে দিয়েছি। (সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৭৬) এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা এ কৌশলকে পরিষ্কারভাবে নিজের দিকে সম্বন্ধ করেছেন। অতএব, এসব কাজ যখন আল্লাহর নির্দেশে সম্পন্ন হয়েছে তখন এগুলোকে অবৈধ বলার কোনো অবকাশ নেই। এ পর্যায়ে এগুলোকে হযরত মূসা আ. এর সামনে হযরত খিজির আ. কর্তৃক নৌকা ভাঙা, বালককে হত্যা করা ইত্যাদির মতোই শুধু আল্লাহর কাজ ছিল বলেই মূসা আ. সব কাজ আল্লাহর নির্দেশে বিশেষ উপযোগিতার আওতায় করে যাচ্ছিলেন। তদ্রুপ এগুলোও প্রকৃতপক্ষে ইউসুফ আ. এর জন্য গুনাহের কাজ ছিল না। বরং মহান আল্লাহর নির্দেশের বাস্তবায়ন ছিল। হযরত ইউসুফ আ. এর ঘটনা একটি নিদর্শন। ????সুত্রঃ এসো তাকওয়া অর্জন করি


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প


Warning: mysqli_fetch_array() expects parameter 1 to be mysqli_result, boolean given in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/story.php on line 308

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...